

বলিউড অন্যতম তারকা দম্পতি ভিকি কৌশল ও ক্যাটরিনা কাইফ। সম্প্রতি ভিকি কৌশলের কাছে জানতে চাওয়া হয়, ভাল মেয়ে পেলে ক্যাটরিনাকে ডিভোর্স দেবেন কিনা। তবে স্মার্ট ভিকি কিন্তু জুতসই জবাব দিয়েছেন।
ভিকি কৌশল ও সারা আলি খানের নতুন ছবি ‘জারা হাটকে জারা বাঁচকে’র ট্রেলেরে এ প্রশ্ন করা হয়। সাংবাদিকের মুখে এমন প্রশ্ন শুনে একেবারে হতবাক ভিকি। তবে উত্তর দিতে বেশি সময় নিলেন না।
ভিকি বলেন, ‘আমাকে রাতে বাড়ি ফিরতে হবে। তবে এটুকু বলতে পারি, আমার আর ক্যাটরিনার সম্পর্ক শুধু এই জন্মের নয়, আগামী সাত জন্মের।’
এই প্রথমবার এক সিনেমায় জুটি বেঁধেছেন ভিকি-সারা। লক্ষ্মণ উটেকর পরিচালিত ‘জারা হাটকে জারা বাঁচকে’ সিনেমায় কপিল ও সোমিয়ার চরিত্রে অভিনয় করেছেন দু’জন। ইন্দোরের মধ্যবিত্ত পরিবারের এই কাহিনীর সূত্রধর পঙ্কজ ত্রিপাঠী। তার কণ্ঠস্বরেই ট্রেলার শুরু হয়। দু’ভাগে বিভক্ত কাহিনী।
মন্তব্য করুন


৭৬তম কান চলচ্চিত্র উৎসব ১৬ মে (মঙ্গলবার) থেকে শুরু হয়ে ২৭ মে পর্যন্ত চলবে। চলতি বছর ৩টি ভারতীয় ছবি দেখানো হবে কানে।
অনুরাগ কাশ্যপ পরিচালিত কেনেডি সিনেমায় অভিনয় করেছেন সানি লিওনি, রাহুল ভাট ও ইউটিউব সিরিজ ‘অ্যাসপির্যান্টস’ খ্যাত অভিনেতা অভিলাষ থাপলিয়ল। মিডনাইট স্ক্রিনিং বিভাগের অংশ হিসাবে নির্বাচিত হয়েছে কেনেডি।
আর রাহুল রায় অভিনীত ‘আগ্রা’ সিনেমা ডিরেক্টর্স’ ফোর্টনাইট সেকশনে দেখানো হবে। ছবিটি পরিচালনা করেছেন কানু বেল।
এছাড়াও মনিপুরী নির্মাতা আরিবাম শ্যাম শর্মার ১৯৯০ সালের সিনেমা ‘ইশানোউ’-এর রেড-কার্পেট ওয়ার্ল্ড প্রিমিয়ার হবে ১৯ মে। কানের ক্লাসিক সিলেকশন বিভাগে নির্বাচিত হয়েছে ছবিটি।
চলতি বছর কান চলচ্চিত্র উৎসবে প্রথমবার দেখা যাবে অনুষ্কা শর্মাকে। কান-এ সিনেমা জগতের সঙ্গে যুক্ত নারীদের সম্মানিত করা হবে। সেই পুরস্কার প্রদান করবেন অনুষ্কা ও হলিউডের খ্যাতনামী অভিনেত্রী কেট উইনসলেট। আগের বার কান চলচ্চিত্র উৎসবে জুরি বোর্ডের সদস্য ছিলেন দীপিকা। কসমেটিক্স ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হিসেবে বহু বছর ধরে কান উৎসবে যাচ্ছেন ঐশ্বর্যা রাই বচ্চন ও সোনম কাপুর।
মন্তব্য করুন


