

কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও একাধিক মামলার আসামি মো. শামীম হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বুধবার (১৫ অক্টোবর) সন্ধ্যায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুড়িচং থানা পুলিশের একটি বিশেষ টিম অভিযান চালিয়ে উপজেলার সদর এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে। বিষয়টি রাত ১১টার দিকে নিশ্চিত করেছেন বুড়িচং থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আজিজুল হক।
থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের জুলাই ও আগস্ট মাসে বৈষম্যবিরোধী ছাত্রদের শান্তিপূর্ণ মিছিলে হামলা, স্থানীয় এক সাংবাদিকের ওপর হামলা, চাঁদাবাজি এবং মাদক মামলাসহ একাধিক অভিযোগে বিভিন্ন মামলায় আসামি ছিলেন মো. শামীম।
পুলিশের দাবি, শেখ হাসিনার সরকার পতনের পর ছাত্রলীগের অনেক নেতা কর্মী আত্মগোপনে চলে যান। সে সময় শামীমও আত্মগোপনে থাকলেও কিছুদিন পরে সাংবাদিক পরিচয়ে এলাকায় ফিরে এসে প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে ঘুরে তথ্যানুসন্ধানের নামে আওয়ামী লীগ নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতেন।
অভিযোগ রয়েছে, তিনি এই সুযোগে এলাকায় নাশকতা, আতঙ্ক সৃষ্টি এবং সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের পরিকল্পনা করতেন।
পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, গ্রেপ্তারকৃত শামীম বুড়িচং সদরের সর্দার বাড়ির মো. আমির হোসেনের ছেলে এবং দীর্ঘদিন ধরে উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
এ বিষয়ে বুড়িচং থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আজিজুল হক বলেন, “মো. শামীম নামে এক ছাত্রলীগ নেতাকে আমরা গ্রেপ্তার করেছি। তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। আইনগত প্রক্রিয়া চলমান, তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানানো হবে।”
মন্তব্য করুন


চাঁদপুর নৌরুটে শরিয়তপুর, ভোলা, বরিশাল, নারায়ণগঞ্জ ও ঢাকাগামী লঞ্চ চলাচল প্রায় ৬০ ঘণ্টা ধরে বন্ধ থাকার পর স্বাভাবিক হয়েছে। ঘূর্ণিঝড় মোখার প্রভাবে সৃষ্ট বৈরী আবহাওয়ার কারণে শুক্রবার রাত ১০টা ১৫ মিনিট থেকে বন্ধ থাকার পর সোমবার (১৫ মে) সকাল ৯টার দিকে পুনরায় লঞ্চ চলাচল স্বাভাবিক হয়।
বিষয়টি ঢাকা পোস্টকে নিশ্চিত করেছেন চাঁদপুর নদী বন্দরের নৌনিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা বিভাগ এবং বন্দর ও পরিবহন বিভাগের ভারপ্রাপ্ত উপপরিচালক শাহাদাত হোসেন।
তিনি ঢাকা পোস্টকে বলেন, বঙ্গোপসাগরের ঘূর্ণিঝড় মোখা বাংলাদেশের উপকূল অতিক্রম করে যাওয়া এবং আবহাওয়া সংক্রান্ত প্রতিকূল পরিস্থিতি পূর্বের তুলনায় স্বাভাবিক হওয়ায় বিআইডব্লিউটিএ এর চেয়ারম্যানের নির্দেশনা মোতাবেক প্রায় ৬০ ঘণ্টা পর আজ সোমবার সকাল ৯টা ১৫ মিনিট থেকে পুনরায় ঢাকা-চাঁদপুর, চাঁদপুর-নারায়ণগঞ্জসহ চাঁদপুর নৌপথের লঞ্চসহ সকল ধরনের নৌযান চলাচল পুনরায় শুরু করার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।
