

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন জানিয়েছেন সীমিত আকারে হলেও ভোটিং সিস্টেমে প্রবাসীদের আনার লক্ষ্যের কথা। তিনি জানান, পৃথিবীর অনেক দেশে আউট অফ কান্ট্রি ভোটিং আছে। অনেক দেশে এটি শুরু করেও পারেনি নানা সমস্যার কারণে। পাশের দেশ ভারতও এখনও এটি চালু করতে পারেনি। আমরা এটি চালু করতে চাই। সীমিত পরিসরে শুরুটা অন্তত হোক।
মঙ্গলবার (২৯ এপ্রিল) নির্বাচন ভবনের অডিটোরিয়ামে প্রবাসী বাংলাদেশীদের ভোটাধিকার বিষয়ে অংশীজনদের নিয়ে নির্বাচন কমিশনের এক সেমিনারের শুরুতে তিনি এসব কথা জানান।
আগামী নির্বাচনে প্রবাসীদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করা আমাদের ওয়াদা জানিয়ে সিইসি জানায়, এটা আমাদের কাছে সবার দাবিও। আমরা এটা নিয়ে কাজ করেছি। দেশের আর্থসামাজিক বাস্তবতা ও শিক্ষা- সবকিছু পর্যালোচনা করে একটা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবো। রাজনৈতিক নেতারা সমর্থন না দিলে কোনো কিছুই বাস্তবায়ন হবে না। মানুষের আস্থা যেন থাকে, কম খরচে যেন বাস্তবায়ন করতে পারি সেই পদ্ধতিতে বেছে নিতে হবে। পরবর্তী নির্বাচনে প্রবাসীদের ভোট চালু করতে চাই।
নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ (অবসরপ্রাপ্ত) বলেন, বাংলাদেশের নির্বাচনের ইতিহাসে প্রবাসী ভোটাররা কোনোদিনই ভোট দিতে পারেননি। প্রবাসী ভোটাররা আমাদের মোট ভোটারদের ১০ শতাংশ। আমাদের লক্ষ্য প্রবাসী ভোটারদের ভোটিং সিস্টেমে আনা।
মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করে তিনি বলেন, প্রবাসী ভোটারদের ভোটাধিকার আমাদের প্রয়োজন আছে। ১০ শতাংশ ভোটারদের মতামতবিহীন ভোট, কিছুটা খণ্ডিত মতামত।
১৭৮ দেশের মধ্যে ১১৫টির প্রবাসীরা ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন উল্লেখ করে এই নির্বাচন কমিশনার জানান, ২০ শতাংশ দেশে সেই দেশের প্রবাসীরা দেশীয় ভোটারদের তুলনায় বেশি ভোট দেন। এসব দেশে প্রবাসী ভোটাররা কেবল জাতীয় নির্বাচনে ভোট দিতে পারেন।
এসময় তিনি প্রবাসী ভোটিং সিস্টেম তৈরির প্রস্তুতিসমূহ বর্ণনা করেন।
ইসি সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদের সঞ্চালনয়ে সেমিনারে নির্বাচন কমিশনের শীর্ষ কর্মকর্তা ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ বলেন, প্রবাসীরা ভোট দিতে না পারলে ভোটের কাস্ট হারে প্রভাব পড়ে। সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজনে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ নির্বাচন কমিশন। আমরা উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট চাই। এই উৎসবে প্রবাসীদের অন্তর্ভুক্ত করতে চাই।
মন্তব্য করুন


নির্বাচনে পক্ষপাতিত্ব করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। তিনি বলেছেন, নির্বাচনে সততা ও নিরপেক্ষতার প্রশ্নে কমিশন শক্ত অবস্থানে থাকবে। এখানে বড় দল বা ছোট দলের কোনো ভেদাভেদ নেই, সবাই সমান। নির্দেশনার পরও কোনো কর্মকর্তা পক্ষপাতমূলক আচরণ করলে তার পরিণতি হবে কঠোর।
রবিবার (১ ফেব্রুয়ারি) সকালে বরিশালের সার্কিট হাউসে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ২০২৬ উপলক্ষে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেল এবং ডিজিটাল ও অবজারভেশন টিমের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন তিনি।
প্রবাসীদের ভোটে কারচুপির সুযোগ নেই জানিয়ে তিনি বলেন, প্রবাসীদের ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়ায় কোনো ধরনের কারচুপির সুযোগ নেই। ভোট প্রদানের ক্ষেত্রে লাইভ ভেরিফিকেশন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে এবং ব্যবহৃত ব্যালটের নিরাপত্তায় গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা দায়িত্ব পালন করবেন।
