

স্টাফ রিপোর্টারঃ
কুমিল্লায় ১৫ কেজি গাঁজাসহ ২ জন যুবককে আটক করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর সদস্যরা।
রবিবার (২০ অক্টোবর) দুপুরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লার কোতয়ালী মডেল থানাধীন কাপ্তানবাজার এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে র্যাব। এ সময় মাদক পরিবহণের কাজে ব্যবহৃত একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা জব্দ করা হয়।
আটককৃতরা হলেন, কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার খারেরা পূর্ব পাড়া এলাকার মৃত. আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে সোলেমান আহমেদ (২০) এবং একই এলাকার শরিফুল ইসলামের ছেলে আবু সায়েম (২১)।
কুমিল্লা র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর কোম্পানী অধিনায়ক লেঃ কমান্ডার মাহমুদুল হাসান এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
র্যাব জানায়, তারা দীর্ঘদিন ধরে জব্দকৃত সিএনজি ব্যবহার করে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদকদ্রব্য গাঁজা সংগ্রহ করে কুমিল্লাসহ বিভিন্ন স্থানে মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


২০২৫ অর্থ বছরের এসএসসি ও দাখিল পরীক্ষার ফলাফল হয়েছে, এবার কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলায় মাদ্রাসা বোর্ড থেকে সর্বোচ্চ নম্বর পেয়ে গোল্ডেন এ প্লাস অর্জন করেন মেধাবী শিক্ষার্থী মোসাম্মৎ খাদিজা আক্তার। সে ১৩০০ নম্বরের মধ্যে ১২৪৮ নম্বর পেয়ে উপজেলার মধ্যে সেরা স্হান রয়েছেন। উপজেলা জুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি করা ঐ শিক্ষার্থী সুলতানপুর ফাযিল ডিগ্রি মাদ্রাসার শিক্ষার্থী। তাহার এ অর্জনে পরিবার, শিক্ষক এবং এলাকাবাসীর মধ্যে বইছে আনন্দের জোয়ার বইছে। সে দেবিদ্বার উপজেলার ৬নং ফতেহাবাদ ইউনিয়নের সুলতানপুর গ্রামের (মাস্টার বাড়ির) হাজী মোহাম্মদ আবুল হোসেনের কন্যা।
নিজের সাফল্যের পেছনে খাদিজা নিয়মিত পড়াশোনা, আত্মবিশ্বাস এবং পরিবারের দোয়াকে মূল চাবিকাঠি হিসেবে উল্লেখ করেছে। ভবিষ্যতে সে দেশের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে।
সুলতানপুর ফাযিল ডিগ্রি মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক কবির আহমেদ খাদিজার এই কৃতিত্বে গভীর সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, "খাদিজার এই অর্জন পুরো উপজেলার জন্য গর্বের। সে আমাদের প্রতিষ্ঠানের মুখ উজ্জ্বল করেছে।" তিনি আরও জানান, এবারের দাখিল পরীক্ষায় দেবিদ্বার উপজেলার মাদ্রাসা বোর্ড থেকে খাদিজাই একমাত্র শিক্ষার্থী, যিনি সর্বোচ্চ নম্বরসহ গোল্ডেন এ প্লাস পেয়েছেন।
স্থানীয়রা আশা করছেন, খাদিজার এই উজ্জ্বল ফলাফল অন্যান্য শিক্ষার্থীদের জন্য অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করবে এবং ভবিষ্যতে সে জাতীয় পর্যায়েও আরও বড় সফলতা বয়ে আনবে।
মন্তব্য করুন


দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকা বাংলা চলচ্চিত্রের নন্দিত চিত্রনায়ক, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও ঢাকা ১৭ আসনের সংসদ সদস্য আকবর হোসেন পাঠান (ফারুক)-এর মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার মো. শামসুল হক টুকু। সোমবার (১৫ মে) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ডেপুটি স্পিকারের প্রেসসচিব সোয়াইব হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
