

কুমিল্লায় নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে পালিত হয়েছে আন্তর্জাতিক কাস্টমস দিবস ।"কাস্টমস সেবায় প্রতিশ্রুতি, দক্ষতা, নিরাপত্তা প্রগতি" এ স্লোগানকে ধারণ করে রবিবার (২৬ জানুয়ারি) কুমিল্লা নগরীর একটি অভিজাত হোটেলে দিবসটি পালিত হয়।
দিবস উপলক্ষে কাস্টমস কুমিল্লা অঞ্চলের ছয় জেলার আমদানি ও রপ্তানিকারক, ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন প্রতিনিধিদের উপস্থিতে একটি সেমিনারের আয়োজন করা হয়।
সেমিনারে কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট কুমিল্লার কমিশনার মোঃ মাহফুজুল হক ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, কর-অঞ্চল কুমিল্লার কর কমিশনার শেখ মোঃ মনিরুজ্জামান।
আরও উপস্থিত ছিলেন ভ্যাট কমিশনারেট, কুমিল্লার অতিরিক্ত কমিশনার মির্জা সহিদুজ্জামান এবং যুগ্ম কমিশনার মোঃ পায়েল পাশা, স্নিগ্ধা বিশ্বাস ও ফাহাদ আল ইসলাম।
সেমিনারে বক্তারা বলেন, আধুনিক রাষ্ট্র ব্যবস্থায় ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি, দেশজ শিল্পের সংরক্ষণ, রাষ্ট্রীয় ও সামাজিক নিরাপত্তা রক্ষা, আত্মনির্ভরশীল জাতি গঠনে, রাজস্বের আহরণে কাস্টমসের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। শুধুমাত্র রাজস্ব আহরণে নয়, আমদানি রপ্তানি নিরাপত্তায়ও কাস্টমসের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সম্প্রসারণে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার আওতায় বাণিজ্য সহজীকরণের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে ঝুঁকি প্রশমনে কাস্টমসকে গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা পালন করতে হয়।
এসময় কাস্টমস সেবায় প্রতিশ্রুতি, দক্ষতা, নিরাপত্তা, প্রগতি ও দেশের সার্বিক উন্নয়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়।
মন্তব্য করুন


চাঁপাইনবাবগঞ্জের তেলকুপি সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের গুলিতে এক বাংলাদেশি কৃষক গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।
এ ঘটনা ঘটেছে শনিবার ভোর ৫টায়, বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের ১৮০ সাব পিলার ৭এর তেলকুপি মুড়িয়া মাঠ এলাকায়। গুলিবিদ্ধ কৃষকের নাম হাবিল উদ্দীন (৩০), তিনি শিবগঞ্জ উপজেলার শাহবাজপুর ইউনিয়নের তেলকুপি মোল্লাটোলা গ্রামের বেলাল উদ্দীনের ছেলে।
স্থানীয় জনগণ ও জনপ্রতিনিধিরা জানিয়েছেন, ভোরে আন্তর্জাতিক মেইন পিলার ১৮০ সাব পিলার ৭এর কাছের তেলকুপি মুড়িয়া মাঠে গমের জমিতে কাজ করছিলেন হাবিল। ওই সময় ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী ১১৯ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের গোপালনগর ক্যাম্পের জওয়ানরা হাবিলকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। গুলির আঘাতে গুরুতর আহত হলে তাকে প্রথমে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতালে, পরে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
গুলিবিদ্ধ হাবিল জানিয়েছেন, তিনি জমিতে পানি দিতে গিয়েছিলেন। ভোরে ঘন কুয়াশার মধ্যে কাজ করার সময় বিএসএফ তাকে গুলি করে। হাবিলের ভাবি সুলেখা বেগম জানান, তাদের জমিতে সেচের মর্টার রয়েছে, যেখানে তার দেবর পানি দিচ্ছিলেন, এ সময় বিএসএফ তাকে লক্ষ্য করে গুলি করে। তিনি দাবি করেছেন, হাবিল একজন কৃষক, মাদক চোরাকারবারি নয়।
