

প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের কনসার্টে অংশ নিলেন ভারতের সংগীতশিল্পী দর্শন রাভাল।
১৪ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার রাতে দর্শন রাভাল গান গেয়ে মাতান ঢাকার শ্রোতাদের।
রাজধানীর আন্তর্জাতিক কনভেনশন সিটি বসুন্ধরার (আইসিসিবি) নবরাত্রি হলে গান পরিবেশন করেন দর্শন রাভাল।
‘দর্শন রাওয়াল লাইভ ইন ঢাকা’ শীর্ষক কনসার্টটির আয়োজক টোয়েন্টি টু ইভেন্টস।
আয়োজকেরা জানিয়েছিলেন, দর্শনের আগে গান পরিবেশন করবেন দেশের তরুণ গায়ক তানভীর ইভান। সন্ধ্যা ৭টার পর মঞ্চে ওঠেন এই গায়ক। উপস্থিত দর্শকের সামনে গান পরিবেশন করেন তিনি।
নিজের গাওয়া ‘তেরা জিকর’, ‘বেখুদি’, ‘কামারিয়া’, ‘রঙ্গিলা তারা’সহ অন্যদের জনপ্রিয় গানও পরিবেশন করেন দর্শন রাভাল ৷ পুরো সময় ধরেই তার গায়কীতে মেতেছিলেন ঢাকার দর্শকরা।
২০১৪ সালে ভারতের একটি সংগীত রিয়েলিটি শোতে অংশ নিয়ে পরিচিতি পান দর্শন রাভাল।
মন্তব্য করুন


বাংলা চলচ্চিত্রের ‘মিয়া ভাই’ খ্যাত বীর মুক্তিযোদ্ধা আকবর হোসেন খান দুলু ওরফে চিত্রনায়ক ফারুকের মরদেহ দেশে পৌঁছেছে। মঙ্গলবার (১৬ মে) সকাল ৭টা ৪০ মিনিটের ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের একটি বিশেষ ফ্লাইটে তার মরদেহ দেশে পৌঁছায়।
বিমানবন্দর সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
এর আগে সিঙ্গাপুরের স্থানীয় সময় মঙ্গলবার ভোর ৫টা ৪০ মিনিটে ইউএস-বাংলার বিএস-৩০৮ ফ্লাইটটি নায়ক ফারুকের মরদেহ নিয়ে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হয়।
সোমবার (১৫ মে) স্থানীয় সময় সকাল ১০টায় সিঙ্গাপুর মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন চিত্রনায়ক ফারুক। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৫ বছর। তিনি স্ত্রী ফারজানা পাঠান, কন্যা ফারিহা তাবাসসুম পাঠান ও পুত্র রওশন হোসেন, আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধবসহ অসংখ্য ভক্তবৃন্দ রেখে গেছেন।
তার ভগ্নিপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা কে.বি.এম মফিজুর রহমান খান জানান, গাজীপুরের কালীগঞ্জে বাবার কবরের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত হবেন চিত্রনায়ক ফারুক। তার বাবা আজগর হোসেন পাঠান উপজেলার তুমুলিয়া ইউনিয়নের সোমটিওরী কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের পাশে পারিবারিক কবরস্থানে শায়িত আছেন। সেখানেই ফারুকের মরদেহ দাফন করা হবে।
