

স্পোর্টস ডেস্ক:
কোপা আমেরিকার চলতি আসরের শুরু থেকেই ছন্দে নেই আনের্জন্টাইন তারকা লিওনেল মেসি। আসরে এখনও পর্যন্ত গোলের দেখা পাননি ইন্টার মিয়ামির এই তারকা।
চিলির বিপক্ষে খেলতে নেমে ইনজুরিতে পড়েন মেসি। যে কারণে পেরুর বিপক্ষে খেলা হয়নি তার। কোয়ার্টারে ইকুয়েডরের বিপক্ষে খেললেও মেসি ছিলেন না ফর্মে। টাইব্রেকারে পেনাল্টিও মিস করেন।
মেসির এমন ইনজুরি সঙ্গে ফর্ম নিয়ে সমর্থকরা চিন্তিত হলেও চিন্তিত নন কোচ লিওনেল স্কালোনি। মেসি যদি শতভাগ ফিট নাও থাকেন, তবুও তাকে কানাডার বিপক্ষে সেমিফাইনালে খেলানোর ঘোষণা দিয়েছেন বিশ্বকাপজয়ী কোচ।
মেসির খেলা প্রসঙ্গে কোচ বলেন, আমরা জানি, সে যদি পুরোপুরি ফিট নাও থাকে, তবুও সে দলের জন্য কী দিতে পারে। ৯৯ শতাংশ সময়ে সে সুস্থ থাকে খেলার জন্য। সে সুস্থ না হয়ে খেলতে নামবে, আমার সঙ্গে এমনটা হয়নি কখনো। সে যখনই খেলতে নামে, পুরোপুরি সুস্থ থেকেই খেলতে নামে। আগামীকালকের ম্যাচের জন্যেও সে পুরোপুরি প্রস্তুত।
তিনি আরও বলেন, এটা আমার জন্য একদমই সহজ সিদ্ধান্ত যে, মেসি পুরোপুরি সুস্থ থাকলে পুরো সময় খেলবে এবং কিছুটা ফিট না থাকলে শেষের ৩০ মিনিট খেলবে। সে সুস্থ থাকলে কেন খেলবে না? এটা নিয়ে কি আপনাদের সন্দেহ রয়েছে? আমি দলের কোচ। আমার কোনো সন্দেহ নেই এই ব্যাপারে। সে যদি শতভাগ সুস্থ নাও থাকে, তবুও খেলবে। আমিই এটার দায়িত্ব নিচ্ছি।
মন্তব্য করুন


স্পোর্টস ডেস্ক:
কোপা আমেরিকার দল ঘোষণা করেছে ব্রাজিল। নতুন কয়েকটি মুখ নিয়ে দল ঘোষণা করেছেন কোচ দরিভাল জুনিয়র। দলে চমক হিসেবে আছেন পোর্তোর তরুণ ফরোয়ার্ড ইভানিলসন।
শুক্রবার (১০ মে) কোপা আমেরিকা ও দু'টি প্রীতি ম্যাচের জন্য দল ঘোষণা করেন দরিভাল। দলে জায়গা হয়নি কাসেমিরো ও রিচার্লিসনের। সবশেষ দুই ম্যাচে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের পুরস্কার পেলেন এন্দ্রিক।
পাঁচবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের স্কোয়াডে আরও জায়গা পাননি আর্সেনালের ফরোয়ার্ড গাব্রিয়েল জেসুসের। রিশার্লিসন অবশ্য পারফরম্যান্সের কারণে বাদ পড়েননি। ক্লাবের হয়ে খেলার সময় পায়ের পেশিতে তিনি চোট পেয়েছেন বলে জানিয়েছেন দরিভাল।
হাঁটুর চোটের কারণে অনেক আগে থেকেই মাঠের বাইরে আছেন নেইমার। খুব স্বাভাবিকভাবেই আসছে টুর্নামেন্টের দলে নেই আল হিলালের এই ফরোয়ার্ড। আক্রমণভাগে ভিনিসিউস জুনিয়র ও রদ্রিগো জুটির সঙ্গে কাঁধ মেলাবেন এন্ড্রিক।
ব্রাজিল দল:
গোলকিপার: আলিসন, এডারসন, বেন্তো। ডিফেন্ডার: দানিলো, ইয়ান কুতো, গিলেরমো আরানা, ওয়েন্দেল, বেরাল্দো, মার্কিনিয়োস, গাব্রিয়েল, এদের মিলিতাও।মিডফিল্ডার: আন্দ্রেয়াস পেরেইরা, ব্রুনো গিমারাইস, দগলাস লুইস, জোয়াও গোমেস, লুকাস পাকেতা।ফরোয়ার্ড: এন্দ্রিক, গাব্রিয়েল মার্তিনেল্লি, এভানিলসন, রাফিনিয়া, রদ্রিগো, ভিনিসিউস জুনিয়র, সাভিনিয়ো।
মন্তব্য করুন


