

কুমিল্লা সদরের পাঁচথুবি ইউনিয়নের শুভপুর এলাকায় সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে পরিচালিত একটি গুরুত্বপূর্ণ অভিযানে বিশাল পরিমাণ ইয়াবা ও ৩০ লাখ টাকা নগদ অর্থসহ মোঃ রিয়াজ (৪০) নামের এক যুবককে আটক করা হয়েছে।
২৯ জুন রাতে সাধারণ মানুষের সহযোগিতা ও তথ্যের ভিত্তিতে এ অভিযানটি পরিচালনা করা হয়।
পাঁচথুবী ইউনিয়নের, শুভপুর এলাকায়, গোমতী নদীর দক্ষিণ পাড়ের আইলের রাস্তার দক্ষিণ পাশে মৃত. আলী মিয়ার বাড়ির সামনে অবস্থিত একটি দোকানের ভিতরে একটি চালের ড্রামের মধ্যে গোপনে রাখা হয়েছিল বিপুল পরিমাণ ইয়াবা। অবৈধ নগদ অর্থ উদ্ধার করা হয় একই ব্যাক্তির মায়ের খাটের নিচে থেকে।
এ সময় ২ হাজার ৯৫০ পিস ইয়াবা, নগদ ৩০ লাখ টাকা, ৬টি দেশীয় তৈরি দা, চাপাতি উদ্ধার করা হয়।
আটক হওয়া মোঃ রিয়াজ পাঁচথুবি ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডের শুভপুর এলাকার মৃত. আলী মিয়ার ছেলে।
আর পলাতক আসামি হলেন ঢাকা মোহাম্মদপুর এলাকার বিহারী ক্যাম্পের সামনের মৃত শামীমের ছেলে মোহাম্মদ রাশেদ (৩৫)।
সেনাবাহিনীর এই উদ্যোগ এবং সাধারণ জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ ভবিষ্যতেও মাদকবিরোধী লড়াইয়ে অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে। ধৃত আসামির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে এবং পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
মন্তব্য করুন


ডেস্ক রিপোর্টঃ
রাঙামাটির অন্যতম পর্যটন কেন্দ্র সাজেকে পর্যটকদের ভ্রমণে নিরুৎসাহিত করেছে জেলা প্রশাসন। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বুধবার (৪ ডিসেম্বর) মেঘের রাজ্যে পর্যটকদের না যাওয়ার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার রাঙামাটি জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) জোবাইদা আক্তারের সই করা এক আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়েছে, রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেক ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার আইনশৃঙ্খলার সার্বিক পরিস্থিতি এবং এ সকল এলাকায় পর্যটকদের নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনা করে বুধবার (৪ ডিসেম্বর) সাজেক পর্যটনকেন্দ্রে পর্যটকদের ভ্রমণে নিরুৎসাহিত করা হলো।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার দিনভর সাজেক ইউনিয়নের মাচালং ব্রিজপাড়ায় বিবদমান দুই আঞ্চলিক দলের মধ্যে ‘বন্দুকযুদ্ধের’ ঘটনা ঘটেছে। এ অবস্থায় পর্যটকদের নিরাপত্তা বিবেচনায় মূলত বুধবার থেকে সাজেক যেতে না করছে প্রশাসন।
এর আগে, গত ১৯ ও ২০ সেপ্টেম্বর খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটিতে সহিংসতার ঘটনায় ২৫ সেপ্টেম্বর থেকে দফায় দফায় সাজেক পর্যটন কেন্দ্রে পর্যটকদের ভ্রমণে নিরুৎসাহিত করা হয়। পরে ১ নভেম্বর থেকে রাঙামাটির সকল পর্যটন কেন্দ্র থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়া হয়।
মন্তব্য করুন


ডেস্ক রিপোর্টঃ
শৃঙ্খলার সঙ্গে না বসার কারণে এবার রাজশাহীর সারদায় পুলিশ একাডেমিতে ৪০তম ক্যাডেট–২০২৩ ব্যাচে প্রশিক্ষণরত অর্ধশতাধিক ক্যাডেট উপপরিদর্শকে (এসআই) কাছে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দেওয়া হয়েছে। গত সোমবার ও বৃহস্পতিবার তাদের নোটিশ দেওয়া হয়।