শাহবাজপুর ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ড সদস্য কাশেদ আলী জানিয়েছেন, বিজিবি ও স্থানীয়দের নিয়ে তিনি কয়েক দিন ধরে সন্ধ্যার পর সীমান্তে না যাওয়ার আহ্বান জানিয়ে আসছিলেন। আজ ভোরে হাবিল গুলিবিদ্ধ হন।
ইউপি চেয়ারম্যান নিজামুল হক রানা জানান, তিনি মেম্বারের সঙ্গে কথা বলেছেন এবং পরিবারের সদস্যরাও বলেছেন যে, হাবিল গমের জমিতে পানি দিতে গিয়েছিলেন এবং সেখানে বিএসএফ তাকে গুলি করেছে।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ ৫৯ বিজাটির অধিনায়ক লে. কর্নেল গোলাম কিবরিয়া জানান, তেলকুপি সীমান্তে আনুমানিক ১৫০ গজ ভারতের অভ্যন্তরে কয়েকজন চোরাচালানকারী সীমান্ত অতিক্রম করলে বিএসএফ টহলদল তাদের লক্ষ্য করে গুলি চালায়। পরে বিজিবি ঘটনাস্থলে পৌঁছালে চোরাকারবারিরা পালিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে।
পরে জানা যায়, হাবিল নামে এক চিহ্নিত চোরাকারবারি বিএসএফের গুলিতে আহত হয়েছেন এবং তিনি রাজশাহী মেডিকেল কলেজে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তবে, বিজিবির দাবি অনুযায়ী তেলকুপি সীমান্ত এলাকায় কোনো কৃষক অবস্থান করছিল না।
এ ঘটনায় বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে পতাকা বৈঠকের আহ্বান জানানো হয়েছে এবং বিএসএফকে তীব্র প্রতিবাদ জানানো হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা সদরের পাঁচথুবি ইউনিয়নের শুভপুর এলাকায় সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে পরিচালিত একটি গুরুত্বপূর্ণ অভিযানে বিশাল পরিমাণ ইয়াবা ও ৩০ লাখ টাকা নগদ অর্থসহ মোঃ রিয়াজ (৪০) নামের এক যুবককে আটক করা হয়েছে।
২৯ জুন রাতে সাধারণ মানুষের সহযোগিতা ও তথ্যের ভিত্তিতে এ অভিযানটি পরিচালনা করা হয়।
পাঁচথুবী ইউনিয়নের, শুভপুর এলাকায়, গোমতী নদীর দক্ষিণ পাড়ের আইলের রাস্তার দক্ষিণ পাশে মৃত. আলী মিয়ার বাড়ির সামনে অবস্থিত একটি দোকানের ভিতরে একটি চালের ড্রামের মধ্যে গোপনে রাখা হয়েছিল বিপুল পরিমাণ ইয়াবা। অবৈধ নগদ অর্থ উদ্ধার করা হয় একই ব্যাক্তির মায়ের খাটের নিচে থেকে।
এ সময় ২ হাজার ৯৫০ পিস ইয়াবা, নগদ ৩০ লাখ টাকা, ৬টি দেশীয় তৈরি দা, চাপাতি উদ্ধার করা হয়।
আটক হওয়া মোঃ রিয়াজ পাঁচথুবি ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডের শুভপুর এলাকার মৃত. আলী মিয়ার ছেলে।
আর পলাতক আসামি হলেন ঢাকা মোহাম্মদপুর এলাকার বিহারী ক্যাম্পের সামনের মৃত শামীমের ছেলে মোহাম্মদ রাশেদ (৩৫)।
সেনাবাহিনীর এই উদ্যোগ এবং সাধারণ জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ ভবিষ্যতেও মাদকবিরোধী লড়াইয়ে অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে। ধৃত আসামির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে এবং পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা সদর দক্ষিণের বিজয়পুর ইউনিয়নের রামচন্দ্রপুর পল্টারপাড় এলাকায় কৃষক রুহুল আমিন হত্যা মামলার আসামিরা আদালত থেকে জামিন নিয়ে এসে নিহতের পরিবারকে হত্যা মামলাটি তুলে নেয়ার জন্য চাপ দিচ্ছে। মামলা তুলতে অপারগতা প্রকাশ করায় নিহতের পরিবারকে প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে আসামিরা। আসামিদের ভয়ে কোন সাক্ষী আদালতে যেতে চায় না।