এই পুরো গ্রামটাই হচ্ছে আসলে পুতুলের গ্রাম। পুতুলরাই সড়ক ধরে হাঁটার ভঙ্গিমায় দাঁড়িয়ে; দোকানে বসে আছে পুতুল দোকানি; বাড়ির উঠানেও পুতুল এবং এমনকি স্কুলের সারি সারি বেঞ্চে বসে থাকা সব বাচ্চা পুতুল। এই গ্রামে কি জীবিত কেউ থাকে না? অবশ্যই থাকে তবে সঙ্গে নিয়ে প্রাণহীন একঝাঁক পুতুল। আজকের আয়োজনটা এই অদ্ভুত আর রহস্যেঘেরা গ্রামটাকে কেন্দ্র করেই।
ছোট্ট গ্রাম নাগোরো। যে গ্রামে এককালে প্রায় ৩/৪০০ পরিবারের বাস ছিল। কিন্তু, এখন মাত্র ১৫ থেকে ১৬ জন মানুষ থাকেন সেখানে। কারণ কি? গত শতকের পঞ্চাশের দশকে গ্রামটিতে জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের কাজে একটি বাঁধ নির্মান করা হয়। এরপর থেকেই গ্রামে পানির অভাব দেখা দেয়। বেশীরভাগ মানুষ গ্রাম ছেড়ে চলে যেতে শুরু করে। রয়ে যান হাতে গোণা কয়েকজন কেবল।
জনসংখ্যা ধীরে ধীরে কমতেই থাকে। গ্রামটিতে শেষ শিশুর জন্ম হয়েছিল ২০০১ সালে। গ্রামটিতে এখন কোনো দোকান নেই। নেই কোনো হাসপাতালও। সামান্য অসুখ হলেও শহরে যেতে হয় বাসিন্দাদের। এক সমীক্ষায় জানা যায়, ২০১৪ সালে গ্রামটিতে মাত্র ৩৭ জন বাস করতো। যা ২০১৫ সালে কমে গিয়ে দাঁড়ায় ৩৫ জনে। এভাবেই ক্রমাগত কমতে থাকে গ্রামের লোকসংখ্যা।
গ্রামের নাম – পুতুলের গ্রাম! কারণ গ্রামের নির্জীব কিছু বাসিন্দা আছে। তারা সকলেই পুতুল! পুরো গ্রাম জুড়েই এদের দেখা পাওয়া যায়।
রাস্তায় দাঁড়িয়ে পুতুল, দোকানে পুতুল, স্কুলে পুতুল, বাড়ির উঠানে পুতুল! সবখানে পুতুল! পুরো গ্রামটিকে ভরে ফেলা হয়েছে পুতুল দিয়ে। জীবিত বাসিন্দাদের সাথে ওরাও হয়ে উঠেছে এই গ্রামেরই নতুন বাসিন্দা। কিন্তু গ্রামটি পুতুলদের গ্রাম হয়ে উঠলো কী করে? এর জন্য দায়ী সুকিমি আইয়ানো নামের এক নারী।
যিনি বহুকাল আগে গ্রাম ছেড়ে পড়াশোনার জন্য ওসাকায় চলে গিয়েছিলেন। তারপরে সেখানেই বিয়ে করে সংসার পাতেন। ২০০২ সালে নিজের অসুস্থ বাবার দেখাশোনা করার জন্য ফিরে আসেন তিনি গ্রামে। এসে অবাক হয়ে যান! তিনি গ্রাম ছেড়ে চলে যাওয়ার সময়েও গ্রামে প্রায় ৩০০ মানুষ ছিল। কিন্তু তখন গ্রামের লোকসংখ্যা পঞ্চাশেরও নিচে নেমে গিয়েছিল। হতাশ হয়ে যান সুকিমি। কিন্তু কী আর করা? নিজের বাবার দেখাশোনা আর মাঝে মাঝে টুকটাক ক্ষেতে কাজ করা শুরু করেন তিনি।
