

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা দিয়েছেন যে ১ ফেব্রুয়ারি থেকে কানাডা থেকে আমদানি করা সকল পণ্যের ওপর ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হবে। এ ঘোষণাটি হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকেও শুক্রবার কানাডাকে জানানো হয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এই সিদ্ধান্তের জবাবে পাল্টা ব্যবস্থা নেওয়ার হুমকি দিয়েছেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো।
ট্রুডো বলেছেন, ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্তের তাৎক্ষণিক এবং দ্রুত জবাব দেওয়া হবে। শুক্রবার তিনি বলেন, কানাডা এই সিদ্ধান্তের জবাব দিতে প্রস্তুত এবং লক্ষ্য অর্জনের জন্য দৃঢ় ও উপযুক্ত পদক্ষেপ নেওয়া হবে। তিনি আরও বলেন, "আমরা এটি চাই না, কিন্তু যদি ট্রাম্প এগিয়ে আসেন, তাহলে আমরাও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব। সব বিকল্পই টেবিলে আছে।"
বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, অটোয়ার কর্মকর্তারা কী ধরনের পাল্টা পদক্ষেপ নেওয়া যায় তা নিয়ে পরিকল্পনা করছেন। তবে তারা এখনই বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করতে চাইছেন না।
ট্রুডো তার বক্তব্যে কানাডার নাগরিকদের সতর্ক করে বলেছেন, সামনে কঠিন সময় আসতে পারে। তিনি কানাডা-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক বিষয়ক এক উপদেষ্টা পরিষদের বক্তব্যে উল্লেখ করেন যে দেশটি বর্তমানে একটি সংকটময় পরিস্থিতির মুখোমুখি।
ট্রাম্প ও হোয়াইট হাউসের ঘোষণা অনুযায়ী, ১ ফেব্রুয়ারি শনিবার থেকে কানাডার পণ্য যুক্তরাষ্ট্রের সীমান্ত অতিক্রম করলেই ২৫ শতাংশ শুল্ক দিতে হবে। তবে এই শুল্কের আওতায় কানাডা থেকে আমদানি করা তেল অন্তর্ভুক্ত হবে না। আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকে কানাডার তেলে ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হবে বলে যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে।
মন্তব্য করুন


মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভেনেজুয়েলার বিরোধী নেত্রী মারিয়া কোরিনা মাচাদোর দেওয়া নোবেল শান্তি পুরস্কারের পদকটি গ্রহণ করার সপক্ষে যুক্তি দিয়েছেন। ট্রাম্প জানিয়েছেন, মাচাদো নিজেই তাকে এই পদকটি উপহার দিয়েছেন এবং তিনি মনে করেন এটি পারস্পরিক শ্রদ্ধার একটি চমৎকার নিদর্শন।
বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) হোয়াইট হাউসে মাচাদোর সঙ্গে সাক্ষাতের পর ট্রাম্প দাবি করেন, আটটি যুদ্ধ বন্ধ করার সাফল্যে মুগ্ধ হয়েই মাচাদো তাকে এই সম্মান জানিয়েছেন। এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্রাম্প মাচাদোর উদ্ধৃতি দিয়ে বলেছেন যে মাচাদো তাকে উদ্দেশ্য করে বলেছেন, ‘ইতিহাসে আপনার চেয়ে বেশি এই পুরস্কারের যোগ্য আর কেউ নেই’।
হোয়াইট হাউসে রুদ্ধদ্বার বৈঠকের পর মাচাদো যখন বের হয়ে আসছিলেন, তখন তার হাতে কেবল ট্রাম্পের স্বাক্ষর সংবলিত একটি ব্যাগ ছিল। অন্য একজনের নোবেল পদক কেন তিনি নিতে চাইলেন—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন যে, মাচাদো অত্যন্ত সহৃদয়তার সঙ্গে এটি তাকে দিয়েছেন এবং তার কাজের প্রশংসা করেছেন।
