

ভারতে গার্ডার লঞ্চিং মেশিন ভেঙে পড়ে অন্তত ১৬ জন নিহত হয়েছেন। ৩ জন আহত
হয়েছেন।
১ আগস্ট মঙ্গলবার এক
প্রতিবেদনে এনডিটিভি এ তথ্য জানিয়েছে। ভোরের দিকে নির্মাণকাজ চালানোর সময়
মহারাষ্ট্রের থানের শাহাপুরে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
পুলিশ, ফায়ার
সার্ভিসের কর্মীরা এবং অন্যান্য জরুরি পরিষেবা উদ্ধারকাজে নিয়োজিত রয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে,
সমৃদ্ধি এক্সপ্রেসওয়ের নির্মাণকাজে নিয়োজিত একদল শ্রমিকের ওপর গার্ডার লঞ্চিং
মেশিনটি ভেঙে পড়ে। ঘটনাস্থলেই তাদের মৃত্যু হয়। আহতদের নিকটস্থ হাসপাতালে নিয়ে
যাওয়া হয়েছে।
এদিকে পুলিশ ধারণা
করছে, ধসে পড়া কাঠামোর নিচে আরও ৫জন আটকা পড়েছেন।
এ ঘটনায় শোক প্রকাশ
করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি নিহতদের পরিবারের জন্য ২লাখ রুপি
করে ক্ষতিপূরণ ঘোষণা করেছেন।
এক টুইটে
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে বলা হয়েছে, মহারাষ্ট্রের শাহাপুরের মর্মান্তিক
দুর্ঘটনায় আমি (মোদি) ব্যথিত। নিহতদের পরিবারের প্রতি আমার গভীর সমবেদনা। আহতদের
জন্য আমাদের প্রার্থনা রয়েছে। এনডিআরএফ ও স্থানীয় প্রশাসন দুর্ঘটনাস্থলে কাজ
করছে। ক্ষতিগ্রস্তদের যথাযথ সহায়তা নিশ্চিতে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
এই দুর্ঘটনায় নিহতদের
পরিবারকে ২লাখ রুপি করে সহায়তা দেওয়া হবে। আহতদের দেওয়া হবে ৫০ হাজার রুপি।
মন্তব্য করুন


গত
৪ এপ্রিল প্রেসিডেন্ট জুলিয়াস জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেন। গভীর রাতে গোটা সিয়ারা লিওন
যখন ঘুমে আচ্ছন্ন, তখন এই জরুরি অবস্থার নেপথ্যে একমাত্র কারণ কুশ নামক মাদকের ব্যবহার।
মানুষের
হাড় জোগাড় করতে মাদক প্রস্তুতকারকেরা হানা দিচ্ছেন কবরস্থানে। কবর খুঁড়ে বার করে
আনা হচ্ছে মানুষের কঙ্কাল। তার পর সেই কঙ্কালের হাড় গুঁড়ো করে অন্যান্য প্রয়োজনীয়
পদার্থের সঙ্গে মিশিয়ে তৈরি করে ফেলা হচ্ছে কুশ। সিগারেট, বিড়ি বা গাঁজার মতো এই মাদক
সেবন করছেন সিয়েরা লিওনের বাসিন্দারা।
শুধু
জরুরি অবস্থা জারি করে নিশ্চিন্ত হতে পারেননি সে দেশের প্রেসিডেন্ট জুলিয়াস মাদা বায়ো,
কবরস্থান গুলিতে মোতায়েন করতে হয়েছে সশস্ত্র নিরাপত্তা বাহিনী।পশ্চিম আফ্রিকার সিয়েরা
লিওন নামক ছোট্ট দেশটির কাছে এখন হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে ওই মাদক। এক জাতীয় মাদকের ব্যবহার
রুখতে জারি করা হল জরুরি অবস্থা।
হাজার
হাজার মানুষ ছুটছেন এই মাদকের পিছনে। ভয়াবহতা আর তৈরির প্রক্রিয়ার জন্য একে ‘পিশাচ
মাদক’ও বলা হয়।সিয়েরা লিওনে এখন আতঙ্কের কারণ কুশ। কুশ এক ধরনের মাদক। কিন্তু সে দেশের
বেশির ভাগ নাগরিকের কাছেই কুশ যেন ‘অমৃত’।
এই
কুশের দাম বেশ কম। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হচ্ছে, মাত্র ৮০০ টাকার মাদক কিনে
বেশ কয়েক জন নেশা করেন। তবে যে দেশের বার্ষিক আয় মাত্র ৪২ হাজার টাকা, সে দেশের মানুষের
কাছে কুশ এক বিলাসিতা। কিন্তু নেশার টানে সেই বিলাসিতার জীবনে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছেন
হাজার হাজার যুবক।
যে
সব পদার্থ মিশিয়ে কুশ তৈরি করা হয়, তা চিকিৎসকদের আরও বেশি করে চিন্তায় ফেলেছে। অনেকেই
