

স্টাফ রিপোর্টার:
৬ষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের ৩য় ধাপের আওতাধীন গোসাইরহাট উপজেলা নির্বাচনে ২ জন প্রার্থীর তথ্য গোপন করে মনোনয়নপত্র বৈধতা পাওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
গত ৫ মে গোসাইরহাট উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র যাচাই বাছাই অনুষ্ঠিত হয়। অভিযোগ উঠেছে যে, সেখানে নির্বাচনী বিধিমোতাবেক ২ জন চেয়ারম্যান প্রার্থী তাদের মনোনয়নপত্রের সাথে দাখিলকৃত হলফনামায় তাদের মামলা সংক্রান্ত
উধরষু ইধহমষধফবংয গরৎৎড়ৎ
কোনো সঠিক তথ্য উপস্থাপন করেন নাই। তারপরও কর্তৃপক্ষ উপজেলা পরিষদ নির্বাচন ২০২৪ চেয়ারম্যান প্রার্থী মোশারফ হোসেন এবং জাকির হোসেন দুলালের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেন।
স্থানীয় একাধিক সূত্র জানায়, চেয়ারম্যান প্রার্থী মোশারফ হোসেন তার হলফনামায় একাধিক মামলার তথ্য গোপন করেছেন। যেমন, ২০০২ সালের মোহাম্মদপুর থানাতে দন্ড বিধি ৩০২/৩৪ অনুযায়ী মামলা নং-৩৯/২০০২ , ২য় মামলা ২০০৬ সালের তেজগাঁও থানাতে অস্ত্র আইনের ধারা ১৯ (ক) অনুযায়ী জি আর নং-৭৯৮/২০০৬, ৩য় মামলা ২০০৪ সালের মিরপুর থানাতে দন্ড বিধি ৩৪১/৩২৩/৩৭৯/৫০৬ দন্ড বিধি অনুযায়ী জি আর নং- ৮২/২০০৪, চতুর্থ মামলা ২০০৪ সালের সবুজবাগ থানাতে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন এর ৯(৩) ধার অনুযায়ী জি আর নং-৪০২/২০০৪ সহ আরো অনেক মামলা তিনি গোপন করেছেন।
অপর প্রার্থী জাকির হোসেন দুলাল তার হলফনামায় নিম্নের মামলার তথ্য গোপন করেছেন। ২০১৯ সালের গোসাইরহাট থানাতে বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের ৩ (এ) অনুযায়ী এফআইআর -০৭/৩৫ ।
এই মামলাগুলো ছাড়াও এই ২ জন প্রার্থীর বিরুদ্ধে আরও একাধিক মামলা সংক্রান্ত সত্যতা পাওয়া গিয়েছে। মোশারফ হোসেন ও জাকির হোসেন দুলাল এর এতগুলো মামলা থাকা সত্ত্বেও তারা তাদের হলফনামায় ইচ্ছাকৃত মামলার তথ্য গোপন করেছেন, যা উপজেলা পরিষদ নির্বাচন বিধিমালা, ২০১৩ এর বিধি ১৭ এর উপ-বিধি (৩) দফা (ঙ) এর পরিপন্থি।
যেহেতু উপজেলা পরিষদ নির্বাচন বিধিমালা, ২০১৩ এর বিধি ১৭ এর উপ-বিধি (৩) এর দফা (ঙ) অনুযায়ী মনোনয়নপদত্রর সাথে হলফনামা দাখিলের বিধান রয়েছে এবং মোশারফ হোসেন ও জাকির হোসেন দুলাল তাদের হলফনামায় অসম্পূর্ণ তথ্য প্রদান করেছেন বিধায়, উপজেলা পরিষদ নির্বাচন বিধিমালা, ২০১৩ এর বিধি ১৭ এর উপ-বিধি (৩) এর দফা (ঙ) অনুযায়ী তাদের মনোনয়নপত্র অবৈধ হওয়ার কথা।
এই ঘটনা বাইরে প্রকাশের পর নির্বাচনী এলাকা গোসাইরহাটে ভোটার ও অন্যান্য চেয়ারম্যান প্রার্থীদের মধ্যে ব্যাপক সমালোচনা ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।
গোসাইরহাট উপজেলার ভোটার দেলোয়ার হোসেন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “নির্বাচিত হওয়ার আগেই তারা অবৈধ, তাদের কাছ থেকে কিভাবে গোসাইরহাটবাসীর উন্নয়ন হবে!?” আরো একজন ভোটার আল-আমিন বলেন, “এতগুলো মামলায় অভিযুক্ত প্রার্থীদের মনোনয়ন অতিসত্ত্বর বাতিল করা হোক ও যোগ্য প্রার্থীদের নিয়েই সুষ্ঠ ভোট অনুষ্ঠিত হোক”। এছাড়াও সাধারণ মানুষের আলোচনায় সুষ্ঠ ভোট না হওয়ার আশংকা প্রকট হচ্ছে।