স্পোর্টস ডেস্ক:
ফিফা বর্ষসেরা কোচের প্রতিযোগিতায় স্থান পেয়েছেন কার্লো আনচেলত্তি। রিয়াল মাদ্রিদের এই কোচ ছাড়াও সেরা পাঁচে রয়েছেন লিওনেল স্কালোনি, লুইস দে লা ফুয়েন্তে, জাবি আলোন্সো এবং পেপ গুয়ার্দিওলা।
গতকাল শুক্রবার ফিফা বর্ষসেরা কোচ ও খেলোয়াড়ের জন্য মনোনীত প্রার্থীদের নাম প্রকাশ করেছে। এই তালিকা তৈরি করা হয়েছে ২০২৩ সালের ২১ আগস্ট থেকে ২০২৪ সালের ১০ আগস্ট পর্যন্ত সময়ে তাদের পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে।
ফিফার এই পুরস্কারে ভোট দেওয়ার সুযোগ থাকবে ভক্ত-সমর্থকদেরও। সেরা খেলোয়াড়, সেরা কোচ এবং সেরা গোলকিপারের জন্য দর্শকদের ভোট মোট ভোটের ২৫ শতাংশ দেবে। বাকি ৭৫ শতাংশ ভোট দেবেন ফিফা সদস্যদেশগুলোর অধিনায়ক, কোচ এবং গণমাধ্যম প্রতিনিধিরা।
আগামী ১০ ডিসেম্বর পর্যন্ত ফিফার ওয়েবসাইটে ভোট দেওয়া যাবে।
মন্তব্য করুন


বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক অলিম্পিক চ্যাম্পিয়ন এবং হলোকাস্ট থেকে বেঁচে ফেরা কিংবদন্তি অ্যাগনেস কেলেতি ১০৩ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেছেন। হাঙ্গেরির রাজধানী বুদাপেস্টের একটি হাসপাতালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তার মৃত্যু খবরটি নিশ্চিত করেছেন তার প্রেস কর্মকর্তা তামাস রোখ। তিনি সংবাদ সংস্থা এএফপিকে জানান, নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে গত সপ্তাহে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন কেলেতি। সেখানে তার শারীরিক অবস্থার ক্রমাগত অবনতি ঘটে।
এছাড়া কেলেতির ছেলে রাফায়েল বলেন, 'মায়ের জন্য আমরা প্রার্থনা করি। তার জীবনীশক্তি ছিল অসাধারণ।' হাঙ্গেরির গণমাধ্যম নেমজেতি স্পোর্টের সূত্রে জানা গেছে, আগামী ৯ জানুয়ারি তাকে সমাহিত করা হবে। কারণ এই দিনটি অ্যাগনেসের জন্য বিশেষ দিন, তার জন্মদিন, বেঁচে থাকলে তিনি এ দিনটিতে ১০৪ বছর বয়সে পা রাখতেন।
এ কিংবদন্তি ক্রীড়াবিদের মৃত্যুতে হাঙ্গেরির প্রধানমন্ত্রী ভিক্টর অরবান তার স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছেন, 'জাতির শ্রেষ্ঠ ক্রীড়াবিদ এবং বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক অলিম্পিক চ্যাম্পিয়ন হিসেবে আমাদের গর্বিত করেছেন। তার প্রতি কৃতজ্ঞতা। তিনি শান্তিতে থাকুন।'
এদিকে অ্যাগনেস শুধু ক্রীড়াবিদ হিসেবেই বিখ্যাত নন; বরং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের দুঃসময়ে হলোকাস্ট থেকে বেঁচে ফেরা, তারপর অলিম্পিক গৌরব অর্জন করে জীবনে সাফল্যের এক নতুন অধ্যায় রচনা করেন। হেলসিঙ্কি (১৯৫২) এবং মেলবোর্ন (১৯৫৬) অলিম্পিকে তিনি মোট ১০টি পদক জেতেন, যার মধ্যে পাঁচটি ছিল সোনা। তবে ১৯৫৬ সালে মেলবোর্ন গেমসে চারটি স্বর্ণ জয়ের মধ্য দিয়ে তিনি সর্বকালের সবচেয়ে বয়স্ক নারী জিমন্যাস্ট হিসেবে স্বর্ণ জেতার রেকর্ড গড়েন। এছাড়া বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশীপেও রয়েছে তার তিনটি পদক। সেই সময় তিনি 'দ্য কুইন অফ জিমনাস্টিকস' অর্থাৎ 'জিমনাস্টিকসের রানী' হিসেবেও খ্যাতি লাভ করেন। তবে খেলোয়াড়ি জীবনে তার সাফল্য যেমন অনন্য, তেমনি তার জীবনসংগ্রামও অনুপ্রেরণাদায়ক।
