

মার্কিন লেখিকা ও সামাজিক মাধ্যমের প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব অ্যাশলে সেন্ট ক্লেয়ার দাবি করেছেন যে তিনি টেসলার সিইও ইলন মাস্কের সন্তানের মা। এই দাবির পরিপ্রেক্ষিতে নীরবতা ভেঙে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন মার্কিন এই বিলিয়নিয়ার।
স্থানীয় সময় শুক্রবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) ৩১ বছর বয়সী অ্যাশলে এক্স (পূর্বে টুইটার) অ্যাকাউন্টে জানান, মাস্কের সঙ্গে তার পরিচয় হয়েছিল প্রায় তিন বছর আগে। আর পাঁচ মাস আগে তিনি ইলন মাস্কের সন্তানের মা হয়েছেন।
অ্যাশলে লিখেছেন, ‘পাঁচ মাস আগে আমি একটি শিশুর জন্ম দিয়েছি। আর ইলন মাস্ক সেই সন্তানের বাবা।’
অ্যাশলে বলেন, তিনি নিজের ও তার সন্তানের নিরাপত্তা এবং গোপনীয়তার কথা চিন্তা করে এতদিন সন্তানের বাবার পরিচয় গোপন রেখেছিলেন। তবে কিছু ট্যাবলয়েড পত্রিকা মনগড়া খবর প্রকাশ করায় তিনি সত্যি কথা সামনে আনলেন। তিনি আরও বলেন, ‘আমি চাই, আমাদের সন্তান একটি স্বাভাবিক ও নিরাপদ পরিবেশে বড় হোক। আমি গণমাধ্যমকে অনুরোধ করব, আমাদের গোপনীয়তাকে সম্মান করুন। এই নিয়ে অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের পেছনে না ছোটার জন্য অনুরোধ করছি।’
তবে অ্যাশলের এই দাবির প্রতিক্রিয়ায় ইলন মাস্ক সরাসরি কোনো মন্তব্য বা বিবৃতি দেননি। তিনি এ সম্পর্কিত একটি পোস্ট শেয়ার করে মাত্র একটি শব্দ লিখেছেন, ‘হোয়া’। সাধারণত আশ্চর্য বা মজাদার কোনো অনুভূতি প্রকাশ করতে তিনি এই ধরনের শব্দ ব্যবহার করেন।
ইলন মাস্ক যে পোস্টটি শেয়ার করেছেন, সেই পোস্টে লেখা ছিল, অ্যাশলে সেন্ট ক্লেয়ার ইলন মাস্ককে ফাঁসাতে পাঁচ বছর সময় নিয়েছেন।
যদি এই পুরো ঘটনা সত্যি হয়, তাহলে অ্যাশলে ইলন মাস্কের ১৩তম সন্তানের মা হবেন। এর আগে ইলন মাস্ক চারটি বিয়ে করেছেন এবং তার বেশ কয়েকটি সন্তান রয়েছে।
মন্তব্য করুন


যুক্তরাষ্ট্রের কানসাস থেকে নিউ জার্সি পর্যন্ত কয়েকটি অঙ্গরাজ্যের প্রায় ছয় কোটি মানুষ তুষারঝড়, তুষারসহ বৃষ্টি এবং তীব্র ঠাণ্ডার কবলে পড়েছে। প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে এখন পর্যন্ত সাতটি অঙ্গরাজ্যে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে। একই সঙ্গে ব্যাহত হচ্ছে উড়োজাহাজ চলাচলও।
বিবিসির প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, নিউ জার্সির গভর্নর ফিল মারফি অঙ্গরাজ্যটির কয়েকটি কাউন্টিতে জরুরি অবস্থা জারি করেছেন। এর আগে কানসাস, মিজৌরি, কেন্টাকি, ভার্জিনিয়া, ওয়েস্ট ভার্জিনিয়া এবং আরকানসাসে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে।
তুষারঝড়টি এখন মধ্য আটলান্টিক অঞ্চলের দিকে এগোচ্ছে। আবহাওয়াবিদদের পূর্বাভাস অনুযায়ী, সোমবার ওয়াশিংটনে ভারী তুষারপাত হতে পারে।
কানসাস ও মিজৌরির উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের সড়কগুলো তুষারের চাদরে ঢেকে গেছে। জাতীয় আবহাওয়া পরিষেবা ওই অঞ্চলের বাসিন্দাদের ভ্রমণ এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিয়েছে। এছাড়া দক্ষিণের ওহাইও থেকে ওয়াশিংটন পর্যন্ত এলাকায় ১৫ থেকে ৩০ সেন্টিমিটার তুষারপাতের আশঙ্কা করা হচ্ছে।
সিনসিনাটি, ওয়াশিংটন এবং ফিলাডেলফিয়ায় তুষারঝড়ের কারণে আজ কয়েক'শ বিদ্যালয় বন্ধ থাকবে।