গোসাইরহাট উপজেলা পরিষদের একজন চেয়ারম্যান প্রার্থী প্রশ্ন করেন,”আমার হলফনামায় মাত্র ১টি নিষ্পত্তিকৃত মামলার তথ্য না দেওয়াতে, নির্বাচন কমিশনার আমার মনোনয়নপত্রটি স্থগিত করলেন, অথচ মোশারফ হোসেন ও জাকির হোসেন দুলাল এতগুলো মামলার তথ্য গোপন করেও কিভাবে তাদের মনোনয়নপত্র বৈধতা পায়? ” তিনি আরো বলেন, “আমি আশা করি আগামী আপিল শুনানীর দিনে, নির্বাচন কর্মকর্তা সঠিক সিদ্ধান্ত নিবেন এবং অবাধ ও নিরপেক্ষ একটি ভোট উপহার দিবেন”
উল্লেখ্য, গোসাইরহাট উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের মনোনয়ন বৈধতার আপীলের শুনানী আগামী ১১ মে অনুষ্ঠিত হবে। সাধারণ ভোটার ও সকল প্রার্থী ১১ মে নির্বাচন কমিশনার থেকে সঠিক সিদ্ধান্তের আশায় থাকবে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা মহানগর জাসাস কমিটিতে যুগ্ম আহ্বায়ক পদে স্থান পেলেন ডা: আফসান আনিস ও শহীদুল হক সোহেল এবং সদস্য করা হয়েছে ইফতেখার উদ্দিন রাজেস, মো: মাহবুব হোসেন, মো: মাসুদ, জসিম উদ্দিনকে।
বুধবার (৫ নভেম্বর) বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদি সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থা-জাসাস কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য (দফতরের দায়িত্বে) মো: মিজানুর রহমান স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিকে এ তথ্য জানা যায়।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ্য করা হয়, চলতি বছরের ১ নভেম্বর কুমিল্লা মহানগর জাসাসের আহ্বায়ক/সদস্য সচিবের স্বাক্ষরিত চিঠির মাধ্যমে প্রস্তাবের প্রেক্ষিতে এই কমিটিতে তাদের অর্ন্তভুক্ত করা হল।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা থেকে প্রকাশিত দৈনিক পূর্বাশা ও দৈনিক আমাদের কুমিল্লা পত্রিকার ডিক্লারেশন বাতিলের প্রতিবাদে ও সারাদেশে বন্ধ হওয়া টেলিভিশন ও গণমাধ্যম খুলে দেওয়ার দাবিতে সাংবাদিক কল্যাণ পরিষদ কুমিল্লার আয়োজনে বৃহস্পতিবার (২৮ আগষ্ট) বেলা সাড়ে ১১ টায় কুমিল্লা প্রেসক্লাব মিলনায়তনে সাংবাদিকদের প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সাংবাদিক কল্যাণ পরিষদ কুমিল্লার সভাপতি ও সিটিভি নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম এর সম্পাদক ওমর ফারুকী তাপসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য রাখেন কুমিল্লা প্রেসক্লাবের সভাপতি ও একাত্তর টিভির জেলা প্রতিনিধি কাজী এনামুল হক ফারুক, কুমিল্লা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি আবুল হাসানাত বাবুল, কুমিল্লা প্রেসক্লাবের সাবেক সহ-সভাপতি অশোক কুমার বড়ুয়া, কুমিল্লা প্রেসক্লাবের সিনিয়র সদস্য দৈনিক পূর্বাশার স্টাফ রিপোর্টার মোঃ শহীদুল্লাহ , আরটিভির প্রতিনিধি গোলাম কিবরিয়া, কুমিল্লা