ট্রাম্প মাচাদোকে একজন ‘অসাধারণ নারী’ হিসেবে অভিহিত করে জানান যে তিনি মাচাদোর এই সৌজন্যবোধে অত্যন্ত খুশি। মাচাদো নিজেও জানিয়েছেন যে, ভেনেজুয়েলার স্বাধীনতার প্রতি ট্রাম্পের অনন্য প্রতিশ্রুতির স্বীকৃতি হিসেবেই তিনি তার অর্জিত পদকটি মার্কিন প্রেসিডেন্টকে উপহার দিয়েছেন।
তবে পদকটি হস্তান্তরের খবরটি শিরোনামে আসার পরপরই নরওয়েজীয় নোবেল কমিটি বিষয়টি নিয়ে পুনরায় তাদের অবস্থান পরিষ্কার করেছে। শুক্রবার এক বিবৃতিতে তারা জানিয়েছে যে, নোবেল শান্তি পুরস্কারের কোনো পদক অন্য কারো কাছে হস্তান্তর করা গেলেও সেই পুরস্কারের মর্যাদা বা খেতাব কখনোই বদলানো সম্ভব নয়।
কমিটি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছে যে, একজন নোবেল বিজয়ী তার পদকটি কাউকে দিতে পারেন, বিক্রি করতে পারেন কিংবা দান করতে পারেন, তবে ইতিহাসে মূল বিজয়ী হিসেবে কেবল মাচাদোর নামই লিপিবদ্ধ থাকবে। এমনকি পদকটি অন্যের দখলে থাকলেও নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ীর উপাধিটি হস্তান্তরযোগ্য বা বাতিলযোগ্য নয়।
নোবেল কমিটি কোনো রাজনৈতিক বিতর্কে জড়াতে অস্বীকার করে জানিয়েছে যে, একজন বিজয়ী তার পদক, ডিপ্লোমা বা পুরস্কারের অর্থ দিয়ে কী করবেন সে বিষয়ে তাদের কোনো বিধিনিষেধ নেই। তবে মাচাদোর এই পদক্ষেপ নিয়ে ইতিমধ্যেই ব্যাপক সমালোচনা ও মিশ্র প্রতিক্রিয়া শুরু হয়েছে।
অনেকে এটিকে ‘অত্যন্ত লজ্জাজনক’ ঘটনা হিসেবে বর্ণনা করলেও মাচাদো দাবি করেছেন যে ট্রাম্প প্রশাসনের ওপর তারা আস্থা রাখতে পারেন। ভেনেজুয়েলার আগামী নেতৃত্ব নিয়ে দুই নেতার মধ্যে আলোচনা হলেও ট্রাম্প শেষ পর্যন্ত মাচাদোকে কতটা সমর্থন দেবেন তা নিয়ে এখনো ধোঁয়াশা রয়ে গেছে।
সূত্র: এনডিটিভি, এপি
মন্তব্য করুন


ভারতের দিল্লিতে গত বুধবার বিধানসভা নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) দেশটির স্থানীয় সময় সকাল ৮টা থেকে ভোট গণনা শুরু হয়েছে, যা সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত চলবে। তবে এরই মধ্যে দেশটির বুথফেরত জরিপের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, অরবিন্দ কেজরিওয়ালের আম আদমি পার্টি (আপ)-কে হারিয়ে প্রায় ২৭ বছর পর সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় আসতে চলেছে বিজেপি ও তার সহযোগী দলগুলো।
বুধবার দিল্লির ৭০টি বিধানসভা আসনে ভোটগ্রহণ হয়। সংখ্যাগরিষ্ঠতার ম্যাজিক নম্বর ৩৬। কেজরিওয়ালের আম আদমি পার্টি লড়েছে ৭০টি আসনে। বিজেপি প্রার্থী দিয়েছে ৬৮ আসনে। দুটি আসন তারা ছেড়েছে জেডিইউ এবং এলজেপি'কে (রামবিলাস)। অধিকাংশ সমীক্ষার ইঙ্গিত, বিজেপি জিততে পারে প্রায় ৪০টির বেশি আসনে।
টাইমস অব ইন্ডিয়া, এনডিটিভির লাইভ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এখন পর্যন্ত বিশাল ব্যবধানে এগিয়ে আছে। এনডিটিভি তাদের খবরের প্রধান শিরোনামে লিখেছে, বিশাল জয়ের পথে বিজেপি।
আনন্দবাজার তাদের লাইভ নিউজে জানিয়েছে, ভোটগণনা শুরুর ৪০ মিনিট পরের পরিসংখ্যা বলছে, আপ ২০টি আসনে এগিয়ে। অন্যদিকে ২৫টি আসনে এগিয়ে বিজেপি। কংগ্রেস একটি আসনে এগিয়ে রয়েছে।
কী বলছে বুথ ফেরত সমীক্ষা?