উড়োজাহাজ চলাচলের ট্র্যাকিং ওয়েবসাইট ফ্লাইটএওয়ার জানিয়েছে, খারাপ আবহাওয়ার কারণে যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় ১ হাজার ৫০০ উড়োজাহাজের ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। এছাড়া এক দিনে আরও ৫ হাজারের বেশি উড়োজাহাজের যাত্রায় বিলম্ব হয়েছে।
মন্তব্য করুন


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
তিনদিনব্যাপী জি-৭ সম্মেলনে ইতালিতে জড়ো হয়েছেন বিশ্বের শীর্ষ ধনী সাত দেশ। শুক্রবার জোটটির নেতারা ইরানকে পারমাণবিক সমৃদ্ধকরণ কর্মসূচি এগিয়ে নেওয়ার বিরুদ্ধে সতর্ক করেছে। সেইসঙ্গে জোটটি জানিয়েছে, তেহরান যদি রাশিয়ার কাছে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হস্তান্তর করে তবে জি-৭ ইরানের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেবে।
এক বিবৃতিতে বলা হয়, আমরা তেহরানকে পরমাণু উত্তেজনা বৃদ্ধি বন্ধ ও প্রত্যাহার করার এবং ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কার্যক্রম বন্ধ করার আহ্বান জানাচ্ছি।
বৃহস্পতিবার জাতিসংঘের পারমাণবিক পর্যবেক্ষণ সংস্থার এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরান তার ফোরদো সাইটে অতিরিক্ত ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ সেন্ট্রিফিউজ স্থাপন করেছে এবং অন্যান্য সেন্ট্রিফিউজ স্থাপন শুরু করেছে। দেশটি এখন ৬০ শতাংশ পর্যন্ত বিশুদ্ধ ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করছে।
জি-৭ জানিয়েছে, ইরানকে নিশ্চয়তা দিতে হবে যে দেশটির পারমাণবিক কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ। তবে ইরান অনেক আগে থেকেই বলছে, তাদের পরমাণু কর্মসূচি কেবল শান্তিপূর্ণ উদ্দেশ্যে।
জোটটির দাবি, রাশিয়ায় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র পাঠানোর জন্য একটি চুক্তি সম্পাদন করেছে ইরান। এ বিষয়ে সতর্ক করে জি-৭ বলছে, ইউক্রেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধে রাশিয়াকে সহায়তা করলে তার পরিণতি হবে ভয়াবহ।
মন্তব্য করুন


সৌদি আরবে জিলহজ মাসের চাঁদ দেখা গেছে মঙ্গলবার (২৭ মে)। সে অনুসারে দেশটিতে চলতি বছর পবিত্র হজের মূল আনুষ্ঠানিকতা শুরু হচ্ছে আগামী ৪ জুন। সৌদি আরবের পর্যবেক্ষণকেন্দ্রগুলো পবিত্র জিলহজ মাসের চাঁদ দেখা যাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করার পর দেশটির সুপ্রিম কোর্ট এ ঘোষণা দিয়েছেন।
সৌদি আরব কর্তৃপক্ষ বলছে, এ বছর আরাফাত ময়দানের আনুষ্ঠানিকতা পালন করা হবে ৫ জুন। আর দেশটিতে পবিত্র ঈদুল আজহা পালিত হবে পরদিন, ৬ জুন। সোমবার (২৬ মে) এক সংবাদ সম্মেলনে সৌদি আরবের হজবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী তৌফিক আল-রাবিয়াহ জানান, ইতিমধ্যে বিভিন্ন দেশ থেকে ১০ লাখের বেশি হজযাত্রী সৌদি আরবে পৌঁছেছেন।
পবিত্র হজ ইসলাম ধর্মের পাঁচটি মূল স্তম্ভের একটি। শারীরিক ও আর্থিকভাবে সক্ষম যেকোনো মুসলমানের জীবনে অন্তত একবার হজ পালন করা ফরজ।
প্রতিবছর জিলহজ মাসের ৮ থেকে ১৩ তারিখের মধ্যে হজের মূল আনুষ্ঠানিকতাগুলো সম্পন্ন করা হয়। এই সময়ের মধ্যে হজযাত্রীরা চার দিনের বিভিন্ন ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতায় অংশ নেন। চার দিনের মধ্যে দ্বিতীয় দিন লাখ লাখ হাজি আরাফাতের ময়দানে উপস্থিত হন ও নামাজ আদায় করেন। এ পবিত্র ময়দানেই সেই পাহাড় অবস্থিত, যেখান থেকে মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) বিদায় হজের ঐতিহাসিক ভাষণ দিয়েছিলেন।
