

মহান বিজয় দিবস-২০২৪ উদযাপন উপলক্ষে ক্রীড়া পরিদপ্তর, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় কুমিল্লা জেলা ক্রীড়া অফিসের উদ্যোগে প্রীতি কারাতে প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার ( ১৬ ডিসেম্বর) বিকাল ৩ টায় কুমিল্লা জেলা স্টেডিয়াম জিমনেসিয়ামে কুমিল্লা নগরীর বালক-বালিকাদের অংশগ্রহণে প্রীতি কারাতে প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে ।
এ প্রতিযোগিতার অনুষ্ঠানে কুমিল্লা জেলা ক্রীড়া কর্মকর্তা সুমন কুমার মিত্রের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা জেলা প্রশাসনের রেভিনিউ ডেপুটি কালেক্টর (আরডিসি) মো: মঈন উদ্দিন।
এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেব উপস্থিত ছিলেন ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব ও সংগঠক বদরুল হুদা জেনু, কুমিল্লা জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাবেক যুগ্ম সম্পাদক মাহবুবুল আলম চপলসহ আরো অনেকে উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে কুমিল্লা-৯ (লাকসাম-মনোহরগঞ্জ) আসনে বিএনপির সম্ভাব্য মনোনয়নপ্রার্থী সামিরা আজিম দোলার নেতৃত্বে লাকসামে অনুষ্ঠিত হয়েছে এক বিশাল গণমিছিল।
আজ (৭ নভেম্বর) বিকেল চারটার দিকে লাকসাম বিএনপির দলীয় কার্যালয় থেকে হাজারো নেতাকর্মী ও সমর্থক সমবেত হন। পরে উপস্থিত হন মরহুম কর্নেল আনোয়ার আজিমের সুযোগ্য কন্যা ও বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী সামিরা আজিম দোলা। তাকে দেখতে ও সমর্থন জানাতে আসা নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উচ্ছ্বাস সৃষ্টি হয়।
দলীয় কার্যালয় থেকে শুরু হওয়া প্রায় এক ঘণ্টাব্যাপী মিছিলের নেতৃত্ব দেন সামিরা আজিম দোলা নিজে। মিছিলটি লাকসাম শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
মিছিলে বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতারা বলেন, “গত ৩ নভেম্বর বিএনপির প্রাথমিক মনোনয়ন তালিকায় কুমিল্লা-৯ আসনে আবুল কালামের নাম ঘোষণা করা হয়। কিন্তু তিনি দীর্ঘদিন আওয়ামী লীগের এজেন্ট হিসেবে কাজ করেছেন। আমরা এই মনোনয়ন কোনোভাবেই মেনে নিতে পারি না। আমরা চাই তৃণমূলের জনপ্রিয় নেত্রী সামিরা আজিম দোলাকে চূড়ান্তভাবে প্রার্থী ঘোষণা করা হোক।”
যুবদল নেতা জাহিদ বলেন, “আমরা বিএনপির হাইকমান্ডের প্রতি আহ্বান জানাই—জনপ্রিয় ও যোগ্য প্রার্থী হিসেবে সামিরা আজিম দোলাকেই মনোনয়ন দিন। তারেক রহমান সাহেব বলেছেন—জনপ্রিয় যার, ধানের শীষ তার। আমরা চাই এই নীতির প্রতিফলন হোক কুমিল্লা-৯ আসনে।”
লাকসাম বিএনপি নেতা জসিম বলেন, “লাকসামে ৮০ শতাংশ জনগণ মরহুম কর্নেল আনোয়ার আজিমের সমর্থক ছিলেন। আজ তার উত্তরসূরী সামিরা আজিম দোলা সেই জনপ্রিয়তার ধারাবাহিকতা ধরে রেখেছেন। যদি আবুল কালামকে চূড়ান্ত প্রার্থী করা হয়, তবে এই আসনে বিএনপি বড় ক্ষতির মুখে পড়বে।”
মিছিল শেষে দলীয় কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন সামিরা আজিম দোলা। তিনি বলেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ওপর আস্তা আছে দলের ওপর ভরসা আছে “জনতার জরিপে যদি মনোনয়ন দেওয়া হয়, আমি সবার এগিয়ে আছি। প্রাথমিক তালিকায় নাম না থাকলেও চিন্তার কিছু নেই। দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আমাকে আশ্বস্ত করেছেন যে, চূড়ান্ত প্রার্থী ঘোষণা হবে তফসিলের পরে।”
বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এই গণমিছিলে প্রায় ১২ থেকে ১৫ হাজার নেতাকর্মী ও সমর্থক অংশ নেন, যা লাকসাম শহরজুড়ে উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি করে।
মন্তব্য করুন


গোপালগঞ্জে চলমান কারফিউয়ের সময়সীমা বাড়ানো হয়েছে। শুক্রবার (১৮ জুলাই) বেলা ১১টা পর্যন্ত কারফিউ অব্যাহত থাকবে।
আজ বৃহস্পতিবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতির বরাত দিয়ে প্রধান উপদেষ্টার সহকারী প্রেস সচিব সুচিস্মিতা তিথি এ তথ্য জানান।
তিনি জানায়, শুক্রবার বেলা ১১টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত তিন ঘণ্টার জন্য কারফিউ বন্ধ থাকবে। দুপুর ২টা থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত কারফিউ চলবে।
মন্তব্য করুন


যুক্তরাজ্য জিয়া পরিষদের ভাইস প্রেসিডেন্ট ও বিএনপি নেতা মনোয়ার সরকার বলেছেন, "দেশপ্রেম, ধর্মীয় মূল্যবোধ, শিক্ষা, সংস্কৃতি ও সামাজিক যোগ্যতাসম্পন্ন সংসদ সদস্যরাই আগামীর সুন্দর বাংলাদেশ বিনির্মাণে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবেন।"
মঙ্গলবার (২৬ আগস্ট) দুপুরে কুমিল্লা প্রেসক্লাব মিলনায়তনে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ কথা বলেন।
মনোয়ার সরকার বলেন, "বিশ্বায়নের এই প্রতিযোগিতাপূর্ণ যুগে বাংলাদেশকে আর পিছিয়ে থাকতে দেওয়া যাবে না। বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান যে উন্নত, স্বনির্ভর ও উন্নয়নশীল বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখেছিলেন, সেই দেশ গড়ে তোলার জন্য তাঁরই সুযোগ্য সন্তান বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঘোষিত রাষ্ট্র মেরামতের ৩১ দফা বাস্তবায়নে আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।"
তিনি আরও বলেন, "দেশ গঠনে সক্রিয় ভূমিকা রাখতে হলে তৃণমূলের সাংগঠনিক দক্ষতা আরও সমৃদ্ধ করতে হবে। এতে দল যেমন শক্তিশালী হবে, তেমনি জনগণের সঙ্গে সম্পর্কও আরও গভীর হবে।"
কুমিল্লা-২ আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী মনোয়ার সরকার জানান, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে রাজনৈতিক হয়রানি, মামলা, ভয়ভীতি ও পারিবারিক উদ্বেগের কারণে দেশে আসতে পারেননি। তবে দলীয় মনোবল ধরে রাখতে তিনি প্রবাসে থেকেও ডিজিটাল প্লাটফর্মে সক্রিয় ছিলেন।
তিনি বলেন, "৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর আমি আমার জন্মভূমিতে ফিরে আসতে পেরেছি। দেশে ফিরে প্রায় সাড়ে আট মাস ধরে আমি এলাকায় সক্রিয়ভাবে কাজ করছি। মানুষের পাশে মানবিক কর্মকাণ্ড নিয়ে দাঁড়িয়েছি। তারেক রহমানের ঘোষিত রাষ্ট্র সংস্কারের ৩১ দফা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দিচ্ছি।"
মনোয়ার সরকার বলেন, "শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান আমাদের শিখিয়েছেন—রাজনীতি হবে মানুষের কল্যাণের জন্য। সেই আদর্শ নিয়েই আমি এবং আমার সহযোদ্ধারা মাঠে কাজ করছি।"
তিনি হুঁশিয়ার করে বলেন, "ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে সরকারের পতনের পর একটি স্বার্থান্বেষী মহল দেশের অস্থিরতা সৃষ্টির চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এ ব্যাপারে আমাদের সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।"