চাণক্য স্ট্র্যাটেজিসের সমীক্ষা অনুযায়ী বিজেপি পেতে পারে ৩৯-৪৪টি আসন। আপ জিততে পারে ২৫-২৮টি আসনে। কংগ্রেসের ঝুলিতে থাকতে পারে দুই থেকে তিনটি আসন।
ডিভি রিসার্চের বুথ-ফেরত সমীক্ষা অবশ্য কংগ্রেসকে একটি আসনও দেয়নি। তাদের সমীক্ষা অনুযায়ী, বিজেপি পেতে পারে ৩৬-৪৪টি আসন এবং আম আদমি পার্টি জিততে পারে ২৬ থেকে ৩৪টি আসনে।
জেভিসির সমীক্ষার ইঙ্গিত বিজেপি পেতে পারে ৩৯-৪৫টি আসন। আম আদমি পার্টি জিততে পারে ২২ থেকে ৩১টি আসন এবং কংগ্রেস পেতে পারে শূন্য থেকে দু'টি আসন। ম্যাট্রিজের সমীক্ষা অনুযায়ী আপের ঝুলিতে থাকতে পারে ৩২-৩৭টি আসন। বিজেপি জিততে পারে ৩৫ থেকে ৪০টি আসনে। কংগ্রেসের ভাগ্যে একটি আসন জয়ের ইঙ্গিত দিয়েছে এই সমীক্ষাটি।
মন্তব্য করুন


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
এবার নেটফ্লিক্সে অভিষেক হতে যাচ্ছে সাবেক ইংলিশ ফুটবল অধিনায়ক ডেভিড বেকহামের পত্নী ভিক্টোরিয়ার। তার এই আসন্ন নেটফ্লিক্স শোই নাকি প্রিন্স হ্যারির পত্নী মেগান মার্কেলকে ‘হুমকির’ মুখে ফেলেছে। শোটি নাকি সাসেক্সের ডাচেসকে অত্যন্ত ক্ষুব্ধ করবে।
সম্প্রতি ফ্যাবুলাসের নতুন একটি প্রতিবেদনে এমনটাই দাবি করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গায়িকা থেকে ফ্যাশন ডিজাইনারে পরিণত হওয়া ভিক্টোরিয়ার এই নেটফ্লিক্স প্রজেক্ট মেগান এবং তার মধ্যকার বিরোধকে আরও তীব্র করবে।
উভয়ের মধ্যে এই বিরোধ শুরু হয়েছিল ২০১৮ সালে, যখন মেগান অভিযোগ করেছিলেন যে, ভিক্টোরিয়া তার ব্যক্তিগত তথ্য গণমাধ্যমে ফাঁস করেছেন।
এ প্রসঙ্গে রয়্যাল লেখক ইঙ্গ্রিড সেওয়ার্ড মন্তব্য করেছেন, ভিক্টোরিয়ার নেটফ্লিক্স শো মেগান মার্কেলের শোয়ের আগে মুক্তি পাবে বলে তিনি বিরক্ত হতে পারেন। তবে তিনি এমনভাবে আচরণ করবেন যেন এতে তার কিছুই যায় আসে না।
ফ্যাবুলাসকে ইঙ্গ্রিড বলেন, "আমি নিশ্চিত, তিনি (মেগান মার্কেল) ক্ষুব্ধ হবেন, কারণ তিনি সবকিছু নিয়ন্ত্রণে রাখতে পছন্দ করেন। আমি মনে করি, নেটফ্লিক্সে ভিক্টোরিয়ার শো আগে মুক্তি পাওয়ায় তিনি বিরক্ত হবেন, তবে তিনি গভীরভাবে তা সহ্য করে যাবেন।"
রাজপরিবারের এই লেখক আরও যোগ করেন, "তিনি (মেগান মার্কেল) বিরক্ত হতে পারেন, তবে তা প্রকাশ করতে পারবেন না। তিনি যথেষ্ট অভিজ্ঞ অভিনেত্রী; তিনি জানেন কীভাবে এ ধরনের পরিস্থিতি সামলাতে হয়। তাকে বলতে হবে, 'অসাধারণ! ভিক্টোরিয়া কত চমৎকার!
