

দেশের সরকারি-বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ভর্তিতে লটারি নাকি পরীক্ষা নেওয়া হবে, তা নিয়ে শিক্ষক ও অভিভাবকদের মতবিরোধ দেখা দিয়েছিল। তবে আগামী শিক্ষাবর্ষেও (২০২৬) স্কুলে ভর্তিতে লটারি পদ্ধতি বহাল রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। শিগগির লটারি বহাল রেখে ভর্তি নীতিমালা প্রকাশ করবে মন্ত্রণালয়।
বুধবার দুপুরে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব রেহানা পারভীনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সভায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক বিভাগ, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) এবং ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের কর্মকর্তারা অংশ নেন।
সভা শেষে বিকেলে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. খন্দোকার এহসানুল কবির জাগো নিউজকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, সভায় নানা দিক নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে সার্বিক দিক বিবেচনা করে এবারও লটারির মাধ্যমে স্কুলে শিক্ষার্থী ভর্তির সিদ্ধান্ত বহাল রাখা হয়েছে। শিগগির হয়তো বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হবে।
সভায় অংশ নেওয়া মাউশির একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করে জাগো নিউজকে বলেন, অভিভাবকদের একটি অংশ ভর্তি পরীক্ষা নেওয়ার পক্ষে ছিল। আমরা দেখেছি, তারা মানববন্ধনও করেছেন। তাদের বিষয়টি শিক্ষকরাও আমাদের জানিয়েছিল।
‘তবে লটারি পদ্ধতি বাদ দেওয়া সম্ভব নয়। এটা বাদ দিতে হলে এক বছর হাতে রেখে ঘোষণা দিতে হবে। অন্তর্বর্তী সরকার এ ঝুঁকি নিতে চায় না। সেজন্য লটারি বহাল থাকছে’ বলেও জানান মাউশির ওই কর্মকর্তা।
গত ২৭ অক্টোবর স্কুলে ভর্তিতে পরীক্ষা নেওয়ার দাবি জানিয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিবকে লিখিত আবেদন দেন সরকারি মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতি।
তবে একই দিন অভিভাবক ঐক্য ফোরামের পক্ষ থেকে বিবৃতি দিয়ে এর বিরোধিতা করা হয়। সংগঠনটি লটারি বহাল রেখে সব কোটা বাতিলের দাবি জানান। দুই পক্ষের এমন মতবিরোধে উৎকণ্ঠায় ছিলেন প্রায় ১০ লাখ ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীর অভিভাবকরা। তবে শিক্ষা মন্ত্রণালয় লটারি বহাল রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়ায় সেই বিতর্কের অবসান হয়েছে।
মন্তব্য করুন


ডেস্ক রিপোর্টঃ
২০২৫ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশিত হয়েছে। আগামী ১০ এপ্রিল থেকে এ পরীক্ষা শুরু হবে। প্রথমদিনে সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত বাংলা প্রথমপত্রের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
বৃহস্পতিবার (১২ ডিসেম্বর) আন্তঃশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কমিটির আহ্বায়ক এবং ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক মো. আবুল বাশারের সই করা এ সময়সূচি প্রকাশ করা হয়।
প্রকাশিত সূচি অনুযায়ী— ১০ এপ্রিল থেকে লিখিত পরীক্ষা শুরু হবে, যা চলবে ৮ মে পর্যন্ত। এরপর ১০ মে থেকে ব্যবহারিক পরীক্ষা শুরু হবে। ১৮ মের মধ্যে সবাইকে ব্যবহারিক পরীক্ষা শেষ করতে হবে।
করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে গত কয়েকবছর ধরে পুনর্বিন্যাস করা সিলেবাসে এসএসসি পরীক্ষা নেওয়া হচ্ছিল। তবে আগামী বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা পূর্ণ সিলেবাস এবং পূর্ণমান ও পূর্ণসময়ে অনুষ্ঠিত হবে।
পরীক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ নির্দেশাবলী
>পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট আগে অবশ্যই পরীক্ষার্থীদের আসন গ্রহণ করতে হবে। প্রশ্নপত্রে উল্লিখিত সময় অনুযায়ী পরীক্ষা দিতে হবে।
>প্রথমে বহুনির্বাচনী ও পরে সৃজনশীল বা রচনামূলক (তত্ত্বীয়) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। উভয় পরীক্ষার মধ্যে কোনো বিরতি থাকবে না।
>পরীক্ষার্থীরা তাদের প্রবেশপত্র নিজ নিজ প্রতিষ্ঠান প্রধানের কাছ থেকে পরীক্ষা শুরুর কমপক্ষে তিনদিন আগে সংগ্রহ করবে।
>শারীরিক শিক্ষা, স্বাস্থ্য বিজ্ঞান ও খেলাধুলা এবং ক্যারিয়ার শিক্ষা বিষয়গুলো এনসিটিবির নির্দেশনা অনুসারে ধারাবাহিক মূল্যায়নের মাধ্যমে প্রাপ্ত নম্বর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রকে সরবরাহ করবে। সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্তদের ব্যবহারিক পরীক্ষার নম্বরের সঙ্গে ধারাবাহিক মূল্যায়নে প্রাপ্ত নম্বর বোর্ডের ওয়েবসাইটে অনলাইনে পাঠাতে হবে।
>পরীক্ষার্থীরা তাদের নিজ নিজ উত্তরপত্রের ওএমআর ফরমে তার পরীক্ষার রোল নম্বর, রেজিস্ট্রেশন নম্বর, বিষয় কোড ইত্যাদি যথাযথভাবে লিখে বৃত্ত ভরাট করবে। কোনো অবস্থাতেই উত্তরপত্র ভাঁজ করা যাবে না।
>পরীক্ষার্থীকে সৃজনশীল বা রচনামূলক (তত্ত্বীয়), বহুনির্বাচনী ও ব্যবহারিক অংশে পৃথকভাবে পাস করতে হবে।
>প্রত্যেক পরীক্ষার্থী কেবল রেজিস্ট্রেশন কার্ডে উল্লেখিত বিষয়ে পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবে। কোনো অবস্থাতেই ভিন্ন বিষয়ে পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবে না।
>কোনো পরীক্ষার্থীর পরীক্ষা (সৃজনশীল/রচনামূলক (তত্ত্বীয়), বহুনির্বাচনী ও ব্যবহারিক) নিজ বিদ্যালয়ে/প্রতিষ্ঠানে অনুষ্ঠিত হবে না। পরীক্ষার্থী স্থানান্তরের মাধ্যমে আসন বিন্যাস করতে হবে।
>পরীক্ষার্থীরা পরীক্ষায় সাধারণ সায়েন্টিফিক ক্যালকুলেটর ব্যবহার করতে পারবে।
>কেন্দ্রসচিব ছাড়া অন্য কোনো ব্যক্তি বা পরীক্ষার্থী পরীক্ষা কেন্দ্রে মোবাইল ফোন আনতে এবং ব্যবহার করতে পারবেন না।
>সৃজনশীল/রচনামূলক (তত্ত্বীয়), বহুনির্বাচনী ও ব্যবহারিক পরীক্ষায় পরীক্ষার্থীর উপস্থিতির জন্য একই উপস্থিতি পত্র ব্যবহার করতে হবে। ব্যবহারিক পরীক্ষা স্ব স্ব কেন্দ্র/ভেন্যুতে অনুষ্ঠিত হবে।
>পরীক্ষার ফল প্রকাশের সাতদিনের মধ্যে পুনর্নিরীক্ষার জন্য অনলাইনে এসএমএসের মাধ্যমে আবেদন করা যাবে।
চলছে ফরম পূরণ
গত ১ ডিসেম্বর থেকে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফরম পূরণ শুরু হয়েছে। এক দফা সময় বাড়ানোয় আগামী ১৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত জরিমানা ছাড়া শিক্ষার্থীরা ফরম পূরণ করতে পারবেন। এরপর জরিমানাসহ ফরম পূরণে কিছুদিন সময় পাবেন শিক্ষার্থীরা। এবার বিজ্ঞান, মানবিক ও বাণিজ্য প্রত্যেক বিভাগে ফরম পূরণের ফি ১০০ টাকা বেড়েছে।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে বিলম্ব ফি নিতে পারবে সর্বোচ্চ ১০০ টাকা। তাছাড়া এসএসসি পরীক্ষা যখনই হোক না কেন, নবম ও দশম শ্রেণি মিলিয়ে শিক্ষার্থীর কাছ থেকে ২৪ মাসের বেশি সময়ের বেতন ও সেশন চার্জ নেওয়া যাবে না।