এই মাদককে ‘মৃত্যুফাঁদ’ বলেও উল্লেখ করছেন। বহু প্রচার করেও এই মাদক ব্যবহার থেকে দেশের
মানুষকে বিরত করতে পারেনি প্রশাসন। দেশে তাই জরুরি অবস্থা জারি করা ছাড়া কোনও রাস্তা
ছিল না বলে দাবি করেছেন বায়ো।
এই
মাদক তৈরিতে ব্যবহার করা হয় সালফার। আর এই সালফার জোগাড় করতেই প্রয়োজন পড়ছে মানুষের
হাড়! হাড় গুঁড়ো করে মাদকে মেশানো হচ্ছে।কুশ বিভিন্ন ধরনের বিষাক্ত পদার্থ মিশিয়ে
তৈরি করা হয়। যার মধ্যে রয়েছে ফেন্টানাইল, গাঁজা, ফর্মালডিহাইড জাতীয় দ্রব্য।
গভীর
রাতে গোটা সিয়েরা লিওন যখন ঘুমে আচ্ছন্ন, তখন প্রেসিডেন্ট জুলিয়াস জরুরি অবস্থা ঘোষণা
করেন। এই জরুরি অবস্থার নেপথ্যে একমাত্র কারণ কুশ! তিনি বলেন, ‘‘বর্তমানে বিধ্বংসী
সিন্থেটিক মাদক কুশের অপব্যবহারের কারণে আমাদের দেশ অস্তিত্বগত সঙ্কটে ভুগছে। এই মাদক
এক মৃত্যুফাঁদ। মানুষ এই মাদক সেবন করে ধীরে ধীরে মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।’’
জুলিয়াস
সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ যে ভাবেই হোক কুশ ব্যবহার আটকাবেই তারা।কবর থেকে কঙ্কাল চুরি
আটকাতে কবরস্থানের চারপাশে সশস্ত্র বাহিনী মোতায়েন করেছে সিয়েরা লিওন সরকার। সন্দেহভাজন
কোনও ব্যক্তিকে দেখলেই গ্রেফতার করা হচ্ছে।
বর্তমানে
গোটা দেশ যেন নেশায় আচ্ছন্ন। বছর কয়েক আগেও এই দেশের অবস্থা এমন ভয়াবহ ছিল না। বিশেষজ্ঞদের
মতে, এই মাদক এক বার সেবন করলে তা অভ্যাসে পরিণত হয়ে যায় পশ্চিম আফ্রিকার এই দেশে বেকারত্বের
হার প্রায় ৬০ শতাংশ। দু’বেলা পেটভরা খাবার জোগাতে হিমশিম খান বেশির ভাগ মানুষ। কিন্তু
খাবারের থেকেও কুশ সেবনের প্রবণতা বেশি। আর তা কেনার জন্য অর্থ জোগাড় করতে অপরাধ জগতে
পা দিচ্ছেন অনেকেই।যে ব্যক্তি এই মাদক সেবন করেন, তিনি কয়েক ঘণ্টা নেশায় আচ্ছন্ন হয়ে
থাকেন। বিশেষত, তরুণ প্রজন্মের মধ্যেই এই মাদক সেবনের প্রবণতা বেশি।
কুশ
ব্যবহারের ফলে স্নায়ু শিথিল হয়ে যায়। স্বাভাবিক চিন্তাভাবনার শক্তি হারিয়ে ফেলেন সেবনকারী।
তবে কুশে ব্যবহৃত ফেন্টানাইলের মতো দ্রব্যগুলির নেতিবাচক প্রভাব ভয়ঙ্কর।
২০২০
সালেও সিয়েরা লিওনে এই মাদকের ব্যবহার এতটা ছিল না। সরকারি এক পরিসংখ্যান অনুযায়ী,
২০২০ সালে গোটা দেশে কুশ ব্যবহারকারীর সংখ্যা ছিল মাত্র ৪৭। ২০২২ সালে সেই সংখ্যা বেড়ে
দাঁড়ায় ১ হাজার ১০১।
২০২০
থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে এই মাদক ব্যবহার বেড়েছে চার হাজার শতাংশ। তাঁদের মধ্যে বেশির
ভাগই পুরুষ। ১৮ থেকে ২৫ বছর বয়সিরাই এই মাদকে আসক্ত হচ্ছেন বেশি।
এই
মাদকের ফলে সিয়েরা লিওনে বৃদ্ধি পাচ্ছে মৃত্যুর হার। সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয়, সে দেশের
হাসপাতালগুলিতে ভর্তি হওয়া রোগীদের মধ্যে ৬৩ শতাংশই কুশ মাদকে আসক্ত। এই মাদকে আসক্ত
অসুস্থ হয়ে পড়া ব্যক্তিদের বাঁচার সম্ভাবনা খুবই কম।
চিকিৎসকদের
মতে, কুশ শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ যেমন হৃদ্যন্ত্র, মস্তিষ্ক, লিভার, কিডনি এবং ফুসফুসে
সরাসরি প্রভাব বিস্তার করে। ফলে এক বা একাধিক অঙ্গ বিকল হওয়ার আশঙ্কা দেখা দেয়। প্রধানত
অঙ্গ বিকল হয়েই মৃত্যু হয় কুশ মাদকে আসক্ত ব্যক্তির।
এই