এ ঘটনায় হত্যাকারীদের আইনের আওতায় এনে ফাঁসির দাবিতে শনিবার দুপুরে কুমিল্লা প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেছেন নিহতের স্ত্রী জাহানারা বেগম ও কন্যা রোকেয়া।
সংবাদ সম্মেলনে তারা জানান, কৃষক রুহুল আমিন মসজিদে আজান দিতেন। এই আজানকে কেন্দ্র করে হত্যাকারীরা কিছু বখাটে ছেলে রুহুল আমিন এর বিরুদ্ধে লেলিয়ে দেন। এ ঘটনায় প্রতিবাদ করায় স্থানীয় মৃত. আব্দুল লতিফের ছেলে মো: লোকমান হোসেন (৩৮), মো: কবির হোসেন (৩৫) ও মোঃ মীর হোসেন (৩০), শফিক মিয়ার ছেলে নাজমুল হোসেন (২২) ও কবির হোসেনের স্ত্রী শাহিনুর আক্তার ২০২৪ সালের ২০ ডিসেম্বর সকাল সাড়ে দশটায় রুহুল আমিন কে সবার সামনে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। এ ঘটনা তাদেরকে আসামি করে পরদিন হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। পরে তারা আদালত থেকে জামিনে বের হয়ে এসে আমাদেরকে মামলা তুলে নিতে চাপ প্রয়োগ করতে থাকেন। আমরা মামলা তুলতে অপারগতা প্রকাশ করলে তারা আমাদের পুরো পরিবারকে প্রাণনাশের হুমকি দেয়। এই ঘটনায় থানায় অভিযোগ করেছি। আমরা এখন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগতেছি। আমরা প্রশাসনের কাছে দুই হাত জোড় করে অনুরোধ করছি এসব সন্ত্রাসীদের আইনের আওতায় এনে ফাঁসি প্রদান করুন।
হত্যাকারীরা একসময় আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন। ৫ আগস্টের পর তারা এখন বিএনপি নেতা কর্মীদের সাথে ঘুরাঘুরি করে।
মন্তব্য করুন


নোয়াখালী প্রতিনিধিঃ
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলায় মেহেরাজ হোসেন ওরফে জিসান (৭) নামে এক শিশুকে অপহরণ করে হত্যার দায়ে ২ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সাথে আসামিদের দুটি ধারায় ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়।
সাজা পাওয়া ব্যক্তিরা হলেন, বেগমগঞ্জ উপজেলার জিরতলী ইউনিয়নের দৌলতপুর গ্রামের নুরুল আমিনের ছেলে আবদুর রহিম ওরফে রনি (২১) ও একই গ্রামের সহিদ উল্যার ছেলে মো.সালমান হোসেন শিবলু (২২)।
বুধবার (২৩ অক্টোবর) দুপুর দেড়টার দিকে জেলা ও দায়রা জজ নোয়াখালী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের-১ এর মোহাম্মদ আবদুর রহিম এ রায় দেন।
মামলা ও ভুক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানা যায়, হতার শিকার জিসান স্থানীয় জিরতলী বাজারের কাসেম উলুম মাদরাসার মাদরাসার দ্বিতীয় জামাতের ছাত্র ছিল। ২০১৯ সালের ২১ মার্চ দুপুর ১টার দিকে মাদরাসা থেকে বাড়ি ফেরার পথে ভিকটিমের মায়ের অসুস্থতার কথা বলে অপরহরণ করে নিয়ে যায় আসামি রনি ও তার বন্ধু শিবলু। পরে তাকে জেলার সদর উপজেলার নোয়ান্নই ইউনিয়নের শাহাদাতপুর গ্রামের একটি পরিত্যক্ত বাড়িতে নিয়ে। একই দিন সন্ধ্যার পরে তার পরনের জামা কাপড় দিয়ে তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। একপর্যায়ে তার শরীরের অর্ধেক মাটিতে পুঁতে রেখে নিহতের পরিবারের কাছে মুক্তিপণ দাবি করে। ঘটনার দুদিন পরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে নিহত শিশুর মরদেহ উদ্ধার করে। এ ঘটনায় নিহতের পরিবার অজ্ঞাত আসামি করে থানায় মামলা দায়ের করেন। পরবর্তীতে পুলিশ তদন্ত করে ২ আসামিকে গ্রেপ্তার করে আদালতে তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ পত্র জমা দেয়। আদালত ২২জনের স্বাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আসামিদের যাবজ্জীবন করাদন্ড দেন।