আনোয়ারুল হক/এবিএস
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা মহানগর জাসাস কমিটিতে যুগ্ম আহ্বায়ক পদে স্থান পেলেন ডা: আফসান আনিস ও শহীদুল হক সোহেল এবং সদস্য করা হয়েছে ইফতেখার উদ্দিন রাজেস, মো: মাহবুব হোসেন, মো: মাসুদ, জসিম উদ্দিনকে।
বুধবার (৫ নভেম্বর) বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদি সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থা-জাসাস কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য (দফতরের দায়িত্বে) মো: মিজানুর রহমান স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিকে এ তথ্য জানা যায়।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ্য করা হয়, চলতি বছরের ১ নভেম্বর কুমিল্লা মহানগর জাসাসের আহ্বায়ক/সদস্য সচিবের স্বাক্ষরিত চিঠির মাধ্যমে প্রস্তাবের প্রেক্ষিতে এই কমিটিতে তাদের অর্ন্তভুক্ত করা হল।
মন্তব্য করুন


স্টাফ রিপোর্টার:
তাবলীগ জামাতের একটি পক্ষের প্রতি বৈষম্যের অভিযোগ তুলে তা অবিলম্বে ন্যায় ও সমতার ভিত্তিতে দূর করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
বুধবার (১৫ জানুয়ারি) সকালে কুমিল্লা প্রেসক্লাবের মিলনায়তনে সচেতন ছাত্র সমাজের ব্যানারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এমন দাবি করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা জানান, আগামী ২০ জানুয়ারির মধ্যে এই দাবি বাস্তবায়ন না হলে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হবে।
কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ ইবরাহিম খলিল লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন। তিনি বলেন, “আমরা দুঃখের সঙ্গে লক্ষ্য করেছি যে, তাবলীগ জামাতের দুই গ্রুপের মধ্যে এক গ্রুপের প্রতি চরম বৈষম্য করা হচ্ছে। ইজতেমায় প্রধান মুরুব্বিদের অংশগ্রহণ, কাকরাইল মসজিদ ব্যবহারের অনুমতি, টঙ্গীর ইজতেমা ময়দানের নিয়ন্ত্রণ ও ইজতেমার সময় বরাদ্দে বৈষম্যমূলক আচরণ করা হচ্ছে। এ ধরনের বৈষম্য ন্যায় ও সমতার ভিত্তিতে দ্রুত দূর করা জরুরি।”
তিনি আরও জানান, “যদি আগামী ২০ জানুয়ারির মধ্যে আমাদের দাবি মেনে নেওয়া না হয়, তবে আমরা প্রধান উপদেষ্টার বাসভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করতে বাধ্য হব।”
এ সময় কুৃমিল্লা সেট্রল মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থী আব্দুল কাইয়ুম,উইলস স্কুলের ঢাকার শিক্ষার্থী মো.আবু বক্কর,কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট বাঞ্ছারামপুরের শিক্ষার্থী মো.আনাস খাঁন, ফতেয়াদ নায়েব আলী কলেজের শিক্ষার্থী মো.মহিউদ্দিনসহ অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


রাজধানীর কড়াইল বৌ-বাজার বস্তিতে ভয়াবহ আগুন লেগেছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সাতটি ইউনিট।
বুধবার (১৮ ডিসেম্বর) বিকেল সোয়া ৪টার দিকে আগুন লাগার খবর পাওয়া যায়। বিষয়টি ফায়ার সার্ভিস নিয়ন্ত্রণ কক্ষের ডিউটি অফিসার রাকিবুল ইসলাম নিশ্চিত করেছেন।