প্রেসক্লাবের সহ সাধারণ সম্পাদক বাহার রায়হান, কুমিল্লা প্রেসক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক ও দৈনিক পূর্বাশা পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক ইমতিয়াজ আহমেদ জিতু, ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের নেতা ও দৈনিক আমার দেশ কুমিল্লা দক্ষিণ প্রতিনিধি সাংবাদিক শাহ আলম শফি, সাংবাদিক ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় সদস্য ও দৈনিক স্বদেশ বিচিত্রা পত্রিকার সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক মোঃ শহীদুল্লাহ মিয়াজী, যমুনা টেলিভিশনের কুমিল্লা ব্যুরো প্রধান রফিকুল ইসলাম চৌধুরী খোকন, দৈনিক সকালের খবর পত্রিকার কুমিল্লা প্রতিনিধি ও কুমিল্লা প্রেসক্লাবের নির্বাহী সদস্য মামশাদ কবির, দৈনিক আমাদের কুমিল্লার সাবেক স্টাফ রিপোর্টার ও বুড়িচং প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক জহিরুল হক বাবু, দৈনিক পূর্বাশার স্টাফ রিপোর্টার জসিম উদ্দিন চৌধুরী , টেলিভিশন জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন কুমিল্লার সাধারণ সম্পাদক ও নাগরিক টেলিভিশনের কুমিল্লা প্রতিনিধি দেলোয়ার হোসেন আকাইদ , সাংবাদিক কল্যাণ পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক পূর্বাশার প্রতিনিধি মনির হোসেন , কুমিল্লা ফটো সংবাদের ফোরামের সভাপতি আশিকুর রহমান , দেশ টিভির কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধি সুমন কবির ভূঁইয়া, দৈনিক স্বাধীন ভোর পত্রিকার সম্পাদক সোহাগ মিয়াজী , কুমিল্লা প্রেসক্লাবের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রেসক্লাবের প্রচার সম্পাদক ও দৈনিক আমাদের কুমিল্লার সাবেক ফটো সাংবাদিক এন কে রিপন, কালের কন্ঠ পত্রিকার প্রতিনিধি জাহিদ পাটোয়ারী , চেতনা ৭১ নিউজের সম্পাদক মাইনুল হক স্বপন, দৈনিক ডাক প্রতিদিন পত্রিকার প্রতিনিধি আয়েশা আক্তার, দৈনিক রূপসী বাংলার প্রতিনিধি ফারুক আজম , দৈনিক সমাচার পত্রিকার প্রতিনিধি মোঃ শাফি, দৈনিক আজকের কুমিল্লার প্রতিনিধি হাবিবুর রহমান মুন্না , দৈনিক আজকের কুমিল্লার স্টাফ রিপোর্টার রাকিবুল ইসলাম রানা, দৈনিক খোলা কাগজের প্রতিনিধি শাহ ইমরান , ৭১ টিভির ক্যামেরা পার্সন সাইদুর রহমান সোহাগ, দৈনিক পূর্বাশার প্রতিনিধি তামিম আহমেদ ।
সভায় বক্তারা বলেন, কুমিল্লা থেকে প্রকাশিত দৈনিক আমাদের কুমিল্লা ও দৈনিক পূর্বাশা পত্রিকা নিয়মিত প্রকাশিত হতো। বাতিলের পূর্বে কোন নোটিশ না দিয়েই এই পত্রিকা দুটি বন্ধ করে দেওয়া হয়। গণতন্ত্রের বিকাশ ও সুশাসনের জন্য সংবাদপত্রের স্বাধীনতা অত্যান্ত জরুরী। সংবাদপত্র বন্ধ করলে সাংবাদিকরা বেকার হয়ে যায়। গণমাধ্যমের কণ্ঠরোধ করলে সমাজে অন্যায় অবিচার বেড়ে যায়। তাই সংবাদপত্রের স্বাধীনতার লক্ষ্যে বন্ধ হওয়া টেলিভিশন ও পত্রিকাসমূহ অবিলম্বে খুলে দেয়ার দাবী জানান সাংবাদিক সমাজ।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার তিতাস উপজেলায় অভিযান পরিচালনা করে অস্ত্র, গোলাবারুদ ও মাদক জব্দ করেছে সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে যৌথ বাহিনী।