ইসি সানাউল্লাহ জানান, প্রবাসীদের জন্য ব্যবহৃত ব্যালটে মোট ১১৯টি প্রতীক থাকবে।
ফলে খাম খোলা ও সঠিকভাবে ভোট গণনায় তুলনামূলকভাবে বেশি সময় লাগবে। ভোটকেন্দ্রে শুধু প্রিজাইডিং অফিসার কলম সঙ্গে নিতে পারবেন, অন্য কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্টরা পেনসিল ব্যবহার করবেন। ভোটের দিন প্রতি আসনে ১০ জন করে ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করবেন।
তিনি বলেন, মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসের মাধ্যমে অনিয়ম ঠেকাতে কমিশন বিশেষভাবে সতর্ক রয়েছে।
একই সঙ্গে নির্বাচন পরিচালনার সঙ্গে যুক্ত কর্মকর্তাদের কোনো ধরনের আপ্যায়ন বা আতিথেয়তা গ্রহণ থেকে বিরত থাকতে নির্দেশ দেন তিনি।
মন্তব্য করুন


আমরা আস্থার জায়গায় কেউ নেই, এটি জাতীয় সংকট বলে মন্তব্য করেছেন নির্বাচন কমিশনার মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার।
আজ বৃহস্পতিবার (৪ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন ভবনে রিপোর্টার্স ফোরাম ফর ইলেকশন অ্যান্ড ডেমোক্রেসির (আরএফইডি) সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।
ইসি আনোয়ারুল বলেন, সবচেয়ে মুশকিল হয়ে গেলো কী- আমি, আপনি, আপনারা সবাই মিলে কেউ কিন্তু আস্থার জায়গায় নেই। আমি আস্থার জায়গায় আছি, এই দাবি করি না। এই যে আস্থার সংকট, এটা আমাদের জাতীয় সংকট। আমি বিচ্ছিন্নভাবে বলতে পারবো না যে অমুকে খারাপ, আমি ভালো। আর আপনিও বলতে পারবেন না যে আমি খারাপ, আপনি ভালো।
তিনি বলেন, আমাদের নির্বাচন কমিশনের পক্ষ্য থেকে বলা হচ্ছে আস্থা পুনরুদ্ধার। সেই আস্থা পুনরুদ্ধারের ক্ষেত্রে প্রতিটি প্রফেশন, প্রতিটি পেশার সঙ্গে আমাদের ভালো সম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে। সবাই সবার প্রফেশনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল, এই যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা-বিশ্বাস, এটা যেন থাকে। ভালো নির্বাচন করতে পরস্পরকে সহায়তা করতে হবে।
আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেন, আমাদের নির্বাচনী কর্মকাণ্ডের স্বার্থে ২৪ ঘণ্টা জড়িত থাকেন সাংবাদিকরা। আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি আপনাদের যেই নীতিমালার খসড়া দিয়েছেন, এটি যদি আমরা আগে পেতাম তাহলে হয়তো ভালো হতো। আমি বিশ্বাস করি, প্রত্যেকটা বিষয়ে চুলচেরা বিশ্লেষণ করা দরকার রয়েছে, আপনাদের দিক থেকেও আমাদের সহযোগিতা করুন। বাস্তবতার নিরিখে যার যার অবস্থান থেকে যেন আমরা একটা ভালো নির্বাচন করতে পারি সেজন্য পরস্পরকে সহযোগিতা করবো।
‘আমার মনে হয় যে এটি নিয়ে আরও আলোচনা পর্যালোচনা, বিশ্লেষণ আপনাদের অভিজ্ঞতা, আমাদের অভিজ্ঞতা বিনিময় দরকার। মূল উদ্দেশ্য যেহেতু আমাদের সবার একটাই, আমার মনে হয় যে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে এগুলো পরে সমাধান করা যায়।’
নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদের সভাপতিত্বে সভায় নির্বাচন কমিশনার আবদুর রহমানেল মাসুদ, বেগম তাহমিদা আহমদ এবং ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ, আরএফইডি’র সভাপতি কাজী জেবেল, সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান বলেন, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন ছাড়া গণতন্ত্র অর্থহীন। যেন অনেকটা জমিদারের ভাঙ্গা বাড়ির মতো।