হজযাত্রীদের আরেক কাঙ্ক্ষিত গন্তব্য পবিত্র মদিনা নগরী। সেখানে রয়েছে মহানবী (সা.)-এর পবিত্র রওজা মোবারক। মদিনা সফর হজের আনুষ্ঠানিকতার অংশ না হলেও, প্রত্যেক মুসলমানের আত্মার সঙ্গে নিবিড়ভাবে জড়িয়ে আছে নবীজির রওজা মোবারক জিয়ারত করার বিষয়টি।
সৌদি সরকারের তথ্য অনুযায়ী, গত বছর প্রায় ১৮ লাখ ধর্মপ্রাণ মুসলমান হজ পালনে অংশ নিয়েছিলেন। তবে ওই বছর হজ পালনকালে সৌদি আরবে তাপমাত্রা বেড়ে ৫১ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছেছিল। গরমের কারণে ও অন্যান্য অসুস্থতায় ওই বছর ১ হাজার ৩০০-এর বেশি হজযাত্রী মারা যান।
মন্তব্য করুন


কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) জোয়ারেও মধ্যপ্রাচ্যে বিদেশি কর্মীর চাহিদা কমবে না। বরং সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের শ্রমবাজারে ২০৩০ সালের মধ্যে ১৫ লাখের বেশি কর্মীর চাহিদা তৈরি হবে। চলতি বছর প্রকাশিত এক বৈশ্বিক শ্রমশক্তি সমীক্ষায় এ তথ্য জানানো হয়েছে। খবর জিও নিউজের।
গবেষণায় দেখা যায়, এআইয়ের মাধ্যমে ব্যবসা পরিচালনার ধরনে পরিবর্তন এলেও উপসাগরীয় অঞ্চলে মানবশ্রমের সামগ্রিক চাহিদা কমছে না। বরং শক্তিশালী অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, বৃহৎ উন্নয়ন প্রকল্প এবং সরকারি ও বেসরকারি সেবাখাতের পরিসর বৃদ্ধি পাওয়ায় এই দুই দেশে টেকসই শ্রমচাহিদা তৈরি করছে।
সৌদি আরবের ‘ভিশন ২০৩০’ অর্থনৈতিক সংস্কার কর্মসূচির কারণে শ্রমশক্তির চাহিদা বাড়ছে। এই কর্মসূচির আওতায় নির্মাণ, অবকাঠামো, পর্যটন, উৎপাদন, লজিস্টিকস এবং নতুন অর্থনৈতিক অঞ্চলে ব্যাপক বিনিয়োগ করা হচ্ছে।
গবেষণার হিসাব অনুযায়ী, এআই থেকে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি না হলে সৌদি আরবের এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে প্রায় ৬ লাখ ৫০ হাজার অতিরিক্ত কর্মীর প্রয়োজন হতো। অটোমেশনের বিষয়টি বিবেচনায় নেয়ার পরও আগামী বছরগুলোতে দেশটিতে উল্লেখযোগ্য শ্রমঘাটতি দেখা দেয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
সংযুক্ত আরব আমিরাতে শ্রমশক্তির চাহিদা আরও দ্রুত বাড়বে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০৩০ সালের মধ্যে আমিরাতের মোট শ্রমশক্তি ১২ দশমিক ১ শতাংশ বৃদ্ধি পেতে পারে। এর ফলে বিশ্বের অন্যতম দ্রুত বর্ধনশীল শ্রমবাজার হতে যাচ্ছে দেশটি।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘গবেষণাভুক্ত শ্রমবাজারগুলোর মধ্যে আমিরাতেই শ্রমশক্তি সবচেয়ে বেশি বৃদ্ধি পাবে। এ ছাড়া সৌদি আরবে শ্রমশক্তি বৃদ্ধির হার ধরা হয়েছে ১১ দশমিক ৬ শতাংশ। এর তুলনায় যুক্তরাষ্ট্রে এই হার মাত্র ২ দশমিক ১ শতাংশ এবং যুক্তরাজ্যে ২ দশমিক ৮ শতাংশ।’
যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক এন্টারপ্রাইজ সফটওয়্যার কোম্পানি সার্ভিসনাও এই গবেষণা করেছে। প্রতিষ্ঠানটি সরকার ও বৃহৎ প্রতিষ্ঠানের জন্য ডিজিটাল ওয়ার্কফ্লো ও অটোমেশন প্ল্যাটফর্ম সরবরাহ করে।