মন্তব্য করুন


মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগ একটি ফুড কোর্টে অভিযান চালিয়ে নয়জন বাংলাদেশিসহ মোট ৫৮ জন অবৈধ অভিবাসীকে আটক করেছে। অভিবাসন আইনের বিভিন্ন ধারা লঙ্ঘনের অভিযোগে তাদের আটক করা হয়েছে।
বুধবার ইমিগ্রেশন বিভাগ, জাতীয় নিবন্ধন বিভাগ, মালয়েশিয়ান সিভিল ডিফেন্স ফোর্স, মানবপাচার ও অভিবাসন চোরাচালান বিরোধী বিভাগ এবং মানি লন্ডারিং অপরাধ তদন্ত দলের ৯৫ জন কর্মকর্তার সমন্বয়ে সেলাঙ্গর রাজ্যের পুচং শহরের একটি ফুড কোর্টে এই অভিযান চালানো হয়।
ইমিগ্রেশনের মহাপরিচালক দাতুক জাকারিয়া শাবান এক বিবৃতিতে জানান, স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ এবং এক সপ্তাহ ধরে নজরদারির পর এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে মোট ১০২ জনের কাগজপত্র পরীক্ষা করা হয়। এর মধ্যে ৫৮ জন অভিবাসীর বিরুদ্ধে বিভিন্ন অপরাধ ধরা পড়ে। তাদের অপরাধের মধ্যে রয়েছে মালয়েশিয়ায় অনুমোদিত সময়ের চেয়ে বেশি অবস্থান, অস্থায়ী কাজের পাসের অপব্যবহার এবং অবৈধ ব্যবসা পরিচালনা।
আটককৃতদের মধ্যে মিয়ানমারের ৩১ জন পুরুষ ও ১০ জন নারী, ইন্দোনেশিয়ার দুইজন পুরুষ ও একজন নারী, নয়জন বাংলাদেশি পুরুষ, চারজন ভারতীয় পুরুষ এবং একজন ভিয়েতনামি পুরুষ রয়েছেন। তাদের বয়স ১৮ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে।
আটককৃতদের পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ার জন্য বুকিত জলিল ইমিগ্রেশন ডিটেনশন সেন্টারে রাখা হয়েছে। ইমিগ্রেশনের মহাপরিচালক দাতুক জাকারিয়া শাবান এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
মন্তব্য করুন


ভারতের কর্ণাটক রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে অন্তত ৪০০ মুসলিম পরিবারকে রাতারাতি গৃহহীন করার অভিযোগ উঠেছে। রাজ্যের রাজধানী বেঙ্গালুরুতে প্রায় ২০০টি ঘর গুঁড়িয়ে দেয়ার ফলে শত শত মুসলিম পরিবার মাথা গোজার ঠাঁই হারিয়েছে। খবর ইন্ডিয়া টুডের।
এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে কর্ণাটকে ক্ষমতাসীন কংগ্রেস এবং কেরালার বাম ফ্রন্টের মধ্যে নজিরবিহীন বাগযুদ্ধ শুরু হয়েছে। বিরোধীদের দাবি, উত্তর ভারতে ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) বিতর্কিত ‘বুলডোজার রাজ’ এখন কর্ণাটকের কংগ্রেস সরকারও অনুসরণ করছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ২২ ডিসেম্বর ভোর ৪টায় বেঙ্গালুরুর কোগিলু গ্রামের ফকির কলোনি ও ওয়াসিম লেআউটে উচ্ছেদ অভিযান চালায় বেঙ্গালুরু সলিড ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড। বেঙ্গালুরুতে বছরের এই সময়টায় প্রচণ্ড শীত বিরাজ করছে। এমন এক সময়ে ৪০০ মুসলিম পরিবারকে বাস্তুচ্যুত করল কংগ্রেস।