রাকিবুল ইসলাম জানান, প্রথমে ফায়ার সার্ভিসের পাঁচটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পরে যানজটের কারণে আরও দুটি ইউনিট যোগ দেয়। তবে বস্তির সংকীর্ণ রাস্তায় পানিবাহী গাড়ি প্রবেশে অসুবিধা হচ্ছে।
তিনি আরও জানান, এখনো আগুন লাগার কারণ এবং হতাহতের কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
উল্লেখ্য, কড়াইল বস্তিতে এর আগেও একাধিকবার অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা থেকে প্রকাশিত দৈনিক পূর্বাশা ও দৈনিক আমাদের কুমিল্লা পত্রিকার ডিক্লারেশন বাতিলের প্রতিবাদে ও সারাদেশে বন্ধ হওয়া টেলিভিশন ও গণমাধ্যম খুলে দেওয়ার দাবিতে সাংবাদিক কল্যাণ পরিষদ কুমিল্লার আয়োজনে বৃহস্পতিবার (২৮ আগষ্ট) বেলা সাড়ে ১১ টায় কুমিল্লা প্রেসক্লাব মিলনায়তনে সাংবাদিকদের প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সাংবাদিক কল্যাণ পরিষদ কুমিল্লার সভাপতি ও সিটিভি নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম এর সম্পাদক ওমর ফারুকী তাপসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য রাখেন কুমিল্লা প্রেসক্লাবের সভাপতি ও একাত্তর টিভির জেলা প্রতিনিধি কাজী এনামুল হক ফারুক, কুমিল্লা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি আবুল হাসানাত বাবুল, কুমিল্লা প্রেসক্লাবের সাবেক সহ-সভাপতি অশোক কুমার বড়ুয়া, কুমিল্লা প্রেসক্লাবের সিনিয়র সদস্য দৈনিক পূর্বাশার স্টাফ রিপোর্টার মোঃ শহীদুল্লাহ , আরটিভির প্রতিনিধি গোলাম কিবরিয়া, কুমিল্লা প্রেসক্লাবের সহ সাধারণ সম্পাদক বাহার রায়হান, কুমিল্লা প্রেসক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক ও দৈনিক পূর্বাশা পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক ইমতিয়াজ আহমেদ জিতু, ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের নেতা ও দৈনিক আমার দেশ কুমিল্লা দক্ষিণ প্রতিনিধি সাংবাদিক শাহ আলম শফি, সাংবাদিক ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় সদস্য ও দৈনিক স্বদেশ বিচিত্রা পত্রিকার সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক মোঃ শহীদুল্লাহ মিয়াজী, যমুনা টেলিভিশনের কুমিল্লা ব্যুরো প্রধান রফিকুল ইসলাম চৌধুরী খোকন, দৈনিক সকালের খবর পত্রিকার কুমিল্লা প্রতিনিধি ও কুমিল্লা প্রেসক্লাবের নির্বাহী সদস্য মামশাদ কবির, দৈনিক আমাদের কুমিল্লার সাবেক স্টাফ রিপোর্টার ও বুড়িচং প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক জহিরুল হক বাবু, দৈনিক পূর্বাশার স্টাফ রিপোর্টার জসিম উদ্দিন চৌধুরী , টেলিভিশন জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন কুমিল্লার সাধারণ সম্পাদক ও নাগরিক টেলিভিশনের কুমিল্লা প্রতিনিধি দেলোয়ার হোসেন আকাইদ , সাংবাদিক কল্যাণ পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক পূর্বাশার প্রতিনিধি মনির হোসেন , কুমিল্লা ফটো সংবাদের ফোরামের