জরুরি অবস্থার নেপথ্যে একমাত্র কারণ কুশ নামক মাদকের এক জাতীয় মাদকের ব্যবহার রুখতে
জারি করা হল জরুরি অবস্থা। পশ্চিম আফ্রিকার সিয়েরা লিওন নামক ছোট্ট দেশটির কাছে এখন
হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে ওই মাদক। শুধু জরুরি অবস্থা জারি করে নিশ্চিন্ত হতে পারেননি সে
দেশের প্রেসিডেন্ট জুলিয়াস মাদা বায়ো, কবরস্থানগুলিতে মোতায়েন করতে হয়েছে সশস্ত্র নিরাপত্তা
বাহিনী।
সিয়েরা
লিওনে এখন আতঙ্কের কারণ কুশ। কুশ এক ধরনের মাদক। কিন্তু সে দেশের বেশির ভাগ নাগরিকের
কাছেই কুশ যেন ‘অমৃত’। হাজার হাজার মানুষ ছুটছেন এই মাদকের পিছনে। ভয়াবহতা আর তৈরির
প্রক্রিয়ার জন্য একে ‘পিশাচ মাদক’ও বলা হয়।
যে
সব পদার্থ মিশিয়ে কুশ তৈরি করা হয়, তা চিকিৎসকদের আরও বেশি করে চিন্তায় ফেলেছে। অনেকেই
এই মাদককে ‘মৃত্যুফাঁদ’ বলেও উল্লেখ করছেন। বহু প্রচার করেও এই মাদক ব্যবহার থেকে দেশের
মানুষকে
বিরত করতে পারেনি প্রশাসন। দেশে তাই জরুরি অবস্থা জারি করা ছাড়া কোনও রাস্তা ছিল না
বলে দাবি করেছেন বায়ো।
গত ৪ এপ্রিল গভীর রাতে গোটা সিয়েরা লিওন যখন ঘুমে আচ্ছন্ন, তখন প্রেসিডেন্ট জুলিয়াস জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেন। এই জরুরি অবস্থার নেপথ্যে একমাত্র কারণ কুশ! তিনি বলেন, ‘‘বর্তমানে বিধ্বংসী সিন্থেটিক মাদক কুশের অপব্যবহারের কারণে আমাদের দেশ অস্তিত্বগত সঙ্কটে ভুগছে। এই মাদক এক মৃত্যুফাঁদ। মানুষ এই মাদক সেবন করে ধীরে ধীরে মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।’’
কুশ বিভিন্ন ধরনের বিষাক্ত পদার্থ মিশিয়ে তৈরি করা হয়। যার মধ্যে রয়েছে ফেন্টানাইল, গাঁজা, ফর্মালডিহাইড জাতীয় দ্রব্য। শুধু তা-ই নয়, এই মাদক তৈরিতে ব্যবহার করা হয় সালফার। আর এই সালফার জোগাড় করতেই প্রয়োজন পড়ছে মানুষের হাড়! হাড় গুঁড়ো করে মাদকে মেশানো হচ্ছে।
মানুষের হাড় জোগাড় করতে মাদক প্রস্তুতকারকেরা হানা দিচ্ছেন কবরস্থানে। কবর খুঁড়ে বার করে আনা হচ্ছে মানুষের কঙ্কাল। তার পর সেই কঙ্কালের হাড় গুঁড়ো করে অন্যান্য প্রয়োজনীয় পদার্থের সঙ্গে মিশিয়ে তৈরি করে ফেলা হচ্ছে কুশ। সিগারেট, বিড়ি বা গাঁজার মতো এই মাদক সেবন করছেন সিয়েরা লিওনের বাসিন্দারা।
কবর থেকে কঙ্কাল চুরি আটকাতে কবরস্থানের চারপাশে সশস্ত্র বাহিনী মোতায়েন করেছে সিয়েরা লিওন সরকার। সন্দেহভাজন কোনও ব্যক্তিকে দেখলেই গ্রেফতার করা হচ্ছে। জুলিয়াস সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ যে ভাবেই হোক কুশ ব্যবহার আটকাবেই তারা।
বছর কয়েক আগেও এই দেশের অবস্থা এমন ভয়াবহ ছিল না। বর্তমানে গোটা দেশ যেন নেশায় আচ্ছন্ন। যে ব্যক্তি এই মাদক সেবন করেন, তিনি কয়েক ঘণ্টা নেশায় আচ্ছন্ন হয়ে থাকেন। বিশেষত, তরুণ প্রজন্মের মধ্যেই এই মাদক সেবনের প্রবণতা বেশি। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই মাদক এক বার সেবন করলে তা অভ্যাসে পরিণত হয়ে যায়।
পশ্চিম আফ্রিকার এই দেশে বেকারত্বের হার প্রায় ৬০ শতাংশ। দু’বেলা পেটভরা খাবার জোগাতে হিমশিম খান বেশির ভাগ মানুষ। কিন্তু খাবারের থেকেও কুশ সেবনের প্রবণতা বেশি। আর তা কেনার জন্য অর্থ জোগাড় করতে অপরাধ জগতে পা দিচ্ছেন অনেকেই।