ক্ষতিগ্রস্ত বাসিন্দাদের দাবি, তারা প্রায় ২৫ বছর ধরে ওই এলাকায় বসবাস করছে। তাদের প্রত্যেকের কাছে বৈধ আধার কার্ড এবং ভোটার আইডি রয়েছে। কোনো আগাম নোটিশ ছাড়াই পুলিশ তাদের জোরপূর্বক বের করে দিয়েছে। অনেক পরিবার তাদের প্রয়োজনীয় নথিপত্র এবং আসবাব সরিয়ে নেয়ারও সময় পায়নি।
এ ঘটনার প্রতিবাদে সবচেয়ে সোচ্চার হয়েছেন কেরালার মুখ্যমন্ত্রী পিনরাই বিজয়ন। কংগ্রেস সরকারের বিরুদ্ধে সংখ্যালঘুবিরোধী রাজনীতির অভিযোগ তুলে নিজের এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছেন, ‘দুঃখজনক, কর্ণাটকের কংগ্রেস সরকারের অধীনে এখন সংখ্যালঘুবিরোধী রাজনীতি বাস্তবায়িত হচ্ছে। কোনো সরকার ভয় এবং পাশবিক শক্তির মাধ্যমে শাসন করলে সাংবিধানিক মূল্যবোধ ও মানবিক মর্যাদা ভূলুণ্ঠিত হয়।’
ভারতে সাম্প্রতিক সময়ে সংখ্যালঘু নিপীড়নের ঘটনা আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে। বিজেপি-শাসিত রাজ্যগুলোতে দেশটির বাংলাভাষী মুসলমানদের ‘বাংলাদেশি’ আখ্যা দিয়ে পিটিয়ে মারা হচ্ছে। এ ছাড়া খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের বড়দিনকে ঘিরেও দেশটিতে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে কট্টর হিন্দুত্ববাদী সংগঠনগুলো।
মন্তব্য করুন


‘অপারেশন সিঁদুর’ নামে ভারতের চালানো ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় পাকিস্তানে বহু শিশু নিহত হয়। এবার সেই নিহত শিশুদের নামে ভারতে আল-ফাত ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে পাকিস্তান। পাকিস্তানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ মাধ্যম পিটিআই এ তথ্য জানিয়েছে।
এক এক্স পোস্টে পিটিআই জানিয়েছে, পাকিস্তানের পাল্টা আক্রমণ অব্যাহত রয়েছে।
শহীদ পাকিস্তানি শিশুদের নামে পাকিস্তানের আল-ফাত ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়েছে। পাকিস্তান এই শহীদ নিষ্পাপ শিশুদের কথা ভুলে যায়নি এবং ভুলবেও না। ভারতের আগ্রাসনে এই নিষ্পাপ পাকিস্তানি শিশুরা শহীদ হয়েছে।
পোস্টে দুইটি ছবি যুক্ত করা হয়েছে যেখানে ক্ষেপণাস্ত্র বহনকারী একটি সামরিক যান দেখা যাচ্ছে।
যানটিতে লাগানো একটি পোস্টারে লেখা রয়েছে— হাওয়া বিবি, উরওয়া জুবায়ের, মোহাম্মদ বিন জুবায়ের, উওয়াইম জুবায়ের, উমর জুবায়ের, উমর মুসা, ইরতাজার ভালোবাসায়।
‘অপারেশন বুনিয়ান-উন-মারসুস’ নামের এই অপারেশনে ভারতের ব্রহ্মোস ক্ষেপণাস্ত্র সংরক্ষণ কেন্দ্র ধ্বংস করা হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির গণমাধ্যম পিটিআই। এছাড়া ভারতের উধমপুরের একটি এবং পাঠানকোটের দুইটি বিমানঘাঁটি ধ্বংস করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা দিয়েছেন যে ১ ফেব্রুয়ারি থেকে কানাডা থেকে আমদানি করা সকল পণ্যের ওপর ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হবে। এ ঘোষণাটি হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকেও শুক্রবার কানাডাকে জানানো হয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এই সিদ্ধান্তের জবাবে পাল্টা ব্যবস্থা নেওয়ার হুমকি দিয়েছেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো।