মন্তব্য করুন


শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, মুখস্থ নির্ভর শিক্ষা ব্যবস্থা ব্যক্তির সৃজনশীলতা ও মেধার বিকাশকে সীমিত করে ফেলে। একই রকম মুখস্থ পড়াশোনা দেখে মনে হয় যেন সবাই এক কারখানায় তৈরি হচ্ছেন। এরকম শিক্ষাব্যবস্থায় যে সৃজনশীলতা ও মেধা রয়েছে তার পরিপূর্ণ বিচারের সুযোগকে সীমিত করে ফেলে।
সোমবার (১৫ মে) রাজধানীর সরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজে বঙ্গবন্ধু সৃজনশীল মেধা অন্বেষণ-২০২০ এর জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।শিক্ষামন্ত্রী বলেন, যেকোনো জাতির উন্নয়নের জন্য শিক্ষা একেবারেই আবশ্যিক একটি বিষয়। কারণ যেকোনো দেশ গড়ে তোলার জন্য মূল চালিকা শক্তি হলো শিক্ষা। একইসঙ্গে একটি দেশ কত উন্নত হবে, কতটা সমৃদ্ধশালী হবে সেটাও নির্ভর করে সে দেশের শিক্ষাব্যবস্থা ওপর। আমাদের একেবারেই অতি প্রাচীন যে শিক্ষারব্যবস্থা ছিল সেখানে গুরুর কাছ থেকে তার শিষ্য শিক্ষা গ্রহণ করতেন। সেখানে শিক্ষার্থীদের জীবনমুখী শিক্ষার বিষয়টি প্রাধান্য পেয়েছে। দেখে শেখা, কাজ করে শেখা এবং যা শিখছে তার চর্চা করা, প্রয়োগ করা, এ বিষয়গুলো অতি প্রাচীন শিক্ষাব্যবস্থার অবিচ্ছেদ্য অংশ ছিল।
আরও পড়ুন >>> স্থগিত এসএসসি পরীক্ষার বিষয়ে যা বললেন শিক্ষামন্ত্রী
বঙ্গবন্ধু প্রণীত প্রথম শিক্ষাব্যবস্থার পরিপূর্ণ বাস্তবায়ন এখনকার নতুন শিক্ষা ব্যবস্থায় করা হচ্ছে জানিয়ে তিনি আরও বলেন, আমরা উপনিবেশিক শাসন শোষণের শিকার হয়ে শিক্ষাব্যবস্থায়ও উপনিবেশবাদের শিকার হয়েছি। শিক্ষার গুণগত মান বলতে আমরা যা বুঝি সেগুলো আমাদের সেই অতি প্রাচীন শিক্ষাব্যবস্থায় যেমনভাবে ছিল, আবার উপনিবেশবাদী শিক্ষা ব্যবস্থায় সেটি তেমন ছিল না। বিষয়টি অনুধাবন করতে পেরে জাতির পিতা বলেছিলেন, ‘উপনিবেশিক শিক্ষাব্যবস্থা হলো কেরানি পয়দা করা শিক্ষাব্যবস্থা’। তাই বঙ্গবন্ধুর দিক নির্দেশনায় স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম শিক্ষানীতি প্রণয়ন করেছিলেন ড. কুদরত-ই-খুদা। কিন্তু বঙ্গবন্ধু সেই শিক্ষা নীতি বাস্তবায়ন করে যেতে পারেননি।
দীপু মনি বলেন, আবার ২০১০ সালে এসে বঙ্গবন্ধু কন্যার হাতে আমরা নতুন আরেকটি শিক্ষানীতি পেয়েছি। যেটি সেই প্রচলিত কুদরত-ই-খোদার শিক্ষা কমিশনকে অনুসরণ করা হয়েছে। আমাদের নতুন এ শিক্ষাব্যবস্থায় রূপান্তরের বিষয়টি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
এসময় শিক্ষা মন্ত্রী বঙ্গবন্ধু সৃজনশীল মেধা অন্বেষণ-২০২০ এর জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতার উদ্বোধন ঘোষণা করেন এবং এসব কর্মকাণ্ডে শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করতে সব শিক্ষক, অভিভাবক ও সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব সোলেমান খানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশিক্ষণ) অধ্যাপক ড. প্রবীর কুমার ভট্টাচার্য্য, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সিনিয়র সচিব মো. কামাল হোসেন এবং মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক নেহাল আহমেদ।