বুদাপেস্টের একটি ইহুদি পরিবারে ১৯২১ সালের ৯ জানুয়ারি জন্ম হয় অ্যাগনেস কেলেতির। মাত্র চার বছর বয়সে জিমন্যাস্টিকসের সঙ্গে তার শুরু হয় পথচলা। ১৬ বছর বয়সে জাতীয় পর্যায়ে চ্যাম্পিয়ন হন এবং ১৯৩৯ সালে জাতীয় দলে সুযোগ পান। কিন্তু ইহুদি হওয়ার কারণে ১৯৪০ সালের পর থেকে তাকে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণে বাধা দেওয়া হয়। পরে ১৯৪৪ সালে হাঙ্গেরি জার্মান নাৎসি বাহিনীর দখলে চলে যায়, ঐ সময় নিজের পরিচয় লুকিয়ে খ্রিষ্টান নারীর ছদ্মবেশে বেঁচে থাকেন অ্যাগনেস। বাঁচার জন্য জাল নথি তৈরি করে একটি গ্রামে লুকিয়ে থেকে কাজ করতেন। তবে গোপনে ঠিকই অনুশীলন চালিয়ে যান। কিন্তু অ্যাগনেস বেঁচে গেলেও তার বাবা এবং পরিবারের বেশ কয়েকজন সদস্য হলোকাস্টের নির্মমতার শিকার হন।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরে সব খারাপ অতীত পেছনে ফেলে ফের খেলাধুলায় ফেরেন অ্যাগনেস। তার পরের গল্পতো সবারই জানা। তার অর্জনের শুরুটা হয় ১৯৪৬ সালে হাঙ্গেরির হয়ে চ্যাম্পিয়নশীপ জেতার মধ্য দিয়ে। ১৯৪৭ সালে তিনি সেন্ট্রাল ইউরোপিয়ান জিমন্যাস্টিকস শিরোপা জয় করেন। ১৯৪৮ সালের গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিকে যোগ্যতা অর্জন করলেও, গোড়ালিতে লিগামেন্ট ছিঁড়ে যাওয়ার কারণে প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে পারেননি। ১৯৪৯ সালের ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি গেমসে তিনি চারটি স্বর্ণ, একটি রৌপ্য এবং একটি ব্রোঞ্জ পদক জিতেছিলেন।
এ দিকে ১৯৫৬ সালে মেলবোর্ন অলিম্পিক শেষে হাঙ্গেরিতে না ফিরে তিনি ইসরাইলে স্থায়ী হন। সেখানে তিনি জিমন্যাস্টিকস কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং নতুন প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করেন। যদিও পরে খেলাধুলার জন্য জীবন উৎসর্গ করা কেলেতি জীবনের শেষ পর্যায়ে হাঙ্গেরিতে ফিরে আসেন এবং সেখানেই মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর পর সবচেয়ে বয়স্ক অলিম্পিক চ্যাম্পিয়ন হিসেবে ফ্রান্সের সাবেক সাইক্লিস্ট চার্লস কন্তের নাম উঠে এসেছে, যিনি বর্তমানে ১০০ বছর বয়সী।
মন্তব্য করুন


ক্যারিয়ারের পড়ন্ত বেলায় কিছুতেই যেন পল পগবার চোট পিছু ছাড়ছে না। জুভেন্তাসে যোগ দেওয়ার পর থেকেই একের পর এক ইনজুরিতে ভুগছেন এই ফরাসি মিডফিল্ডার। এই দুর্ভাগ্যের কারণে এক বছর মাঠের বাইরে ছিলেন পগবা। যা তাকে ফ্রান্সের হয়ে সর্বশেষ কাতার বিশ্বকাপেও অংশ নিতে দেয়নি। দীর্ঘ সময় পর মাঠে ফিরে ১ ম্যাচ খেলেই ফের চোট পান। এরপর ৯ ম্যাচেই মাঠে নামেন বদলি খেলোয়াড় হিসেবে। সর্বশেষ গত রোববার (১৪ মে) ম্যাচের ২৪ মিনিট যেতেই চোট নিয়ে বিশ্বজয়ী এই ফুটবলার কান্নাভেজা চোখে মাঠ ছেড়েছেন।