এ সময় ডেপুটি স্পিকার তার রুহের মাগফেরাত কামনা করেন এবং শোক সন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
এর আগে সোমবার (১৫ মে) স্থানীয় সময় সকাল ১০টার দিকে সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আকবর হোসেন পাঠান (ফারুক) মৃত্যুবরণ করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৪ বছর।
১৯৪৮ সালের ১৮ আগস্ট ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন ফারুক। এইচ আকবর পরিচালিত ‘জলছবি’ চলচ্চিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে ১৯৭১ সালে ঢাকাই সিনেমার তার অভিষেক হয়। এরপর ‘লাঠিয়াল’, ‘সুজন সখী’, ‘নয়নমনি’, ‘সারেং বৌ’, ‘গোলাপী এখন ট্রেনে’, ‘সাহেব’, ‘আলোর মিছিল’, ‘দিন যায় কথা থাকে’, ‘মিয়া ভাই’সহ শতাধিক চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন।
ফারুক ১৯৭৫ সালে ‘লাঠিয়াল’ সিনেমা জন্য শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেতা হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান। এছাড়া ২০১৬ সালে আজীবন সম্মাননায় ভূষিত হন।
মন্তব্য করুন


ঘন কুয়াশায় ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে যাত্রীবাহী বাসসহ ১০টি যানবাহনের সংঘর্ষে একজন নিহত এবং অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন। রোববার (২২ ডিসেম্বর) সকাল ৮টা থেকে সাড়ে ৮টার মধ্যে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত ব্যক্তির নাম মো. ফরহাদ হোসেন (৪০), যিনি ফরিদপুরের ভাঙা এলাকার বাসিন্দা এবং একটি বাসের চালক ছিলেন।
হাঁসাড়া হাইওয়ে থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) সগির মিয়া জানান, এক্সপ্রেসওয়ের নিমতলা এলাকার কিছু দূরে এই দুর্ঘটনা ঘটে। যানবাহনগুলো ঢাকা থেকে মাওয়ার দিকে যাচ্ছিল।
জানা যায়, ভোরে প্রথমে দুটি পণ্যবাহী ট্রাকের সংঘর্ষ ঘটে। এরপর সকাল সাড়ে ৭টার দিকে একটি বাস পেছন থেকে আরেকটি বাসকে ধাক্কা দেয়, এতে বেশ কয়েকজন আহত হন। একই সময়ে একটি পিকআপভ্যান একটি প্রাইভেটকারকে চাপা দেয়, যার ফলে আরও কয়েকজন আহত হন।
দুর্ঘটনার খবর পেয়ে হাইওয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধার কার্যক্রম শুরু করে।
হাঁসাড়া হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল কাদের জিলানী বলেন, "দুর্ঘটনার খবর পেয়ে আমরা দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত যানবাহনগুলো সরিয়ে মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক করার চেষ্টা করি। সকালে ঘন কুয়াশার কারণে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।"
তিনি আরও জানান, আহতদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে, ঘন কুয়াশার মধ্যে অতিরিক্ত গতির কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে।
মন্তব্য করুন


ভোলা সদর উপজেলার পূর্ব ইলিশায় বিবি কুলসুম (৪০) নামে পাঁচ সন্তানের এক জননীকে গলা কেটে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। বিবি কুলসুম চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন বলে জানা যায়।
রোববার (১৪ মে) গভীর রাতে সদর উপজেলার ২নং পূর্ব ইলিশা ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের সাজি বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