সভাপতি আশিকুর রহমান , দেশ টিভির কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধি সুমন কবির ভূঁইয়া, দৈনিক স্বাধীন ভোর পত্রিকার সম্পাদক সোহাগ মিয়াজী , কুমিল্লা প্রেসক্লাবের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রেসক্লাবের প্রচার সম্পাদক ও দৈনিক আমাদের কুমিল্লার সাবেক ফটো সাংবাদিক এন কে রিপন, কালের কন্ঠ পত্রিকার প্রতিনিধি জাহিদ পাটোয়ারী , চেতনা ৭১ নিউজের সম্পাদক মাইনুল হক স্বপন, দৈনিক ডাক প্রতিদিন পত্রিকার প্রতিনিধি আয়েশা আক্তার, দৈনিক রূপসী বাংলার প্রতিনিধি ফারুক আজম , দৈনিক সমাচার পত্রিকার প্রতিনিধি মোঃ শাফি, দৈনিক আজকের কুমিল্লার প্রতিনিধি হাবিবুর রহমান মুন্না , দৈনিক আজকের কুমিল্লার স্টাফ রিপোর্টার রাকিবুল ইসলাম রানা, দৈনিক খোলা কাগজের প্রতিনিধি শাহ ইমরান , ৭১ টিভির ক্যামেরা পার্সন সাইদুর রহমান সোহাগ, দৈনিক পূর্বাশার প্রতিনিধি তামিম আহমেদ ।
সভায় বক্তারা বলেন, কুমিল্লা থেকে প্রকাশিত দৈনিক আমাদের কুমিল্লা ও দৈনিক পূর্বাশা পত্রিকা নিয়মিত প্রকাশিত হতো। বাতিলের পূর্বে কোন নোটিশ না দিয়েই এই পত্রিকা দুটি বন্ধ করে দেওয়া হয়। গণতন্ত্রের বিকাশ ও সুশাসনের জন্য সংবাদপত্রের স্বাধীনতা অত্যান্ত জরুরী। সংবাদপত্র বন্ধ করলে সাংবাদিকরা বেকার হয়ে যায়। গণমাধ্যমের কণ্ঠরোধ করলে সমাজে অন্যায় অবিচার বেড়ে যায়। তাই সংবাদপত্রের স্বাধীনতার লক্ষ্যে বন্ধ হওয়া টেলিভিশন ও পত্রিকাসমূহ অবিলম্বে খুলে দেয়ার দাবী জানান সাংবাদিক সমাজ।
মন্তব্য করুন


ডেস্ক রিপোর্টঃ
সিলেটে পুরোনো গ্যাসকূপ (সিলেট-৭) সংস্কার করতে গিয়ে নতুন করে গ্যাসের সন্ধান পাওয়া গেছে। দুই দফা পরীক্ষা শেষে বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছে সিলেট গ্যাস ফিল্ড লিমিটেড কর্তৃপক্ষ।
মঙ্গলবার (২২ অক্টোবর) দ্বিতীয় দফায় পরীক্ষা করা হয়। এতে মাত্র এক হাজার ২০০ মিটার গভীরতায় গ্যাসের সন্ধান মেলে।
সিলেট গ্যাস ফিল্ড লিমিটেডের (এসজিএফএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মো. মিজানুর রহমান জাগো নিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, পুরাতন গ্যাসকূপ সিলেট-৭ নম্বরে চলতি বছরের জুলাই মাস থেকে মেরামতে কাজ করছি। ১৪ অক্টোবর দুই হাজার ১০ মিটার গভীরতায় পরীক্ষা করে গ্যাসের সন্ধান পাওয়া যায়। আজ ওই কূপের আরেকটি জোনে এক হাজার ২০০ মিটার গভীরতায় ফের গ্যাসের সন্ধান মেলে।
তিনি আরও বলেন, আনুষ্ঠানিকভাবে পরীক্ষা করলে জানা যাবে কী হরিমাণ গ্যাস মজুত রয়েছে। গ্যাস পরীক্ষা করতে আরও তিন-চারদিন সময় লাগতে পারে। তবে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা যাচ্ছে, প্রতিদিন গড়ে সাড়ে ৮ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উত্তোলন করা যাবে।
মিজানুর রহমান বলেন, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টাকে সিলেটে আনার প্রস্তুতি চলছে। তিনি এলে আনুষ্ঠানিকভাবে সবকিছু বলা যাবে।