সিরি-আ’য় ক্রেমোনেসের বিপক্ষে জুভেন্তাসের হয়ে খেলতে নেমেছিলেন পগবা। একটি ক্রস করার পর বাম ঊরুতে চিকিৎসার প্রয়োজন হয় তার। যা তাকে ম্যাচ থেকেই ছিটকে দিয়েছে। ম্যাচটি জুভেন্তাস ২-০ গোলে জিতলেও কোচ ম্যাসিমিলিয়ানো অ্যাল্লেগ্রির কণ্ঠে পগবার জন্য হতাশা ঝরেছে।
২০২২ সালের এপ্রিলের পর এই প্রথম শুরুর একাদশে মাঠে নামেন পগবা। গত বছরের ওই ম্যাচটি ছিল তার তখনকার ক্লাব ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের হয়ে লিভারপুলের বিপক্ষে। ওই ম্যাচে পায়ের পেশিতে চোট পান পগবা, যা তাকে গত মৌসুমের বাকি অংশ থেকে ছিটকে দেয়।
মন্তব্য করুন


স্পোর্টস ডেস্ক:
ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপের শেষ ষোলোর লড়াইয়ে বেলজিয়ামের কেউ নাকে আঘাত করার চেষ্টা করলে একদম অবাক হবেন না কিলিয়ান এমবাপে। তবে দেশের জন্য এই ব্যথা সইতেও প্রস্তুত ফ্রান্স অধিনায়ক।
অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে টুর্নামেন্টের প্রথম ম্যাচেই নাকে আঘাত পেয়েছিলেন এমবাপে। পরে জানা যায়, সময়ের সেরা এই ফুটবলারের নাক ভেঙেই গেছে। যে কারণে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে তাকে মাঠে নামাননি ফ্রান্স কোচ দিদিয়ে দেশম।
পরে নাকে মাস্ক পরে পোল্যান্ডের বিপক্ষে গ্রুপের শেষ ম্যাচটি খেলেন ফ্রান্স অধিনায়ক। ওই ম্যাচেই ইউরোপিয়ান শ্রেষ্ঠত্বের টুর্নামেন্টে নিজের প্রথম গোলটিও করেন তিনি। তিন ম্যাচে ৫ পয়েন্ট নিয়ে শেষ ষোলো নিশ্চিতের পর এবার নকআউটে তাদের প্রতিপক্ষ বেলজিয়াম। আজ সোমবার বাংলাদেশ সময় রাত ১০টায় মাঠে নামবে তারা।
নাকে আঘাত পাওয়ার পর এই ম্যাচের আগের দিনই প্রথম সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হন এমবাপে। ওই সময়ের তাৎক্ষণিক অনুভূতি জানান ফ্রান্স অধিনায়ক। তার এটিও জানা, যে কোনো সময় আরও গুরুতর আঘাত পেতে পারেন নাকে। এমবাপের শঙ্কা, বেলজিয়াম ম্যাচেই আঘাত করা হতে পারে তার ভাঙ নাকে।
তিনি বলেন, আমি মনে করি, আপনি যদি ভাঙা নাক নিয়ে খেলেন এবং নাকের এখনও অপারেশন না করা হয়, তাহলে আপনিই (প্রতিপক্ষের) লক্ষ্য। দেশে ফিরে অপারেশন না করে, খেলা চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর থেকেই আমি জানতাম, কীসের ঝুঁকি নিচ্ছি আমি।
তবে সম্ভাব্য ঝুঁকি মাথায় রেখেই অপারেশন না করিয়ে মাস্ক পরে খেলার সিদ্ধান্তের কথা বলেন তিনি। এমবাপে জানান, হয়তো কিছুটা পেশীশক্তি প্রয়োগ করা হতে পারে আমার ওপর। এটি হয়তো ব্যথার কারণ হবে। তবে এই জার্সির জন্য ও ফ্রান্সকে সাহায্য করার জন্য আমি সব কিছু করতে প্রস্তুত। এটি যদি হয় যে, কেউ আমার নাকে মারবে, তাই হোক। এটি এরই মধ্যে ভাঙা।