বিবি কুলসুম ওই গ্রামের মো. তছির মাঝির স্ত্রী।
কুলসুমের স্বজনরা জানান, প্রতিপক্ষের সঙ্গে জমিসংক্রান্ত বিরোধের মামলার ভয়ে ঈদের আগে থেকে কুলসুমের স্বামী অন্যত্র পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। ঘটনার দিন রাতে কুলসুম তিন সন্তান নিয়ে ঘরে ঘুমিয়েছিলেন। কখন কারা কুলসুমকে হত্যা করেছে তা কেউ টের পায়নি। স্বামী তছির রোববার রাত থেকে কুলসুমের ফোনে একাধিকবার কল দিয়েছেন। কল রিসিভ না হওয়ায় তছির তার বড় ছেলেকে সোমবার (১৫ মে) সকালে ফোন করে বাড়িতে যেতে বলেন (বড় ছেলে বিয়ে করে একই গ্রামে থাকেন)। বড় ছেলে বাড়িতে গিয়ে এ হত্যাকাণ্ড দেখতে পান। পরে খবর পেয়ে তছিরও বাড়িতে ছুটে আসেন।
পূর্ব ইলিশার ইউপি চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন ছোটন বলেন, এই ঘটনায় সঠিক তদন্ত সাপেক্ষে জড়িতদের আইনের আওতায় এনে শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।
ভোলা সদর থানা পুলিশের ওসি মো. শাহীন ফকির জানান, এ ঘটনা জমিসংক্রান্ত বিরোধের জেরেও হতে পারে। তবে ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটনে জেলা পুলিশ, জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) ও সিআইডির টিম মাঠে কাজ করছে।
তিনি আরও জানান, মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন শেষে ময়নাতদন্তের জন্য ভোলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে অন্তঃসত্ত্বার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যাবে। খুব দ্রুতই এ ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটন করা হবে।
মন্তব্য করুন


দেশের প্রথম মনোরেল নির্মিত হতে যাচ্ছে বন্দরনগরী চট্টগ্রামে। নগরীর যানজট নিরসনে এই প্রকল্প বাস্তবায়নে উদ্যোগ নিয়েছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক)।
রোববার (১ জুন) সকালে নগরীর ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সঙ্গে জার্মানি প্রতিষ্ঠান ওরাসকম ও মিশরের প্রতিষ্ঠান আরব কন্ট্রাক্টর গ্রুপের এ সংক্রান্ত সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর হয়। প্রতিষ্ঠান দুটি নগরীতে ফিজিবিলিটি স্টাডি করবে।
চুক্তি অনুযায়ী ওরাসকম ও আরব কন্ট্রাক্টর গ্রুপ মনোরেল নির্মাণের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের (ফিজিবিলিটি স্টাডি) কাজ শুরু করার কথা রয়েছে।
মনোরেল প্রকল্পের অর্থায়ন, প্রযুক্তি ও বাস্তবায়ন কাঠামো তুলে ধরেন আরব কন্ট্রাক্টরস ও ওরাসকম পেনিনসুলা কনসোর্টিয়ামের চিফ রিপ্রেজেন্টেটিভ কাউসার আলম চৌধুরী।
তিনি জানান, ‘চট্টগ্রাম বাংলাদেশের বাণিজ্যিক রাজধানী। এখানে যানজট ও পরিবহণ সংকট ক্রমবর্ধমান। মনোরেল একটি আধুনিক ও পরিবেশবান্ধব সমাধান। আমরা এই প্রকল্পে পূর্ণাঙ্গ বিনিয়োগ করতে আগ্রহী।’
তিনি জানায়, প্রকল্পটি পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) মডেলে বাস্তবায়ন করা হবে। প্রকল্পের সম্ভাব্য তিনটি রুট হচ্ছে : লাইন-১ (২৬.৫ কি.মি.) কালুরঘাট থেকে বিমানবন্দর পর্যন্ত (বহদ্দারহাট, চকবাজার, লালখান বাজার, দেওয়ানহাট ও পতেঙ্গা হয়ে), লাইন-২ (১৩.৫ কি.মি.): সিটি গেট থেকে শহীদ বাশিরুজ্জামান স্কয়ার (এ.কে. খান, নিমতলী, সদরঘাট ও ফিরিঙ্গি বাজার হয়ে) পর্যন্ত লাইন-৩ (১৪.৫ কি.মি.): অক্সিজেন থেকে ফিরিঙ্গি বাজার (মুরাদপুর, পাঁচলাইশ, আন্দরকিল্লা ও কোতোয়ালি হয়ে) পর্যন্ত।
সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে মনোরেল প্রকল্প চট্টগ্রাম নগরীর গণপরিবহন খাতে যুগান্তকারী পরিবর্তন আনতে চলেছে উল্লেখ করে চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, এই প্রকল্পের মধ্য দিয়ে চট্টগ্রামকে দক্ষিণ এশিয়ার গেটওয়ে হিসেবে গড়ে তোলা হবে। প্রস্তাবিত মনোরেল প্রকল্পটির মোট দৈর্ঘ্য হবে প্রায় ৫৪ কিলোমিটার এবং এতে বিনিয়োগ হবে প্রায় ২০ থেকে ২৫ হাজার কোটি টাকা। পুরো অর্থায়ন আনবে বিদেশি বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান-ওরাসকম কনস্ট্রাকশন ও আরব কন্ট্রাক্টরস।
তিনি বলেন, ‘এই বিনিয়োগের জন্য চসিকের কোনো আর্থিক দায় থাকবে না। কেবল আমরা প্রয়োজনীয় লজিস্টিক সাপোর্ট ও ভূমি বরাদ্দ দেব। এই মনোরেল শুধু যানজট নিরসনে নয়, বরং চট্টগ্রামকে একটি পরিবেশবান্ধব, পর্যটন ও ব্যবসাবান্ধব নগরীতে রূপান্তর করার দিকেও এগিয়ে নেবে। এটি দক্ষিণ এশিয়ার সঙ্গে সংযোগের একটি আধুনিক সেতুবন্ধন তৈরি করবে। মনোরেল থেকে রাজস্ব আসবে শুধু টিকিট নয়, বরং বিজ্ঞাপন, স্টেশনে দোকানপাট, আশপাশের সম্পত্তিমূল্য বৃদ্ধির মাধ্যমেও। একটি ভাল গণপরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে পারলে ৫-৭ গুণ পর্যন্ত অর্থনৈতিক রিটার্ন পাওয়া যায়।’
অনুষ্ঠানে গ্রেটার চিটাগাং ইকোনমিক ফোরামের প্রেসিডেন্ট আমীর হুমায়ুন মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘চট্টগ্রামকে একটি স্মার্ট ও টেকসই নগরীতে রূপান্তরের অংশ হিসেবে মনোরেল প্রকল্প অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমরা ব্যবসায়ী, পেশাজীবী ও নগরবাসীকে নিয়ে একটি ইকোনমিক ফোরাম গঠন করে এই প্রকল্পকে বাস্তবায়নে কাজ করবো।’
চসিক কর্মকর্তারা জানান, মনোরেল একটি আধুনিক গণপরিবহন ব্যবস্থা, যা একক রেলপথ দিয়ে চলে। এটি সাধারণত উঁচু পিলারের ওপর স্থাপন করা হয়। মনোরেল প্রযুক্তি মেট্রোরেলের তুলনায় প্রায় ৪০ শতাংশ খরচ সাশ্রয়ী। এটি কম জায়গায় স্থাপন করা সম্ভব, ফলে ঘনবসতিপূর্ণ শহর বা স্থাপনার মধ্য দিয়েও সহজে চলাচল করতে পারে। মনোরেলের যাত্রী ধারণক্ষমতা তুলনামূলকভাবে কিছুটা কম হলেও এটি দ্রুত নির্মাণযোগ্য এবং শহরের যানজট কমাতে কার্যকর। বর্তমানে জাপান, চীন, দক্ষিণ কোরিয়া, মালয়েশিয়া ও ভারতের কিছু শহরে মনোরেল সফলভাবে চালু রয়েছে।
কর্মকর্তারা আরও জানান, এর আগে ২০২১ সাল থেকে বিদেশি আরও কয়েকটি প্রতিষ্ঠান মনোরেল নির্মাণে চসিককে প্রস্তাব দিয়েছিল। এ বিষয়ে তারা কয়েকবার তৎকালীন সিটি মেয়রের সঙ্গে বৈঠক করেছিল। কিন্তু নানা কারণে এটি আর আলোর মুখ দেখেনি।
মন্তব্য করুন


সিরাজগঞ্জের বেলকুচিতে ছাত্রলীগের প্রতিবাদ সমাবেশকে কেন্দ্র করে দলীয় কার্যালয়ে আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় দুই জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রোববার (১৪ মে) দুপুরে দুই আসামিকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি ঢাকা পোস্টকে নিশ্চিত করেছেন বেলকুচি থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসলাম হোসেন।