বৃহস্পতিবার প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে আপিল বিভাগের পূর্নাঙ্গ বেঞ্চে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা ফেরাতে আপিলের ওপর রাষ্ট্রপক্ষের দ্বিতীয় দিনের শুনানিতে তিনি এ কথা বলেন।
শুনানিতে তিনি বলেন, গণতন্ত্র সুসংহত করতে সংবিধানে যেকোনো পদক্ষেপ নেওয়া হলে মৌলিক কাঠামোর পরিপন্থী হবে না। তত্ত্বাবধায়ক সরকার বাতিলের পেছনে যে যুক্তি দিয়েছিল আপিল বিভাগ তা ছিলো উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও ভ্রান্তপ্রসূত বলেও জানান তিনি।
এর আগে বুধবার প্রথম দিনের শুনানিতে তিনি বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার বাতিল হওয়ার কারণে দেশের নির্বাচনী ব্যবস্থা, গণতন্ত্র ধ্বংস হয়েছে। রাজনৈতিক বিদ্বেষমূলকভাবে আওয়ামী লীগকে সুবিধা দিতেই নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করা হয়।
আবারও গণতন্ত্রের স্বার্থে দেশে আবারো তত্ত্বাবধায়ক সরকার ফেরা উচিত বলে আপিল বিভাগকে জানান রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন কর্মকর্তা অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান। বিএনপি, জামায়াত ও সুজনসহ বিশিষ্ট নাগরিকদের পক্ষের আইনজীবীরাও এর আগে তত্ত্বাবধায়ক ফেরাতে তাদের আইনি যুক্তি তুলে ধরেন।
মন্তব্য করুন


যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেন, ইশরাকের মেয়র হওয়া না হওয়ার বিষয়টি আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। আইনি জটিলতা থাকায় এ ঘটনায় আমাকে ব্যক্তিগতভাবে আক্রমণ করার কোনো যৌক্তিকতা নেই, আমাকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা বা দোষারোপ করা সমীচীন হবে না।
আজ মঙ্গলবার (২০ মে) দুপুরে সাভারের জাতীয় যুব উন্নয়ন ইন্সটিটিউটে "উদ্যোক্তা উন্নয়নে তারুণ্য ও আগামীর সম্ভাবনা" প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আয়োজিত যুব সমাবেশ-২০২৫ এ প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ জানান, ইশরাকের মেয়র হওয়া না হওয়ার সিদ্ধান্ত আমি একা নিচ্ছি না।
এখানে সরকার কাজ করছে। আর সরকার যখন কাজ করে তখন ব্যক্তি হিসেবে করে না। বিষয়টি নিয়ে আমরা আইন মন্ত্রণালয়ের মতামত চেয়েছি। সেটা পেলে সিদ্ধান্ত নেব।
এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে আন্দোলন যেন জনজীবনে কোন বাধা সৃষ্টি করতে না পারে, বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখার জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে আহ্বান জানানো হয়েছে।
ভারত কর্তৃক পণ্য আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা প্রসঙ্গে উপদেষ্টা জানায়, এই নিষেধাজ্ঞার ফলে আমাদের থেকে ভারত বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে আমরা মনে করি। এখন আমাদের বিকল্প ব্যবস্থা খুঁজতে হবে, বিকল্প ব্যবস্থা হওয়ার আগ পর্যন্ত ব্যবসায়ীদের সাময়িক কিছু সমস্যা হবে। তবে আমরা মনে করি, এতে করে দীর্ঘমেয়াদি ভাবে আমাদের আত্মনির্ভরশীল হওয়ার একটি সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে এবং দেশ সামনের দিকে এগিয়ে যাবে।
এর আগে যুব সমাবেশ- ২০২৫ এ প্রধান অতিথি হিসেবে অংশ নিয়ে উদ্যোক্তা হওয়ার প্রতি জোর দেন তিনি। জাতীয় যুব উন্নয়ন ইনস্টিটিউটের প্রশিক্ষণ ও প্রশিক্ষিত উদ্যোক্তাগণের সঙ্গে মেলাবন্ধন সৃষ্টিসহ রাষ্ট্রের গৃহীত পদক্ষেপ সম্পর্কে যুবক যুবতীদের অবহিতকরণের উদ্দেশ্যে এই সমাবেশের আয়োজন করা হয়।
মন্তব্য করুন