২০০৩ সালের কথা। সুকিমির বাবার একটি মূলা আর মটরশুঁটির ক্ষেত ছিল। সেই ক্ষেতের দেখাশোনা করতে লাগলেন সুকিমি। কিন্তু গ্রামে কাক আর অন্যান্য পাখিদের উৎপাত বাড়তে লাগলো দিনকে দিন। নীরব আর জনবিরল জায়গা বলে পাখিরা নিজের আবাসস্থল বানাতে শুরু করলো। সমস্যা বাঁধল, পাখিগুলোর ব্যাপক অত্যাচারে। কোনো গাছের চারা বের হলেই পাখিরা চারাগুলো নষ্ট করে দিতো। বিরক্ত হয়ে একদিন সুকিমি একটি কাকতাড়ুয়া বানালেন। ওটার মুখটা বানালের নিজের বাবার মুখের আদলে! তারপর দাঁড় করিয়ে দিলেন ক্ষেতের ঠিক মাঝ বরাবর।
কাকতাড়ুয়াটাকে মানুষ ভেবে ভয়ে আর এলো না পাখিগুলো। ব্যাপারটা সুকিমিকে নতুন করে ভাবাতে বাধ্য করলো। পুতুল গ্রামের শুরুটা হয়েছিল এভাবেই। মৃত মানুষদের স্মরণে একের পর এক পুতুল বানাতে লাগলেন তিনি। প্রথম পুতুলটা বানালেন নিজের এক মৃত প্রতিবেশীর আদলে। যার সাথে ছোটবেলায় খেলতেন তিনি, তারপর ওটাকে বসিয়ে দিলেন সেই প্রতিবেশীর বাড়িতে। ধীরে ধীরে পুতুলে ভরে যেতে লাগলো গ্রামটি।
গ্রামের অন্য বাসিন্দারাও সুকিমির এই বিচিত্র শখে বেশ উৎসাহই দিতে লাগলেন। ফাঁকা গ্রামে পুতুলগুলোর উপস্থিতি উনাদের মন্দ লাগতো না। এভাবেই চলতে লাগলো। ধীরে ধীরে আলোচিত হয়ে উঠতে লাগলো নাগোরো গ্রামের পুতুলগুলো।
এভাবেই কেটে গেল নয়টি বছর। ২০১২ সালের কথা। গ্রামের স্কুলে তখন মাত্র দুজন শিক্ষার্থী ছিল। তাদের স্কুলের পড়াশোনাও একটা পর্যায়ে গিয়ে শেষ হলো! উচ্চ শিক্ষার আশায় শহরের দিকে পাড়ি দিল ওরা। স্কুল রয়ে গেল ফাঁকা। কোনো ছাত্র-ছাত্রী নেই। তাই বন্ধ হয়ে গেল গ্রামের একমাত্র স্কুলটিও।
ওই স্কুলে সুকিমিও ছোটবেলাতে পড়তেন। নিজের সহপাঠীদের চেহারা ভেবে ভেবে তিনি পুতুল বানাতে শুরু করলেন। পরিচিত শিক্ষকদেরও পুতুল বানালেন। সেগুলোকে বই-খাতা সহকারে বসিয়ে দিলেন ভিন্ন ভিন্ন শ্রেণীকক্ষে। ধীরে ধীরে প্রতিটি শ্রেণীকক্ষই ভরে উঠলো পুতুলে। যেন সবাই শান্তমনে বসে ক্লাস করছে।
কিন্তু সব কিছু নীবর! তাই, গ্রামের প্রতিটি দোকান খুলে দেওয়া দেওয়া হলো। সেখানেও বসিয়ে দেওয়া হলো পুতুলদের। নেই কোনো মালামাল, নেই কোনো খদ্দের, শুধু আছে পুতুল!