ট্রুডো বলেছেন, ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্তের তাৎক্ষণিক এবং দ্রুত জবাব দেওয়া হবে। শুক্রবার তিনি বলেন, কানাডা এই সিদ্ধান্তের জবাব দিতে প্রস্তুত এবং লক্ষ্য অর্জনের জন্য দৃঢ় ও উপযুক্ত পদক্ষেপ নেওয়া হবে। তিনি আরও বলেন, "আমরা এটি চাই না, কিন্তু যদি ট্রাম্প এগিয়ে আসেন, তাহলে আমরাও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব। সব বিকল্পই টেবিলে আছে।"
বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, অটোয়ার কর্মকর্তারা কী ধরনের পাল্টা পদক্ষেপ নেওয়া যায় তা নিয়ে পরিকল্পনা করছেন। তবে তারা এখনই বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করতে চাইছেন না।
ট্রুডো তার বক্তব্যে কানাডার নাগরিকদের সতর্ক করে বলেছেন, সামনে কঠিন সময় আসতে পারে। তিনি কানাডা-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক বিষয়ক এক উপদেষ্টা পরিষদের বক্তব্যে উল্লেখ করেন যে দেশটি বর্তমানে একটি সংকটময় পরিস্থিতির মুখোমুখি।
ট্রাম্প ও হোয়াইট হাউসের ঘোষণা অনুযায়ী, ১ ফেব্রুয়ারি শনিবার থেকে কানাডার পণ্য যুক্তরাষ্ট্রের সীমান্ত অতিক্রম করলেই ২৫ শতাংশ শুল্ক দিতে হবে। তবে এই শুল্কের আওতায় কানাডা থেকে আমদানি করা তেল অন্তর্ভুক্ত হবে না। আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকে কানাডার তেলে ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হবে বলে যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে।
মন্তব্য করুন


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
তিনদিনব্যাপী জি-৭ সম্মেলনে ইতালিতে জড়ো হয়েছেন বিশ্বের শীর্ষ ধনী সাত দেশ। শুক্রবার জোটটির নেতারা ইরানকে পারমাণবিক সমৃদ্ধকরণ কর্মসূচি এগিয়ে নেওয়ার বিরুদ্ধে সতর্ক করেছে। সেইসঙ্গে জোটটি জানিয়েছে, তেহরান যদি রাশিয়ার কাছে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হস্তান্তর করে তবে জি-৭ ইরানের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেবে।
এক বিবৃতিতে বলা হয়, আমরা তেহরানকে পরমাণু উত্তেজনা বৃদ্ধি বন্ধ ও প্রত্যাহার করার এবং ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কার্যক্রম বন্ধ করার আহ্বান জানাচ্ছি।
বৃহস্পতিবার জাতিসংঘের পারমাণবিক পর্যবেক্ষণ সংস্থার এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরান তার ফোরদো সাইটে অতিরিক্ত ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ সেন্ট্রিফিউজ স্থাপন করেছে এবং অন্যান্য সেন্ট্রিফিউজ স্থাপন শুরু করেছে। দেশটি এখন ৬০ শতাংশ পর্যন্ত বিশুদ্ধ ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করছে।