তিনি বলেন, ‘তার (ফারুক) স্ত্রী ফারজানা পাঠান মেয়ে ফারিহা তাবাসসুম পাঠান, ছেলে রওশন হোসেনসহ সকল আত্মীয় স্বজনের সাথে কথা বলে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। জীবিত অবস্থায় ফারুক সবাইকে (অসিয়ত) বলে গিয়েছেন, যেন মৃত্যুর পর তাকে গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণ সোম গ্রামে পারিবারিক কবরস্থানে তার বাবা আজগর হোসেন পাঠানের কবরের পাশে শায়িত করা হয়।’
তিনি জানান, চিত্রনায়কের মরদেহ মঙ্গলবার (১৬ মে) সকাল ৯টায় রাজধানী ঢাকার উত্তরায় নিজ বাসায় নিয়ে যাওয়া হবে।
বেলা ১১টায় জাতীয় শহীদ মিনারে সর্বস্তরের জনগণের শ্রদ্ধা জ্ঞাপনের জন্য নেওয়া হবে। বাদ জোহর এফডিসিতে চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্টরা শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করবেন এবং সেখানে দ্বিতীয় নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর বাদ আসর গুলশান আজাদ মসজিদে তৃতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। সবশেষ সন্ধ্যা ৭টায় গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলার তুমুলিয়া দক্ষিণ সোম গ্রামের বাড়িতে চতুর্থ জানাজা সোমটিওরী কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ সংলগ্ন ঈদগাহ ময়দানে অনুষ্ঠিত হবে।
জানাজা শেষে সোমটিওরী কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ সংলগ্ন পারিবারিক কবরস্থানে বাবা আজগর হোসেন পাঠানের পাশে শায়িত হবেন এই কিংবদন্তি অভিনেতা।
মন্তব্য করুন


বিশ্ব মা দিবসে অনুষ্ঠিত এক আয়োজনে অঝোরে কাঁদলেন অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী।
সন্তানদের কৃতিত্বের জন্য বিশ্ব মা দিবসে শোবিজ ও বিভিন্ন অঙ্গনের ১১ রত্নগর্ভাকে ‘গরবিনী মা’ সম্মাননা প্রদান করা হয়।
রোববার (১২ মে) দুপুরে রাজধানীর মহাখালীতে রাওয়া কনভেনশন সেন্টারে ইউনিভার্সাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তাদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়কমন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক।
এদিন অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরীর মা গাজালা চৌধুরীকেও পুরস্কৃত করা হয়।
এসময় নিজের মাকে সম্মানিত হতে দেখে অঝোরে কাঁদতে থাকেন মেহজাবীন। এরপর মাকে নিয়ে স্মৃতিচারণ করেন মেহজাবীন।
অভিনেত্রী মেহজাবীন বলেন, নিজের কাজের জন্য মাকে সম্মানিত হতে দেখার আনন্দটা ভাষায় প্রকাশ করার মতো না। আমার মনে হয়, প্রত্যেকটা সন্তানই যখন তার মা সম্পর্কে কথা বলতে যায় তখন সবার চোখেই পানি চলে আসে। আজকে আমার যে অবস্থান তার পেছনে আমার মায়ের অবদান অনেক। আমাকে এখানে আসতে সহযোগিতা করতে গিয়ে মা যে কতটা ত্যাগ করেছেন সেটা হয়ত আমি এখানে বলতে পারব না! সেই ত্যাগের কথা বলে তাকে ছোট করতে চাই না এই মঞ্চে।