জানা যায়, গ্রামের শেষ বিয়েটি হয়েছিল ১৯৮৮ সালে। যে জায়গাতে বিয়ের উৎসব হতো সেখানে দুটো বর আর বউ পুতুল বানিয়ে বসিয়ে দেন সুকিমি। আশেপাশে বসে আছে নিমন্ত্রিত অতিথিরা। বিভিন্ন বাদ্যযন্ত্র নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে বাদকেরা। যেন পুতুল বিয়ে হচ্ছে সেখানটাতে।
গ্রামটি আবার ভরে উঠলো। কিন্তু নেই কোনো কোলাহল। নেই কোনো শব্দ। এভাবেই কেটে গেল আরো দুটি বছর। ২০১৪ সালে জার্মান তথ্যচিত্র নির্মাতা ফ্রিটজ স্কুম্যান এই গ্রামটি নিয়ে তৈরী করেন তাঁর বিখ্যাত তথ্যচিত্র ‘ভ্যালি অফ ডলস’। এরপর থেকেই গোটা পৃথিবীতে নাগোরো পরিচিত হয়ে ওঠে ‘পুতুলদের গ্রাম’ হিসাবে। দেশ বিদেশ থেকে পর্যটকেরা আসেন শুধুমাত্র এই গ্রামটি দেখতে।
পর্যটকেরা অবাক না হয়ে পারে না। গাছের নিচে কেউ বসে আছে, পার্কে প্রেমিক-প্রেমিকা, স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীরা…সবকিছুকে কেমন যেন জীবন্ত মনে হয় তাদের কাছে। সুকিমির কাজ এতই নিখুঁত যে তারা চমকে উঠতে বাধ্য হন! পুতুল বানানোর ক্লাসও নিয়ে থাকেন সুকিমি। বছরের এপ্রিল থেকে নভেম্বর পর্যন্ত প্রতি বুধবার তিনি পর্যটকদের দেখান যে কী করে পুতুল বানাতে হয়। যদিও পুতুল বানানোর সরঞ্জাম শিক্ষার্থীকেই বহন করতে হয়।
বছরের অক্টোবর মাসে গ্রামের সবগুলো পুতুল নিয়ে একটি প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। ২০১৩ সাল থেকে এমনটা হয়ে আসছে। এই সময়েই সবচেয়ে বেশী পর্যটক আসে গ্রামটিতে। আপনি চাইলে সুকিমির বাড়িতেও যেতে পারেন। তার বাবা এখনো জীবিত। ভদ্রলোকের বয়স এখন ৯০। নাগেরোর সবচেয়ে বয়স্ক ব্যক্তি তিনিই।
মোটামুটি এই ছিল নাগোরোর পুতুল গ্রামের গল্প।
মন্তব্য করুন


চঞ্চল চৌধুরী আর্টিফিশিয়াল ইন্টালিজেন্সের তৈরি করা ছবিতে এবার সুপারহিরো হলেন । আজ নিজেই পোস্ট করেছেন নিজের সেই ছবি।
‘এমন যদি হতো…’, কথাটি লিখেই নিজের এই ছবি পোস্ট করেছেন জনপ্রিয় এই অভিনেতা।
প্রথম ঝলকে কিন্তু অভিনেতাকে চেনাই দায়। তবে একটু ভাল করে দেখলে বোঝা যাবে এ চেহারা চঞ্চল চৌধুরীর। এ আই-এর জাদুকাঠির ছোঁয়ায় যার দুটি ডানা হয়েছে।
অভিনেতার এই ছবি তৈরি করেছেন জনপ্রিয় গায়িকা আঁখি আলমগীর। উপহার হিসেবে পেয়েছেন নিজের এই নতুন রূপ। বিয়ষটি জানিয়েছেন চঞ্চল নিজেই।
চঞ্চল চৌধুরীর এই রূপ দেখে মুগ্ধ নেটিজেনরা। ‘দারুণ হতো! হতেই পারে!’, ‘অসম্ভব সুন্দর মানিয়েছে দাদা’- এমন মন্তব্যে ভরা তার কমেন্ট বক্সে। কারও কারও আবার অভিনেতার ন্যাচরাল লুকই পছন্দ। তাদের মতে, ‘আপনি যেমন তেমনি ভালো। ’
একজন আবার গ্লোবাল সিনেমা তৈরি করার পরামর্শও দিয়েছেন। কেউ আবার লেখেন, ‘আপনি যে আয়নাবাজি আমাদের উপহার দিয়েছেন তা আর কম কিসে?’