মঙ্গলবার ( ২০ জানুয়ারি) ভোররাতে কুমিল্লার তিতাস উপজেলার মৌটুপি এলাকায় অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের নিমিত্তে যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
উক্ত অভিযানে মৌটুপি এলাকা হতে ১টি ৯ মিঃমিঃ পিস্তল, ২ রাউন্ড গোলাবারুদ, ১টি দেশীয় অস্ত্র এবং ২৩ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধারকৃত অস্ত্র, গোলাবারুদ ও মাদক তিতাস থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


ডেস্ক রিপোর্টঃ
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী কক্সবাজারের সীমান্ত পরিদর্শনকালে টেকনাফে হ্নীলা জাদিমুড়া পশ্চিম পাহাড় থেকে ১৭ শ্রমিকসহ ১৯ জনকে অপহরণের ঘটনা ঘটেছে। বন বিভাগের জায়গায় কাজ করতে গেলে তাদেরকে অপহরণ করে দুর্বৃত্তরা।
আজ সোমবার দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শেখ এহসান উদ্দিন।
অপহৃতরা হলেন বন কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম (২২), সৈয়দ (৫০), রফিক, শ্রমিক আইয়ুব খান (১৮), আইয়ুব আলী (৫০), আনসার উল্ল্যাহ (১৮), আয়াত উল্ল্যাহ (২২), সামছু (৪৫), ইসলাম (২১),সামছু (৪০), ইসমাইল (৩৫), মোহাম্মদ হাসিম (৪০), নূর মোহাম্মদ (২১), সৈয়দ আমিন (৩০),সফি উল্ল্যাহ (৩০), আইয়ুব (৫০), মাহাতা আমিন (১৮)। এছাড়া আরও দুজনের নাম পাওয়া যায়নি। তাদের মধ্যে অনেকে রোহিঙ্গা বলে জানিয়েছে প্রশাসন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শেখ এহসান উদ্দিন বলেন, হ্নীলা জাদিমুড়া এলাকা থেকে ফরেস্টসহ ১৯ জন অপহরণের শিকার হয়েছেন। তাদের উদ্ধারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কাজ করছে।
টেকনাফ বন বিভাগের রেঞ্জ কর্মকর্তা আব্দুর রশিদ বলেন, ‘প্রতিদিনের ন্যায় বাগানে কাজ করতে গেলে ১৯ জনকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন), উপজেলা প্রশাসনসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাদের উদ্ধারে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।’
এদিকে অপহরণের খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যৌথ ট্রান্সফোর্স গঠন করে পাহাড়ে চিরুনি অভিযান চালাচ্ছে। এ ঘটনায় টেকনাফে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
মন্তব্য করুন


ডেস্ক রিপোর্ট:
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেছেন, ১৫ জানুয়ারির মধ্যে প্রোক্লেমেশন অব জুলাই রেভ্যুলুশন ঘোষণা করতে হবে। ৩১ ডিসেম্বরের পর এতগুলো দিন পেরিয়ে গেলেও সরকারের পক্ষ থেকে দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ দেখতে পাইনি। এ দেশে অন্য কোনো দেশের দাদাগিরি চলবে না বলেও হুঙ্কার দেন তিনি।