মন্তব্য করুন


চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড ঢাকা, রাজশাহী, কুমিল্লা, যশোর, চট্টগ্রাম, বরিশাল, সিলেট, দিনাজপুর, ময়মনসিংহ, বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড এবং বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড একযোগে ফল প্রকাশ করেছে।
প্রতিবছরের মতো এবার ফল প্রকাশ ঘিরে কোনো ধরনের আনুষ্ঠানিকতা রাখা হয়নি। তবে সার্বিক বিষয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, ঢাকার সভাকক্ষে মতবিনিময় সভায় কথা বলেন বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি ও ঢাকা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. খন্দোকার এহসানুল কবির।
তিনি জানায়, এবার গড় পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৬৮.৪৫ শতাংশ। আর মোট জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ লাখ ৩৯ হাজার ৩২ জন শিক্ষার্থী।
মন্তব্য করুন


চলতি বছরের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষা আগামী ২১ এপ্রিল মঙ্গলবার থেকে শুরু হবে। বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) আন্তঃশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কমিটির আহ্বায়ক ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর এস এম কামাল উদ্দিন হায়দার এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে পরীক্ষা শুরু হবে। ২১ এপ্রিল বাংলা ১ম পত্রের মাধ্যমে পরীক্ষা শুরু হয়ে তত্ত্বীয় পরীক্ষা শেষ হবে ২০ মে।
পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক জানান, মাদ্রাসা (দাখিল) ও কারিগরির এসএসসি (ভোকেশনাল) একই সময়সূচি অনুযায়ী অনুষ্ঠিত হবে।
মন্তব্য করুন


কুবি প্রতিনিধি:
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকদের চলমান আন্দোলনের কারণে ৯২ তম জরুরি সিন্ডিকেট সভায় অনির্দিষ্টকালের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এতে আবাসিক হল সমূহও বন্ধ থাকবে।
মঙ্গলবার (৩০ এপ্রিল) বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্য সূত্রে বিষয়টি জানা গেছে।
সিন্ডিকেট সূত্র জানায়, অনির্দিষ্টকালের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় ও হলসমূহ বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পরবর্তীতে আলাপ-আলোচনা করে বিশ্ববিদ্যালয়ের দুইটি কমিটি গঠন করা হবে। একটা শিক্ষকদের দাবি-দাওয়ার ব্যাপারে এবং অন্যটি ২৮ এপ্রিল যে ঘটনা ঘটেছে সে ঘটনার একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে।
আবাসিক হল কেন বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এমন প্রশ্নের জবাবে সিন্ডিকেট সদস্য জানান, উপাচার্য দাবি করেছেন আবাসিক হলগুলোতে প্রচুর অস্ত্র ডুকতেছে। শিক্ষার্থীদেরকে টাকা দেওয়া হচ্ছে। এতে এখানে অন্যরকম ঘটনা ঘটে যেতে পারে।
মন্তব্য করুন


২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে অনলাইনের মাধ্যমে ভর্তির ১ম পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের আবেদনের সময় শেষ হবে আগামী শুক্রবার (১৫ আগস্ট)। এদিন রাত ৮টা পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন শিক্ষার্থীরা।