কুশ ব্যবহারের ফলে স্নায়ু শিথিল হয়ে যায়। স্বাভাবিক চিন্তাভাবনার শক্তি হারিয়ে ফেলেন সেবনকারী। তবে কুশে ব্যবহৃত ফেন্টানাইলের মতো দ্রব্যগুলির নেতিবাচক প্রভাব ভয়ঙ্কর।এই মাদকের ফলে সিয়েরা লিওনে বৃদ্ধি পাচ্ছে মৃত্যুর হার। সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয়, সে দেশের হাসপাতালগুলিতে ভর্তি হওয়া রোগীদের মধ্যে ৬৩ শতাংশই কুশ মাদকে আসক্ত। এই মাদকে আসক্ত অসুস্থ হয়ে পড়া ব্যক্তিদের বাঁচার সম্ভাবনা খুবই কম।
২০২০
সালেও সিয়েরা লিওনে এই মাদকের ব্যবহার এতটা ছিল না। সরকারি এক পরিসংখ্যান অনুযায়ী,
২০২০ সালে গোটা দেশে কুশ ব্যবহারকারীর সংখ্যা ছিল মাত্র ৪৭। ২০২২ সালে সেই সংখ্যা বেড়ে
দাঁড়ায় ১ হাজার ১০১।
২০২০ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে এই মাদক ব্যবহার বেড়েছে চার হাজার শতাংশ। তাঁদের মধ্যে বেশির ভাগই পুরুষ। ১৮ থেকে ২৫ বছর বয়সিরাই এই মাদকে আসক্ত হচ্ছেন বেশি।
চিকিৎসকদের মতে, কুশ শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ যেমন হৃদ্যন্ত্র, মস্তিষ্ক, লিভার, কিডনি এবং ফুসফুসে সরাসরি প্রভাব বিস্তার করে। ফলে এক বা একাধিক অঙ্গ বিকল হওয়ার আশঙ্কা দেখা দেয়। প্রধানত অঙ্গ বিকল হয়েই মৃত্যু হয় কুশ মাদকে আসক্ত ব্যক্তির।
এই
কুশের দাম বেশ কম। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হচ্ছে, মাত্র ৮০০ টাকার মাদক কিনে
বেশ কয়েক জন নেশা করেন। তবে যে দেশের বার্ষিক আয় মাত্র ৪২ হাজার টাকা, সে দেশের মানুষের
কাছে কুশ এক বিলাসিতা। কিন্তু নেশার টানে সেই বিলাসিতার জীবনে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছেন হাজার
হাজার যুবক।
মন্তব্য করুন


ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজিম আনার হত্যাকাণ্ডে গ্রেফতারকৃত জিহাদ হাওলাদারের ১২ দিনের পুলিশি (সিআইডি) রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন পশ্চিমবঙ্গের বারাসাত আদালত।
শুক্রবার (২৪ মে) দুপুরের দিকে জিহাদকে চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (সিজিএম) বিচারক শুভঙ্কর বিশ্বাসের এজলাসে তোলা হয়।সিআইডির পক্ষ থেকে ১৪ দিন রিমান্ডের আবেদন করা হয়েছিল। পরে আদালত ১২ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
এর আগে নৃশংস হত্যার অভিযোগে জিহাদের নামে রাজ্য গোয়েন্দা পুলিশের পক্ষ থেকে মামলা দায়ের করা হয়। তাকে ভারতীয় দণ্ডবিধি অনুযায়ী ৩৬৪, ৩০২, ২০১ ও ১২০বি -এ চার ধারায় মামলা দেওয়া হয়েছে আর প্রতিটিই জামিন-অযোগ্য ধারা।
চার ধারার মামলাগুলো হলো ৩৬৪-হত্যার উদ্দেশ্যে অপহরণ। ৩০২- অপরাধমূলক নরহত্যা। ২০১-তথ্য লোপাট, অর্থাৎ অস্ত্র ও মরদেহ পরিকল্পনা করে সরিয়ে ফেলা। ১২০বি-অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র (একাধিক ব্যক্তির সমন্বয়ে)।
অর্থাৎ এ ধরনের মামলায় সর্বোচ্চ রায় হিসেবে বিচারক আমৃত্যু যাবজ্জীবন বা মৃত্যুদণ্ড দিতে পারেন। রাজ্য পুলিশ জিহাদকে একজন ‘দক্ষ কসাই’ হিসেবে বিচারকের সামনে পেশ করে।
পুলিশের এখন মূল উদ্দেশ্য, মরদেহের অংশ উদ্ধার করা অথবা দেহাংশ সরাতে ব্যবহৃত প্লাস্টিক বা ট্রলি কোথায়, তা জানা। সে কারণে পুলিশ জিহাদের রিমান্ড চায়।