মন্তব্য করুন


এই পুরো গ্রামটাই হচ্ছে আসলে পুতুলের গ্রাম। পুতুলরাই সড়ক ধরে হাঁটার ভঙ্গিমায় দাঁড়িয়ে; দোকানে বসে আছে পুতুল দোকানি; বাড়ির উঠানেও পুতুল এবং এমনকি স্কুলের সারি সারি বেঞ্চে বসে থাকা সব বাচ্চা পুতুল। এই গ্রামে কি জীবিত কেউ থাকে না? অবশ্যই থাকে তবে সঙ্গে নিয়ে প্রাণহীন একঝাঁক পুতুল। আজকের আয়োজনটা এই অদ্ভুত আর রহস্যেঘেরা গ্রামটাকে কেন্দ্র করেই।
ছোট্ট গ্রাম নাগোরো। যে গ্রামে এককালে প্রায় ৩/৪০০ পরিবারের বাস ছিল। কিন্তু, এখন মাত্র ১৫ থেকে ১৬ জন মানুষ থাকেন সেখানে। কারণ কি? গত শতকের পঞ্চাশের দশকে গ্রামটিতে জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের কাজে একটি বাঁধ নির্মান করা হয়। এরপর থেকেই গ্রামে পানির অভাব দেখা দেয়। বেশীরভাগ মানুষ গ্রাম ছেড়ে চলে যেতে শুরু করে। রয়ে যান হাতে গোণা কয়েকজন কেবল।
জনসংখ্যা ধীরে ধীরে কমতেই থাকে। গ্রামটিতে শেষ শিশুর জন্ম হয়েছিল ২০০১ সালে। গ্রামটিতে এখন কোনো দোকান নেই। নেই কোনো হাসপাতালও। সামান্য অসুখ হলেও শহরে যেতে হয় বাসিন্দাদের। এক সমীক্ষায় জানা যায়, ২০১৪ সালে গ্রামটিতে মাত্র ৩৭ জন বাস করতো। যা ২০১৫ সালে কমে গিয়ে দাঁড়ায় ৩৫ জনে। এভাবেই ক্রমাগত কমতে থাকে গ্রামের লোকসংখ্যা।
গ্রামের নাম – পুতুলের গ্রাম! কারণ গ্রামের নির্জীব কিছু বাসিন্দা আছে। তারা সকলেই পুতুল! পুরো গ্রাম জুড়েই এদের দেখা পাওয়া যায়।
রাস্তায় দাঁড়িয়ে পুতুল, দোকানে পুতুল, স্কুলে পুতুল, বাড়ির উঠানে পুতুল! সবখানে পুতুল! পুরো গ্রামটিকে ভরে ফেলা হয়েছে পুতুল দিয়ে। জীবিত বাসিন্দাদের সাথে ওরাও হয়ে উঠেছে এই গ্রামেরই নতুন বাসিন্দা। কিন্তু গ্রামটি পুতুলদের গ্রাম হয়ে উঠলো কী করে? এর জন্য দায়ী সুকিমি আইয়ানো নামের এক নারী।
যিনি বহুকাল আগে গ্রাম ছেড়ে পড়াশোনার জন্য ওসাকায় চলে গিয়েছিলেন। তারপরে সেখানেই বিয়ে করে সংসার পাতেন। ২০০২ সালে নিজের অসুস্থ বাবার দেখাশোনা করার জন্য ফিরে আসেন তিনি গ্রামে। এসে অবাক হয়ে যান! তিনি গ্রাম ছেড়ে চলে যাওয়ার সময়েও গ্রামে প্রায় ৩০০ মানুষ ছিল। কিন্তু তখন গ্রামের লোকসংখ্যা পঞ্চাশেরও নিচে নেমে গিয়েছিল। হতাশ হয়ে যান সুকিমি। কিন্তু কী আর করা? নিজের বাবার দেখাশোনা আর মাঝে মাঝে টুকটাক ক্ষেতে কাজ করা শুরু করেন তিনি।