রাষ্ট্রপক্ষে সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) মামুনুর রশীদ লাভলু মামলাটি পরিচালনা করেন। তিনি বলেন, ভিকটিমের পিতা প্রবাসী ছিল। আসামি রনি ভিকটিম জিসানের একই বাড়ির দূর সম্পর্কের কাকা হয়। মূলত অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল কিনতে রনি তার বন্ধু লাভলুসহ অপহরণের ঘটনা ঘটায়। পরে তারা জিনাসকে হত্যা করে মুঠোফোনে চাঁদা দাবি করে। আদালত দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আসামিদের উপস্থিতিতে রায় দেন।
মন্তব্য করুন


ডেস্ক রিপোর্টঃ
নোয়াখালীর সদর উপজেলায় সেপটিক ট্যাংক থেকে এক ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা চালকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
সোমবার (৯ ডিসেম্বর) দুপুরের দিকে উপজেলার কালাদরাপ ইউনিয়নের ৩নম্বর ওয়ার্ডের চুলডগি এলাকার জামালের বাড়ির বাথরুমের সেপটি ট্যাংকি থেকে এই মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত মো.রবিন হোসেন (১৬) একই ইউনিয়নের ৮নম্বর ওয়ার্ডের রাজহরিতালুক গ্রামের মাকু মিয়া সওদাগর বাড়ির মো.ইউনূসের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রবিন পেশায় একজন ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা চালক ছিলেন। সে তার সৎমা রুনা আক্তারের সাথে একই বাড়িতে বসবাস করত। নভেম্বর মাসে তার বাবা ঢাকা যাওয়ার সময় তার অটোরিকশা ছেলেকে চালাতে দিয়ে যান। গত ৩ ডিসেম্বর সন্ধ্যার দিকে উপজেলার কালাদরাপ ইউনিয়নের ডিবি রোড থেকে অটোরিকশাসহ নিখোঁজ হন রবিন। পরে পরিবারের সদস্যরা জানতে পারে ওই দিন সন্ধ্যার দিকে একই গ্রামের জুয়েল (২৬) সহ অজ্ঞাত কয়েকজন লোককে স্থানীয়রা তার সাথে মোবাইল নিয়ে ধস্তাধস্তি করতে দেখেন। এ বিষয়ে জুয়েলকে রবিনের বিষয়ে জিজ্ঞাসা করলে তিনি এলামেলো কথাবার্তা বলেন। পরে জুয়েলকে স্থানীয়রা মারধর করে পুলিশে সোপর্দ করে। নিখোঁজের ৬দিন পর সোমবার সকালে স্থানীয় লোকজন বাথরুমের সেপটি ট্যাংকে তার মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেয়।
সুধারাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুল ইসলাম বলেন, গলায় কাপড় পেঁচিয়ে রবিনকে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় নিহতের সৎমা ৫ ডিসেম্বর প্রথমে থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। পরে পুলিশ ভিকটিমকে না পেয়ে সেটিকে অপহরণ মামলা হিসেবে রুজু করে। এর পর পরই ভিকটিমের মোবাইলের সূত্র ধরে দুজনকে আটক করা করা হয়। তারা ভিকটিমের মোবাইল ব্যবহার করছিল।
ওসি কামরুল ইসলাম আরও বলেন, আজ সকালে বাথরুমের সেপটি ট্যাংকির সামনে গিয়ে একটি কুকুর ঘেউ ঘেউ করতে থাকে। পরবর্তীতে স্থানীয়রা এসে বাথরুমের সেপটি ট্যাংকের স্ল্যাবের মুখ খুললে রবিনের মরদেহ দেখতে পায়।