এদিকে আগের সূচি অনুযায়ী প্রথম পর্যায়ে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ফল প্রকাশ করা হবে ২০ আগস্ট। নির্বাচিতদের ফল প্রকাশের পরই দ্বিতীয় ও তৃতীয় পর্যায়েও আবেদন করা যাবে। যাচাই-বাছাই শেষে ভর্তির কাজ চলবে আগামী ৭ সেপ্টেম্বর থেকে ১৪ সেপ্টেম্বরের মধ্যে। আর একাদশ শ্রেণির ক্লাস শুরু হবে ১৫ সেপ্টেম্বর।
এর আগে, গত ২৪ জুলাই একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির নীতিমালা প্রকাশ করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এবারও আগের নিয়মেই আবেদন গ্রহণ ও ভর্তির কাজটি করা হবে। একাদশ শ্রেণির ভর্তিতে কোনো বাছাই পরীক্ষা হবে না (ঢাকার নটর ডেম কলেজসহ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী পরীক্ষা নিয়ে আসছে)। এসএসসি ও সমমানের ফলের ভিত্তিতে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে।
অনলাইনে আবেদন যেভাবে-
অনলাইনে নির্ধারিত ওয়েবসাইটে একাদশ শ্রেণির ভর্তির আবেদন করতে হবে শিক্ষার্থীদের। অনলাইন ছাড়া ম্যানুয়ালি ভর্তির আবেদন করা হবে না। শিক্ষার্থীদের আবেদন ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ২২০ টাকা। এ ফি দিয়ে সর্বনিম্ন ৫টি এবং সর্বোচ্চ ১০টি কলেজে পছন্দ দিতে হবে শিক্ষার্থীদের। একজন শিক্ষার্থী যতগুলো কলেজে আবেদন করবে, তার মধ্য থেকে তার মেধা, কোটা ও পছন্দক্রমের ভিত্তিতে একটিমাত্র কলেজে ভর্তির জন্য নির্বাচিত হবে।
তবে যেসব শিক্ষার্থী বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন হিসেবে এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে, তারা বোর্ডে ম্যানুয়ালি ভর্তির জন্য আবেদন করতে পারবে। প্রবাসীদের সন্তান ও বিকেএসপি থেকে শিক্ষার্থী ভর্তির জন্য বোর্ডে ম্যানুয়ালি আবেদন করতে পারবে। এ ক্ষেত্রে বোর্ড প্রমাণপত্র যাচাই-বাছাই করে শিক্ষার্থীর ভর্তির ব্যবস্থা করবে।
গ্রুপ নির্বাচন যেভাবে হবে-
বিজ্ঞান গ্রুপ থেকে এসএসসি উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা উচ্চমাধ্যমিকে বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা গ্রুপের যেকোনো একটি নির্বাচন করতে পারবে। মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা গ্রুপ থেকে উত্তীর্ণরা এ দুই গ্রুপের যেকোনো একটি নির্বাচন করতে পারবে। দাখিল উত্তীর্ণ বিজ্ঞান গ্রুপের শিক্ষার্থীরা বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা গ্রুপের যেকোনো একটি ও সাধারণ গ্রুপ থেকে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা গ্রুপের যেকোনো একটি নির্বাচন করতে পারবেন। ভর্তির জন্য কোনো পরীক্ষা হবে না, শিক্ষার্থীদের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে ভর্তি করা হবে।
তিন ধাপে আবেদন ও ফল প্রকাশ, ভর্তি ও ক্লাস কবে-
প্রথম ধাপে অনলাইনে একাদশে ভর্তির আবেদনের শেষ দিন ছিল ১১ আগস্ট পর্যন্ত। এখন চারদিন সময় বৃদ্ধি করা হলো। এখন ১৫ আগস্ট পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা আবেদন করতে পারবেন। প্রথম ধাপের ফল প্রকাশ করা হবে ২০ আগস্ট রাত ৮টার দিকে প্রকাশ হবে। এরপর আরও দুই ধাপে আবেদন গ্রহণ, ফল প্রকাশ, নিশ্চয়ন ও চূড়ান্ত ভর্তি শেষে আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর একাদশ শ্রেণিতে ক্লাস শুরু করা হবে।