জি-৭ জানিয়েছে, ইরানকে নিশ্চয়তা দিতে হবে যে দেশটির পারমাণবিক কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ। তবে ইরান অনেক আগে থেকেই বলছে, তাদের পরমাণু কর্মসূচি কেবল শান্তিপূর্ণ উদ্দেশ্যে।
জোটটির দাবি, রাশিয়ায় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র পাঠানোর জন্য একটি চুক্তি সম্পাদন করেছে ইরান। এ বিষয়ে সতর্ক করে জি-৭ বলছে, ইউক্রেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধে রাশিয়াকে সহায়তা করলে তার পরিণতি হবে ভয়াবহ।
মন্তব্য করুন


হজ ও ওমরাহ যাত্রীদের জন্য একটি যুগান্তকারী সুবিধা চালু করেছে সৌদি আরবের হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয়। এখন থেকে ইন্টারনেট বা মোবাইল ডেটা ছাড়াই সম্পূর্ণ বিনামূল্যে ব্যবহার করা যাবে নুসুক অ্যাপ।
বৃহস্পতিবার (০৭ আগস্ট) সৌদি প্রেস এজেন্সি এ তথ্য জানিয়েছে। খবর গালফ নিউজের।
এ বিষয়ে হজ ও ওমরাহবিষয়ক মুখপাত্র ড. ঘাসান আল নুওয়াইমি বলেন, এই উদ্যোগের মাধ্যমে যাত্রাপথ আরও সহজ, সাশ্রয়ী এবং ডিজিটালভাবে সাবলীল হবে। ইন্টারনেট ছাড়াই সুবিধা মিলবে আল রওদাহ আল শরিফায় প্রবেশের অনুমতিপত্র ইস্যু, হারামাইন হাই-স্পিড ট্রেনের টিকিট বুকিং, নুসুক ম্যাপের মাধ্যমে পথনির্দেশনা, যে কোনো জিজ্ঞাসা বা রিপোর্ট জমা দেওয়া ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক ‘নুসুক এআই’ সহায়তা।
নুসুক অ্যাপের সিইও আহমেদ আল মাইমান বলেন, এই সুবিধা ভ্রমণকে আরও নিরাপদ ও দক্ষ করে তুলবে, ভিড় নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করবে এবং হজযাত্রীদের হারিয়ে যাওয়ার ঘটনা কমাবে।
সৌদি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তারা একটি সর্বজনীন, প্রতিবন্ধকতাহীন প্রযুক্তিগত অবকাঠামো গড়ে তুলতে কাজ করছে, যাতে বিশ্বের যে কোনো প্রান্ত থেকে আগত হজ ও ওমরাহ যাত্রী নির্বিঘ্নে সব ডিজিটাল সুবিধা ভোগ করতে পারেন।
নুসুক অ্যাপ (Nusuk App) হলো সৌদি আরবের হজ ও ওমরাহ বিষয়ক একটি সরকারি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম। এটি মূলত হজ ও ওমরাহ পালনে ইচ্ছুক ব্যক্তিদের জন্য একটি ওয়ান-স্টপ সলিউশন। এর মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা তাদের যাত্রা পরিকল্পনা থেকে শুরু করে ভিসা, ফ্লাইট, হোটেল বুকিং এবং মক্কা ও মদিনার পবিত্র স্থানগুলোতে প্রবেশের অনুমতি সবকিছু একটি অ্যাপের মাধ্যমে সহজে সম্পন্ন করতে পারে।
নুসুক অ্যাপের কিছু গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য
ই-ভিসা আবেদন
এই অ্যাপের মাধ্যমে সহজেই ই-ভিসার জন্য আবেদন করা যায়।
প্যাকেজ বুকিং
হজ ও ওমরাহর জন্য বিভিন্ন প্যাকেজ বুক করার সুবিধা রয়েছে।
হোটেল ও ফ্লাইট বুকিং
মক্কা ও মদিনায় থাকার জন্য হোটেল এবং ভ্রমণের জন্য ফ্লাইট বুক করা যায়।
পবিত্র স্থানগুলোতে প্রবেশ
মসজিদে নববী এবং মসজিদুল হারামে প্রবেশের জন্য অনুমতি পাওয়া যায়।
ট্র্যাকিং ও নেভিগেশন