বুধবার বিকালে কুমিল্লা টাউন হল মাঠে নগরীতে লিফলেট বিতরণ এবং জনসংযোগ শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি। এর আগে কুমিল্লা পুলিশ লাইন থেকে জনসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ শুরু করে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন ও জাতীয় নাগরিক কমিটি।
হাসনাত বলেন, কুমিল্লা থেকে ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলনের সূচনা শুরু হয়েছে এবং তা অব্যাহত থাকবে। চব্বিশের বাংলাদেশে আগামীর স্বপ্ন কুমিল্লা থেকে যাত্রা শুরু হবে। আর আপনারা জানেন, কুমিল্লা থেকে ফ্যাসিবাদবিরোধী ধ্বনি সব সময় উচ্চারিত হয়েছে। আগামী ৭ দিন পর্যায়ক্রমে দেশের বিভিন্ন জেলায় এ কর্মসূচি পালন করা হবে। দেশটা ফ্যাসিবাদের অষ্টেপৃষ্ঠে শিকলে বাঁধা ছিল। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর ফ্যাসিবাদের শিকলমুক্ত করেছে ভয়হীন তরুণ প্রজন্ম। যে প্রজন্মটাকে আমরা অলস ভাবতাম, মোবাইল নিয়ে পড়ে থাকত, ওই প্রজন্মই দিন শেষে আমাদের কথা বলার অধিকার ফিরিয়ে দিয়েছে। আমরা অতীতের রাজনীতির পুনরাবৃত্তি চাই না। তাই বাংলাদেশের প্রচলিত রাজনৈতিক ধারা পরিবর্তন করতে হবে।
অন্তর্বর্তী সরকারকে উদ্দেশ করে হাসনাত বলেন, জুলাই অভ্যুত্থানে শহিদ ও আহতদের আর্তনাদ আমরা এখনো শুনতে পাই। আমলাতান্ত্রিক জটিলতার দোহাই দিয়ে তাদের সুবিধাপ্রাপ্তির অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে। চব্বিশ পরবর্তী বাংলাদেশে আমলাতান্ত্রিক জটিলতার দোহাই চলবে না। এ দেশে অন্য কোনো দেশের দাদাগিরি চলবে না।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন- কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক তারিকুল ইসলাম, কুমিল্লা জেলার আহ্বায়ক সাকিব হোসাইন, সদস্য সচিব রুবেল হোসেন, মহানগর সদস্য সচিব রাশেদুল হাসান প্রমুখ।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা সেনাবাহিনীর ৩৩ পদাতিক ডিভিশনের উদ্যোগে ৬ জেলার চার হাজার শীতার্ত মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ করা হয়েছে।
৯ জানুয়ারি থেকে আজ ১৩ জানুয়ারি পর্যন্ত শীতবস্ত্র বিতরণ কার্যক্রম ৬ জেলার ১৮ টি এলাকায় অনুষ্ঠিত হয়।
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৩৩ পদাতিক ডিভিশনের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ‘ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার' এর আওতায় দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় স্থানীয় গরীব ও দুঃস্থ মানুেষের মাঝে এ শীতবস্ত্র বিতরণ কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
উক্ত কর্মসূচির আওতায় ‘ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার' এ সহায়তায় দায়িত্ব পালনরত অবস্থায় স্থানীয় গরীব ও দুঃস্থ জনগণের মাঝে মোট ৪ হাজার পিস শীতের কম্বল বিতরণ করা হয়।