২০০৩ সালের কথা। সুকিমির বাবার একটি মূলা আর মটরশুঁটির ক্ষেত ছিল। সেই ক্ষেতের দেখাশোনা করতে লাগলেন সুকিমি। কিন্তু গ্রামে কাক আর অন্যান্য পাখিদের উৎপাত বাড়তে লাগলো দিনকে দিন। নীরব আর জনবিরল জায়গা বলে পাখিরা নিজের আবাসস্থল বানাতে শুরু করলো। সমস্যা বাঁধল, পাখিগুলোর ব্যাপক অত্যাচারে। কোনো গাছের চারা বের হলেই পাখিরা চারাগুলো নষ্ট করে দিতো। বিরক্ত হয়ে একদিন সুকিমি একটি কাকতাড়ুয়া বানালেন। ওটার মুখটা বানালের নিজের বাবার মুখের আদলে! তারপর দাঁড় করিয়ে দিলেন ক্ষেতের ঠিক মাঝ বরাবর।
কাকতাড়ুয়াটাকে মানুষ ভেবে ভয়ে আর এলো না পাখিগুলো। ব্যাপারটা সুকিমিকে নতুন করে ভাবাতে বাধ্য করলো। পুতুল গ্রামের শুরুটা হয়েছিল এভাবেই। মৃত মানুষদের স্মরণে একের পর এক পুতুল বানাতে লাগলেন তিনি। প্রথম পুতুলটা বানালেন নিজের এক মৃত প্রতিবেশীর আদলে। যার সাথে ছোটবেলায় খেলতেন তিনি, তারপর ওটাকে বসিয়ে দিলেন সেই প্রতিবেশীর বাড়িতে। ধীরে ধীরে পুতুলে ভরে যেতে লাগলো গ্রামটি।
গ্রামের অন্য বাসিন্দারাও সুকিমির এই বিচিত্র শখে বেশ উৎসাহই দিতে লাগলেন। ফাঁকা গ্রামে পুতুলগুলোর উপস্থিতি উনাদের মন্দ লাগতো না। এভাবেই চলতে লাগলো। ধীরে ধীরে আলোচিত হয়ে উঠতে লাগলো নাগোরো গ্রামের পুতুলগুলো।
এভাবেই কেটে গেল নয়টি বছর। ২০১২ সালের কথা। গ্রামের স্কুলে তখন মাত্র দুজন শিক্ষার্থী ছিল। তাদের স্কুলের পড়াশোনাও একটা পর্যায়ে গিয়ে শেষ হলো! উচ্চ শিক্ষার আশায় শহরের দিকে পাড়ি দিল ওরা। স্কুল রয়ে গেল ফাঁকা। কোনো ছাত্র-ছাত্রী নেই। তাই বন্ধ হয়ে গেল গ্রামের একমাত্র স্কুলটিও।
ওই স্কুলে সুকিমিও ছোটবেলাতে পড়তেন। নিজের সহপাঠীদের চেহারা ভেবে ভেবে তিনি পুতুল বানাতে শুরু করলেন। পরিচিত শিক্ষকদেরও পুতুল বানালেন। সেগুলোকে বই-খাতা সহকারে বসিয়ে দিলেন ভিন্ন ভিন্ন শ্রেণীকক্ষে। ধীরে ধীরে প্রতিটি শ্রেণীকক্ষই ভরে উঠলো পুতুলে। যেন সবাই শান্তমনে বসে ক্লাস করছে।
কিন্তু সব কিছু নীবর! তাই, গ্রামের প্রতিটি দোকান খুলে দেওয়া দেওয়া হলো। সেখানেও বসিয়ে দেওয়া হলো পুতুলদের। নেই কোনো মালামাল, নেই কোনো খদ্দের, শুধু আছে পুতুল!
জানা যায়, গ্রামের শেষ বিয়েটি হয়েছিল ১৯৮৮ সালে। যে জায়গাতে বিয়ের উৎসব হতো সেখানে দুটো বর আর বউ পুতুল বানিয়ে বসিয়ে দেন সুকিমি। আশেপাশে বসে আছে নিমন্ত্রিত অতিথিরা। বিভিন্ন বাদ্যযন্ত্র নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে বাদকেরা। যেন পুতুল বিয়ে হচ্ছে সেখানটাতে।