মন্তব্য করুন


স্পোর্টস ডেস্ক:
দরজায় কড়া নাড়ছে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। আগামী ১ জুন থেকে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ আয়োজনে শুরু হচ্ছে চার-ছক্কার এই আসর। টুর্নামেন্ট উপলক্ষে এরই মধ্যে দল ঘোষণা করেছে বেশ কয়েকটি দল। শুরু হয়ে গেছে নানা ভবিষ্যদ্বাণীও।
কোন দলের শিরোপা জেতার সম্ভাবনা বেশি, কারা খেলবে সেমিফাইনাল; সেগুলো নিয়ে নিজেদের ভাবনা জানাচ্ছেন ক্রিকেটের সাবেক তারকারা। ইংল্যান্ডের সাবেক তারকা মাইকেল ভন জানালেন, কারা খেলতে পারে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ ভন জানিয়েছেন, এবারের বিশ্বকাপের দাবিদার চার দল হলো- ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ভন লেখেন, ‘বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে আমার চার দল হলো---ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ।’
আগামী ১ জুন স্বাগতিক যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার ম্যাচ দিয়ে শুরু হবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। দ্বিতীয় দিন পাপুয়া নিউ গিনির বিপক্ষে খেলবে আরেক স্বাগতিক দেশ ওয়েস্ট ইন্ডিজ। এবারের বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ ২০টি দল অংশগ্রহণ করছে। ৪টি গ্রুপে ৫টি করে দল ভাগ হয়ে খেলবে গ্রুপপর্বে। এরপর সুপার এইট, সেমিফাইনাল ও ফাইনাল।
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ৪ গ্রুপ
গ্রুপ এ: ভারত, পাকিস্তান, আয়ারল্যান্ড, কানাডা ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
গ্রুপ বি: ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, নামিবিয়া, স্কটল্যান্ড ও ওমান
গ্রুপ সি: নিউজিল্যান্ড, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, আফগানিস্তান, উগান্ডা ও পাপুয়া নিউগিনি
গ্রুপ ডি: দক্ষিণ আফ্রিকা, শ্রীলঙ্কা, বাংলাদেশ, নেদারল্যান্ডস, নেপাল
মন্তব্য করুন


স্পোর্টস ডেস্ক:
২০২১ সালে স্প্যানিশ ক্লাব বার্সেলোনার আর্থিক জটিলতায় ক্লাব ছাড়তে হয় লিওনেল মেসিকে। এরপর তিনি পাড়ি দেন ফরাসি ক্লাব প্যারিস সেন্ট জার্মেইতে (পিএসজি)। প্যারিসের ক্লাবটিতে মেসি যে সুখী ছিলেন না সেটি জানিয়েছেন বিভিন্ন সময়। ক্লাবে অসুখী মেসি বাড়ি ফিরেও শান্তিতে থাকতে পারতেন না। প্রতিবেশিরা বিরক্ত করতেন তাকে। জনপ্রিয় ক্রীড়া ওয়েবসাইট ইএসপিএনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মেসি নিজেই জানিয়েছেন এমন তথ্য।
গোল ডটকমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মেসিকে প্রতিবেশিরা মূলত বিরক্ত করত তার ছেলেদের ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে। ইএসপিএনকে মেসি বলেন, ‘প্যারিসে (প্রতিবেশিরা) রাত নয়টা বা দশটার দিকে দরজায় ধাক্কা দিয়ে বলত, আমার বাচ্চাদের ফুটবল খেলা উচিত নয়। প্রতিবেশিরা আমাদের বিরক্ত করত... এটা আমার মনে অনেক বড় দাগ কেটেছিল এবং তার প্রভাব মাঠেও পড়েছে। প্যারিসে ব্যক্তিগতভাবে আমি ভালো অবস্থায় ছিলাম না।’