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা সদর দক্ষিণের বিজয়পুর ইউনিয়নের রামচন্দ্রপুর পল্টারপাড় এলাকায় কৃষক রুহুল আমিন হত্যা মামলার আসামিরা আদালত থেকে জামিন নিয়ে এসে নিহতের পরিবারকে হত্যা মামলাটি তুলে নেয়ার জন্য চাপ দিচ্ছে। মামলা তুলতে অপারগতা প্রকাশ করায় নিহতের পরিবারকে প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে আসামিরা। আসামিদের ভয়ে কোন সাক্ষী আদালতে যেতে চায় না।
এ ঘটনায় হত্যাকারীদের আইনের আওতায় এনে ফাঁসির দাবিতে শনিবার দুপুরে কুমিল্লা প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেছেন নিহতের স্ত্রী জাহানারা বেগম ও কন্যা রোকেয়া।
সংবাদ সম্মেলনে তারা জানান, কৃষক রুহুল আমিন মসজিদে আজান দিতেন। এই আজানকে কেন্দ্র করে হত্যাকারীরা কিছু বখাটে ছেলে রুহুল আমিন এর বিরুদ্ধে লেলিয়ে দেন। এ ঘটনায় প্রতিবাদ করায় স্থানীয় মৃত. আব্দুল লতিফের ছেলে মো: লোকমান হোসেন (৩৮), মো: কবির হোসেন (৩৫) ও মোঃ মীর হোসেন (৩০), শফিক মিয়ার ছেলে নাজমুল হোসেন (২২) ও কবির হোসেনের স্ত্রী শাহিনুর আক্তার ২০২৪ সালের ২০ ডিসেম্বর সকাল সাড়ে দশটায় রুহুল আমিন কে সবার সামনে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। এ ঘটনা তাদেরকে আসামি করে পরদিন হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। পরে তারা আদালত থেকে জামিনে বের হয়ে এসে আমাদেরকে মামলা তুলে নিতে চাপ প্রয়োগ করতে থাকেন। আমরা মামলা তুলতে অপারগতা প্রকাশ করলে তারা আমাদের পুরো পরিবারকে প্রাণনাশের হুমকি দেয়। এই ঘটনায় থানায় অভিযোগ করেছি। আমরা এখন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগতেছি। আমরা প্রশাসনের কাছে দুই হাত জোড় করে অনুরোধ করছি এসব সন্ত্রাসীদের আইনের আওতায় এনে ফাঁসি প্রদান করুন।
হত্যাকারীরা একসময় আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন। ৫ আগস্টের পর তারা এখন বিএনপি নেতা কর্মীদের সাথে ঘুরাঘুরি করে।
মন্তব্য করুন


ডেস্ক রিপোর্ট:
কুমিল্লার বুড়িচংয়ে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশায় চট্টলা এক্সপ্রেস ট্রেনের ধাক্কায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৭ জনে দাঁড়িয়েছে। এ ঘটনায় আহত একজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
মঙ্গলবার (২৬ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টায় ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথের বুড়িচং উপজেলার বাকশিমুল ইউনিয়নের কালিকাপুর রেলক্রসিং এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
লাকসাম রেলওয়ে থানার ওসি মো. এমরান হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
নিহতরা হলেন বুড়িচং উপজেলার বাকশিমুল গ্রামের আলী আহমদ, রফিক মিয়া, সাজু মিয়া, লুৎফা বেগম, সানু বেগম ও সফরজান বেগম এবং পাশের খোদাইধুলি গ্রামের হোসনে আরা বেগম।
ওসি মো. এমরান হোসেন জানান, চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে আসা চট্টলা এক্সপ্রেস ট্রেনটি সকাল ১০টার দিকে কালিকাপুর রেলক্রসিং পার হওয়ার সময় একটি যাত্রীবাহী অটোরিকশাকে ধাক্কা দেয়। এতে অটোরিকশাটি রেলপথ থেকে ছিটকে পড়ে ঘটনাস্থলেই ৪ যাত্রী মারা যান। গুরুতর আহত অবস্থায় আরও ৪ জনকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। এ সময় পথে একজন এবং হাসপাতালে আরও দুইজনের মৃত্যু হয়।
মন্তব্য করুন


ডেস্ক রিপোর্ট:
কুমিল্লার দেবীদ্বার উপজেলায় একটি বিল থেকে দুই যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রবিবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার জাফরগঞ্জ এলাকার দোয়াইজলা নামক বিলে ফসলি জমির পাশে ওই দুজনের মরদেহ পাওয়া যায়।