প্রশিক্ষণ মাঠে নাশতা নিয়ে হইচই করার কারণে সম্প্রতি একই ব্যাচের ৭০৪ জন প্রশিক্ষণার্থীর মধ্যে ২৫২ জনকে শোকজ করা হয়েছিল। জবাব সন্তোষজনক না হওয়ায় তাদের চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।
একাডেমি সূত্র জানায়, গত সোমবার ওই ব্যাচের ১০ জন এসআইকে দ্বিতীয় দফায় শোকজ করা হয়। এরপর ২৪ অক্টোবর তৃতীয় দফায় আরও ৪৯ জনকে শোকজ করা হয়। তিন দিনের মধ্যে তাদের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
২৪ অক্টোবর প্রশিক্ষণরত এক এসআইকে দেওয়া শোকজ নোটিশে বলা হয়, গত ২১ আগস্ট সন্ধ্যা ৭টা থেকে রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত চেমনি মেমোরিয়াল হলে আইনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ধারার ওপর প্রশিক্ষণরত ক্যাডেট এসআইদের ক্লাস ছিল। প্রশিক্ষণ চলাকালে পরিদর্শক পদমর্যাদার চারজন প্রশিক্ষক দেখতে পান, সিটে বসার সময় ওই এসআই শৃঙ্খলার সঙ্গে না বসে এলোমেলোভাবে বসে হইচই করে বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি করেছেন। একজন প্রশিক্ষক বারবার শৃঙ্খলার সঙ্গে বসতে বললেও তিনি নির্দেশ অমান্য ও কর্ণপাত না করে বসা নিয়ে হইচই করতে থাকেন।
নোটিশে আরও বলা হয়, পাঠদান চলাকালে এই এসআইয়ের ক্লাসে কোনো মনোযোগ ছিল না এবং পাশাপাশি বসে কথা বলছিলেন। এ জন্য একজন প্রশিক্ষক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে একাডেমির অধ্যক্ষের কাছে লিখিত প্রতিবেদন দাখিল করেছেন। তাই বিধি অনুযায়ী কেন তাকে চলমান মৌলিক প্রশিক্ষণ হতে অব্যাহতি দেওয়া হবে না, তা কৈফিয়ত তলবনামা প্রাপ্তির পরবর্তী তিন দিনের মধ্যে ওই এসআইকে দাখিলের জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়।
এ বিষয়ে কথা বলতে চাইলেও পুলিশ একাডেমির পক্ষ থেকে কেউ কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
মন্তব্য করুন


কক্সবাজারের মহেশখালীর হোয়ানক ইউনিয়নে তিন লবণচাষির মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (১৫ মে) উপজেলার হোয়ানক ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মীর কাশেম চৌধুরী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
নিহতরা হলেন- হোয়ানক ইউনিয়নের কালাগাজীর পাড়া গ্রামের আবুল ফজলের ছেলে রিদোয়ান (৩৫), পানিরছড়া গ্রামের আকতার কবিরের ছেলে মুহাম্মদ নেছার (৩২) ও পানিরছড়া বারঘর পাড়ার মৃত মতনের ছেলে মো. আনছার।
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে চেয়ারম্যান মীর কাশেম চৌধুরী জানান, রোববার (১৪ মে) সকাল ১০টায় মাঠে পলিথিন ও লবণ উঠানোর জন্য আনুমানিক ৪০-৫০ জন শ্রমিক মাঠে যায়। বৃষ্টির মধ্যে কাজ করার কারণে ঠান্ডায় ৬/৭ জন অসুস্থ হয়ে পড়লে তাদের মহেশখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে রিদওয়ানকে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন আর বাকিদেরকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়।