নির্দিষ্ট কিছু চরিত্রের মধ্যে বন্দী না রেখে ক্রমাগত নিজেকে ছড়িয়ে দেওয়া চঞ্চল চৌধুরীর কাজের জন্য এখন মুখিয়ে থাকেন অনেক দর্শকরা। কারণ, তারা জানেন যে এই অভিনেতা তাদের ।
শিগগিরই ভারতের পশ্চিমবঙ্গের নির্মাতা সৃজিত মুখার্জির ‘পদাতিকে’ এ দেখা যাবে তাকে। বরেণ্য নির্মাতা মৃণাল সেনের লুকে চঞ্চল চৌধুরীকে দেখে ইতিমধ্যেই হইচই পড়ে গেছে দুই বাংলায়। নির্মাতা-প্রযোজকের ইচ্ছে- সিনেমাটি একসঙ্গে ভারত ও বাংলাদেশে মুক্তি দেওয়ার।
মন্তব্য করুন


চিত্রনায়িকা প্রার্থনা ফারদিন দীঘি নাকি প্রেমে মজেছেন- এমন গুঞ্জন ছড়ায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। ফেসবুকে নায়িকা দীঘি সঙ্গে এক ছেলের বেশ কিছু ছবি ভাইরাল হয়েছে।
ভাইরাল হওয়া ছবিগুলো প্রসঙ্গে দীঘির ভাষ্য ছিল,আমরা তো লুকোচুরি করছি না। ছবিগুলো বন্ধু হিসেবেই তোলা। যেহেতু সে মিডিয়ার কেউ নয়,তাই আমি চাই তাকে নিয়ে এ বিষয়ে কোনো আলোচনার সৃষ্টি না হোক। তার সঙ্গে আমার কোনো প্রেমের সম্পর্ক নেই। আমাদের মধ্যে বন্ধুত্বের বাইরে কিছু নেই।
এদিকে ওই নায়িকার সঙ্গে ছেলের ছবিগুলো নিয়ে অনেক সংবাদমাধ্যমেই সংবাদ প্রচার হয়েছে।
মন্তব্য করুন


নির্বাচনী অনুসন্ধান কমিটি রাজশাহী-১ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী চিত্রনায়িকা শারমিন আক্তার নিপাকে (মাহিয়া মাহি) নির্বাচনী আচরণ বিধি ভঙ্গের দায়ে তলব করেছে ।
শুক্রবার অনুসন্ধান কমিটির চেয়ারম্যার (যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ, দ্বিতীয় আদালত) মো. আবু সাঈদ তাকে তলব করেন।
মাহিয়া মাহিকে পাঠানো এ সংক্রান্ত চিঠিতে বলা হয়, গত ১৪ ডিসেম্বর আচরণবিধি লঙ্ঘন করে ভোট চাচ্ছেন মাহি শিরোনামে খবর প্রকাশিত হয়।
এছাড়া নির্বাচনি অনুসন্ধান কমিটি আরো জানতে পারে ওই দিন দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত নির্বাচনি আচরণ বিধি লঙ্ঘন করে গোদাগাড়ী উপজেলার বিভিন্ন জায়গায় প্রচার শুরু করেন এবং ভোটারদের কাছে ভোট চান।
চিঠিতে আরো বলা হয়, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা, ২০০৮ এর বিধি ৬(ঘ) ও বিধি ১২ লঙ্ঘন করেছেন শারমিন আক্তার নিপা (মাহি)। যা নির্বাচন-পূর্ব অনিয়ম হিসেবে গণ্য হয়েছে।
আগামী ১৭ ডিসেম্বর বেলা ১১টায় উপস্থিত হয়ে এর ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


বর্তমানে সুস্মিতা সেনে বিয়ে করতে চাইছেন কিন্তু তার
মেয়েরা চাচ্ছে না সাবেক এই মিস ইউনিভার্স বিয়ে করুক।
সুস্মিতা সেন বলেন, ওদের (মেয়েদের)
জীবনে যেহেতু কোনোদিন বাবা ছিল না তাই ওদের বাবার প্রয়োজনীয়তা নেই। আমি যদি এখন
ওদের বলি, বিয়ে করতে চাই, তাহলে ওরা চোখ বড় বড় করে জিজ্ঞেস করে কেন? কী দরকার?