এর আগে শনিবার (১৩ মে) রাতে বেলকুচি পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি আল আমিন সরকার বাদী হয়ে বেলকুচির পৌর মেয়র সাজ্জাদুল হক রেজাকে প্রধান আসামি করে ১৭ জনের নাম উল্লেখসহ আরও ৩০-৪০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে থানায় একটি দায়ের করেন। মামলায় রাতেই উপজেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে দুইজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, বেলকুচি উপজেলার ভাঙ্গাবাড়ি ইউনিয়ের শ্যামগাতি গ্রামের সোহরাব আলীর ছেলে সোহেল রানা ও পৌর এলাকার জিধুরী গ্রামের আকছেদ আলীর ছেলে রমজান আলী।
বেলকুচি থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসলাম হোসেন ঢাকা পোস্টকে বলেন, উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে সংঘর্ষের ঘটনায় রাতে থানায় একটি মামলা হয়েছে। মামলায় পৌর মেয়রকে প্রধান আসামি করা হয়েছে। আমরা রাতেই অভিযান চালিয়ে মামলার দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করেছি। তাদের আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।
প্রসঙ্গত, শনিবার বিকেলে বেলকুচি উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে সমাবেশকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে দুই সাংবাদিকসহ আওয়ামী
মন্তব্য করুন


শারদীয় দুর্গাপূজা যথাযথভাবে ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে উদযাপন নিশ্চিত করতে সেনাবাহিনীর সক্রিয় ভূমিকার অংশ হিসেবে বুধবার কুমিল্লা নগরীর মহেশাঙ্গন পূজামন্ডপ পরিদর্শন করেন ৩৩ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল মোঃ নাজিম-উদ-দৌলা, এসপিপি, এনডিসি, পিএসসি, পিএইচডি।
তিনি বুধবার (১ অক্টোবর) বেলা পৌনে ১২ টায় পূজামন্ডপে পৌঁছে হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দ, স্থানীয় জনগণ ও সাংবাদিকদের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন এবং পূজামন্ডপ প্রাঙ্গণ পরিদর্শন করেন।
সভায় হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দ শ্যামল কৃষ্ণ সাহা (আহ্বায়ক, বাংলাদেশ পূজা উদযাপন ফ্রন্ট, কুমিল্লা মহানগর), সনজিৎ দেবনাথ (সদস্য সচিব), রাজীব সাহা (যুগ্ম আহ্বায়ক) ও প্রদীপসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। তাদের সাথে মুক্ত আলোচনা করে সেনাবাহিনী, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সিভিল প্রশাসনের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সমন্বয়ের বিষয়টি জিওসি গুরুত্বের সাথে তুলে ধরেন।
তিনি হিন্দু সম্প্রদায়ের সার্বিক নিরাপত্তা ও শান্তিপূর্ণ পূজা উদযাপনে সেনাবাহিনীর সহযোগিতার আশ্বাস দেন এবং সমাজের সকল ধর্মাবলম্বীর নিরাপত্তায় সেনাবাহিনী সবসময় পাশে থাকবে বলে মন্তব্য করেন। এ সময় তিনি ঈশ্বর পাঠশালার ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য ছেলেদের ও মেয়েদের হোস্টেলে দুটি ফ্রিজ উপহার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি প্রদান করেন।
পরিদর্শনকালে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মধ্যে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) সাইফুল মালিক এবং কোতয়ালি থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মহিনুল ইসলাম। সিভিল প্রশাসনের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা সদরের সহকারী কমিশনার (ভূমি )তানজিনা জাহান।