অন্যদিকে লবণ মাঠে পলিথিন উঠাতে গিয়ে মৃত্যু হয় মুহাম্মদ নেছার নামের আরেকজনের। তাকে রাত সাড়ে ১০টায় পানিতে ভাসমান অবস্থায় পাওয়া যায়। এ সময় সোনা মিয়া নামের আরেক কৃষককে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। তিনি মহেশখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন। এছাড়া এলাকাবাসী রাত সাড়ে ১১টায় লবণ মাঠ থেকে আনছারের মরদেহ উদ্ধার করে।
স্থানীয়রা জানান, হোয়ানকের বিভিন্ন গ্রামের আরও ১০/১৫ জন লবণচাষি এখনও ঘরে ফিরেননি।
এ বিষয়ে মহেশখালী উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ ইয়াসিন বলেন, তিনজনের মৃত্যু ও কয়েকজন অসুস্থ হওয়ার কথা শুনেছি। তবে কী কারণে তারা মারা গেছেন সেটা সঠিক জানি না। এ বিষয়ে খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে।
মন্তব্য করুন


গাছে গাছে ঝুলছে পরপক্ক বিভিন্ন জাতের আম। কয়েকদিনের মধ্যেই জমে উঠবে আমের রাজধানীখ্যাত চাঁপাইনবাবগঞ্জের আম বাজারগুলো। ইতোমধ্যে গাছ থেকে পাড়া শুরু হয়েছে গোলাপভোগ ও গুটি জাতের আম। এর মধ্যে কৃষকদের মনে আতঙ্ক সৃষ্টি করে অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় মোখা। তবে চাঁপাইনবাবগঞ্জে ঘূর্ণিঝড় মোখার তেমন কোনো প্রভাব না থাকায় স্বস্তি পেয়েছেন আমচাষি ও ব্যবসায়ীরা।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ বা এর আশেপাশে সরাসরি আঘাত না হানলেও কক্সবাজার বা চট্রগ্রাম আঘাত হানলে এর প্রভাবে ঝড় ও টানা বৃষ্টির আশঙ্কা ছিল। এতে গাছ থেকে আম ঝরে ও টানা বৃষ্টিতে ছত্রাকের আক্রমণে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হতে পারে বলে শঙ্কা তৈরি হয়েছিল আমচাষি ও ব্যবসায়ীদের মনে। তবে ঘূর্ণিঝড় মোখার প্রভাবে ঝড় বা বাতাস কিছুই হয়নি চাঁপাইনবাবগঞ্জে। এতে রক্ষা পেয়েছে কয়েক হাজার কোটি টাকার আম।
মন্তব্য করুন


চাঁদপুর জেলার শাহারাস্তি উপজেলায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৩৩ পদাতিক ডিভিশনের নেতৃত্বে যৌথ বাহিনী অভিযান পরিচালনা করে অস্ত্র ও বুলেটসহ ২ জনকে আটক করা হয়েছে।
শুক্রবার (২ জানুয়ারি) রাত ১০ টায় শাহরাস্তি উপজেলার পশ্চিম উপলতা এলাকায় এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযান চলাকালে ১টি ৭.৬২ মিঃমিঃ পিস্তল, ১টি ৯ মিঃমিঃ পিস্তল, ৩টি ম্যাগাজিন, ৩০ রাউন্ড পিস্তলের এ্যামোনিশন, ১টি গ্যাস, মাস্ক, ১টি হার্ড ড্রাইভ এবং ১টি হোলস্টারসহ ২ জনকে গ্রেফতার করা হয়।
আটক হওয়া ব্যক্তিরা হলেন, শাহরাস্তি উপজেলার পশ্চিম উপলতা গ্রামের মোঃ আলমগীরের স্ত্রী লাভলি বেগম (৪০) ও ছেলে ফয়সাল হোসেন শাকিল (২১)।
আটককৃত ব্যক্তি, উদ্ধারকৃত অস্ত্র, এ্যামোনিশন এবং সরঞ্জামাদি যথাযথ প্রক্রিয়ায় শাহরাস্ত্রি থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
উল্লেখ্য যে,দেশব্যাপী আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখা, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার, সন্ত্রাস দমন এবং মাদক নির্মূলের লক্ষে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী অসামরিক প্রশাসনের সহায়তায় নিয়মিতভাবে অভিযান পরিচালনা করে আসছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় সাংবাদিক সাফির উপর হামলাকারি ৪ আসামি জামিনে মুক্তি পেয়েছেন। সাংবাদিক সাফির উপর হামলার ১১ দিন পার হলেও কোতয়ালি থানা পুলিশ কোন আসামিকে গ্রেফতার করতে পারেনি। অথচ স্থানীয় সূত্রমতে, আসামি নিজ বাড়িতে, এলাকাতে অবাধে ঘোরাঘুরি করেছেন। হামলার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কোতয়ালি থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই)মো: সাইফুল গতকাল ১৪ জুন রাতে আসামিদের বাড়িতে গিয়ে খোজে আসেন।