এই অ্যাপে মক্কা ও মদিনার বিভিন্ন স্থান সহজে খুঁজে বের করার জন্য ট্র্যাকিং ও নেভিগেশন সুবিধা রয়েছে।
অফলাইন সুবিধা
সম্প্রতি চালু হওয়া একটি ফিচারের মাধ্যমে ইন্টারনেট সংযোগ ছাড়াই নুসুক অ্যাপ ব্যবহার করা যাবে, যা ব্যবহারকারীদের জন্য আরও সুবিধা নিয়ে এসেছে।
মন্তব্য করুন


যুক্তরাষ্ট্র ইউক্রেনের জন্য ৫০০ মিলিয়ন ডলারের নতুন একটি সামরিক সহায়তা প্যাকেজ ঘোষণা করেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন এক বিবৃতিতে এ ঘোষণা দেন।
গত নভেম্বরে রাশিয়ায় হামলার জন্য ইউক্রেনকে যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের অনুমতি দেন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। এর ঠিক একদিন পরেই ইউক্রেনকে রাশিয়ার সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে অ্যান্টি-পার্সোনেল ল্যান্ড মাইন বা স্থলমাইন দেওয়ার জন্যও রাজি হন বাইডেন।
ধারণা করা হচ্ছে, নতুন নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দায়িত্ব গ্রহণের আগেই যত দ্রুত সম্ভব এই সহায়তা পাঠানোর চেষ্টা করছেন জো বাইডেন। সংবাদমাধ্যম রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ট্রাম্পের বিজয়ের সম্ভাবনা ইউক্রেনের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ভবিষ্যৎ সহায়তা নিয়ে শঙ্কা সৃষ্টি করেছে। এজন্য বাইডেন প্রশাসন আরও বেশি সময় পাবে না ইউক্রেনকে সহায়তা করার জন্য।
মাত্র এক সপ্তাহ আগে যুক্তরাষ্ট্র ইউক্রেনের জন্য ১২৫ মিলিয়ন ডলারের নতুন সামরিক সহায়তা প্যাকেজ ঘোষণা করেছিল। এর আগে ১০ দিন আগে ওয়াশিংটন ইউক্রেনকে ৭২৫ মিলিয়ন ডলারের ক্ষেপণাস্ত্র, গোলাবারুদ, অ্যান্টি-পার্সোনেল মাইন এবং অন্যান্য অস্ত্র পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছিল। এবার আবারও একটি নতুন প্যাকেজ ঘোষণা করেছে বাইডেন প্রশাসন।
হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র জন কিরবি এর আগে বলেছিলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান প্রশাসন শেষ পর্যন্ত ইউক্রেনের জন্য অতিরিক্ত সামরিক প্যাকেজ প্রদান অব্যাহত রাখবে।
এদিকে, ইউক্রেনকে রাশিয়ার বিরুদ্ধে মার্কিন দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের অনুমতি দেওয়ার জন্য নব নির্বাচিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কড়া সমালোচনা করেছেন। বৃহস্পতিবার টাইম ম্যাগাজিনের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প অভিযোগ করেন, বাইডেন প্রশাসনের এই সিদ্ধান্ত যুদ্ধের মাত্রা বাড়িয়েছে।
ট্রাম্প বলেন, "যা ঘটছে তা এক ধরনের পাগলামি। এটা মূর্খতা। রাশিয়ায় কয়েকশ মাইল দূর থেকে ক্ষেপণাস্ত্র পাঠানোর ব্যাপারে আমি একেবারে একমত নই। আমাদের এটা করার কারণ কী! আমরা শুধু এই যুদ্ধটিকে আরও মারাত্মক করে তুলছি এবং পরিস্থিতির অবনতি ঘটাচ্ছি। এটা অনুমোদন দেওয়া উচিত হয়নি।"
মন্তব্য করুন