পরিদর্শনকালে জিওসির সাথে আরও উপস্থিত ছিলেন ৪৪ পদাতিক ব্রিগেডের কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এনামুল হক এবং ৩৩ পদাতিক ডিভিশনের কর্নেল স্টাফ কর্নেল মেহেদী হাসান। পরিদর্শনের সার্বিক পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে ছিলেন ২৩ বীর এর কমান্ডিং অফিসার ও ইউনিট সদস্যবৃন্দ।
মহেশাঙ্গন পূজামন্ডপে জিওসি মহোদয়ের এ সফর হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে আস্থা, নিরাপত্তাবোধ ও সৌহার্দ্য বৃদ্ধিতে তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে উপস্থিত নেতৃবৃন্দ মন্তব্য করেন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে দ্রুতগতির লাশবাহী অ্যাম্বুলেন্স লড়ির পিছনে ধাক্কা দিলে এ্যাম্বুলেন্সে থাকা লাশের দুই স্বজন নিহত হয়েছে।
শনিবার বিকেলে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের বাতিসা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ্যাম্বুলেন্সের চালক আহত হলেও পরে পালিয়ে যায়। তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন মিয়াবাজার হাইওয়ে থানার সার্জেন্ট মোঃ সাকলাইন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সৌদি আরবে মারা যাওয়া রুবেলের লাশ ঢাকা বিমানবন্দর থেকে নিয়ে দ্রুতগতির লাশবাহী অ্যাম্বুলেন্স(ঢাকামেট্রো-শ-১১-৪৮২৪) চট্টগ্রামের ভুজপুরের দিকে যাচ্ছিল। পথিমধ্যে বিকেল পৌনে পাঁচটায় মহাসড়কের বাতিসা এলাকায় অ্যাম্বুলেন্সটি একটি লরীর পিছনে ধাক্কা দিলে সামনের অংশ দুমড়ে মুচড়ে যায়।
এতে ঘটনাস্থলেই রুবেলের ভাই চট্রগ্রামের ভুজপুর থানার পূর্ব ভুজপুরের জয়নাল আবেদীনের ছেলে ওসমান গণি নিহত ও একই গ্রামের ফুল মিয়ার ছেলে বাবুল মিয়া গুরুতর আহত হন। এরই মধ্যে অ্যাম্বুলেন্সের চালক আহত হলেও তিনি পালিয়ে যান। খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌছে আহত বাবুল মিয়াকে উদ্ধার শেষে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়। অবস্থার অবনতি হওয়ায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পথে বাবুল মিয়া মৃত্যুবরণ করেন।
মিয়াবাজার হাইওয়ে থানার সার্জের্ন্ট মোঃ সাকলাইন বলেন, ‘দুর্ঘটনা কবলিত অ্যাম্বুলেন্স ও লাশ উদ্ধার শেষে থানায় আনা হয়েছে। যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। আইন প্রক্রিয়া শেষে লাশ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে’।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা মহানগরীর জাঙ্গালিয়া এলাকায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৩৩ পদাতিক ডিভিশন এবং র্যাব-১১ (সিপিসি-২) এর যৌথ উদ্যোগে একটি বিশেষ অভিযানে বিপুল পরিমাণ অস্ত্রসহ নাজমুল ইসলাম শামীম নামের এক সন্ত্রাসীকে আটক করা হয়েছে।
শনিবার (২০ ডিসেম্বর) গভীর রাত থেকে ভোর ছয়টা পর্যন্ত এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।
সেনাবাহিনী সূত্র জানায় , গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে প্রথমে মোঃ নাজমুল ইসলাম শামীমের বাসভবনে অভিযান পরিচালনা করা হয়।
তার বাসা থেকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ স্থানীয়ভাবে তৈরি আগ্নেয়াস্ত্র, দেশি ও বিদেশি গোলাবারুদ এবং বিভিন্ন অপরাধমূলক সামগ্রী উদ্ধার করা হয়। পরবর্তীতে তার ব্যবহৃত গোপন আস্তানাগুলোতেও তল্লাশি চালানো হয়, তবে প্রাথমিক পর্যায়ে তাকে সেখানে পাওয়া যায়নি।
পরবর্তীতে আধুনিক প্রযুক্তির সহায়তায় জিপিএস ও লোকেশন ট্র্যাকিং পরিচালনা করে সন্দেহভাজন শামীমকে আটক করা হয়।