এর আগে গতকাল বৃহস্পতিবার বনগাঁও অঞ্চলের গোপাল নগরে গোয়েন্দা পুলিশের হাতে ধরা পড়েন জিহাদ হাওলাদার। তিনি বাংলাদেশে পালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছিলেন বলে জানায় পুলিশ।
পুলিশের বিবৃতিতে বলা হয়, অভিযুক্ত জিহাদ বাংলাদেশি এবং একজন ‘দক্ষ কসাই’। অবৈধভাবে মুম্বাইয়ে বাস করছিলেন তিনি। জেরায় জানিয়েছেন, তার নাম জিহাদ হাওলাদার, বাবা জয়নাল হাওলাদার খুলনার বাসিন্দা। দুই মাস আগে তাকে কলকাতায় নিয়ে আসেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মার্কিন নাগরিক আখতারুজ্জামান শাহীন।
পুলিশ দাবি করেছে, পরিস্থিতিগত প্রমাণে যে ইঙ্গিত মিলেছে তাতে বোঝা যায়, এমপিকে প্রথমে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয় এবং তারপরে তার মরদেহকে টুকরো টুকরো করা হয়।
প্রসঙ্গত, গত ১২ মে বাংলাদেশ থেকে পশ্চিমবঙ্গে বরাহনগরের মন্ডল পাড়ায় গোপাল বিশ্বাসের বাড়িতে ওঠেন এমপি আনার। এরপর ১৩ মে পৌঁছে যান নিউ টাউনের সঞ্জীবা গার্ডেনসে। পুলিশি তথ্য অনুযায়ী, ১৩ তারিখ রাতেই তাকে হত্যা করা হয়। মরদেহ বাক্সবন্দি করে ১৪, ১৫ ও ১৬ মে প্রতিদিন একজন করে ফ্ল্যাট থেকে বেরিয়ে যান।
মন্তব্য করুন


মঙ্গলবার (২৭ আগস্ট) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় অন্তর্বর্তী
সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করে আন্তর্জাতিক
মঞ্চে রাশিয়া বাংলাদেশের পাশে থাকবে বলে জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত রাশিয়ার
রাষ্ট্রদূত আলেকজান্ডার মান্টিটস্কি।
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশের গৌরবময় মুক্তিযুদ্ধে
রাশিয়ার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা এবং চট্টগ্রাম বন্দর থেকে মাইন অপসারণের কথা স্মরণ
করেন।
তিনি রাশিয়ার রাষ্ট্রদূতকে তৈরি পোশাকের পাশাপাশি বাংলাদেশের
অন্যান্য পণ্যও আমদানি বাড়ানোর আহ্বান জানান। বর্তমানে রাশিয়ায় বাংলাদেশের মোট
রপ্তানির ৯০ শতাংশ তৈরি পোশাক।
বৈঠকে রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত রাশিয়ার কারিগরি ও আর্থিক সহায়তায়
বাংলাদেশে নির্মিত রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র এবং খাদ্য নিরাপত্তা,
জ্বালানি অনুসন্ধান এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে সহায়তা বাড়ানোসহ পারস্পরিক স্বার্থ
সংশ্লিষ্ট বিষয়াদি আলোচনা করেন।
বাংলাদেশের খাদ্যশস্য এবং সারের বড় একটি অংশ রাশিয়া থেকে আমদানি
করা হয় উল্লেখ করে ড. ইউনূস বলেন, রাশিয়া বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক
অংশীদার।
গত বছর রাশিয়া থেকে বাংলাদেশ ২ দশমিক ৩ মিলিয়ন টনেরও বেশি গম
আমদানি করেছে এবং চলতি বছর আমদানির পরিমাণ ইতোমধ্যে ২ মিলিয়ন টন অতিক্রম করেছে।
রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত জানান, রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন জ্বালানি
কোম্পানি গ্যাজপ্রম ভোলা দ্বীপে এবং দেশের অভ্যন্তরে আরও পাঁচটি গ্যাস কূপ
অনুসন্ধান করতে আগ্রহী।
তিনি আরও জানান, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের নির্মাণকাজ
চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে এবং এটি আগামী বছর চালু হতে পারে।
তিনি বলেন, রাশিয়া বাংলাদেশে এলএনজি রপ্তানিতে আগ্রহী।