এর আগে ২৪ মে সিলেটের কৈলাশটিলা ৮ নম্বর কূপে গ্যাস পাওয়ার কথা জানায় সিলেট গ্যাস ফিল্ডস লিমিটেড (এসজিএফএল)। এ নিয়ে গত এক বছরে সিলেটের পাঁচটি কূপে গ্যাসের সন্ধান মিললো।
১৯৫৫ সালে সিলেটের হরিপুরে প্রথম গ্যাসের সন্ধান পাওয়া যায়। এরপর আবিষ্কার হতে থাকে একের পর এক গ্যাসক্ষেত্র। দেশে বর্তমানে গ্যাসক্ষেত্রের সংখ্যা হচ্ছে ২৯টি। তার মধ্যে এসজিএফএল নিয়ন্ত্রণে আছে পাঁচটি। এই গ্যাসক্ষেত্রগুলো হচ্ছে- হরিপুর, রশিদপুর, ছাতক, কৈলাশটিলা ও বিয়ানীবাজার গ্যাসফিল্ড।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা সদরের আমতলী এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে প্রাইভেটকার ভর্তি ৩২ কেজি গাঁজাসহ ৪ জনকে আটক করেছেন র্যাব-১১, সিপিসি -২ সদস্যরা।
আটককৃতরা হলেন, বিলকিছ (২৮), আয়েশা বেগম (৪২), গিয়াস উদ্দীন (২৮) এবং আব্দুল খালেক (২৯)। এ সময় আসামীদের হেফাজত হতে ৩২ কেজি গাঁজা ও মাদক পরিবহণ কাজে ব্যবহৃত একটি প্রাইভেটকার উদ্ধার করা হয়।
আটক হওয়া বিলকিছ (২৮) নরসিংদী জেলার রায়পুর থানার কাছারকান্দি গ্রামের হযরত মিয়া এর মেয়ে, আয়েশা বেগম (৪২) একই গ্রামের মৃত বাদশা মিয়া এর মেয়ে, গিয়াস উদ্দীন (২৮) নোয়াখালী জেলার বেগমগঞ্জ থানার দূর্গাপুর গ্রামের মৃত হাফেজ আহমেদ এর ছেলে এবং আব্দুল খালেক (২৯) একই থানার একলাছপুর গ্রামের আব্দুস সোবহান এর ছেলে।
গ্রেফতারকৃত আসামীদেরকে জিজ্ঞাসাবাদে আরো জানা যায় যে, তারা দীর্ঘদিন ধরে জব্দকৃত প্রাইভেটকার ব্যবহার করে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদকদ্রব্য গাঁজা সংগ্রহ করে কুমিল্লার বিভিন্ন স্থানে মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে।
আসামীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন র্যাব-১১, সিপিসি -২ এর কোম্পানি অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কমান্ডার মাহমুদুল হাসান।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার তিতাসে যৌথবাহিনীর পৃথক অভিযানে বিপুল পরিমানে আগ্নেয়াস্ত্র ও দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। জড়িত অভিযোগে একজনকে আটক করেছেন। রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।
যৌথবাহিনী সূত্রে জানাযায়, উপজেলার মজিদপুর ইউনিয়নের মোহনপুর ফেরিঘাট সংলগ্ন ব্রিজের পাশে অস্ত্রের একটি চালান হাতবদলের গোপন সংবাদের ভিত্তিতে যৌথবাহিনী অভিযান চালায়। অস্ত্র বহনকারীরা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে অস্ত্র ফেলে পালিয়ে যায়।
অভিযানকালে ঘটনাস্থল থেকে ৫টি ইস্টেনগান, থানায় ব্যবহৃত ৪টি লোডার/কার্তুজ, ৩টি তাজা পিস্তলের অ্যামুনিশন, ৮টি পিস্তলের খালি অ্যামুনিশন এবং ১টি পিস্তলের ফায়ারিং পিন উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধার হওয়া অস্ত্রের চালানটি মেঘনা নদীপথ হয়ে তিতাস নদীতে প্রবেশ করেছে বলে ধারণা পুলিশের ।
একই রাতে দাউদকান্দি আর্মি ক্যাম্পের একটি দল তিতাস উপজেলার ভিটিকান্দি ইউনিয়নের মানিককান্দি গ্রামে অভিযান চালিয়ে এসহাক মোল্লা জুয়েল একজনকে আটক করেছেন। জুয়েল ভিটিকান্দি ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আবু মোল্লার ছেলে।