দাউদকান্দি আর্মি ক্যাম্পের অধীনে চরগোপাল, চাঁদপুর সদর আর্মি ক্যাম্পের অধীনে মাস্টারপাড়া এতিমখানা, কুমিল্লা সদর সমাজসেবা আর্মি ক্যাম্পের অধীনে দক্ষিণ সদর জোর কানন ভূমি অফিস এলাকা, চৌদ্দগ্রাম আর্মি ক্যাম্পের অধীনে শুভপুর ইউনিয়ন, কুমিল্লা সদর সমাজসেবা আর্মি ক্যাম্পের অধীনে অনন্যপুর আশ্রয় প্রকল্প, কুমিল্লা মেঘনা আর্মি ক্যাম্পের অধীনে চালিভাঙ্গা ইউনিয়ন, দেবিদ্বার আর্মি ক্যাম্প, বুড়িচং আর্মি ক্যাম্প, আখাউড়া আর্মি ক্যাম্প, নোয়াখালী সদর এলাকা, বেগমগঞ্জ এলাকা, কোম্পানীগঞ্জ এলাকা, সোনাইমুড়ি এলাকা, ফেনী সদর, দাগনভূঞা এলাকা, ফুলগাজী, লক্ষীপুর সদর ও রায়পুর এলাকায় এসব কম্বল বিতরণ করা হয়।
শীত মৌসুমে অসহায় মানুষের কষ্ট লাঘবে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর এই মানবিক উদ্যোগ স্থানীয় জনগণের মাঝে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।
বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ভবিষ্যতেও এ ধরনের জনকল্যাণমূলক ও মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন সেনাবাহিনী সূত্র।
মন্তব্য করুন


মাসজুড়ে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় কর্মসূচি জুলাই পদযাত্রাকে কেন্দ্র করে গোপালগঞ্জ সদরে পুলিশের গাড়িতে আগুন ও ভাঙচুর করেছে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। এ সময় পুলিশের ৩ সদস্য আহত হয়েছে।
আজ বুধবার সদর উপজেলার উলপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন গোপালগঞ্জের পুলিশ সুপার মো.মিজানুর রহমান।
আহতরা হলেন—গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার গোপীনাথপুর পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক (আইসি) আহমেদ বিশ্বাস, কনস্টেবল কাওছার ও মিনহাজ।
আহতদের গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে ।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতাকর্মীদের মার্চ টু গোপালগঞ্জকে কেন্দ্র করে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা ঘটনাস্থলে সমাবেত হয়।
পরে গোপালগঞ্জ টহল পুলিশের একটি টিমকে লক্ষ্য করে হামলা করে। এ সময় পুলিশের একটি গাড়ি ভাঙচুর ও আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়া হয়।
খবর পেয়ে যৌথবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং পরিস্থিত নিয়ন্ত্রণে আনে।
গোপালগঞ্জ পুলিশ সুপার মো.মিজানুর রহমান জানান, কারা এই ঘটনা ঘটিয়েছে আমরা এখন পর্যন্ত জানিনা। তবে আমাদের পুলিশের তিনজন সদস্য আহত হয়েছে এবং একটি গাড়ি পুড়িয়ে দিয়েছে। আহত ওই তিন সদস্যকে গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
মন্তব্য করুন


বিদেশি পিস্তলসহ কুমিল্লা সদর উপজেলার পাঁচথুবী ইউনিয়ন বিএনপি'র সাধারণ সম্পাদক খোকন মিয়াকে আটক করেছে সেনাবাহিনীর সদস্যরা।
শুক্রবার (৪ জূলাই) ভোর রাত ৫ টায় এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।
আটক হওয়া খোকন মিয়া (৫৫) পাঁচথুবী ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক। সে পাঁচথুবী ইউনিয়নের চাঁনপুর গ্রামের মৃত ইউনুস মিয়ার ছেলে।