প্রধান উপদেষ্টা অর্থনৈতিক ও শিক্ষা সহযোগিতা এবং দুই দেশের জনগণের
মধ্যে সম্পর্ক বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব আরোপ করেন।
মন্তব্য করুন


গত শুক্রবার (১৯ এপ্রিল)
দিবাগত রাত ১২টার পর থেকে ইন্টারনেট সেবা
পেতে বিঘ্নতা পোহাতে হচ্ছে জনসাধারণকে ।
বাংলাদেশের পাশাপাশি আরও
কয়েকটি দেশে একই অবস্থা তৈরি হয়েছে। ফলে গ্রাহকরা ইন্টারনেট সেবার ধীরগতির অভিযোগ করছেন।
দেশের দ্বিতীয় সাবমেরিন ক্যাবলের
(সিমিউই-৫) সংযোগ সরবরাহ বন্ধ থাকায় দেশের মধ্যে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরা সঠিকভাবে
ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারছেন না যা আগামী দুই তিন দিনের আগে ঠিক হওয়ার কোনো সম্ভাবনা
নেই ।
ইন্টারনেটের সেবা পেতে বিঘ্নতার
কারণ নিয়ে জানা গেছে, সিঙ্গাপুরে ফাইবার ক্যাবল কাঁটা পড়ায় দেশের দ্বিতীয় সাবমেরিন
ক্যাবল সিমিউই-৫ দিয়ে ১৬০০ জিবিপিএস ব্যান্ডউইথ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেছে। ব্যান্ডউইথ সরবরাহ
স্বাভাবিক হতে দুই-তিন দিন লাগবে।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ সাবমেরিন
ক্যাবল কোম্পানির এমডি মির্জা কামাল আহমেদ সংবাদ মাধ্যমকে জানান, সমস্যা মোকাবিলায়
সিমিউই-৪ সাবমেরিন কেবল দিয়ে বিকল্পভাবে ব্যান্ডউইথ সরবরাহের চেষ্টা করা হচ্ছে।
মন্তব্য করুন


কক্সবাজারে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেসলাখো রোহিঙ্গার সঙ্গে ইফতার করলেন ।
শুক্রবার (১৪ মার্চ) রোহিঙ্গা
ক্যাম্প পরিদর্শন শেষে প্রায় এক লাখ রোহিঙ্গার
সঙ্গে ইফতার করেন তারা।
এর আগে দুপুরে বাংলাদেশ বিমানের একটি বিশেষ ফ্লাইটে কক্সবাজার পৌঁছান তারা। এরপর বিমানবন্দর থেকে সরাসরি কক্সবাজারের উখিয়ায় যান জাতিসংঘের মহাসচিব গুতেরেস। পরে সেখানে রোহিঙ্গা শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র এবং পাটজাত পণ্যের উৎপাদন কেন্দ্র পরিদর্শন করেন।
অন্যদিকে
কক্সবাজারে পৌঁছে সেখানে নির্মাণাধীন কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও খুরুশকূল জলবায়ু উদ্বাস্তু কেন্দ্র পরিদর্শন করেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। পরবর্তীতে বিকেলে উখিয়ায় প্রায় এক লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থীর সঙ্গে ইফতারে যোগ দেন প্রধান উপদেষ্টা ও জাতিসংঘ মহাসচিব।
উল্লেখ্য, ৪ দিনের সফরে বৃহস্পতিবার (১৩ মার্চ) ঢাকায় পৌঁছান জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস।
মন্তব্য করুন


বিয়ে করতে এসে হবু শ্বশুরবাড়ির আপ্যায়ন পছন্দ হয়নি বরপক্ষের। এতে রাগ করে বিয়ের আসর ছেড়েই পালিয়ে যান বর।এদিকে বিয়ের মধ্যমণি বরকে না পেয়ে বিয়েবাড়িতে শোরগোল পড়ে যায়, কল করা হয় স্থানীয় থানায়।
খবর পেয়ে পুলিশ বরের বাড়ি গিয়ে দেখেন, তিনি নিজ ঘরেই আরাম করছেন। এরপর তাকে একরকম জোরপূর্বক তুলে এনে বিয়ের আসরে নিয়ে আসা হয়। পুলিশের উপস্থিতিতেই বিয়ে সম্পন্ন হয়।
সম্প্রতি ভারতের উত্তর প্রদেশের ফতেপুর জেলার রাধানগর গ্রামে ঘটনাটি ঘটেছে বলে জানিয়েছে কলকাতার গণমাধ্যম আনন্দবাজার পত্রিকা।