স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী জানিয়েছেন, ২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর পিলখানায় সংঘটিত বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনায় একটি তদন্ত কমিশন গঠন করা হয়েছে।
সোমবার (২৩ ডিসেম্বর) রাজধানীর পিলখানায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সদর দপ্তরে বিজিবি দিবস উপলক্ষে পদক প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এ তথ্য জানান।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, “বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনায় ৭ সদস্যের একটি তদন্ত কমিশন গঠন করা হয়েছে। রোববার (২২ ডিসেম্বর) রাতে প্রধান উপদেষ্টা এতে অনুমোদন দিয়েছেন।”
তিনি আরও জানান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফেরানোর জন্য ভারতের সঙ্গে যোগাযোগের প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে চিঠি দেওয়া হয়েছে। বন্দি প্রত্যর্পণ চুক্তির আওতায়ই তাকে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।
সীমান্তে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ বিষয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, “আমাদের নীতিগত অবস্থানে কোনো পরিবর্তন আসেনি। রোহিঙ্গাদের কোনোভাবেই প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না। শুধুমাত্র যারা অসুস্থ, তাদের মানবিক বিবেচনায় আশ্রয় দেওয়া হচ্ছে।”
তিনি আরও বলেন, “পররাষ্ট্র উপদেষ্টা যে দুই মাসের মধ্যে ৬০ হাজার রোহিঙ্গা প্রবেশের কথা বলেছেন, তা আসলে স্লিপ অব টাং। প্রকৃতপক্ষে গত দেড় থেকে দুই বছরের মধ্যে ৬০ হাজার রোহিঙ্গা প্রবেশ করেছে।”
এ সময় কুমিল্লায় মুক্তিযোদ্ধাদের হেনস্তার ঘটনায় জড়িতদের আইনের আওতায় আনার বিষয়ে তিনি বলেন, “যারা মুক্তিযোদ্ধাদের হেনস্তা করছে, তাদের অবশ্যই আইনের আওতায় আনা হবে।”
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলম দেশের সীমান্তবর্তী জেলাগুলোর পুলিশ সুপারদের সতর্কতা অবলম্বনের নির্দেশ দিয়েছেন।
বুধবার (৭ মে) বিকেলে রাজধানীর গুলশানে বাংলাদেশ পুলিশ বার্ষিক শ্যুটিং প্রতিযোগিতা ২০২৪-এর সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে তিনি এ নির্দেশনা দেন।
আইজিপি বলেন, ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের নিরাপত্তা যেন কোনোভাবে বিঘ্নিত না হয়, সেই লক্ষ্যে সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতে বিশেষ নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, জঙ্গি বা সন্ত্রাসী গোষ্ঠী যেন কোনোভাবেই দেশে অনুপ্রবেশ করতে না পারে, সে বিষয়ে কঠোর নিয়ন্ত্রণ রাখতে হবে।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ পুলিশ ক্লাবের সভাপতি ও পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)-এর অতিরিক্ত আইজিপি মো. মোস্তফা কামালসহ অন্যান্য উচ্চপদস্থ পুলিশ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


পাকিস্তান-আফগানিস্তান সীমান্তে রক্তক্ষয়ী সংঘাতের কারণ কী- এখন এমন প্রশ্ন সবার মনে। শনিবার (১১ অক্টোবর) রাতে হঠাৎই তীব্র সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে দুই দেশের নিরাপত্তা বাহিনী। আফগান তালেবান যোদ্ধাদের হামলার পর পাকিস্তানি সেনারা পাল্টা গোলাবর্ষণ শুরু করলে সীমান্তজুড়ে ঘণ্টাব্যাপী গোলাগুলি চলে।
এই সংঘর্ষের সূত্রপাত ঘটে চলতি সপ্তাহে কাবুলে পাকিস্তানের কথিত বিমান হামলার পর। এটি নিয়ে দুই দেশের নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়। আফগান প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় অভিযোগ করেছে, পাকিস্তান তাদের আকাশসীমা লঙ্ঘন করে হামলা চালিয়েছে।