মেসি আরও জানিয়েছেন, প্যারিসে যেভাবে তিনি পরিকল্পনা করেছিলেন, ব্যাপারগুলো সেভাবে ঘটেনি। আর্জেন্টিনার হয়ে ২০২২ সালের বিশ্বকাপজয়ী এই অধিনায়ক বলেন, ‘তাদের (পিএসজি) সঙ্গে আমার কোনো কিছুই ছিল না, কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে আমি যেভাবে আশা করেছিলাম তেমনটা হয়নি। ব্যক্তিগতভাবে আমি পরিবর্তনের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছিলাম; আমার জন্য ব্যাপারটি কঠিন ছিল। ব্যক্তিগতভাবে এর বাজে প্রভাব আমার ওপর পড়েছে। আমি যখন প্যারিসে ছিলাম, আমার সঙ্গে সবচেয়ে ভালো যেটি হয়েছে সেটি হচ্ছে (আর্জেন্টিনার হয়ে) বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হওয়া।’
২০২৩ সালে পিএসজির সঙ্গে দুই বছরের চুক্তি শেষে যুক্তরাষ্ট্রের মেজর লিগ সকারের দল ইন্টার মায়মিতে ভেড়েন মেসি। সেখানে দারুণ সময় কাটাচ্ছেন এই আর্জেন্টাইন তারকা। বর্তমানে জাতীয় দলের হয়ে লড়াইয়ের প্রস্তুতি নিচ্ছেন তিনি। কিছুদিন পরই যে শুরু হচ্ছে দক্ষিণ আমেরিকার মহাদেশীয় শ্রেষ্ঠত্বের টুর্নামেন্ট কোপা আমেরিকা! শিরোপা ধরে রাখার মিশনে এবার নামবেন মেসিরা। ২০ জুন কানাডার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে শুরু হবে আলবিসেলেস্তেদের অভিযান।
মন্তব্য করুন


স্পোর্টস ডেস্ক:
যে কোনো ফরম্যাটে হোক, ভারতকে হারানোর আনন্দটাই আলাদা। সেটা সিনিয়র বা জুনিয়র—যে কোনো পর্যায়েই হোক। এবার যুব এশিয়া কাপ ক্রিকেটের ফাইনালে ভারতকে ৫৯ রানের ব্যবধানে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বার চ্যাম্পিয়ন হলো বাংলাদেশ।
দুবাই ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে ভারত বাংলাদেশকে ব্যাট করতে পাঠায়। ব্যাট করতে নেমে ভারতীয় বোলারদের তোপের মুখে বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা তেমন ভালো কিছু করতে পারেননি। ৪৯.১ ওভারে ১৯৮ রানে অলআউট হয়ে যায় বাংলাদেশ।
জবাব দিতে নেমে বাংলাদেশের বোলারদের দুর্দান্ত বোলিংয়ের মুখে ভারতীয় দল কিছুতেই রান তুলতে পারছিল না। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে তারা। শেষ পর্যন্ত ৩৫.২ ওভারে ১৩৯ রানে অলআউট হয়ে যায় ভারতীয় যুব ক্রিকেট দল এবং সেজন্য বাংলাদেশ যুব দল টানা দ্বিতীয়বার চ্যাম্পিয়ন হয়ে যায়।
এক বছর আগে, ২০২৩ সালে এই একই দুবাই ইন্টারন্যাশনাল স্টেডিয়ামে স্বাগতিক আরব আমিরাতকে হারিয়ে যুব এশিয়া কাপ ক্রিকেটে প্রথম চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল বাংলাদেশ।