গণমাধ্যমটির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, রাধানগর গ্রামের ২২ বছরের এক তরুণীর সঙ্গে পাশের গ্রামের এক যুবকের বিয়ে হয়ে ঠিক হয়। বিয়ের দিন নির্ধারিত সময়ের অনেক আগেই বরযাত্রী পৌঁছে যায় কনের বাড়িতে। এতে বিপাকে পড়েন কনের পরিবারের সদস্যরা। কারণ তখন সব প্রস্তুতি নেওয়া হয়নি। এক পর্যায়ে বরপক্ষের মনে হয়, তাদের গুরুত্ব কম দেওয়া হচ্ছে। আলাদাভাবে খাতির করা হচ্ছে না। এতে অভিমান করে কনেপক্ষের সদস্যদের ফাঁকি দিয়ে বিয়েবাড়ি ছেড়ে বেরিয়ে আসেন বর। বরযাত্রীরও অনেকে চলে আসেন।
এদিকে বরযাত্রী আর বরের দেখা না পেয়ে চারিদিকে খোঁজাখুজি শুরু করেন কনের পবিবার-স্বজনেরা। বরকে কোথাও না পেয়ে পুলিশের দ্বারস্থ হন তারা। পরে পুলিশ বরের বাড়িতে পৌঁছে অভিমান ভাঙাতে না পেরে তাকে ধরেবেঁধে কনেবাড়িতে নিয়ে আসে। এরপর পুলিশ সদস্যদের তদারকিতেই চার হাত এক হয়।
মন্তব্য করুন


মেক্সিকোতে বাস-ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে ১৯ জন নিহত হয়েছেন।
স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (৩০ জানুয়ারি) দেশটির উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে জালিস্কোর গুয়াদালাজারা শহর থেকে সিনালোয়ার লস মোচিসে যাচ্ছিল।
স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানায়, দুর্ঘটনাকবলিত ট্রাক এবং বাসে প্রায় ৫০ জন যাত্রী ছিল। সড়কে উভয় যানবাহনের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয় এবং পরে আগুন ধরে যায়। এই ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ২২ জন।
সিনালোয়া প্রদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল সারা কুইনোনেজ সামাজিক যোগাযোগ একটি ভিডিও বার্তায় বলেছেন, ১৯টি মরদেহ গণনা করা হয়েছে। মরদেহ গুলোর পরিচয় শনাক্ত করতে সময় লাগবে। (খবর এনডিটিভি)
মন্তব্য করুন


চীনের মহানগরী বেইজিং-এর ১০০ কিলোমিটার দূরে সমুদ্রতীরবর্তী তিয়ানজিনে তৈরি হয়েছে এই লাইব্রেরি। ডাচ আর্কিটেক্ট কোম্পানি MVRDV এবং চীনের ডিজাইনার কোম্পানি TUPDI তৈরি করেছে এই লাইব্রেরি।
১৩.৫ লক্ষাধিক বইয়ের সমারোহ এবং সায়েন্স ফিকশনের মত স্থাপত্যকলার এক মূর্তিমান শিল্পকর্ম হয়ে উঠেছে তিয়ানজিন বিনহাই লাইব্রেরি।
প্রায় ৩৩ হাজার ৭০০ বর্গমিটার জায়গা জুড়ে চীনের তিয়ানজিনে অবস্থিত এই পাবলিক লাইব্রেরিটি । ৫তলা উঁচু এই লাইব্রেরিটিতে স্তরে স্তরে সাজানো আছে প্রায় ১৩.৫ লক্ষাধিক বই।
এই অত্যাশ্চর্য স্থাপনাটি দেখতে প্রতিদিন এখানে প্রায় ১০ হাজার মানুষ ভিড় করে। ২০১৭ সালে নির্মাণ হওয়া লাইব্রেরিটিতে এই কম সময়ে প্রায় ১৮ লক্ষ মানুষ ভ্রমণ করেছে।
মন্তব্য করুন


হজের ফিরতি ফ্লাইট শুরু হয়েছে। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের প্রথম ফিরতি ফ্লাইট ৪১৯ জন হজ যাত্রী নিয়ে দেশে ফিরেছে।
আজ (২১ জুন) বিজি ৩৩২ ফ্লাইটটি সকালে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এসে পৌঁছেছে।
বিমানবন্দরে হাজীদের ফুল দিয়ে স্বাগত জানান বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও জাহিদুল ইসলাম ভূঁইয়া।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল এম মফিদুর রহমান। সুস্থ ও শান্তিপূর্ণভাবে হজ সম্পন্ন করে দেশে ফিরতে পাড়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেন যাত্রীরা।