অভিযান চালিয়ে তার কাছ থেকে ১টি ৭.৬৫ মিমি. পিস্তল ও একটি খালি ম্যাগাজিন উদ্ধার করা হয়।
সেনাবাহিনী সূত্রে জানা যায়, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানতে পারে, চাঁনপুর এলাকার খোকন মিয়া অবৈধ একটি পিস্তল তার বাসায় না রেখে এক শিশুর মাধ্যমে পাশের বাড়ির জহিরুল হকের বাসায় পাঠান। পরে অভিযান চালিয়ে জহিরুল হকের বাসা থেকে অস্ত্রটি উদ্ধার করা হয়।
জিজ্ঞাসাবাদে জহিরুল হক স্বীকার করেন পিস্তলটি খোকন মিয়ার। বিভিন্ন সূত্রে নিশ্চিত হওয়া যায় অস্ত্রটির প্রকৃত মালিক খোকন মিয়া।
আসামি ও অস্ত্র কোতয়ালী মডেল থানায় হস্তান্তর করা হবে। কুমিল্লাকে অবৈধ অস্ত্রমুক্ত রাখতে এ ধরনের অভিযান চলমান থাকবে।
মন্তব্য করুন


স্টাফ রিপোর্টার:
৬ষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের ৩য় ধাপের আওতাধীন গোসাইরহাট উপজেলা নির্বাচনে ২ জন প্রার্থীর তথ্য গোপন করে মনোনয়নপত্র বৈধতা পাওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
গত ৫ মে গোসাইরহাট উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র যাচাই বাছাই অনুষ্ঠিত হয়। অভিযোগ উঠেছে যে, সেখানে নির্বাচনী বিধিমোতাবেক ২ জন চেয়ারম্যান প্রার্থী তাদের মনোনয়নপত্রের সাথে দাখিলকৃত হলফনামায় তাদের মামলা সংক্রান্ত
উধরষু ইধহমষধফবংয গরৎৎড়ৎ
কোনো সঠিক তথ্য উপস্থাপন করেন নাই। তারপরও কর্তৃপক্ষ উপজেলা পরিষদ নির্বাচন ২০২৪ চেয়ারম্যান প্রার্থী মোশারফ হোসেন এবং জাকির হোসেন দুলালের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেন।
স্থানীয় একাধিক সূত্র জানায়, চেয়ারম্যান প্রার্থী মোশারফ হোসেন তার হলফনামায় একাধিক মামলার তথ্য গোপন করেছেন। যেমন, ২০০২ সালের মোহাম্মদপুর থানাতে দন্ড বিধি ৩০২/৩৪ অনুযায়ী মামলা নং-৩৯/২০০২ , ২য় মামলা ২০০৬ সালের তেজগাঁও থানাতে অস্ত্র আইনের ধারা ১৯ (ক) অনুযায়ী জি আর নং-৭৯৮/২০০৬, ৩য় মামলা ২০০৪ সালের মিরপুর থানাতে দন্ড বিধি ৩৪১/৩২৩/৩৭৯/৫০৬ দন্ড বিধি অনুযায়ী জি আর নং- ৮২/২০০৪, চতুর্থ মামলা ২০০৪ সালের সবুজবাগ থানাতে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন এর ৯(৩) ধার অনুযায়ী জি আর নং-৪০২/২০০৪ সহ আরো অনেক মামলা তিনি গোপন করেছেন।
অপর প্রার্থী জাকির হোসেন দুলাল তার হলফনামায় নিম্নের মামলার তথ্য গোপন করেছেন। ২০১৯ সালের গোসাইরহাট থানাতে বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের ৩ (এ) অনুযায়ী এফআইআর -০৭/৩৫ ।
এই মামলাগুলো ছাড়াও এই ২ জন প্রার্থীর বিরুদ্ধে আরও একাধিক মামলা সংক্রান্ত সত্যতা পাওয়া গিয়েছে। মোশারফ হোসেন ও জাকির হোসেন দুলাল এর এতগুলো মামলা থাকা সত্ত্বেও তারা তাদের হলফনামায় ইচ্ছাকৃত মামলার তথ্য গোপন করেছেন, যা উপজেলা পরিষদ নির্বাচন বিধিমালা, ২০১৩ এর বিধি ১৭ এর উপ-বিধি (৩) দফা (ঙ) এর পরিপন্থি।