মন্তব্য করুন


স্টাফ রিপোর্টারঃ
কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে প্রাণ গেল নেছার উদ্দিন নিশান (১৫) নামে এক কিশোরের।
সে উপজেলার চিওড়া ইউনিয়নের চিলপাড়া গ্রামের মৃত. আবদুল বারেকের ছেলে।
ঘটনাটি ঘটেছে সোমবার দুপুরে উপজেলার কনকাপৈত বাজারের বাংলাদেশ স্টীল ওয়ার্কশপে। তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরী বিভাগের চিকিৎসক মো: আবুল হাশেম সবুজ।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নিশান কনকাপৈত বাজারের বাংলাদেশ স্টীল ওয়ার্কশপে গত ৫ বছর ধরে কাজ করে আসছেন। সোমবার দুপুরে ওয়ার্কশপের মালিক ইয়াকুব মিয়াজী একটি অটো রিক্সা রিফেয়ারিং এর কাজ করছিলেন। এ সময় নিশান মালিকের পিছনের দাঁড়িয়ে কাজ দেখছিলেন। হঠাৎ করে সে মাটিতে আছড়ে পড়ে। এ সময় ওয়ার্কশপের মালিক ইয়াকুব মিয়াজী তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে এলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ওয়ার্কশপের মালিক ইয়াকুব মিয়াজী বলেন, নিশান আমার দোকানে গত ৫ বছর ধরে কাজ শিখছিলেন। সোমবার দুপুরে আমি একটি অটো রিক্সায় ইলেকট্রনিক শর্ট দিয়ে রিফারিং এর কাজ করছিলাম। সে আমার পিছনে দাঁড়িয়ে ছিল। হঠাৎ করে সে মাটিতে লুটে পড়ে গেলে আমি তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসলে হাসপাতালের ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
চৌদ্দগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক আবুল হাশেম সবুজ বলেন, হাসপাতালে নিয়ে আসার আগেই বিদ্যুৎ স্পৃষ্ট কিশোর নিশান মৃত্যু বরণ করে। ইসিজি রিপোর্টে দেখা যায় সে বিদ্যুৎ স্পৃষ্টে মারা গেছে।
চৌদ্দগ্রাম থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এ.টি.এম আক্তার উজ জামান বলেন, বিদ্যুৎ স্পৃষ্টে এক কিশোরের মৃত্যুর খবর পেয়ে হাসপাতাল থেকে তার লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। এ বিষয়ে অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। অন্যথায় আইনী প্রক্রিয়া শেষে স্বজনদের কাছে লাশ হস্তান্তর করা হবে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা সদরের জগনাথপুর ইউনিয়নের বারপাড়া কৃষ্ণপুর এলাকায় বীর মুক্তিযোদ্ধা প্রয়াত ফারুক আহমেদের বাড়িতে হামলা ও লুটের ঘটনা ঘটেছে। ৫ আগস্টের পর এ নিয়ে তিনবার এ বাড়িতে অগ্নি সংযোগের চেষ্টা, বাড়ির ফটক ও জানালা ভাঙচুর, ঘরের স্বর্ণালঙ্কার, মালপত্র এবং অর্থ লুট করে নিয়ে যায়।
স্থানীয় বিএনপি ও এর অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা এই ঘটনার সাথে জড়িত বলে প্রয়াত ফারুক আহমেদের পরিবার জানায়।
জানা যায়, ২০১৯ সালে মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমেদ ইন্তেকাল করেন। উনার মেয়ে সুইডেনে অবস্থান করছেন এবং ছেলেও দেশের বাইরে দীর্ঘ দিন ধরে অবস্থান করছেন। ফলে বাড়িটিতে তাদের কেউ থাকেনা। দুই একটা দোকানে ভাড়াটিয়া রয়েছে। ফলে এই সুযোগে ৫ আগস্টের পর থেকে বাড়িটি দখল করার পায়তারা চলছে। ৫ আগস্ট প্রথমে বাড়িটিতে অগ্নিসংযোগ করার পায়তারা করা হয়। স্থানীয়দের বাধার মুখে লুটপাটকারীরা তা করতে পারেনি। ৬ আগস্ট পুনরায় তারা এসে ভাড়াটিয়ার কম্পিউটার, সিসিটিভি ক্যামেরা ও মালামাল নিয়ে যায়। সেপ্টেম্বর মাসে পুনরায় তারা এসে ঘরে জানালার গ্লাসগুলো খুলে নিয়ে যায় এবং ড্রয়িং রুমের সকল মালামাল নিয়ে যায়। সর্বশেষ ১১ জুলাই ফারুক আহমেদের ফ্ল্যাট ও ভাড়াটিয়ার ফ্লাটের সকল মালপত্র তারা লুটপাট করে নিয়ে যায়। থানায় যাতে কোন অভিযোগ না দেয়, সেজন্য ভাড়াটিয়াদের হুমকি দিয়ে গেছেন লুটপাটকারীরা।