যুব এশিয়া কাপ ক্রিকেটের ফাইনালে এশিয়ার সেরা দল কে হবে—বাংলাদেশ না ভারত? দুবাই ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট স্টেডিয়ামে লড়াই শুরু হওয়ার আগে থেকেই উত্তেজনা ছিল তুঙ্গে। ১৯৭ রানের সহজ লক্ষ্য তাড়া করে ফেলার ব্যাপারে যারা নিশ্চিত ছিল, বাংলাদেশের বোলিং শুরু হওয়ার পর তাদের ধারণা পাল্টে যায়। শুরু থেকেই ভারতীয়দের চেপে ধরে বাংলাদেশি বোলাররা।
শুরুতেই ইকবাল হোসেন ইমন এবং আল ফাহাদ মিলে ভারতীয় যুবাদের চাপে ফেলেছিলেন। এর ফলস্বরূপ ৯২ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে ফেলে ভারত। এরপর অধিনায়ক মোহাম্মদ আমান এবং হার্দিক রাজ কিছুটা প্রতিরোধ তৈরি করেছিল।স্পোর্টস ডেস্ক:
২৩ রানের জুটি গড়েন তারা। কিন্তু পরে বাংলাদেশ অধিনায়ক আজিজুল হাকিম আসেন এবং শেষ তিন উইকেট নিয়ে বাংলাদেশের জয় নিশ্চিত করেন।
ভারতের সামনে ছিল ১৯৯ রানের সহজ লক্ষ্য। ওয়ানডে ক্রিকেটে এটা মোটেও বড় রান নয়। কিন্তু এই রান তাড়ায় ব্যাট করতে নেমে ভারত প্রথমেই ৪ রানে আয়ুশ মাত্রিকে হারায়। এরপর বিভাব সূর্যবংশি মাত্র ৯ রানে আউট হয়ে যান। দলের রান তখন ২৪।
তারপর আন্দ্রে সিদ্ধার্থ ২০ রান করেন। ২১ রান করে আউট হন কেপি কার্তিকিয়া। নিখিল কুমার শূন্য রানে আউট হন। ৬ রানে হারভানস পাঙ্গালিয়া আউট হন। কিরণ চরমালে ১ রানে আউট হন।
৩১.৫ ওভারে দলীয় ১১৫ রানের মাথায় ৮ম ব্যাটসম্যান হিসেবে আউট হন অধিনায়ক মোহাম্মদ আমান। ৬৫ বলে সর্বোচ্চ ২৬ রান করেন তিনি। হার্দিক রাজ ২১ বলে ২৪ রান করে আজিজুল হাকিমের বলে এলবিডব্লিউ হয়ে আউট হন। সর্বশেষ চেতন শর্মা ১২ বলে ১০ রান করে আজিজুল হাকিমের বলে কালাম সিদ্দিকীর হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। এভাবেই চ্যাম্পিয়ন হওয়ার আনন্দে মেতে ওঠে বাংলাদেশ দল।
আজিজুল হাকিম এবং ইকবাল হোসেন ইমন নেন ৩টি করে উইকেট। ২ উইকেট নেন আল ফাহাদ। ১টি করে উইকেট নেন মারুফ মৃধা এবং রিজান হাসান।
এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশি ব্যাটসম্যানরা বড় কোনো স্কোর গড়তে পারেননি। ৪৯.১ ওভারে অলআউট হওয়ার আগে বাংলাদেশ ১৯৮ রান করে। রিজান হাসান সর্বোচ্চ ৪৭ রান করেন। ৪০ রান করেন মোহাম্মদ শিহাব জেমস। ৩৯ রান করেন ফরিদ হাসান এবং ২০ রান করেন জাওয়াদ আবরার।
মন্তব্য করুন


স্পোর্টস ডেস্ক:
ইউরো ২০২৪ শুরু হতে এক মাসের কম সময় সময় বাকি। তবে গুরুত্বপূর্ণ এই আসরটির আগে ইনজুরিতে পড়েছেন ইংল্যান্ড অধিনায়ক হ্যারি কেইন। চোটের কারণে মাঠের বাইরে ছিটকে গেছেন এই ফরোয়ার্ড।
কেইন অবশ্য এখনও তার ক্লাব বায়ার্ন মিউনিখেই আছেন। যেখানে বায়ার্ন কোচ টমাস টুখেল শুক্রবার জানিয়েছেন, পিঠের সমস্যায় ভুগছেন কেইন। বুন্ডেসলিগায় শেষ রাউন্ডে শনিবার হফেনহাইমের মাঠে খেলবে বায়ার্ন, ম্যাচটিতে তারকা স্ট্রাইকার খেলতে পারবেন না বলে নিশ্চিত করেছেন টুখেল।