আটক হওয়া নাজমুল ইসলাম শামীম মহানগরীর ২১ নং ওয়ার্ডের জাঙ্গালিয়া এলাকার মরহুম আব্দুল হালিমের ছেলে।
উদ্ধারকৃত অস্ত্রের মধ্যে স্থানীয়ভাবে তৈরি ৩টি আগ্নেয়াস্ত্র / পাইপগান, ৬০ রাউন্ড শটগান কার্তুজ, ( ১২ বোর × ৭০ মিমি – ৪০ রাউন্ড ও ১২ বোর × ৭৬ মিমি – ২০ রাউন্ড) । ১৮ রাউন্ড মেশিনগান গোলাবারুদ (৭.৬২×৫৪ মিমি, POF নির্মিত), ১ রাউন্ড পিস্তল গোলাবারুদ (৭.৬২×২৫ মিমি, টোকারেভ: S&B নির্মিত), ১ রাউন্ড রিভলভার/ এয়ারগান গোলাবারুদ, ১০টি ছুরি, চাপাতি ও চাইনিজ কুড়াল। এছাড়া দুটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন, ৮টি মানিব্যাগ, এটিএম কার্ড, ড্রাইভিং লাইসেন্স ও এনআইডি জব্দ করা হয়।
স্থানীয় বিভিন্ন প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, সন্দেহভাজন শামীম জাঙ্গালিয়া বাসস্ট্যান্ডের সহ-সভাপতি হিসেবে পরিচিত এবং তিনি পূর্বে আওয়ামী লীগ সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক কার্যক্রমে সক্রিয় ছিলেন। এছাড়াও তিনি কুমিল্লা শহরের একজন চিহ্নিত বড় চাঁদাবাজ হিসেবে পরিচিত। ভয়ের কারণে অনেকেই প্রকাশ্যে তার বিরুদ্ধে বক্তব্য প্রদান করতে সাহস পান না, তবে একাধিক সূত্র থেকে তার অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড সংক্রান্ত তথ্য পাওয়ার পরই সেনাবাহিনী তার বাসায় অভিযান পরিচালনা করে।
সন্দেহভাজন শামীমের বিরুদ্ধে কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানা ও কুমিল্লা সদর দক্ষিণ থানায় কমপক্ষে ৭টি মামলা বিদ্যমান।
অস্ত্রসহ তাকে র্যাবের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা নগরীতে গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে ছাত্রলীগ-যুবলীগের ঝটিকা মিছিলে অংশগ্রহণ করে গ্রেফতার হওয়া যুবলীগ নেতা মহিউদ্দিন আহমেদ সুমনকে কম মামলা দিয়ে আদালতের প্রেরণ করার জন্য জোর তদবিদ করছেন বিএনপির একাংশের নেতাকর্মীরা। স্থানীয় একাধিক সূত্র নাম প্রকাশ না করার শর্তে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
কুমিল্লায় ছাত্রলীগের মিছিলে অংশগ্রহণ করায় যুবলীগ নেতা মহিউদ্দিন আহমেদ সুমনকে বৃহস্পতিবার গ্রেফতার করেছে কোতোয়ালি থানা পুলিশ।
গ্রেফতার হওয়া সুমন নগরীর ৫ নং ওয়ার্ডের মোগলটুলি উত্তর গাংচর এলাকার মৃত আলাউদ্দিন আহাম্মদের বড় ছেলে।
তার বিরুদ্ধে মাদক মামলা সহ বেশ কয়েকটি মামলা রয়েছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, যুবলীগ নেতা সুমন সম্প্রতি নিজেকে মামলা ও গ্রেপ্তার থেকে বাঁচানোর জন্য বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত এক নেতার অনুসারীদের সাথে চলাফেরা করেন। গতকাল ছাত্রলীগ- যুবলীগের ঝটিকা মিছিলে অংশগ্রহণ করেন। পরে কোতয়ালী থানা পুলিশ তাকে গ্রেফতার করলে বিএনপির ওই অংশের নেতাকর্মীরা তার জন্য জোর তদবির শুরু করেন, যাতে করে দু একটি মামলা দিয়ে আদালতে প্রেরণ করা হয়, এবং সহজেই জামিনে বের হয়ে আসতে পারে। শোনা যাচ্ছে একটি দুর্বল মামলা দিয়ে তাকে আদালতে প্রেরণ করা হতে পারে।
এ বিষয়ে কোতয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহিনুল ইসলাম জানান, সুমনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে পূর্বে একাধিক মামলা রয়েছে। নতুন করে আরো হয়তো মামলা হতে পারে। তবে তিনি তদবিরের বিষয়ে কোনো কথা বলতে রাজি হননি।
মন্তব্য করুন