গ্রামটি আবার ভরে উঠলো। কিন্তু নেই কোনো কোলাহল। নেই কোনো শব্দ। এভাবেই কেটে গেল আরো দুটি বছর। ২০১৪ সালে জার্মান তথ্যচিত্র নির্মাতা ফ্রিটজ স্কুম্যান এই গ্রামটি নিয়ে তৈরী করেন তাঁর বিখ্যাত তথ্যচিত্র ‘ভ্যালি অফ ডলস’। এরপর থেকেই গোটা পৃথিবীতে নাগোরো পরিচিত হয়ে ওঠে ‘পুতুলদের গ্রাম’ হিসাবে। দেশ বিদেশ থেকে পর্যটকেরা আসেন শুধুমাত্র এই গ্রামটি দেখতে।
পর্যটকেরা অবাক না হয়ে পারে না। গাছের নিচে কেউ বসে আছে, পার্কে প্রেমিক-প্রেমিকা, স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীরা…সবকিছুকে কেমন যেন জীবন্ত মনে হয় তাদের কাছে। সুকিমির কাজ এতই নিখুঁত যে তারা চমকে উঠতে বাধ্য হন! পুতুল বানানোর ক্লাসও নিয়ে থাকেন সুকিমি। বছরের এপ্রিল থেকে নভেম্বর পর্যন্ত প্রতি বুধবার তিনি পর্যটকদের দেখান যে কী করে পুতুল বানাতে হয়। যদিও পুতুল বানানোর সরঞ্জাম শিক্ষার্থীকেই বহন করতে হয়।
বছরের অক্টোবর মাসে গ্রামের সবগুলো পুতুল নিয়ে একটি প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। ২০১৩ সাল থেকে এমনটা হয়ে আসছে। এই সময়েই সবচেয়ে বেশী পর্যটক আসে গ্রামটিতে। আপনি চাইলে সুকিমির বাড়িতেও যেতে পারেন। তার বাবা এখনো জীবিত। ভদ্রলোকের বয়স এখন ৯০। নাগেরোর সবচেয়ে বয়স্ক ব্যক্তি তিনিই।
মোটামুটি এই ছিল নাগোরোর পুতুল গ্রামের গল্প।
মন্তব্য করুন


২০১৪ সালে
লাক্স-চ্যানেল আই সুপারস্টার সুন্দরী প্রতিযোগিতার মাধ্যমে শোবিজে পথচলা শুরু হয়
নাজিফা তুষি। ক্যারিয়ারে বেশি কাজ না করলেও বারবার আলোচনায় উঠে এসেছেন নাজিফা
তুষি। ২০২২ সালের আলোচিত সিনেমা ‘হাওয়া’র সফলতা ক্যারিয়ারে অনেকটা এগিয়ে দিয়েছে। ২৯
জুলাই ২০২২ সালে ‘হাওয়া’ সিনেমাটি মুক্তি পায়। এখনও সিনেমাটি চলছে দেশ- বিদেশি
ওটিটি মাধ্যমে। সিনেমাটি ভারতীয় স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম সনি লিভে মুক্তি পেয়েছে।
বাংলা, হিন্দি, তেলেগু, তামিল ও মালয়ালাম ৫ টি ভাষায় দেখা যাচ্ছে সিনেমাটি।
বিষয়টি নিয়ে ‘হাওয়া’র
নায়িকা নাজিফা তুষির ভাষ্য, এটা খুবই ভালো লাগার বিষয়। প্রথম যখন দেখলাম আমার মুখে
কথা তামিল বা অন্য ভাষায় ডাবিং করা হয়েছে, বিষয়টি মজাই লেখেছে।
হাওয়া সনি লিভে মুক্তি
পাওয়ার পর থেকেই ভারতের কলকাতা ও মুম্বাই থেকে কাজের অফার পাচ্ছে তুষি। তার ভাষ্য,
যেখানেই কাজ করি না কেন কোয়ালিটি কাজের ক্ষেত্রে এক চুলও ছাড় দিতে চাই না আমি।
নাজিফা তুষি বলেন, আমি
কাজের মানের দিকে সব সময়ই নজর রাখি। আমার ক্যারিয়ারে অনেক কাজ করিনি, কয়েকটি
চরিত্রে অভিনয় করেছি। সংখ্যার চেয়ে কোয়ালিটির দিকে মনযোগী ছিলাম।
মন্তব্য করুন