গবেষণা অনুযায়ী, প্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও সেবাখাতের ডিজিটাল রূপান্তরে আমিরাতের জোরালো মনোযোগ চাকরি কমানোর বদলে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে। দেশটিতে সরকারি ডিপার্টমেন্ট ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রম আধুনিকায়ন করার সঙ্গে সঙ্গে উৎপাদন, শিক্ষা, খুচরা বাণিজ্য, স্বাস্থ্যসেবা, আর্থিক সেবা এবং প্রযুক্তি-সম্পর্কিত খাতে কর্মীর চাহিদা বাড়ছে।
সৌদি আরব ও আরব আমিরাতে নির্মাণ, পরিবহন, লজিস্টিকস, স্বাস্থ্যসেবা, আতিথেয়তা, খুচরা বাণিজ্য, শিক্ষা, জ্বালানি, আর্থিক সেবা ও তথ্যপ্রযুক্তি সামনের বছরগুলোতে ব্যাপকহারে বিনিয়োগ হবে। প্রযুক্তির প্রভাবে কাজের ধরন বদলালেও যারা প্রশিক্ষণ ও পুনঃদক্ষতায় বিনিয়োগ করবে, সেসব দেশ ও কর্মীরাই নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির সুফল সবচেয়ে বেশি ভোগ করতে পারবে।
মন্তব্য করুন


যুক্তরাষ্ট্রের ৪৭তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে ক্যাপিটল ওয়ান অ্যারেনায় শপথ নিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।
শপথ গ্রহণের পর তার প্রথম ভাষণে তিনি জানান, বাইডেন আমলের সব নির্বাহী আদেশ দ্রুত বাতিল করা হবে। শপথের অল্প কিছুক্ষণের মধ্যেই এই পরিকল্পনা কার্যকর করতে শুরু করেন তিনি।
জানা গেছে, শপথ নেওয়ার পরপরই ট্রাম্প ওভাল অফিসে গিয়ে একাধিক নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেন। এর মাধ্যমে তিনি বাইডেনের শাসনামলের ৭৮টি নির্বাহী আদেশ বাতিল করেন। এর মধ্যে প্যারিস জলবায়ু চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে প্রত্যাহারের আদেশও রয়েছে।
ট্রাম্প আদেশে স্বাক্ষর করার পর সেটি জনসাধারণকে দেখান। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি এবং মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন জানায়, বিদায়ী প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ক্ষমতা ছাড়ার আগে রেকর্ডসংখ্যক ব্যক্তিকে ক্ষমা করেছেন। ট্রাম্প প্রশাসন এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারে, এমন আশঙ্কায় এ সিদ্ধান্ত নেন বাইডেন।
ট্রাম্প তার ভাষণে বলেন, "যে ক্ষমাগুলো দেওয়া হয়েছে, সেগুলোও দ্রুত বাতিল করা হবে।"
অর্থনৈতিক পরিস্থিতি সামলাতে ট্রাম্প মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে একটি নির্বাহী আদেশেও স্বাক্ষর করেন।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান বিচারপতি জন রবার্টস ট্রাম্পকে শপথ পাঠ করান। এ সময় বিদায়ী প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন, তার স্ত্রী জিল বাইডেনসহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
২০১৭ সালে ন্যাশনাল মলে বড় আয়োজনের মধ্য দিয়ে ট্রাম্প প্রথমবার শপথ নিয়েছিলেন। তবে এবার তীব্র ঠান্ডা আবহাওয়ার কারণে শপথ অনুষ্ঠান ক্যাপিটল ভবনের ভেতরে আয়োজন করা হয়। উল্লেখ্য, ১৯৮৫ সালে একই কারণে প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রিগ্যান ক্যাপিটল ভবনের ভেতরে শপথ নিয়েছিলেন।
মন্তব্য করুন


ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু পোল্যান্ড সফর বাতিল করেছেন। পোল্যান্ডের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী লাদিস্লো বার্তোসজেউস্কি এক সাক্ষাৎকারে সতর্ক করেছিলেন যে, নেতানিয়াহু পোল্যান্ডে গেলে গ্রেপ্তার হতে পারেন। এই সতর্কবার্তার পর নেতানিয়াহু তার সফর বাতিলের সিদ্ধান্ত নেন।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জার্মান নাৎসি বাহিনী পোল্যান্ডসহ আশপাশের দেশগুলোর ইহুদিদের যেসব বন্দি শিবিরে আটকে রেখেছিল, সেগুলো আউশউইৎজ নামে পরিচিত। পোল্যান্ডের বিভিন্ন অঞ্চলে এ ধরনের কয়েকটি আউশউইৎজ শিবির ছিল। ১৯৩৯ থেকে ১৯৪৫ সালের মধ্যে এসব শিবিরে প্রায় ১০ লাখ ১০ হাজার ইহুদিকে হত্যা করা হয়। নিহতদের বেশিরভাগই পোল্যান্ড ও সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের নাগরিক ছিলেন।
যুদ্ধ শেষে আউশউইৎজ শিবির মুক্ত হওয়ার পর থেকে প্রতি বছর জানুয়ারি মাসে এই ঘটনাকে স্মরণ করা হয়। ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে আউশউইৎজ মুক্তির ৮০তম বার্ষিকী উদযাপন হবে, যেখানে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর অংশগ্রহণের কথা ছিল।
কিন্তু পোল্যান্ডের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী বার্তোসজেউস্কি শনিবার এক সাক্ষাৎকারে বলেন, "আমরা ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরকে জানিয়ে দিয়েছি যে, নেতানিয়াহু যদি পোল্যান্ডে আসেন, তবে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) গ্রেপ্তারি পরোয়ানার ভিত্তিতে আমরা পদক্ষেপ নেব। কারণ, পোল্যান্ড আইসিসির নির্দেশনা মেনে চলার চুক্তিবদ্ধ দেশ।"
এই সতর্কবার্তার পর ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ পোল্যান্ডকে জানিয়েছে, নেতানিয়াহু এবার সেখানে আসবেন না।
উল্লেখ্য, গত নভেম্বরে গাজা উপত্যকায় সামরিক অভিযান পরিচালনা এবং সেখানকার বাসিন্দাদের খাদ্য, পানি ও ওষুধ থেকে বঞ্চিত করার অভিযোগে আইসিসি বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবং ইসরায়েলের সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োয়াভ গ্যালান্তের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে।
যদিও ইসরায়েল, যুক্তরাষ্ট্র, চীন ও রাশিয়া আইসিসিকে স্বীকৃতি দেয়নি, তবুও ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত ২৭টি দেশসহ বিশ্বের অনেক দেশ আইসিসির সনদে স্বাক্ষর করেছে। পোল্যান্ডও সেই তালিকায় থাকায় নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে থাকা পরোয়ানা কার্যকর করতে দেশটির আইনত বাধ্যবাধকতা রয়েছে।
সূত্র : জেরুজালেম পোস্ট
মন্তব্য করুন


১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে নয় মাসব্যাপী রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মধ্য দিয়ে অর্জিত বাংলাদেশের মহান বিজয়কে ভারতের ঐতিহাসিক বিজয় হিসেবে দাবি করেছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে সোমবার (১৬ ডিসেম্বর) নরেন্দ্র মোদি তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি পোস্টে এ দাবি করেন।
নরেন্দ্র মোদির পোস্টে লেখা হয়, "আজ বিজয় দিবসে, আমরা ১৯৭১ সালের ভারতের ঐতিহাসিক বিজয়ে অবদান রাখা সাহসী সৈন্যদের সাহস ও আত্মত্যাগকে সম্মান জানাই। তাদের নিঃস্বার্থ উৎসর্গ এবং অটল সংকল্প আমাদের জাতিকে রক্ষা করেছে এবং আমাদের গৌরব এনে দিয়েছে। এই দিনটি তাদের অসাধারণ বীরত্ব এবং অদম্য চেতনার প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি। তাদের আত্মত্যাগ চিরকাল প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে এবং আমাদের জাতির ইতিহাসে গভীরভাবে গেঁথে থাকবে।"