আমাদের বাবা চাই না। কিন্তু আমার তো স্বামী চাই। তাতে ওদের কিছু যায় আসে না। ওদের
কাছে আমার বাবাই সব। নানা আছে, তার মানে একজন বাবার মতো ফিগার রয়েছে তাদের কাছে। সুস্মিতা সেন
২৪ বছর বয়সে জীবনের সব থেকে শ্রেষ্ঠ সিদ্ধান্ত
নিয়েছিলেন। মা হওয়ার পরে সবকিছুই কেমন বদলে গিয়েছে তার জীবনে। ২৪ বছর বয়সে
প্রথম সন্তান রেনেকে দত্তক নেন তিনি। এরপর ২০১০ সালে দ্বিতীয় সন্তান আলিশাকে তার
জীবনে নিয়ে আসেন।
অসুস্থতা পেরিয়ে বর্তমানে কাজে মনোযোগ দিয়েছেন সুস্মিতা সেন ।
মন্তব্য করুন


রাঘব-পরিণীতির প্রেম ছিল অনেকটাই ওপেন সিক্রেট। দুজন দুজনের প্রেমে মজলেও তা একটিবারও মুখ ফুটে স্বীকার করেননি। অবশেষে আংটি বদল হতেই প্রকাশ্যে আসে তাদের সম্পর্কটি। বাগদানের পর তাদের প্রেম নিয়ে মুখ খুললেন পরিণীতি।
সামাজিক মাধ্যমে এক পোস্টে পরিণীতি লেখেন, আমাদের সম্পর্ক ও বাগদান নিয়ে যেভাবে ইতিবাচক মনোভাব ছিল সবার, তা দেখে সত্য়িই আপ্লুত আমি ও রাধব। আপনাদের এরকম সঙ্গে থাকা আমাদের শক্তি দিয়েছে। অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে।
‘আমাদের দুজনের পৃথিবীটা সম্পূর্ণ আলাদা। একেবারে বিপরীতধর্মী কর্মক্ষেত্র থেকে এসেছি। তবে আমাদের সম্পর্ক খুব অটুট। আর এই কারণেই খুব বড় পরিবারকে পেয়েছি আমরা। যা কিনা আমাদের সম্পর্কের ভিত।’
পোস্টে আত্মীয়-পরিজন, সহকর্মী ও বিশেষ করে সংবাদমাধ্যমকে ধন্যবাদ জানান অভিনেত্রী।
মন্তব্য করুন


বলিউডের দর্শকপ্রিয়
অভিনেত্রী জেরিন খান ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়েছেন। তার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলে
তাকে হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভর্তি হওয়ার বিষয়টি
জেরিন খান প্রকাশ করেছেন।
জানা যায়, জেরিন খান হাসপাতালে ভর্তি হলেও তার অবস্থা স্থিতিশীল। সম্প্রতি ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে নিজের হাতের একটি ছবি শেয়ার করেছেন জেরিন খান। ছবিতে দেখা গেছে হাতে স্যালাইন চলছে তার।
এ ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে
শেয়ার করে হ্যাশট্যাগ দিয়ে জেরিন লিখেছেন, ‘লাইফ আপডেট’। সম্প্রতি মুম্বাইয়ে
ডেঙ্গুর প্রকোপ বেড়েছে।
২০১০ সালে ‘বীর’
সিনেমার মাধ্যমে বলিউডে অভিষেক ঘটে জেরিন খানের।
মন্তব্য করুন


প্রেমিকার মন গলাতে হাঁটু গেড়ে প্রেমিকের ২১ ঘণ্টা পার। ঘটনাটি চীনের সিচুয়ান প্রদেশের তাঝৌ এলাকার।