কোতয়ালি থানা পুলিশের এমন আচরণকে রহস্যজনক বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয়রা।
৪ জুন বুধবার দুপুরে কুমিল্লা দুর্গাপুর গোমতির ভেড়িবাঁধ এলাকায় বুড়িচং প্রেস ক্লাবের দপ্তর সম্পাদক সাংবাদিক মো: সাফির উপর হামলা চালিয়েছে মাদককারবারিরা। বুধবার দুপুরে কুরবানির গরু ক্রয় করার জন্য শাফি বাবুবাজার এলাকায় যাচ্ছিলেন। সেখানে আগে থেকে উৎপাতে থাকা দুর্গাপুর এলাকার দুলাল মিয়ার ছেলে জনি, মৃত মনু মিয়ার ছেলে দুলাল মিয়া, মাহাবুব এবং মাহবুবের ছেলে সায়িমসহ অজ্ঞাত ৪-৫ জনের একটি চক্র তার ওপর হামলা চালায়। হামলাকারীরা তাকে পিটিয়ে মারাত্মকভাবে আহত করে। এ সময় তার সঙ্গে থাকা গরু ক্রয়ের দেড় লাখ টাকা ছিনিয়ে নেয়।
৪ জুন রাতে আহত সাফির মা বাদী হয়ে কোতোয়ালি মডেল থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। কিন্তু রহস্যজনকভাবে ১০ জুন পর্যন্ত অভিযোগ এফআইআর করেনি কোতয়ালি থানা পুলিশ। ওই দিন সাংবাদিকরা এ অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে পরদিন ১১ জুন পুলিশ মামলা হিসেবে অভিযোগটি নেয়। তবে আসামিদের গ্রেফতারের বিষয়ে পুলিশ সব সময় রহস্যজনক ভূমিকা পালন করেছে। আজ ধরবো, কাল ধরবো, ২৪ ঘন্টায় আসামি গ্রেফতার হবে ইত্যাদি বলে সময় কালক্ষেপন করেছেন কোতয়ালি থানা পুলিশ। এমনটাই মনে করছেন কুমিল্লার কর্মরত সাংবাদিকরা।
স্থানীয় সূত্র জানায়, আসামিরা প্রকাশ্যেই এলাকায় ঘোরাঘুরি করেছে। পুলিশ তাদের গ্রেফতার করবে না, এটা তো এলাকায় আলোচিত বিষয় ছিল। তাই হয়েছে। আজ সব আসামি জামিন পেয়েছে।
আহত সাংবাদিক মো: সাফি জানান, গতকাল রাতে মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তা এসআই সাইফুল সাহেব আমাদের লোককে ফোন করে আসামির বাড়ির ঠিকানা চেয়েছেন। আজ তো সবাই জামিন পেলেন। আজ আদালতে আসামিরা জামিন পাওয়ার পর এসআই সাইফুল সাহেব আমাকে বললো-আপনার বিরুদ্ধে মামলা দিবে আসামি পক্ষ। একটু সজাগ থাকেন।
কুমিল্লা প্রেসক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক ইমতিয়াজ আহমেদ জিতু জানান, আমরা অসংখ্যবার পুলিশকে অনুরোধ করেছি, তদন্ত করে আসামিদের আইনের আওতায় আনার জন্য। কিন্তু কোথাও না কোথাও চরম অবহেলা হয়েছে। আসামিদের জামিন নেওয়ার সুযোগ করে দেওয়া হয়েছে, যা দু:খজনক ও লজ্জার বিষয়।আমাদের কাছে আগেই তথ্য ছিল, আসামিরা গ্রেফতার হবে না। এ বিষয়টি আমি ১০ জুন কোতয়ালি থানার সেকেন্ড অফিসার ফারুক সাহেবকে অবহিত করেছি। তিনি আমাদের বলেছিলেন, আজই আসামি গ্রেফতার হবে। কিন্তু দিন শেষে সবই হতাশাজনক।
কুমিল্লা প্রেসক্লাবের সভাপতি কাজী এনামুল হক ফারুক জানান, আসামিদের এতদিনেও গ্রেফতার করতে না পারাটা চরম ব্যর্থতার শামিল। খুবই দু:খজনক বিষয়টি।