নিহতরা হলেন- দেবীদ্বার উপজেলার জাফরগঞ্জ গ্রামের প্রয়াত দুলু মিয়ার ছেলে মনির হোসেন (৩০) এবং খাগড়াছড়ির রামগড় উপজেলার সুখাকেন্দ্রায় গ্রামের রহুল আমিন মিয়ার ছেলে মোহন মিয়া (৩৫)। তারা ইন্টারনেট ও ডিস সংযোগ বিল তোলা, সংযোগ স্থাপন ও মেরামতের কাজ করতেন।
পুলিশ জানায়, মরদেহে তেমন কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। তবে মরদেহের কাছ থেকে মাদক সেবনের সরঞ্জাম উদ্ধার হয়েছে। এ কারণে তারা নিশ্চিত হতে পারছে না যে, এটি হত্যাকাণ্ড নাকি অন্য কোনো কারণে মৃত্যু হয়েছে।
মনিরের ছোট বোন জান্নাত আক্তার জানান, "মনির আমার একমাত্র ভাই, তাকে কারা হত্যা করেছে আমরা বলতে পারব না। তার এক ছেলে ও এক মেয়ে আছে, এখন তাদের কি হবে?"
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানান, মরদেহ দুটি খড়ের ওপর পাওয়া গেছে এবং প্রায় ২০-২৫ ফুট দূরে খড়ের একটি গাদা রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, শনিবার রাতের কোনো এক সময় তারা খড় নিয়ে এখানে বসে মাদকসেবন করছিলেন। মাদকে সম্ভবত বিষাক্ত কিছু ছিল, যা সেবনের পর তাদের শ্বাসপ্রশ্বাস বন্ধ হয়ে মৃত্যু হয়।
স্থানীয় ইউপি সদস্য আমিনুল ইসলাম বলেন, "রবিবার সকালে দোয়াইজলা বিলে কৃষকরা কাজ করতে এসে দুজনের মরদেহ দেখে আমাকে খবর দেয়। পরে ঘটনা নিশ্চিত হয়ে পুলিশকে খবর দেই। তারা দুজনই ডিস ও ইন্টারনেট সংযোগের কাজ করতেন। এটি হত্যাকাণ্ড কিনা, এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।"
ডিস ও ইন্টারনেট ব্যবসায়ী বদিলউল আলম সানোয়ার বলেন, "মনির ও মোহন আমার প্রতিষ্ঠানে কাজ করতেন। মনির বাড়িতে থাকত এবং মোহন অফিসে। মোহনের বাবা আমাকে জানিয়েছেন, রাত ১১টার পর শেষবার মোহনের সঙ্গে কথা হয়েছে, তারপর তাকে আর অফিসেও পাওয়া যায়নি।"
তারা মাদক সেবন করতেন কিনা জানতে চাইলে সানোয়ার বলেন, "মনির মাদকাসক্ত ছিল, কিন্তু মোহন মাদক সেবন করত কিনা আমি জানি না।"
এ বিষয়ে দেবীদ্বার সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ মো. শাহীন জানান, "আমি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। এখনই বলা সম্ভব নয় এটি হত্যাকাণ্ড নাকি অন্য কিছু। তবে ঘটনাস্থল থেকে সিরিঞ্জ, সিগারেট, স্পিরিটের খালি বোতলসহ বিভিন্ন আলামত পাওয়া গেছে। এগুলোর পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হচ্ছে। আরও তথ্য এবং আলামত সংগ্রহ করা হচ্ছে।"
তিনি আরও জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত চলছে এবং তদন্তের পর বিস্তারিত জানানো হবে।
মন্তব্য করুন


মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ ও ভারতের সেনাবাহিনীর উচ্চ পর্যায়ের অফিসারদের মধ্যে একটি সৌজন্য সাক্ষাৎ আখাউড়া-আগরতলা ইন্টিগ্রেটেড চেকপোস্টে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (১৬ ডিসেম্বর) বেলা সাড়ে ১১ টায় এই সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। ১৮ মিনিট স্থায়ী সৌজন্য সাক্ষাতটি বেলা সাড়ে এগারটায় শুরু হয় এবং ১১টা ৪৮ মিনিটে শেষ হয়।
এই অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর পক্ষ হতে জিওসি ৩৩ পদাতিক ডিভিশন ও এরিয়া কমান্ডার, কুমিল্লা এরিয়া মেজর জেনারেল আবুল হাসনাত মোহাম্মদ তারিক, এনডিইউ, এএফডব্লিউসি, পিএসসি এবং ভারত সেনাবাহিনীর পক্ষ হতে চীফ অব স্টাফ, ১০১ এরিয়া মেজর জেনারেল সুমিত রানা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ দলের সদস্য হিসেবে ৩ জন স্টাফ অফিসার এবং ১ জন অধিনায়ক পর্যায়ের বিজিবি অফিসার উপস্থিত ছিলেন।