ছোটবেলায় যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ অভিনেত্রী জামিলা জামিল। এরপর থেকে তার ভেতর সব সময় একধরনের ট্রমা কাজ করে। এড়িয়ে চলেন রগরগে দৃশ্যে অভিনয়, এমনকী কোনো ছবিতে এমন দৃশ্য থাকলে তা দেখেনও না তিনি। আর এ কারণেই নেটফ্লিক্সের সিরিজ ‘ইউ’-এর অডিশন থেকে বেরিয়ে আসেন অভিনেত্রী।
সম্প্রতি ‘দ্য গুড প্লেস’ খ্যাত তারকা পডক্রাশড পডকাস্টে তার নিজের চিন্তাভাবনা তুলে ধরেন। জামিলা বলেন, “নেটফ্লিক্সের সিরিজ 'ইউ'-এর চতুর্থ সিজনের জন্য আমার অডিশন দেওয়ার কথা ছিল। তবে যখন জানতে পারি এই চরিত্রটি বেশ সেক্সি, তখনই আমি অডিশন থেকে সরে আসার কথা জানিয়ে দিই। কারণ, এ ধরনের যৌন দৃশ্যে আমি স্বচ্ছন্দ নই।’ যদিও ঠিক কোন দৃশ্যের জন্য তিনি অডিশন দিচ্ছিলেন, তা প্রকাশ্যে আনেননি জামিলা জামিল।
কেন যৌন দৃশ্যে তিনি স্বচ্ছন্দ নন, তার অন্যতম কারণ হিসাবে শৈশবের 'ট্রমা' (মানসিক আঘাত), শৈশবের যৌন নির্যাতনের কথা সামনে এনেছেন জামিলা জামিল। অভিনেত্রী জানান, তার শৈশব ভীষণই কঠিন, নোংরা ছিল। শৈশবে তার ওপর চলা যৌন নির্যতনের কথা তিনি ভুলতে পারেননি, সেগুলো থেকে বের হয়ে আসতে পারেননি। আর তারই ফলস্বরূপ তিনি নিজের জন্য এই নিয়ম তৈরি করেছেন। সিদ্ধান্ত নিয়েছেন কখনো কোনো যৌন দৃশ্যে তিনি অভিনয় করবেন না।
তার কথায়, ‘অন্য অভিনেতাদের কাছে যৌনদৃশ্য যেমন, আমার কাছে এটা ঠিক তেমন নয়। এমনকী ছবিতে কোনো যৌন দৃশ্য থাকলে সেটা আমি দেখি না, এড়িয়ে যাই।’
জামিলা জামিল জানান, তিনি ‘ইউ’-এর নির্মাতাদের স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, যদি যৌন দৃশ্য ছাড়া সিরিজে অন্য কোনো চরিত্রে তাকে প্রয়োজন হয়, তাহলে তাকে তারা ডাকতে পারেন।
‘সি-হাল্ক’ অভিনেত্রী আরও স্পষ্ট করে বলেন, ‘এটা লজ্জার কিছু নয়। তবে আমি অনুভব করি যে এটির চারপাশে একটি বিশ্রীতা রয়েছে।’
মন্তব্য করুন


নুসরাত ফারিয়া দুই বাংলার জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা। সম্প্রতি
‘সুড়ঙ্গ’ সিনেমায় আইটেম গানে নেচেছেন ফারিয়া। এর রেশ কাটতে না কাটতেই এবার ‘খেলা হবে’
শিরেনামের গান নিয়ে হাজির হতে যাচ্ছেন নুসরাত ফারিয়া।
ভারতীয় বাংলা সিনেমার পরিচালক রাজ চক্রবর্তী নির্মাণ
করছেন ওয়েব সিরিজ ‘আবার প্রলয়’। এতে আইটেম গানে নেচেছেন নুসরাত।
৪ আগস্ট শুক্রবার গানটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে
প্রকাশ করেন রাজ চক্রবর্তী। সেখানে দেখা যায় লাল ঘাগরায় মেনকা সেজে ঠুমকা লাগিয়েছেন
এই অভিনেত্রী। তার সঙ্গে তাল মিলিয়েছেন গৌরব চক্রবর্তী।
এ সিরিজে
গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে রয়েছেন পরাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, গৌরব চক্রবর্তী, কৌশানি মুখোপাধ্যায়,
সোহিনী সেনগুপ্ত, জুন মালিয়া। ধর্মগুরু হিসেবে দেখা যাচ্ছে ঋত্বিক চক্রবর্তীকে।
১১
আগস্ট শুক্রবার থেকে ওটিটি (ওভার দ্য টপ) প্ল্যাটফর্মে দেখা যাবে নতুন সিরিজটি।
মন্তব্য করুন


গত কয়েক বছর ধরেই নিজের টেলিভিশন চ্যানেল এটিএন বাংলায় একক অনুষ্ঠান করে নিয়মিতই গান শোনাচ্ছেন ড. মাহফুজুর রহমান। মাঝে মধ্যে তাকে বিভিন্ন ঘরোয়া অনুষ্ঠানেও গান গাইতে দেখা গেছে ।
সম্প্রতি বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন কর্পোরেশনে (বিএফডিসি) একটি অ্যাওয়ার্ড আয়োজনের চুক্তি সই অনুষ্ঠানে যোগ দেন তিনি। বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির সঙ্গে এটিএন বাংলার এই চুক্তি সই হয়।
অনুষ্ঠানের একপর্যায়ে খালি গলায় বাংলা ও হিন্দি গান গেয়ে শোনান মাহফুজুর রহমান।
এ সময় তিনি বলেন, ইদানিং মেহেদী হাসানের গজল কিছু গাওযা শুরু করেছি। গজল গাওয়ার পর দেখলাম, যে আমার বাংলা গানের থেকে এর শ্রোতা অনেকে বেশি। মিলিয়ন মিলিয়ন শ্রোতা পাচ্ছি আমি।
গান গাওয়ার এক পযার্য়ে পাঁচ বছরের সাধনায় গলা ঠিক করেছেন জানিয়ে মাহফুজুর রহমান বলেন, আমি কথা বলি একটা ভয়েসে, গান গাই আরেকটা ভয়েসে। এটি রপ্ত করতে আমার পাঁচ বছর সময় লাগছে। যেমন- আমি কথা বলার সঙ্গে গানের গলার কোনও মিল নেই।
অনুষ্ঠানে সিনেমা প্রযোজনা করার ঘোষণাও দেন ড. মাহফুজুর। তিনি জানান, আগামী ঈদ-উল-ফিতরের আগে ছয়টি সিনেমা প্রযোজনা করবেন।
চিত্রনায়ক সাইমন সাদিক ও ইমনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির সভাপতি কাজী হায়াৎ, মহাসচিব শাহীন সুমন, সাংগঠনিক সম্পাদক শাহীন কবির টুটুল, পরিচালক শাহ আলম কিরন, জাকির হোসেন রাজু, মনতাজুর রহমান আকবর, চিত্রনায়ক সোহেল রানা, অভিনেত্রী অরুণা বিশ্বাস, রোজিনা প্রমুখ।
মন্তব্য করুন


যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্কের গুরুত্বপূর্ণ স্থান টাইমস স্কয়ারের বিলবোর্ডে একসঙ্গে দেখা মিলল ৯ জন বাংলাদেশি শিল্পীর মুখ। এর মধ্যে রয়েছেন ইমরান মাহমুদুল, ফাতেমা তুয যাহরা ঐশী, দিলশাদ নাহার কণা, মাশা ইসলাম, জাহিদ নিরব, মুজিব পরদেশি, ইনিমা রশ্নি ও কাজল দেওয়ান।
এছাড়া সবার ওপরে বড় করে যার ছবিটি স্থান পেয়েছে, তিনি সংগীত পরিচালক পাভেল আরিন।
জানা যায়, পাভেলের হাত ধরেই এই টাইমস স্কয়ার যাত্রা। মূলত তিনি একটি নতুন সংগীত সেশন চালু করেছেন। যেটার নাম দিয়েছেন ‘লিভিং রুম সেশন’। এই প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়ার জন্যই টাইমস স্কয়ারের একটি বিলবোর্ডে প্রদর্শন হয় প্রজেক্টটির নামসহ শিল্পীদের ছবি।