এসময় বিমানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জানান, সব হজযাত্রী যেন সুষ্ঠুভাবে দেশে ফিরতে পারে সে লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
বিমান কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এই ফ্লাইটের মাধ্যমে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের পোস্ট ফ্লাইট অপারেশন্স শুরু হয়েছে, যা চলবে আগামী ২২ জুলাই পর্যন্ত।
আগত হজযাত্রীদের বিমানের বোডিং গেটে ফুল দিয়ে স্বাগত জানানো হয়। সব হজযাত্রীকে বিমানের বুথ থেকে জমজমের পানি বিতরণ করা হয়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব সাইফুল ইসলাম, বিমানের পরিচালক (গ্রাহক সেবা) হায়াত-উদ-দৌলা খাঁন, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন কামরুল ইসলাম।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস আজ (২৬ এপ্রিল) ভ্যাটিকান সিটিতে পোপ ফ্রান্সিসের
অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় যোগ দিয়েছেন।
গত সোমবার ৮৮ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করা
পোপ ফ্রান্সিসের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া আজ সেন্ট পিটার্স স্কয়ারে শুরু হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড
ট্রাম্প, প্রিন্স উইলিয়ামসহ বেশ কয়েকজন বিশ্বনেতা এবং বিশিষ্টজন সেন্ট পিটার্স স্কয়ারে
এ অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় যোগ দিয়েছেন।
অধ্যাপক ইউনূস বিশ্বের শীর্ষস্থানীয়
নেতা এবং বিশিষ্টজনদের মাঝে আসন গ্রহণ করেন।
ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা
ফন ডার লেইন, ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ, স্পেনের রাজা ফিলিপ ষষ্ঠ
ও রানি লেতিজিয়া, জার্মানির প্রেসিডেন্ট ফ্রাংক-ভাল্টার স্টাইনমায়ার, বিদায়ী চ্যান্সেলর
ওলাফ শলৎজ, ইতালির প্রেসিডেন্ট সার্জিও মাত্তারেল্লা এবং প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনিসহ
অন্যান্য ইউরোপীয় নেতা অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় উপস্থিত রয়েছেন।
ইতালির পুলিশ জানিয়েছেন, পোপ ফ্রান্সিসের
অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া উপলক্ষ্যে প্রায় ১ লাখ ৪০ হাজার মানুষ সেন্ট পিটার্স স্কয়ার ও এর
আশপাশের রাস্তায় জমায়েত হয়েছেন। অনুষ্ঠান শুরুর এক ঘণ্টা আগে ৪০ হাজার মানুষের ধারণক্ষমতা
সম্পন্ন সেন্ট পিটার্স স্কয়ার প্রায় পূর্ণ হয়ে যায়। ভ্যাটিকানের দিকে যাওয়া ভিয়া দেলা
কনসিলিয়াজিওন সড়ক এবং আশপাশের রাস্তায় প্রায় ১ লাখ মানুষ আগেই উপস্থিত হন।
প্রয়াত পোপ ফ্রান্সিস অধ্যাপক মুহাম্মদ
ইউনূসের কাজের দারুণ ভক্ত ছিলেন এবং তাঁর কাজের ভূয়সী প্রশংসা করতেন। বিশেষ করে বিশ্বজুড়ে
প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য অধ্যাপক ইউনূসের কর্মযজ্ঞ এবং তাঁর ‘তিন শূন্য’ তত্ত্ব —যেখানে কোনো বেকারত্ব, দারিদ্র্য এবং কার্বন নিঃসরণ
থাকবে না, এর প্রশংসা করতেন। রোমের ভ্যাটিকানে তিনি ২০০৬ সালের শান্তিতে নোবেল বিজয়ীর
সঙ্গে যৌথভাবে ‘তিন শূন্য উদ্যোগ’ও চালু করেছিলেন।
(সূত্র : বাসস)
মন্তব্য করুন