কলেজে ভর্তি ফি কত-
ভর্তির সময় এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে ঢাকা মহানগরে পাঁচ হাজার টাকা সেশন চার্জ ও ভর্তি ফি নেওয়া যাবে। ঢাকা মহানগর ছাড়া অন্য মহানগর এলাকায় তিন হাজার, জেলায় দুই হাজার ও উপজেলা বা মফস্বল এলাকায় দেড় হাজার টাকা নেওয়া যাবে। এ ছাড়া এমপিওভুক্ত নয়, এমন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বা আংশিক এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে উন্নয়ন ফি, সেশন চার্জ ও ভর্তি ফি কত নেওয়া যাবে, সেটি নীতিমালায় উল্লেখ করা হয়েছে। এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে ঢাকা মহানগরে বাংলা ভার্সনে সাড়ে সাত হাজার ও ইংরেজি ভার্সনে সাড়ে আট হাজার টাকা নেওয়া যাবে।
ঢাকা মহানগর বাদে অন্যান্য মহানগর এলাকায় বাংলা ভার্সনে পাঁচ হাজার ও ইংরেজি ভার্সনে ছয় হাজার টাকা, জেলা পর্যায়ে বাংলা ভার্সনে তিন হাজার ও ইংরেজি ভার্সনে চার হাজার টাকা এবং উপজেলা ও মফস্বল এলাকায় বাংলা ভার্সনে আড়াই হাজার ও ইংরেজি ভার্সনে তিন হাজার টাকা নেওয়া যাবে।
নীতিমালা অনুযায়ী, কলেজ বা সমমানের প্রতিষ্ঠানে ভর্তির ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ৯৩ শতাংশ আসন সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে, যা মেধার ভিত্তিতে নির্বাচন হবে। বাকি ৭ শতাংশ আসনের মধ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সন্তানদের জন্য ১ শতাংশ এবং অধীনস্থ দপ্তর-সংস্থার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সন্তানদের জন্য ১ শতাংশ আসন মহানগর, বিভাগীয় ও জেলা সদরের প্রতিষ্ঠানে ভর্তির জন্য সংরক্ষিত থাকবে (ন্যূনতম যোগ্যতা থাকতে হবে)। এ ছাড়া মুক্তিযোদ্ধা বা শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের পুত্র-কন্যার ভর্তির জন্য ৫ শতাংশ আসন সংরক্ষিত থাকবে। তবে পুত্র-কন্যা পাওয়া না গেলে মেধাতালিকা থেকে এই আসনে ভর্তি করতে হবে। কোনো অবস্থায় আসন শূন্য রাখা যাবে না।
মন্তব্য করুন


স্টাফ রিপোর্টারঃ
এইচএসসি পরীক্ষায় ফেল করা শিক্ষার্থীরা কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের ফটকে তালা ঝুলিয়ে ফলাফল পরিবর্তন করে পাস ঘোষণার দাবি জানিয়েছে।
রোববার (২০ অক্টোবর) বেলা ১১টা থেকে কুমিল্লা বোর্ডের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা বোর্ডের সামনে অবস্থান নেন এবং প্রধান ফটক আটকে দেন।
আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের দাবি, এসএসসিতে ভালো ফলাফল করলেও এবারের এইচএসসি পরীক্ষার উত্তরপত্র সঠিকভাবে মূল্যায়ন করা হয়নি। সাতটি বিষয়ে পরীক্ষা দিলেও বাকী বিষয়গুলোর ফলাফল এসএসসির উপর ভিত্তি করে ম্যাপিং করা হয়েছে। শিক্ষার্থীরা চায়, সব বিষয়ের ফল ম্যাপিং করে তাদের পাস দেখানো হোক।
জানা গেছে, সম্প্রতি প্রকাশিত উচ্চ মাধ্যমিকের ফলাফলে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীরা সকাল থেকেই বোর্ডে জড়ো হন। তারা বোর্ডের সিদ্ধান্তকে বৈষম্যমূলক আখ্যা দিয়ে প্রতিবাদ করেন এবং নানা স্লোগান দেন। পরে বোর্ডের নিরাপত্তারক্ষীরা তাদের নিবৃত্ত করার চেষ্টা করেন। কিছু শিক্ষার্থী বোর্ড চেয়ারম্যানের ভবনে গিয়ে প্রধান ফটকে তালা লাগিয়ে দেয়। শিক্ষার্থীদের একজন প্রতিনিধি বোর্ড চেয়ারম্যান ড. নিজামুল করিমের সঙ্গে দেখা করেন। চেয়ারম্যান তাদের লিখিত অভিযোগ মন্ত্রণালয়ে পাঠাবেন বলে আশ্বাস দেন।