‘লিভিং রুম সেশন’ নিয়ে পাভেল আরিন বলেছেন, ইতোপূর্বে সিনেমা ও টেলিভিশনে অনেক কাজ করেছি। এবার ভাবলাম নতুন কিছু করি। তাই এই প্রজেক্ট। এটা কিছুটা জ্যামিংয়ের মতো হবে, তবে গানগুলো মিউজিক্যালি যাতে মানসম্পন্ন হয়, সেদিকটা নজরে রাখছি।
এই প্রজেক্টের পরিবেশনায় থাকছে মাশরুম এন্টারটেইনমেন্ট। অডিও প্রডাকশনে বাটার কমিউনিকেশন আর ভিডিওর দিকটি সামলাচ্ছেন মারুফ রায়হান। আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি ভ্যালেন্টাইনস ডে উপলক্ষে সেশনের প্রথম পরিবেশনাটি উন্মুক্ত করা হবে।
মন্তব্য করুন


এমন রহস্যময় ছবি ও ক্যাপশন দেখে নেটিজেনদের মধ্যে কৌতুহল সৃষ্টি হয়েছে । কারণ ছবিতে দেখা যায়, ক্যাজুয়াল কালো এবং সাদা পোশাকে স্ক্রিপ্ট পড়ছেন এই অভিনেত্রী।
এছাড়া সানি লিওন তার ‘কেনেডি’ সিনেমাতে চার্লি চরিত্রে অসাধারণ অভিনয়ের জন্য প্রচুর প্রশংসা পেয়েছেন। ‘কেনেডি’ সিনেমাটি কান ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল ২০২৩-এ স্ট্যান্ডিং ওভেশন পেয়েছে এবং কান ২০২৩ সালে মধ্যরাতের স্ক্রীনিংয়ের সময় প্রিমিয়ার হয়েছিল।
মন্তব্য করুন


চিত্রনায়িকা পূজা চেরির মা ঝর্ণা রায় এ বছরের ২৪ মার্চ সকালে মিরপুরের নিজ বাসায় মৃত্যুবরণ করেন। অভিনেত্রী পূজা চেরি মাকে হারানোর বেদনা এখনও সামলাতে পারেননি।
আজ মা দিবস। জীবনের প্রথম মাকে এছাড়া দিবসটি পালন করতে হচ্ছে। তাই মায়ের মুখটাই বেশি মনে পরছে পূজার।
সামাজিকমাধ্যমে পূজা লেখেন, মামুনি দেখেছো? তুমি কি পচা কাজ করেছো। সকালে ঘুম থেকে উঠেই অঝরে চোখ থেকে জল পরতে দিলে! সারাজীবনই তো এই জল পরবে মা। কি করে থামাবো? উফ খুব কষ্ট হচ্ছে মামুনি। আর লিখতে পারছি না। বুকটা ফেটে যাচ্ছে। ভালো থেকো মামুনি। আর মনে রেখো, তোমার হাতে লাঠিটা অনেক মিস করে। অনেক অনেক অনেক। ভালো থাকুক পৃথিবীর সকল মা।
অন্য একটি পোস্টে পূজা লেখেন, আমি তো এতো ভেঙ্গে পরার মতো মেয়ে না। তবে আজকে কেনো এতো ভেঙ্গে পরছি!
এছাড়া ‘বিশ্ব মা দিবস’ উপলক্ষে দেশের একটি গণমাধ্যমে মাকে নিয়ে পূজা বলেন, মায়ের ডানায় নিজেকে সবচেয়ে নিরাপদ ভাবতাম আমি। আমাদের বয়সের পার্থক্য অনেক। তবুও ছিলাম বন্ধু আমরা। আমি যেমন মাকে বিশ্বাস করতাম, মাও বিশ্বাস করতেন আমাকে। সারাক্ষণ আমার আশপাশেই থাকতেন। প্রায়ই বলতেন, পূজা আমার হাতের লাঠি, আমার শক্তি। আমার মন এখনও পুরোপুরি বিশ্বাস করতে চায় না যে, আমার মা আর নেই। মনে হয় আমার সঙ্গেই আছেন মা।
মন্তব্য করুন