তারকা এ স্ট্রাইকারকে নিয়ে টুখেল বলেন, ‘ব্যক্তিগত চিকিৎসকের অধীনে হ্যারির চিকিৎসা চলছে। এই অবস্থায় সে যাত্রা করতে পারবে না। মাদ্রিদে ম্যাচেই সে তার সহ্যসীমার শেষ পর্যায়ে ছিল। তার লাম্বার স্পাইন ব্লকেজ, অবস্থা আরও খারাপ হয়েছে এবং নড়াচড়া করলেই সে ব্যথা অনুভব করছে।’
এর আগে গত সপ্তাহে ভলফসবুর্কের বিপক্ষে লিগ ম্যাচেও খেলতে পারেননি কেইন। ম্যাচটি ২-০ গোলে জিতেছিল বায়ার্ন।
ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সে মৌসুমজুড়েই আলো ছড়িয়েছেন কেইন। বুন্ডেসলিগায় চারটি হ্যাটট্রিকসহ মোট ৩৬ গোল করেছেন তিনি। আর সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে করেছেন ৪৪ গোল, সঙ্গে অ্যাসিস্ট করেছেন ১২টি। তবে দলগত পারফরম্যান্সের বিচারে বায়ার্নের জার্সিতে অভিষেক মৌসুটা একেবারেই ভালো কাটেনি তার। ১১ মৌসুম পর দলটি হারিয়েছে বুন্ডেসলিগার মুকুট, কোনো শিরোপাই জিততে পারেনি তারা।
এদিকে কেইনের এই চোট ইংল্যান্ড জাতীয় দলের জন্য হতে পারে বড় দুর্ভাবনার। আগামী ১৪ জুন জার্মানিতে অনুষ্ঠেয় ইউরোয় ইংলিশদের শিরোপাস্বপ্ন অনেকটাই এই তারকাকে ঘিরে। ১৯৬৬ সালে বিশ্বকাপ জয়ের পর থেকে প্রথম শিরোপা জয়ের স্বপ্ন দেখছে দলটি।
আগামী মঙ্গলবার দল ঘোষণা করবেন ইংল্যান্ড কোচ গ্যারি সাউথগেট। চোটাক্রান্ত হওয়ার পরও কেইনের দলে থাকার সম্ভাবনা অনেক বেশি
মন্তব্য করুন


স্পোর্টস ডেস্ক:
ভারতীয় দলের অধিনায়ক থাকাকালে ‘ক্যাপ্টেন কুল’ হিসেবে খ্যাতি পেয়েছিলেন মহেন্দ্র সিং ধোনি। ব্যক্তিগত জীবনেও ভারতের বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক খুবই শান্ত মেজাজের। হইচই এড়িয়ে চলতে পছন্দ করেন তিনি। তবে এবার অনন্ত আম্বানি-রাধিকা মার্চেন্টের বিয়েতে ধোনি অন্য রূপে ধরা দিলেন।
অতীতে কখনো প্রকাশ্যে যেটা করতে দেখা যায়নি তাকে, সেটাই করলেন। ভারতীয় শিল্পপতি মুকেশ আম্বানীর ছেলে অনন্ত আম্বানী এবং রাধিকা মার্চেন্টের বিয়েতে নাচলেন ধোনি।
বিয়ের অনুষ্ঠানে সপরিবার যোগ দিয়েছিলেন ভারতের সাবেক অধিনায়ক। আর সেই বিয়ের অনুষ্ঠানে ধোনির নাচের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ক্রিকেটার ঈশান কিষাণ এবং স্ত্রী সাক্ষীর অনুরোধে সেখানে নেচেছেন তিনি।
উল্লেখ্য, অনন্ত-রাধিকার বিয়েতে দেশ-বিদেশের বহু খ্যাতিমান ব্যক্তিত্ব হাজির হয়েছেন। সেখানে বলিউড তারকা থেকে শুরু করে ক্রিকেটারদেরও নাচতে-গাইতে দেখা গেছে। তবে সবার নজর কেড়েছে ধোনির নাচের প্রতিভা। এর আগে যে কখনোই কোনো অনুষ্ঠানে তাকে নাচতে দেখা যায়নি।
জাতীয় দলকে বিদায় জানানোর পর এখন অখণ্ড অবসর সময় কাটছে ধোনির। শুধু আইপিএলের মৌসুম এলেই তাকে ক্রিকেট মাঠে দেখা যায়। ধোনির অধীনে ভারত ওয়ানডে, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ও আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি জয় করেছে। খেলোয়াড়ি জীবনে নিজের হেলিকপ্টার শট, ফিনিশিং এবং বুদ্ধিদীপ্ত উইকেটকিপিংয়ের জন্য বিশ্বজোড়া খ্যাতি অর্জন করেন তিনি।
মন্তব্য করুন