নরেন্দ্র মোদির এই মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ তার ফেসবুক আইডিতে লিখেছেন, "এটি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্য এই যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল। কিন্তু মোদি দাবি করেছেন, এটি ভারতের যুদ্ধ এবং তাদের অর্জন। তাদের বক্তব্যে বাংলাদেশের অস্তিত্বকেই উপেক্ষা করা হয়েছে।"
তিনি আরও লেখেন, "যখন এই স্বাধীনতাকে ভারত নিজেদের অর্জন হিসেবে দাবি করে, তখন আমি একে বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও অখণ্ডতার প্রতি সরাসরি হুমকি হিসেবে দেখি। ভারতের এই হুমকির বিরুদ্ধে আমাদের লড়াই চালিয়ে যাওয়া অত্যাবশ্যক। এই লড়াই আমাদের চালিয়েই যেতে হবে।"
মন্তব্য করুন


কাতারের রাজধানী দোহায় ব্যাপক হামলা চালিয়েছে ইসরাইল। হামাস নেতাদের লক্ষ্য করে এ হামলা চালানো হয়েছে বলে দাবি করেছে দেশটির ইসরাইলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ)। খবর আল-জাজিরার।
মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) কাতারের স্থানীয় সময় বিকালে দোহায় বিকট শব্দে বেশ কয়েকটি বিস্ফোরণ হয়। এসময় দোহার আকাশে কালো ধোঁয়া দেখা যায়।
বিস্ফোরণের কিছুক্ষণ পর আইডিএফ এক বিবৃতিতে জানায়, শিন বেত নিরাপত্তা সংস্থার সঙ্গে যৌথ অভিযানে তারা হামাসের শীর্ষ নেতৃত্বকে লক্ষ্য করে সুনির্দিষ্ট হামলা চালিয়েছে।
যদিও হামাসের কোন নেতাকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে তা জানায়নি আইডিএফ। তবে বহু বছর ধরে হামাসের শীর্ষ নেতারা গাজা উপত্যকার বাইরে রাজনৈতিক সদর দপ্তর হিসেবে দোহাকে ব্যবহার করে আসছেন।
এদিকে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনকে এক জ্যেষ্ঠ হামাস কর্মকর্তা নিশ্চিত করেছেন যে, দোহায় তাদের আলোচক দলকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে।
হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাজেদ আল-আনসারি এক বিবৃতিতে বলেছেন, এই হামলা আন্তর্জাতিক সব আইন ও বিধির চরম লঙ্ঘন এবং কাতারের নাগরিক ও অধিবাসীদের নিরাপত্তা ও সুরক্ষার জন্য গুরুতর হুমকি।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, কাতার এই হামলার কঠোর নিন্দা জানাচ্ছে এবং স্পষ্টভাবে জানাচ্ছে যে, এই বেপরোয়া ইসরাইলি আচরণ, আঞ্চলিক নিরাপত্তায় হস্তক্ষেপ এবং কাতারের নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্বকে লক্ষ্য করে যেকোনো পদক্ষেপকে বরদাশত করা হবে না। সর্বোচ্চ পর্যায়ে তদন্ত চলছে এবং বিস্তারিত তথ্য পাওয়া গেলে তা প্রকাশ করা হবে।
মন্তব্য করুন


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ মন্তব্য করেছেন যে, বাংলাদেশ থেকে অনুপ্রবেশ বন্ধ হলেই পশ্চিমবঙ্গে শান্তি ফিরবে। তার মতে, বাংলাদেশ থেকে অবৈধ অনুপ্রবেশের কারণেই পশ্চিমবঙ্গ এবং ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে শান্তি বিঘ্নিত হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, পশ্চিমবঙ্গের শান্তি তখনই সম্পূর্ণভাবে স্থায়ী হবে, যখন এই অনুপ্রবেশ পুরোপুরি বন্ধ করা সম্ভব হবে।