তবে সেই আশ্বাসে অনেক শিক্ষার্থী সন্তুষ্ট না হয়ে তাৎক্ষণিকভাবে ফলাফল পরিবর্তনের দাবি জানান। বিকেল পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা ফটকে অবস্থান করে।
কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ড. মো. আসাদুজ্জামান বলেন, ‘আমরা শিক্ষার্থীদের ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করতে বলেছি এবং তাদের দাবির বিষয়টি মন্ত্রণালয়ে জানাবো। কিন্তু তারা তা না শুনেই বোর্ডের সামনে বসে আছে। তারা সবাই আজই পাস চায়।’
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) আঞ্চলিক সংগঠন ‘চৌদ্দগ্রাম স্টুডেন্টস ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন’ নবীনবরণ ও প্রবীণ বিদায় অনুষ্ঠান আয়োজন করেছে।
শনিবার (১১ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান অনুষদের অডিটোরিয়ামে এ অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি মামুনুর রশীদ মজুমদার। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক নূরুল করিম চৌধুরী।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী রেজিস্ট্রার মোহাম্মদ মোশাররফ হোসেন, সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক আরিফুর ইসলাম, এবং সংগঠনের বর্তমান ও সাবেক সদস্যরা।
অনুষ্ঠানের শুরুতে আমন্ত্রিত অতিথিদের ক্রেস্ট দিয়ে বরণ করা হয়। এরপর নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ ও প্রবীণ শিক্ষার্থীদের বিদায় জানাতে সংবর্ধনা এবং ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।
নৃবিজ্ঞান বিভাগের ২০২৪–২৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী সাদিয়া রহমান মলি অনুভূতি প্রকাশ করে বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ে পা রেখেছি প্রায় চার মাস হয়ে গেছে। আজকে আমাদের অ্যাসোসিয়েশন থেকে নবীনবরণ ও বিদায়ি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। এই ছোট্ট সময়ে আমার প্রাণের সংগঠন। আমার অ্যাসোসিয়েশনের প্রথম প্রোগ্রামে অংশ নিতে পেরে আমি সত্যিই আনন্দিত। এই প্রোগ্রামে অংশগ্রহণ করে কতটা ভালো লেগেছে, তা ভাষায় প্রকাশ করা সম্ভব নয়। এখানে এসে আমি এক ধরনের ‘হোম-হোম’ অনুভূতি পেয়েছি। বিশ্ববিদ্যালয় জীবন শুধু পড়াশোনা ও ডিগ্রি অর্জনের জন্য নয়, বরং সুন্দর সম্পর্ক গড়ে তোলাও একটি বড়ো অর্জন, যা আমি এই অ্যাসোসিয়েশনে এসে উপলব্ধি করেছি।”
প্রধান অতিথি নূরুল করিম চৌধুরী বলেন, “এটা আমার প্রাণের সংগঠন। আমার বাড়িও যেহেতু চৌদ্দগ্রামে, তাই চৌদ্দগ্রামের সন্তানদের নিয়ে গঠিত এই সংগঠনটি আমার কাছে বিশেষ প্রিয়। এই সংগঠনে সকলের অংশগ্রহণ দরকার। যে-কোনো অনুষ্ঠানের আয়োজন করতে গেলে অ্যালামনাইদের এগিয়ে আসতে হবে। সংগঠনে যুক্ত হলে আমরা একে অপরকে চিনতে পারব এবং আমাদের মাঝে সুন্দর সম্পর্ক তৈরি হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ে তোমাদের যে-কোনো সমস্যায় আমি পাশে থাকব এবং সমাধানের চেষ্টা করব। সবার লক্ষ্য যেন সবসময় উঁচু থাকে, ভবিষ্যতে আরও ভালো করো, এই দোয়া রইল।”
অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মামুনুর রশীদ মজুমদার বলেন, “আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করছি, আমি আমার দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে পেরেছি। সবাইকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি আমাকে সবসময় সহযোগিতা ও সমর্থন করার জন্য। আজকের অনুষ্ঠানের জন্য অতিথিবৃন্দ অনেক কষ্ট করে এসেছেন, তাঁদের প্রতিও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। আমরা আমাদের সংগঠনের প্রতিটি কার্যক্রম যথাসময়ে সম্পন্ন করার চেষ্টা করেছি। সামনে যারা নেতৃত্বে আসবে, তারাও যেন একইভাবে দায়িত্ব পালন করে এই প্রত্যাশা রাখি।”
উল্লেখ্য নবীণ ও প্রবীণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্রেস্ট বিতরণ, কাওয়ালি আসর ও সমাপনী বক্তব্যের মাধ্যমে অনুষ্ঠানটি সম্পন্ন হয়।
মন্তব্য করুন


২০২৫ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় একযোগে দেশের ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডসহ মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের ফল প্রকাশিত হয়। এবার এইচএসসিতে পাশের হার ৫৮ দশমিক ৮৩ শতাংশ। গত বছরের তুলনায় এবার পাসের হার কমেছে ১৮ দশমিক ৯৫ শতাংশ।
প্রকাশিত ফল বিশ্লেষণে দেখা গেছে, এবার শিক্ষার্থীরা সবচেয়ে বেশি ফেল করেছেন হিসাব বিজ্ঞান, ইংরেজি ও আইসিটি বিষয়ে।
হিসাব বিজ্ঞানে ফেল করেছেন ৪১ দশমিক ৪৬ শতাংশ শিক্ষার্থী, ইংরেজিতে ৩৮ দশমিক ৮ শতাংশ, আর আইসিটিতে ২৭ দশমিক ২৮ শতাংশ শিক্ষার্থী অনুত্তীর্ণ হয়েছেন।
বুধবার (১৬ অক্টোবর) সকালে ঢাকার মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের সভাকক্ষে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানিয়েছেন আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. খন্দোকার এহসানুল কবির।
প্রকাশিত ফল অনুযায়ী, এ বছর এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় ২০২টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কেউ পাস করেনি। যেখানে গত বছর এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় ৬৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে একজনও পাস করেনি। অন্যদিকে চলতি বছর ৩৪৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শতভাগ শিক্ষার্থী পাস করেছেন। যেখানে গত বছর এইচএসসিতে ১ হাজার ৩৮৮টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শতভাগ শিক্ষার্থী পাস করেছিল।
ফলাফল বিশ্লেষণে আরও দেখা যায়, এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফলে এ বছর বরাবরই এগিয়ে রয়েছেন ছাত্রীরা। মোট পাস এবং জিপিএ-৫ এর দিক দিয়ে এগিয়ে রয়েছেন তারা। ১১টি শিক্ষা বোর্ডে মোট ছাত্রের চেয়ে ৮৭ হাজার ৮১৪ জন বেশি ছাত্রী উত্তীর্ণ হয়েছেন। ছাত্রের চেয়ে ৫ হাজার ৯৭ জন বেশি ছাত্রী জিপিএ-৫ পেয়েছেন। ১২ লাখ ৩৫ হাজার ৬৬১ জন অংশ নেন। উত্তীর্ণ হন ৭ লাখ ২৬ হাজার ৯৬০ জন। ছাত্র উত্তীর্ণ হয়েছেন ৩ লাখ ৩৩ হাজার ৮৬৪ জন। ছাত্রী উত্তীর্ণ হয়েছেন ৩ লাখ ৯৩ হাজার ৯৬ জন। ছাত্রদের পাসের হার ৫৪ দশমিক ৬০ শতাংশ। ছাত্রীদের পাসের হার ৬২ দশমিক ৯৭ শতাংশ। ৩২ হাজার ৫৩ জন ছাত্র জিপিএ-৫ পেয়ছেন, আর ৩৭ হাজার ৪৪ জন ছাত্রী জিপিএ-৫ পেয়ছেন।
মন্তব্য করুন


মন্তব্য করুন