অভিযানকালে একটি বিদেশি পিস্তল, একটি ম্যাগজিন, দুই রাউন্ড গুলি, একটি চাপাতি, পাঁচটি দেশীয় অস্ত্র (চাকু), তিনটি লোহার পাইপ, ছয়টি পাসপোর্ট, নগদ ২০ হাজার টাকা এবং একাধিক মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।
স্থানীয় সূত্র জানায়, সাবেক যুবলীগ নেতা জুয়েল মোল্লা ২৪ এর ৫আগষ্টের পর গা- ঢাকা দিয়েছিলেন। পরে স্থানীয় বিএনপিতে যোগদানের মাধ্যমে এলাকায় বিচরণ শুরু করেন। তার নামে এলাকায় অগ্নিসংযোগ, লুটপাট ও মারামারিসহ একাধিক অভিযোগ রয়েছে বলে স্থানীয়রা জানান।
তিতাস থানার ওসি মোঃ আরিফ হোসাইন দেশ রূপান্তরকে বলেন, যৌথবাহিনীর অভিযানে মজিদপুর ইউনিয়নের পরিত্যক্ত অবস্থায় অস্ত্র উদ্ধার এবং ভিটিকান্দি ইউনিয়নের মানিককান্দি গ্রাম থেকে বিদেশী অস্ত্রসহ এসহাক মোল্লা জুয়েল নামে একজনকে আটক করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন। আর অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার অভিযান চলমান রয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার কল্পবাস এলাকার বাসিন্দা ফারজানা আক্তার (১৯)-এর রহস্যজনক মৃত্যু ঘিরে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পরিবারের দাবি, এটি আত্মহত্যা নয় পরিকল্পিত হত্যা। এ ঘটনায় তারা সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচারের দাবিতে বক্তব্য দিয়েছেন।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রায় তিন বছর আগে ফারজানা আক্তারের সঙ্গে অভিযুক্ত স্বামী অনিক মিয়াজির বিয়ে হয়। বিয়ের এক বছর পর অনিকের অতিরিক্ত মাদকাসক্তি ও দাম্পত্য কলহের জেরে তাদের বিচ্ছেদ ঘটে। পরে ফারজানাকে বাবার বাড়িতে নিয়ে আসা হয় এবং কিছুদিন পর তাকে কসবা উপজেলার আকাবপুর এলাকার শামীম নামের এক ব্যক্তির সঙ্গে দ্বিতীয়বার বিয়ে দেওয়া হয়।
কিন্তু দ্বিতীয় সংসার টিকেনি। কয়েক মাস পর প্রথম স্বামী অনিক মিয়াজির সঙ্গে পুনরায় যোগাযোগ হলে ফারজানা আবার তার সংসারে ফিরে যান। অভিযোগ রয়েছে, এরপর আবারও শুরু হয় নির্যাতন। মাদকাসক্ত অনিক নিয়মিত ফারজানার ওপর চাপ সৃষ্টি করতেন বাবার বাড়ি থেকে টাকা এনে দেওয়ার জন্য। টাকা দিতে না পারলে তাকে মারধরসহ বিভিন্নভাবে নির্যাতন করা হতো।
পরিবারের দাবি, গত ২৯ মার্চ ২০২৬ তারিখ সকাল আনুমানিক ৯টা থেকে ১০টা ৩০ মিনিটের মধ্যে ব্রাহ্মণপাড়া সদর ইউনিয়নের কল্পবাস এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় ফারজানাকে হত্যা করা হয়। পরে ঘটনাটি আত্মহত্যা হিসেবে চালিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়।
সেদিন বেলা আনুমানিক ১১টা ৩৮ মিনিটে অভিযুক্তের বাবা মো. আলমগীর হোসেন ফোন করে ফারজানার মৃত্যুর খবর জানান। খবর পেয়ে স্বজনরা দ্রুত ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে তাকে মৃত অবস্থায় শনাক্ত করেন।