কোতয়ালি থানার সেকেন্ড অফিসার ফারুক জানান, আমরা চেষ্টা করেছি আসামি গ্রেফতার করার জন্য ।
কোতয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহিনুল ইসলাম জানান, আসামি গ্রেফতার জন্য আমার চেষ্টার ত্রুটি ছিল না।
কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহিনুল ইসলাম জানান, হামলার পর পরই পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। আসামিদের গ্রেফতার করতে পুলিশ কাজ করছে।
মন্তব্য করুন


ডেস্ক রিপোর্ট:
মাত্র পাঁচ বছরের এক ছোট্ট শিশু, মুনতাহা আক্তার জেরিন। তার মিষ্টি হাসি ও চঞ্চলতা পরিবারের সবাইকে মুগ্ধ করত। প্রতিবেশীরাও তাকে আপন করে নিয়েছিলেন। তবে নির্মমভাবে হত্যার শিকার হতে হয় এই শিশুটিকে, এবং এতে জড়িত ছিলেন তার সাবেক গৃহশিক্ষিকা।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মুনতাহার গৃহশিক্ষক ছিলেন শামীমা বেগম মার্জিয়া (২৫)। কিছুদিন আগে তার খারাপ আচরণের কারণে মুনতাহার বাবা তাকে পড়াতে নিষেধ করেন। এ কারণে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন মার্জিয়া। প্রতিশোধ নিতে গত ৩ নভেম্বর মার্জিয়া ও তার মা আলিফজান বিবি শিশুটিকে কৌশলে তাদের ঘরে নিয়ে যান।
ঘরের ভেতর ওড়না ও রশি দিয়ে শ্বাসরোধ করে মুনতাহাকে হত্যা করা হয়। এরপর তার মরদেহ বস্তাবন্দি করে ঘরে রাখা হয়। গভীর রাতে মরদেহটি পলিথিনে মুড়িয়ে ঘরের পাশের নালায় পুঁতে রাখা হয়। পরদিন ভোরে মরদেহটি পুকুরে ফেলার সময় স্থানীয়রা তা উদ্ধার করেন। এসময় আলিফজান বিবিকে আটক করে স্থানীয় জনতা।
এ ঘটনায় চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তারা হলেন শিশু মুনতাহার গৃহশিক্ষক শামীমা বেগম মার্জিয়া, তার মা আলিফজান বিবি, প্রতিবেশী ইসলাম উদ্দিন (৪০), এবং মামুনুর রশিদের স্ত্রী নাজমা বেগম (৩৫)।
মুনতাহা সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার সদর ইউনিয়নের বীরদল ভাড়ারিফৌদ গ্রামের বাসিন্দা শামীম আহমদের মেয়ে। রোববার বাদ আসর বীরদল পুরানফৌদ জামে মসজিদে জানাজা শেষে গ্রামের পঞ্চায়েত কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। জানাজায় শত শত মানুষ অংশগ্রহণ করেন।
গত ৩ নভেম্বর দুপুরে মুনতাহা পার্শ্ববর্তী বাড়ির শিশুদের সঙ্গে খেলতে যায়। বিকেল পর্যন্ত না ফেরায় পরিবার খোঁজাখুঁজি শুরু করে। সন্ধান না পেয়ে মুনতাহার বাবা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।
নিখোঁজ হওয়ার পর পুলিশসহ বিভিন্ন বাহিনী ও আত্মীয়স্বজন সম্ভাব্য সব জায়গায় খোঁজ করে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঘটনাটি ভাইরাল হলে অনেকেই মুনতাহাকে খুঁজে পেতে সাহায্যের জন্য আবেগঘন পোস্ট দেন এবং স্বেচ্ছাসেবায় যুক্ত হন।
মন্তব্য করুন


আগামী ২০ মে ‘ম্যাঙ্গো স্পেশাল ট্রেন’ চালু হচ্ছে বলে জানিয়েছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জের জেলা প্রশাসক একেএম গালিভ খাঁন।
সোমবার (১৫ মে) সকালে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে আম পরিবহন সংক্রান্ত মতবিনিময় সভায় তিনি এ তথ্য জানান।