অনুরূপভাবে ভারত সেনাবাহিনীর ৩ জন অফিসার এবং অধিনায়ক পর্যায়ের বিএসএফ অফিসারগণ উপস্থিত ছিলেন।
উভয় দেশের প্রতিনিধিগণ নিজেদের মধ্যে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও শুভেচ্ছা উপহার বিনিময় করেন।
এখানে উল্লেখ্য যে, ১৬ই ডিসেম্বর, পহেলা বৈশাখ এর মতো জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ দিবসসমূহে উভয় দেশের মধ্যে এ ধরনের সৌজন্য সাক্ষাতের প্রচলন আছে। এরই ধারাবাহিকতায় আজকের এই সংক্ষিপ্ত সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। ।
মন্তব্য করুন


ভোলা সদর উপজেলার পূর্ব ইলিশায় বিবি কুলসুম (৪০) নামে পাঁচ সন্তানের এক জননীকে গলা কেটে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। বিবি কুলসুম চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন বলে জানা যায়।
রোববার (১৪ মে) গভীর রাতে সদর উপজেলার ২নং পূর্ব ইলিশা ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের সাজি বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
বিবি কুলসুম ওই গ্রামের মো. তছির মাঝির স্ত্রী।
কুলসুমের স্বজনরা জানান, প্রতিপক্ষের সঙ্গে জমিসংক্রান্ত বিরোধের মামলার ভয়ে ঈদের আগে থেকে কুলসুমের স্বামী অন্যত্র পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। ঘটনার দিন রাতে কুলসুম তিন সন্তান নিয়ে ঘরে ঘুমিয়েছিলেন। কখন কারা কুলসুমকে হত্যা করেছে তা কেউ টের পায়নি। স্বামী তছির রোববার রাত থেকে কুলসুমের ফোনে একাধিকবার কল দিয়েছেন। কল রিসিভ না হওয়ায় তছির তার বড় ছেলেকে সোমবার (১৫ মে) সকালে ফোন করে বাড়িতে যেতে বলেন (বড় ছেলে বিয়ে করে একই গ্রামে থাকেন)। বড় ছেলে বাড়িতে গিয়ে এ হত্যাকাণ্ড দেখতে পান। পরে খবর পেয়ে তছিরও বাড়িতে ছুটে আসেন।
পূর্ব ইলিশার ইউপি চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন ছোটন বলেন, এই ঘটনায় সঠিক তদন্ত সাপেক্ষে জড়িতদের আইনের আওতায় এনে শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।
ভোলা সদর থানা পুলিশের ওসি মো. শাহীন ফকির জানান, এ ঘটনা জমিসংক্রান্ত বিরোধের জেরেও হতে পারে। তবে ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটনে জেলা পুলিশ, জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) ও সিআইডির টিম মাঠে কাজ করছে।
তিনি আরও জানান, মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন শেষে ময়নাতদন্তের জন্য ভোলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে অন্তঃসত্ত্বার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যাবে। খুব দ্রুতই এ ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটন করা হবে।
মন্তব্য করুন


চট্টগ্রামে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র্যাব) চান্দগাঁও ক্যাম্পের অফিস থেকে পলাশ সাহা নামে এক কর্মকর্তার গুলিবিদ্ধ মরদেহ পাওয়া গেছে।
বুধবার (৭ মে) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে নগরের বহদ্দারহাটে অবস্থিত র্যাব-৭ এর চান্দগাঁও ক্যাম্পের তৃতীয় তলার একটি রুম থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
পলাশ সাহা (৩৭) র্যাব-৭ এর জ্যেষ্ঠ সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। তিনি ৩৭তম বিসিএসের পুলিশ ক্যাডারের কর্মকর্তা ছিলেন।