তালেবান কর্মকর্তারা দাবি করেছেন, তারা হেলমান্দ প্রদেশের দক্ষিণাঞ্চলে পাকিস্তানের অন্তত দুটি সীমান্তচৌকি দখল করেছেন। স্থানীয় কর্তৃপক্ষও এই তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছে।
পাকিস্তানি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আফগান বাহিনীর হামলার জবাবে তারা ভারী অস্ত্রে পাল্টা গুলি চালিয়েছেন। ‘শনিবার রাতে তালেবান বাহিনী একাধিক সীমান্তপয়েন্টে গুলি চালায়। আমরা চারটি স্থানে আর্টিলারি দিয়ে জবাব দিয়েছি,’ ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানকে বলেন পাকিস্তানের এক সরকারি কর্মকর্তা।
তিনি আরও বলেন, আমরা আমাদের ভূখণ্ডে আফগান তালেবানের আগ্রাসন বরদাশত করব না। পাকিস্তানি সেনারা ভারী গোলাবর্ষণের মাধ্যমে আফগান সীমান্ত পোস্টগুলো লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে।
পাকিস্তান সেনাবাহিনী আর্টিলারি, ট্যাংক, হালকা ও ভারী অস্ত্র ব্যবহার করেছে বলে নিশ্চিত করেছে সামরিক সূত্র।
এর আগে, গত বৃহস্পতিবার আফগান রাজধানী কাবুলে দুটি ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে একটি বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এরপর আফগান প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় পাকিস্তানকে এই হামলার জন্য দায়ী করে বলে, ‘এটি আফগান সার্বভৌমত্বের লঙ্ঘন।’
সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান
মন্তব্য করুন


বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানার পারভেজ মিয়া হত্যা মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাবেক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান, সাবেক আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, তৃণমূল বিএনপির চেয়ারম্যান শমসের মবিন চৌধুরী ও পুলিশের সাবেক আইজিপি চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুনকে ফের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার অনুমতি পেয়েছে পুলিশ।
সোমবার ঢাকা মহানগর হাকিম ফারহান ইসতিয়াক শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। মহানগর দায়রা জজ আদালতে সরকারি কৌসুলি অ্যাডভোকেট ওমর ফারুক ফারুকী এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এদিন সকালে আসামিদের কারাগার থেকে আদালতে হাজির করে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা যাত্রাবাড়ী থানার উপপরিদর্শক নাজমুল হাসান।
এসময় রাষ্ট্রপক্ষে পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) ওমর ফারুক ফারুকী রিমান্ডের পক্ষে শুনানি করেন। অন্যদিকে আসামিপক্ষে তার আইনজীবীরা রিমান্ড বাতিল ও জামিন চেয়ে আবেদন করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত আদেশ দেন।
এরআগে আসামিদের গ্রেফতার করে বিভিন্ন মামলায় তাদের কয়েক দফায় রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে।
মামলা অভিযোগ থেকে জানা যায়, গত বছরের ৫ আগস্ট সকাল ১০টা থেকেই যাত্রাবাড়ী এলাকায় শান্তিপূর্ণ আন্দোলন করছিলেন। ওইদিন বিকাল ৫টার দিকে যাত্রাবাড়ী থানার সামনে চৌরাস্তার ওপরে পারভেজ মিয়া আসামিদের ছোড়া গুলিতে আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে শুরুতর জখম হয়। পরে তাকে মুগদা মেডিকেল হাসপাতালে ও পরে ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় পারভেজ মিয়ার মৃত্যু হয়।
মন্তব্য করুন


স্টাফ রিপোর্টারঃ