কয়েকদিন আগে প্রেমিকার সঙ্গে ওই ব্যক্তির বিচ্ছেদ হয়। বিচ্ছেদের পর প্রেমিকার মন গলাতে তার অফিসের সামনে হাঁটু গেড়ে পার করেছেন ২১ ঘণ্টা।
ওই ব্যক্তি তার প্রেমিকার অফিসের সামনে ২৮ মার্চ দুপুর ১টা থেকে পরদিন সকাল ১০টা পর্যন্ত টানা হাঁটু গেড়ে বসেছিলেন। তার সঙ্গে ছিল ফুলের একটি তোড়া। এর মধ্যে বৃষ্টি হয়েছে, আবহাওয়াও ছিল ঠান্ডা—এসব কোনো বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারেনি ওই ব্যক্তির চেষ্টার কাছে।
হাঁটু গেড়ে বসে থাকায় ওই ব্যক্তির চারপাশে ধীরে ধীরে জমতে থাকে স্থানীয় লোকজন। তারা অনেক চেষ্টা করেও ওই ব্যক্তিকে বুঝিয়ে সেখান থেকে সরাতে পারে নাই। কিন্তু লোকজন জমলেও কোথাও দেখা যায়নি ওই ব্যক্তির প্রেমিকাকে। একপর্যায়ে পুলিশ আসে ওই ব্যক্তিকে বোঝানোর জন্য। কিন্তু তাতেও কাজ হয়নি। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ‘ঠান্ডা সহ্য করতে না পেরে’ ২৯ মার্চ সকাল ১০টায় ওই ব্যক্তি ঘটনাস্থল ছাড়েন।
সূত্র: এনডিটিভি
মন্তব্য করুন


অভিনেত্রী তানিয়া বৃষ্টির ছোটবেলা থেকেই অভিনয়ের প্রতি ঝোঁক ছিল। অভিনয়কে
ক্যারিয়ার হিসেবে বেছে নেওয়ার পর ইচ্ছে ছিল সিনেমায় কাজ করার। কিন্তু বিরূপ
অভিজ্ঞতার কারণে পরবর্তীতে তা আর করা হয়ে ওঠেনি।
ক্যারিয়ারের শুরুতে
সুযোগ পেয়ে যান আকরাম খানের ‘ঘাসফুল’ ছবিতে। এরপর বেশ কিছু সিনেমার প্রস্তাব পেলেও
নিয়মিত হননি বড় পর্দায়।
তানিয়া বৃষ্টি বলেন, সিনেমায়
অনেক প্রস্তাব পেলেও স্বপ্নটা এগিয়ে নিতে পারিনি। তখন মনে হয়েছে, ওই সময়টাতে ওই
জায়গা আমার জন্য নয়। যে কারণে প্রস্তাব গ্রহণ করিনি। আমার বড় পর্দার নায়িকা হওয়ার
খুব ইচ্ছা ছিল, কিন্তু সেসব প্রস্তাব নিতে পারছিলাম না। সেই কারণে আমার মন খারাপ
ছিল।
তার কথায়, আমি একটা
প্ল্যাটফর্ম থেকে আসছি, কাজ করব। সেই সুযোগ নাটকে সহজেই হয়ে যায়। কিন্তু সিনেমায়
একটু কঠিন। সিনেমার প্রস্তাবে শুনতে হয়েছে, কাজের বিপরীতে কিছু চায়। সবাই না, এই
কথাগুলো কেউ কেউ বলেছেন। তাদের প্রস্তাবে মন খারাপ হতো। হয়তো তারা যথাযথ
প্রতিষ্ঠানের ছিলেন না এবং উদ্দেশ্যও ভালো ছিল না।
আগামী বৃহস্পতিবার
বাংলাভিশনে প্রচারিত হবে ‘ফ্রিল্যান্স ধান্দাবাজ’ নামের একটি নাটক। এস আর
মজুমদারের পরিচালনায় এতে তার বিপরীতে দেখা যাবে নিলয় আলমগীরকে।
মন্তব্য করুন