এ ঘটনায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে নিহতের ছোট বোন মোসা. সুমি আক্তার, মা বানু বেগম এবং মামা মো. ইসরাফিল মিয়া বক্তব্য রাখেন। তারা অভিযোগ করেন, ফারজানাকে দীর্ঘদিন ধরে নির্যাতন করে আসছিল অনিক মিয়াজি এবং পরিকল্পিতভাবে তাকে হত্যা করা হয়েছে। তারা বলেন, হত্যার ঘটনাকে আত্মহত্যা হিসেবে প্রচার করে প্রকৃত ঘটনা আড়াল করার চেষ্টা করা হচ্ছে।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন নিহতের বাবা মো. আবুল কাশেম, মারুফা বেগম এবং বড় ভাই মো. সুমন মিয়া।
নিহতের পরিবারের অভিযোগ, তারা ব্রাহ্মণপাড়া থানায় হত্যা মামলা দায়ের করতে গেলে পুলিশ তা গ্রহণ করেনি। বরং থানার এসআই সুজন আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে একটি মামলা নথিভুক্ত করেন, যা নিয়ে তারা অসন্তোষ প্রকাশ করেন।
ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। স্থানীয়দের মধ্যেও ক্ষোভ বিরাজ করছে।
নিহতের পরিবার দ্রুত সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা নগরীতে সেনাবাহিনীর বিশেষ অভিযানে উজিরপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও সাবেক রেলমন্ত্রী মুজিবুল হকের ঘনিষ্ঠ সহযোগী মোঃ নাঈমুর রহমান মজুমদার মাছুমকে গ্রেপ্তার করেছে সেনাবাহিনী।
১৫ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাতে নগরীর দক্ষিণ চর্থার ইপিজেড এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতার হওয়া মাছুম চৌদ্দগ্রাম উপজেলার ঘাসি গ্রামের মৃত. মোখলেসুর রহমান মজুমদাের ছেলে । তিনি দীর্ঘদিন ধরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চিহ্নিত আসামি এবং চৌদ্দগ্রামে সংঘটিত এইট মার্ডার হত্যাকাণ্ডের মামলার ৮৮ নং আসামি।
সূত্রে জানা যায়, নাঈমুর রহমানের কাছ থেকে আওয়ামী লীগের ভবিষ্যৎ নাশকতা পরিকল্পনার চাঞ্চল্যকর তথ্য পাওয়া গেছে। তার স্বীকারোক্তিতে উঠে এসেছে যে, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কসহ ঢাকা শহরের ৮/৯টি স্থানে বড় ধরনের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে ঢাকা-চট্টগ্রাম ও ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে সকাল ৬ টা থেকে ৭টার মধ্যে ভয়াবহ নাশকতা চালানো হবে।
অভিযুক্ত নাঈমুর রহমান আরও জানায়, এবার শুধু মহাসড়ক অবরোধেই সীমাবদ্ধ নয়, তারা এক্সকাভেটর ব্যবহার করে রাস্তাঘাট কেটে দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙে দেওয়ার পরিকল্পনা করেছে।এর পাশাপাশি শিল্পাঞ্চলগুলোতে শ্রমিক অসন্তোষ সৃষ্টি করে দেশের অর্থনীতিকে বিপর্যস্ত করার কৌশলও হাতে নেওয়া হয়েছে।
সেনা অভিযানে গ্রেফতারের পর নাঈমুর রহমানকে ডাক্তারি পরীক্ষার মাধ্যমে কোতোয়ালি থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এদিকে কুমিল্লা সিআইডিকে এ বিষয়ে অবহিত করা হয়েছে।
এই গ্রেফতারকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা জুড়ে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র ও নাশকতার যেকোনো পরিকল্পনা ব্যর্থ করে দেওয়া হবে।
মন্তব্য করুন