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব ও হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের যুগ্ম-মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হক অন্তবর্তীকালীন সরকাকে ইঙ্গিত করে বলেছেন, অনন্তকাল ক্ষমতায় থাকার স্বপ্ন দেখবেননা। বরং আপনাদের যে দায়িত্ব রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার গুলোর জন্য রোডম্যাপ ঘোষণা করুন। আগামী নির্বাচনের জন্য একটি রোডম্যাপ ঘোষণা করুন।
শনিবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে নোয়াখালীর চৌমুহনী রেলস্টেশনে নোয়াখালী খেলাফত মজলিসের গণ সমাবেশে বক্তৃতাকালে তিনি এসব কথা বলেন।
আগস্টের বিপ্লব প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, মনে রাখতে হবে আগস্টের বিপ্লব ব্যর্থ হলে বাংলাদেশ ব্যর্থ হয়ে যাবে। আগে দেশ বাঁচান, দেশের স্থিতিশীলতা বজায় রাখুন। আগস্টের বিপ্লব ব্যর্থ হলে কোনো বাংলাদেশী বাংলাদেশে থাকতে পারবেনা। তাই সকলে মিলে স্বৈরাচারী মাফিয়া হাসিনার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে। হাসিনা ও আওয়ামী লীগের বিচার না হলে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে জবাবদিহিতা করতে হবে। সকল রাজনৈতিক দল গুলোকে এক সাথ হয়ে দেশ বিরোধী ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করতে হবে।
মামুনুল হক বলেন, সব জায়গায় ষড়যন্ত্রের জাল উঠছে। তাই এখনো গোটা বাংলাদেশের মানুষকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। এখনো আমাদের মধ্যে পারস্পরিক বিরোধ ও প্রতিযোগিতার সময় তৈরী হয়নি।
এ সময় আরও বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের সিনিয়র নায়েবে আমির মাওলানা ইউছুফ আশরাফ, খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির খুরশিদ আলম কাশেম,যুগ্ম মহাসচিব তোফাজ্জল হুসাইন মিয়াজী প্রমূখ।
মন্তব্য করুন


জুলাই গণঅভ্যুত্থানের অনেক মামলায় উদ্দেশ্যমূলকভাবে আসামি করায় মামলার তদন্ত কাজ বিলম্বিত হচ্ছে, প্রকৃত নিরাপরাধ ব্যক্তিরা যাতে হয়রানি না হয় সেজন্য সুষ্ঠুভাবে তদন্ত করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম।
আজ শনিবার নারায়ণগঞ্জে র্যাব-১১ সদর দপ্তর এবং পরে নারায়ণগঞ্জ পুলিশ লাইন পরিদর্শন শেষে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা এসব কথা বলেন। এসময় র্যাবের মহাপরিচালক একেএম শহিদুর রহমান, পুলিশের ডিআইজি রেজাউল করিম মল্লিক, নারায়ণগঞ্জ পুলিশ সুপার প্রত্যুষ কুমার মজুমদার, জেলা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিত ছিলেন।
তিনি আরও বলেন, গত বছরের ৫ আগস্টের পর থানাগুলো থেকে খোয়া যাওয়া অস্ত্রগুলো আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে উদ্ধার করতে ব্যাপকভাবে অভিযান চালানো হবে।
এর আগে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা র্যাব-১১ এর কার্যলয় পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেন, কোন বাংলাদেশি অবৈধ উপায়ে ভারতে থাকলে যথাযথ প্রক্রিয়ায় তাদের গ্রহণ করবে বাংলাদেশ। ভারতে থাকা রোহিঙ্গা শরনার্থীদের গ্রহণ করা হবে না। রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ ঠেকাতে সরকার প্রতিবাদ জানিয়ে আসছে বলে উল্লেখ করেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা।
এর আগে সকাল ১১টায় সিদ্ধিরগঞ্জ র্যাব-১১ সদর দপ্তর পরিদর্শন করে র্যাব কর্মকর্তাদের খোঁজ খবর নেন। পরে দুপুর সাড়ে ১২টায় নারায়ণগঞ্জ পুলিশ লাইন পরিদর্শন করে বৃক্ষ রোপন শেষে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেন।
মন্তব্য করুন