তিনি আরও জানান, সভায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ, রাজশাহী ও নওগাঁ থেকে কুরিয়ার সার্ভিসে একই খরচে আম পরিবহনের প্রস্তাব করা হয়েছে। এ বিষয়ে তিন জেলার জেলা প্রশাসকরা ঐক্যমতে পৌঁছেছেন। এ নিয়ে কুরিয়ার সার্ভিসগুলোকে সিদ্ধান্ত জানাতে বলা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে এই তিন জেলা থেকে ১০ টাকা কেজি দরে আম পরিবহনের প্রস্তাব করা হয়েছে।
জেলা প্রশাসক একেএম গালিভ খাঁন জানান, এবার ‘ম্যাঙ্গো স্পেশাল ট্রেন’ ট্রেনে ৯টি করে ওয়াগন থাকবে। এছাড়া আম পরিবহন ও বাজারে সতর্ক অবস্থায় থাকবে জেলা প্রশাসনের মোবাইল কোর্ট। আমের বাজারে চাঁদাবাজি কঠোরভাবে দমন করা হবে। সড়কে আম পরিবহনে কোনো ধরনের হয়রানি সহ্য করা হবে না। এমনকি কুরিয়ার সার্ভিস বা অন্যান্য পরিবহনে বেশি ভাড়া নিলে বা সেবাগ্রহীতাদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করলে ভোক্তা সংরক্ষণ আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা নগরীর ৫ নং ওয়ার্ডের পুরাতন চৌধুরীপাড়া এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে পিস্তলসহ ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলিফকে গ্রেফতার করেছে সেনাবাহিনী ও র্যাবের যৌথ টিম।
শুক্রবার বিকেলে পুরাতন চৌধুরীপাড়ার সানমুন টাওয়ার বিল্ডিংয়ের দ্বিতীয় তলায় অভিযান পরিচালনা করে অস্ত্রসহ তাকে গ্রেফতার করা হয়।
প্রথমে সেনাবাহিনী অভিযান পরিচালনা করে আলিফের ঘর তল্লাশি করে নাইন এমএম মডেলের পিস্তলটি জব্দ করে। পরে র্যাবের সাথে যৌথ অভিযানে আলিফকে গ্রেফতার করা হয়।
উল্লেখ্য যে, আলিফ কুমিল্লা মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি জহিরুল হক রিন্টুর অন্যতম সহযোগী ছিলেন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা নগরীর উত্তর ঠাকুরপাড়া এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিালনা করে মোঃ মাসুদ রানা প্রধান (৩৮) নামের একজন অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব ১১ সিপিসি ২ সদস্যরা। এ সময় আসামীর হেফাজত হতে ২ টি এলজি উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী মোঃ মাসুদ রানা প্রধান (৩৮) কুমিল্লা নগরীর মনোহরপুর গ্রামের মৃত. মতিউর রহমান প্রধানের ছেলে।
আসামীকে জিজ্ঞাসাবাদে আরো জানা যায়, সে যুবলীগের রাজনীতির সাথে জড়িত। সে পতিত রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের বিভিন্ন শীর্ষ স্থানীয় নেতৃবৃন্দের সাথে যোগাযোগ রেখে বড় ধরনের নাশকতাসহ আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করে জনগণের জানমালের ক্ষতিসাধন করার পরিকল্পনা করে আসছিল। এছাড়াও পূর্বে বিভিন্ন সময়ে আওয়ামী লীগের বিভিন্ন শো-ডাউনে তাকে আগ্নেয়াস্ত্র হাতে দেখা যায়। বর্তমানে সে কুমিল্লার বিভিন্ন স্থানে অবৈধভাবে অস্ত্র প্রদর্শন করে সন্ত্রাসী কার্যক্রমসহ বিভিন্ন ধর্তব্য অপরাধ সংগঠিত করে আসছিল বলে জানায়।
উল্লেখ্য, গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে পূর্বে রুজুকৃত হত্যা ও হত্যাচেষ্টা মামলাসহ মোট ৭ টি মামলা রয়েছে।
গ্রেফতারকৃত আসামীকে কুমিল্লা কোতয়ালী মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
র্যাব ১১,সিপিসি ২ এর কোম্পানি অধিনায়ক লে: কমান্ডার মাহমুদুল হাসান অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মন্তব্য করুন