প্রয়াত ফারুক আহমেদের কন্যা জেনি সুইডেন থেকে জানান, আমাদের বাড়িটি দখল করার চেষ্টা চলছে। এ নিয়ে তিন দফা লুটপাট হয়েছে। আমাদের ভাড়াটিয়ারা আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে। বিদেশে থাকায় আইনি পদক্ষেপ নিতে সমস্যা হচ্ছে।
মন্তব্য করুন


দাউদকান্দি প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক দেশ রূপান্তর, দৈনিক আজকের কুমিল্লা পত্রিকার দাউদকান্দি প্রতিনিধি জাকির হোসেন হাজারীকে ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জে হওয়া দু'টি মামলায় আসামি করা হয়েছে। এঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন দাউদকান্দি তিতাসের সাংবাদিক নেতারা।
খোঁজ নিয়ে জানাযায়, গত বছরের ৫ ডিসেম্বর নারায়ণগঞ্জের আদালতে বি-বাড়িয়া জেলার সরাইল উপজেলার আরিফ মিয়া ১৪৫ জনের নামে মামলা করেন। প্রধান আসামী করা হয় শামীম ওসমান কে। ২৪ সালের ১৯ জুলাই ছাত্র আন্দোলন চলাকালীন ছাত্রদের উপর হামলার ঘটনায় করা মামলায় দাউদকান্দি প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক জাকির হাজারীকে ৩৫ নম্বর আসামি করা হয়।
চলতি বছরের ২০ জানুয়ারী ডিএমপির যাত্রাবাড়ী থানায় হওয়া নাশকতা মামলায় সাংবাদিক জাকির হাজারীকে আসামী করা হয়েছে।
সাংবাদিক জাকির হাজারী জানান, মামলার বিষয়ে আমি দু'দিন আগে জেনেছি। বাদি কারা তা জানিনা। তবে বাদি আমাকে চিনে কিনা সন্দেহ। মামলায় যে ঘটনার তারিখ উল্লেখ করা হয়েছে ওই তারিখে আমি কোথায় ছিলাম মোবাইল নেটওয়ার্ক যাচাই করলেই বেরিয়ে আসবে।
আর আমি দীর্ঘদিন সত্য এবং ন্যায়ের পক্ষে সাংবাদিকতা পেশায় কাজ করছি। এজন্য বিগত আওয়ামী শাসন আমলে একাধিক হামলা এবং হয়রানিমূলক মিথ্যা মামলার সম্মুখীন হয়েছি।
মামলায় উল্লেখ আওয়ামী লীগের পদের বিষয়ে তিনি বলেন, ২০১৫ সালের পর থেকে দাউদকান্দি উপজেলা আওয়ামী লীগের পাল্টাপাল্টি কয়েকটি কমিটি হয়েছছিল। ওইসময় কোন কমিটিতে কোথায় আমার নাম তা জানি না।
এবিষয়ে দাউদকান্দি প্রেস ক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক আলমগীর হোসেন বলেন, সাংবাদিক জাকির হাজারী একজন পেশাদার সাংবাদিক, ছাত্র আন্দোলন চলাকালীন আমি আহত হয়েছিলাম। তখন সেসহ কয়েকজন আমাকে উদ্ধার করে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে আসে। আর দাউদকান্দির সাংবাদিকের নামে ঢাকা এবং নারায়ণগঞ্জে মামলা হওয়া মানে তাকে হয়রানি করার ষড়যন্ত্র বলে মনে করছি। তাই তাকে মামলা থেকে অব্যাহতির দাবী জানাচ্ছি।