পাঁচলাইশ জোনের সহকারী কমিশনার (এসি) আরিফ হোসেন জানান, পলাশ সাহাকে তার অফিস কক্ষে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় মৃত পাওয়া যায়। ঘটনাস্থলে তার পরিবারের উদ্দেশে লেখা একটি চিরকুট পাওয়া গেছে। পুলিশ এখন বিষয়টি তদন্ত করছে।
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়ির সূত্রে জানা গেছে, মরদেহটি হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। খবর পেয়ে পলাশ সাহার স্ত্রী হাসপাতালে পৌঁছেছেন।
মন্তব্য করুন


আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ২০২৬ উপলক্ষ্যে ভোট প্রদান প্রক্রিয়ায় কোনো ধরনের বাধা সৃষ্টি কিংবা নির্বাচনকে প্রভাবিত করার অপচেষ্টা রোধ করাই বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান লক্ষ্য বলে জানিয়েছে ৩৩ পদাতিক ডিভিশন।
রবিবার দুপুরে ৩৩ পদাতিক ডিভিশনের কর্নেল স্টাফ, কর্নেল কে এম মেহেদী হাসান সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, অসামরিক প্রশাসনকে সহায়তার অংশ হিসেবে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখা, সন্ত্রাস দমন, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার ও মাদক নির্মূলে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী নিয়মিতভাবে অভিযান পরিচালনা করছে। নির্বাচনকে সামনে রেখে ৩৩ পদাতিক ডিভিশনের আওতাধীন কুমিল্লা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, নোয়াখালী, চাঁদপুর, লক্ষ্মীপুর ও ফেনী জেলার বিভিন্ন এলাকায় এসব অভিযান আরও জোরদার করা হয়েছে।
ডিভিশন সূত্রে জানা গেছে, চলমান অভিযানে ইতোমধ্যে বিপুল পরিমাণ দেশি ও বিদেশি অবৈধ অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়েছে। আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে যেকোনো ধরনের নাশকতা প্রতিরোধ এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এসব কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনায় নিরাপত্তা প্রস্তুতির অংশ হিসেবে আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি কুমিল্লা, নোয়াখালী ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় বিশেষ নিরাপত্তা মহড়া পরিচালনা করা হবে বলেও জানানো হয়েছে।
৩৩ পদাতিক ডিভিশনের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়, যেকোনো পরিস্থিতিতেই একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনী পরিবেশ নিশ্চিত করতে সেনাবাহিনী বদ্ধপরিকর। ভোটাররা যেন কোনো ধরনের ভয়ভীতি ছাড়াই উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটকেন্দ্রে এসে নির্বিঘ্নে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন—সে লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় সকল নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
নির্বাচনী নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সাধারণ জনগণসহ দলমত নির্বিশেষে সকলের সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে। একই সঙ্গে দেশবাসীকে আশ্বস্ত করে বলা হয়, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সকল ইউনিট মাঠপর্যায়ে সক্রিয়ভাবে দায়িত্ব পালন করছে এবং অন্যান্য আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সঙ্গে সমন্বিত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
মন্তব্য করুন