রবিবার পেট্রাপোল স্থলবন্দরে ভারতের সবচেয়ে বড় যাত্রী টার্মিনাল ভবন এবং 'মৈত্রী দ্বার' নামে একটি কার্গো গেট উদ্বোধনকালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এই মন্তব্য করেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, 'ল্যান্ড পোর্ট অথরিটি অফ ইন্ডিয়া' (এলপিএআই) এই অঞ্চলে শান্তি ও উন্নয়ন স্থাপনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বৈধ যাতায়াতের ব্যবস্থা না থাকলে মানুষ অবৈধভাবে সীমান্ত পেরিয়ে আসে এবং এটি পশ্চিমবঙ্গসহ গোটা ভারতের শান্তি বিঘ্নিত করে।
অমিত শাহ বলেন, ২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে পরিবর্তন ঘটাতে হবে এবং অনুপ্রবেশ পুরোপুরি বন্ধ করার প্রতিশ্রুতি দেন। তার মতে, এটি বাস্তবায়িত হলে সীমান্তবর্তী দেশগুলোর সঙ্গে অংশীদারত্ব আরও শক্তিশালী হবে। ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশ ছাড়াও নেপাল, ভুটান ও মিয়ানমারের সঙ্গে সংস্কৃতি, ভাষা ও আদান-প্রদান বাড়বে, যা এক নতুন অংশীদারিত্বের সূচনা করবে।
উত্তর চব্বিশ পরগনার পেট্রাপোল বন্দরে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে অমিত শাহ আরও বলেন, এলপিএআই একটি ছোট প্রতিষ্ঠান হলেও এর গুরুত্ব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভারত ও প্রতিবেশী দেশগুলোর সম্পর্ক উন্নয়নে ভাষা ও সংস্কৃতির আদান-প্রদানের মাধ্যমে এলপিএআই গত দশ বছরে বিশেষ ভূমিকা পালন করেছে।
অমিত শাহ আরও বলেন, এই ল্যান্ড পোর্ট অথরিটি নরেন্দ্র মোদির চারটি ‘পি’ সূত্র অনুসরণ করে কাজ করে—প্রসপারিটি (সমৃদ্ধি), পিস (শান্তি), পার্টনারশিপ (অংশীদারত্ব) এবং প্রগ্রেস (উন্নতি)।
অনুষ্ঠানে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় জাহাজ ও বন্দর প্রতিমন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর, এলপিএআই এর চেয়ারম্যান আদিত্য মিশ্র, বিএসএফ এর ডিজি দলজিৎ সিং চৌধুরী এবং কেন্দ্রের জয়েন্ট ডিরেক্টর পৌসুমী বসু।
মন্তব্য করুন


নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুর নিউ বনেশ্বর এলাকায় জেনারেশন জেড (Gen Z) তরুণদের বিক্ষোভে পুলিশের গুলিতে সোমবার বিকাল ৪টা পর্যন্ত অন্তত ১৪ জন নিহত হয়েছেন।
ন্যাশনাল ট্রমা সেন্টারের চিকিৎসক ডা. দিপেন্দ্র পাণ্ডে জানিয়েছেন, সেখানে সাতজনকে মৃত অবস্থায় আনা হয়। আরও ১০ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক, যাদের মাথা ও বুকে গুলির আঘাত লেগেছে। এ ছাড়া ২০ জনের বেশি আহত হয়ে চিকিৎসাধীন আছেন।
এভারেস্ট হাসপাতালের কর্মকর্তা অনিল আধিকারী জানিয়েছেন, তাদের হাসপাতালে তিনজন মারা গেছেন। ৫০ জনের বেশি আহত চিকিৎসাধীন রয়েছেন, যাদের মধ্যে চারজনের অবস্থা সংকটাপন্ন।
সিভিল হাসপাতালের নির্বাহী পরিচালক মোহনচন্দ্র রেগমি জানান, তাদের হাসপাতালে দুইজন মারা গেছেন।
এ ছাড়া কেএমসি ও ত্রিভুবন বিশ্ববিদ্যালয় টিচিং হাসপাতাল, মহারাজগঞ্জে একজন করে মারা গেছেন। নিহতদের পরিচয় এখনো প্রকাশ করা হয়নি।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ জলকামান, টিয়ারগ্যাস ও সরাসরি গুলি চালায়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিধিনিষেধ ও সরকারি দুর্নীতির বিরুদ্ধে জেনারেশন জেড তরুণদের নেতৃত্বে বিক্ষোভ এখন শুধু কাঠমান্ডুতেই নয়, দেশের অন্যান্য বড় শহরেও ছড়িয়ে পড়েছে।
সূত্র: কাঠমান্ডু পোস্ট
মন্তব্য করুন