বৃহত্তর দাউদকান্দি প্রেস ক্লাবের সভাপতি মোহাম্মদ আলী শাহীন বলেন, সাংবাদিক জাকির হাজারী বস্তুনিষ্ঠ ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকদের মধ্যে একজন। পেশাগত কাজে কখনোই কোন অন্যায়ের সাথে আপোষ করেনি। স্বার্থান্বেষী একটি মহল হয়রানি করার উদ্দেশ্যে সুকৌশলে ঢাকা এবং নারায়ণগঞ্জের মামলায় পেশাদার সাংবাদিক জাকির হোসেন হাজারীর নাম আসামি তালিকায় ঢুকিয়ে দিয়েছে।আমরা ওই মামলা থেকে সাংবাদিক জাকির হাজারীকে অব্যাহতি বা নাম বাদ দেয়ার দাবী জানাচ্ছি।
মন্তব্য করুন


স্টাফ রিপোর্টার:
তাবলীগ জামাতের একটি পক্ষের প্রতি বৈষম্যের অভিযোগ তুলে তা অবিলম্বে ন্যায় ও সমতার ভিত্তিতে দূর করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
বুধবার (১৫ জানুয়ারি) সকালে কুমিল্লা প্রেসক্লাবের মিলনায়তনে সচেতন ছাত্র সমাজের ব্যানারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এমন দাবি করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা জানান, আগামী ২০ জানুয়ারির মধ্যে এই দাবি বাস্তবায়ন না হলে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হবে।
কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ ইবরাহিম খলিল লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন। তিনি বলেন, “আমরা দুঃখের সঙ্গে লক্ষ্য করেছি যে, তাবলীগ জামাতের দুই গ্রুপের মধ্যে এক গ্রুপের প্রতি চরম বৈষম্য করা হচ্ছে। ইজতেমায় প্রধান মুরুব্বিদের অংশগ্রহণ, কাকরাইল মসজিদ ব্যবহারের অনুমতি, টঙ্গীর ইজতেমা ময়দানের নিয়ন্ত্রণ ও ইজতেমার সময় বরাদ্দে বৈষম্যমূলক আচরণ করা হচ্ছে। এ ধরনের বৈষম্য ন্যায় ও সমতার ভিত্তিতে দ্রুত দূর করা জরুরি।”
তিনি আরও জানান, “যদি আগামী ২০ জানুয়ারির মধ্যে আমাদের দাবি মেনে নেওয়া না হয়, তবে আমরা প্রধান উপদেষ্টার বাসভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করতে বাধ্য হব।”
এ সময় কুৃমিল্লা সেট্রল মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থী আব্দুল কাইয়ুম,উইলস স্কুলের ঢাকার শিক্ষার্থী মো.আবু বক্কর,কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট বাঞ্ছারামপুরের শিক্ষার্থী মো.আনাস খাঁন, ফতেয়াদ নায়েব আলী কলেজের শিক্ষার্থী মো.মহিউদ্দিনসহ অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার হোমনা উপজেলায় ঘারমোড়া বাজার গরুর হাটের ইজারাকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। যেকোনো সময় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশঙ্কা রয়েছে। তবে আইনশৃংখলা পরিস্থিতি যাতে অবনতি না হয় সেজন্য উপজেলা প্রশাসন নজরদারি অব্যাহত রেখেছে।
গত সোমবার সকালে ঘারমোড়ার গরুর হাটে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় আতংকে আছে দূর দুরান্ত থেকে আসা ক্রেতা, বিক্রেতাসহ স্থানীয় এলাকাবাসী।
স্থানীয় সূত্র জানায়, ঘারমোড়ার গরুর হাট এক বছরের জন্য ইজারা দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। ইজারাদার হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন হোমনা উপজেলা ঘারমোড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান বিএনপি নেতা শাহজাহান মোল্লা ও ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আবু মুসা । ১ কোটি ১১ লাখ টাকায় ইজারা নেন ঘারমোড়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আবু মুসা। পরে হোমনা উপজেলার ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান শাহজাহান ইজারা না পেয়ে আবু মুসার কাছে ২০ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করে। চাঁদা না দেওয়ায় তার লোকজন গরুর হাটে ভাংচুর করে ক্যাশ বাক্স নিয়ে যায়। ওই হামলায় হোমনা উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব মো: ফয়সাল, ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক মো:জালাল, ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের মো মুকুল মেম্বার, ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো:মোসলেম আহত হন। এ বিষয়ে গরুর হাটের ইজারাদার আবু মুসা বাদী হয়ে থানায় মামলা করেন।
এ বিষয়ে ইজারাদার ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আবু মুসা জানান, সর্বোচ্চ দরদাতা হিসেবে গত ৩ মার্চ ঘারমোড়া গরু বাজারের ডাক পেয়েছি । কিন্তু ঘারমোড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শাজাহান মোল্লা ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের লোকবল নিয়ে আমার কাছে বাজারের শেয়ার দাবি করেন, আমি শেয়ার দিতে না বলায় পরবর্তীতে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দিতে বলেন চেয়ারম্যান শাজাহান। চাদার টাকা না পেয়ে তার লোকবল দিয়ে বাজার ভাঙচুর এবং ক্যাশ থেকে ইজারার টাকা লুট করে নিয়ে যায় তার বাহিনীরা এবং আমার ছেলে ফয়সাল মিয়াকে কুপিয়ে জখম করে, এছাড়া অনেকে আহত হয়। পরবর্তীতে থানায় মামলা হয়, এখন পর্যন্ত কোন আসামি গ্রেফতার করা হয়নি বলে জানান তিনি।
স্থানীয় সূত্রমতে, নানা অনিয়মের অভিযোগ ও বিগত সময়ে আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দের সাথে শাহজাহান মোল্লার সখ্যতা রয়েছে বলে জানা যায়। সরকারি খাল দখল করে দোকান ভাড়া দিয়ে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ঘারমোড়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান শাহজাহান মোল্লার বিরুদ্ধে। কুমিল্লা-১ (হোমনা) সংসদীয় আসনের সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ আব্দুল মজিদকে ফুলের শুভেচ্ছা বিনিময় করার ছবি রয়েছে ফেসবুকে। এছাড়াও ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের সময় তিনি উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক পদ থেকে পদত্যাগ করার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়। এছাড়াও চেয়ারম্যান শাহজাহান মোল্লার বিরুদ্ধে সরকারের ১নং খাস খতিয়ানের নদীর অংশ এবং রাস্তার পাশের জমি দখল করে দোকান ভাড়া দেয়ার অভিযোগ রয়েছে।
এ বিষয়ে ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান শাহজাহান মোল্লা মুঠোফোনে জানান, তিন বারের মতো চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি । ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের নির্যাতনের শিকার হয়েছি। আমার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ মিথ্যা।
হোমনা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জানান, এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি যেন না ঘটে সে বিষয়ে প্রশাসন কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে । আশা করি অপ্রীতিকর কোন ঘটনা ঘটবে না।
মন্তব্য করুন