যেহেতু উপজেলা পরিষদ নির্বাচন বিধিমালা, ২০১৩ এর বিধি ১৭ এর উপ-বিধি (৩) এর দফা (ঙ) অনুযায়ী মনোনয়নপদত্রর সাথে হলফনামা দাখিলের বিধান রয়েছে এবং মোশারফ হোসেন ও জাকির হোসেন দুলাল তাদের হলফনামায় অসম্পূর্ণ তথ্য প্রদান করেছেন বিধায়, উপজেলা পরিষদ নির্বাচন বিধিমালা, ২০১৩ এর বিধি ১৭ এর উপ-বিধি (৩) এর দফা (ঙ) অনুযায়ী তাদের মনোনয়নপত্র অবৈধ হওয়ার কথা।
এই ঘটনা বাইরে প্রকাশের পর নির্বাচনী এলাকা গোসাইরহাটে ভোটার ও অন্যান্য চেয়ারম্যান প্রার্থীদের মধ্যে ব্যাপক সমালোচনা ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।
গোসাইরহাট উপজেলার ভোটার দেলোয়ার হোসেন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “নির্বাচিত হওয়ার আগেই তারা অবৈধ, তাদের কাছ থেকে কিভাবে গোসাইরহাটবাসীর উন্নয়ন হবে!?” আরো একজন ভোটার আল-আমিন বলেন, “এতগুলো মামলায় অভিযুক্ত প্রার্থীদের মনোনয়ন অতিসত্ত্বর বাতিল করা হোক ও যোগ্য প্রার্থীদের নিয়েই সুষ্ঠ ভোট অনুষ্ঠিত হোক”। এছাড়াও সাধারণ মানুষের আলোচনায় সুষ্ঠ ভোট না হওয়ার আশংকা প্রকট হচ্ছে।
গোসাইরহাট উপজেলা পরিষদের একজন চেয়ারম্যান প্রার্থী প্রশ্ন করেন,”আমার হলফনামায় মাত্র ১টি নিষ্পত্তিকৃত মামলার তথ্য না দেওয়াতে, নির্বাচন কমিশনার আমার মনোনয়নপত্রটি স্থগিত করলেন, অথচ মোশারফ হোসেন ও জাকির হোসেন দুলাল এতগুলো মামলার তথ্য গোপন করেও কিভাবে তাদের মনোনয়নপত্র বৈধতা পায়? ” তিনি আরো বলেন, “আমি আশা করি আগামী আপিল শুনানীর দিনে, নির্বাচন কর্মকর্তা সঠিক সিদ্ধান্ত নিবেন এবং অবাধ ও নিরপেক্ষ একটি ভোট উপহার দিবেন”
উল্লেখ্য, গোসাইরহাট উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের মনোনয়ন বৈধতার আপীলের শুনানী আগামী ১১ মে অনুষ্ঠিত হবে। সাধারণ ভোটার ও সকল প্রার্থী ১১ মে নির্বাচন কমিশনার থেকে সঠিক সিদ্ধান্তের আশায় থাকবে।
মন্তব্য করুন


ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় চারজন নিহত ও পাঁচজন আহত হয়েছেন।
হাইওয়ে পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার (২ জানুয়ারি) রাত ১২টার দিকে শ্রীনগর উপজেলার নিমতলী এলাকায় একটি কাভার্ডভ্যানের পেছনে মাওয়ামুখী আব্দুল্লাহ পরিবহনের একটি বাস সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে বাসটি দুমড়ে-মুচড়ে গেলে ঘটনাস্থলেই বাসের হেলপার মো. জীবন (৪৪) নিহত হন। তার বাড়ি শ্রীনগর উপজেলার কল্লিগাঁও গ্রামে। এ ঘটনায় বাসযাত্রী মো. রায়হান (২৭) আহত হয়ে হাসপাতালে নেওয়ার পথে মারা যান। তিনি সিরাজদিখান উপজেলার মালখানগর ইউনিয়নের দেবিপুরা গ্রামের বাসিন্দা।
অপরদিকে, শুক্রবার (৩ জানুয়ারি) ভোর ৪টার দিকে শ্রীনগরের হাসাড়া এলাকায় আরেকটি দুর্ঘটনায় আরও দুজন প্রাণ হারান। তবে নিহতদের পরিচয় এখনো নিশ্চিত করা যায়নি। তাদের আনুমানিক বয়স ৩৫ ও ২৫ বছর বলে ধারণা করা হচ্ছে।
শ্রীনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. ক্যামিলিয়া সরকার জানান, রাতেই দুজনের মরদেহ হাসপাতালে আনা হয় এবং ভোরে আরও দুজনের মরদেহ আনা হয়েছে।
পুলিশ দুর্ঘটনার কারণ তদন্ত করছে এবং আহতদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
মন্তব্য করুন