

পুরো সিরিজে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দলের ব্যাটারদের ব্যর্থতা ছিল একবারে চোখে পড়ার মতো। হাতেগোনা কয়েকটা ইনিংস ছাড়া ব্যাটিং ইউনিট হিসেবে ভালো খেলতে পারেননি বাংলাদেশের যুবারা। ওয়ানডে সিরিজের শেষ ম্যাচেও চোখে পড়েছে ব্যাটারদের দৈন্যদশা। ব্যাটিং ব্যর্থতায় ৮০ রানে হেরে পাকিস্তানের কাছে ৪-১ ব্যবধানে ওয়ানডে সিরিজ হারল বাংলাদেশের যুবারা।
রাজশাহীর শহীদ কামরুজ্জামান স্টেডিয়ামে জয়ের জন্য ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই উইকেট হারায় স্বাগতিকরা। সাজ্জাদ আলীর বলে লেগ বিফোর উইকেটের ফাঁদে পড়ে সাজঘরে ফেরেন ৫ রান করা আশিকুর রহমান শিবলি। আরেক ওপেনার মইনুল ইসলাম তন্ময় আউট হয়েছেন পরের ওভারেই।
রানের খাতা খোলার আগেই আলী আসফান্দের বলে লেগ বিফোর হন তন্ময়। পরের ওভারে বোলিংয়ে এসে বিপদজনক হয়ে উঠার আগেই জিসান আলমকে প্যাভিলিয়নে পাঠান সাজ্জাদ। ডানহাতি এই পেসারের বলে বোল্ড হয়েছেন দুই চার ও এক ছক্কায় ৬ বলে ১৪ রান করা জিসান।
পাওয়ার প্লে শেষ হওয়ার আগে আরিফুল ইসলামকে বিদায় করেছেন আরাফাত মানহাজ। স্ট্রেইট ড্রাইভ করতে গিয়ে উইকেট দিয়েছেন ২৪ বলে ৯ রান করা আরিফুল। ৩৮ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে বিপাকে পড়ে বাংলাদেশ। সেখান থেকে টাইগারদের টেনে তোলেন আহরার আমিন পিয়ান ও শিহাব জেমস।
বিপদ সামলানোর পাশাপাশি দারুণ ব্যাটিংয়ে ৫২ বলে হাফ সেঞ্চুরি করেন আহরার আমিন। যদিও হাফ সেঞ্চুরির পর বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি তিনি। আরাফাতের বলে টপ এজ হয়ে থার্ডম্যানে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফেরেন ৫৩ রান করা এই ব্যাটার। এদিকে তাকে সঙ্গ দেয়া শিহাব হাফ সেঞ্চুরি পেয়েছেন ৬৮ বলে।
এরপর দ্রুতই জাকারিয়া ইসলাম শান্ত, মাহফুজুর রাব্বি, শিহাব, একান্ত শেখ, ওয়াসি সিদ্দিকীকে হারায় বাংলাদেশ। ফলে ১৩ ওভার বাকি থাকতেই ১৬৪ রানে অল আউট হয় স্বাগতিকরা। পাকিস্তানের যুবাদের হয়ে আলী আসফান্দ ও আরাফাত তিনটি করে উইকেট নিয়েছেন।
এর আগে টস হেরে ব্যাটিং করতে নেমে ৫০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ২৪৪ রান তোলে পাকিস্তান। সফরকারীদের হয়ে হামজা নওয়াজ ৭২, শাহজাইব খান ৬৭, আজান আওয়াইজ ৪১ এবং আরাফাত ৪০ রান করেছেন। বাংলাদেশের হয়ে চারটি উইকেট নিয়েছেন মাহফুজুর রাব্বি।
মন্তব্য করুন


আজ বিকেল ৩টা ৩০ মিনিটে বেঙ্গালুরুর কান্তিরাভা স্টেডিয়ামে প্রথম সেমিফাইনালে মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ ও কুয়েত। রাতে অপর সেমিফাইনালে লড়বে ভারত ও লেবানন।
গ্রুপপর্বে বাংলাদেশ প্রথম ম্যাচে লেবাননের কাছে ২-০ ব্যবধানে হেরে যায়। পরের ম্যাচে মালদ্বীপের বিপক্ষে পিছিয়ে পড়েও ৩-১ ব্যবধানে জয় তুলে নিয়ে সেমিফাইনালের আশা বাঁচিয়ে রাখে। এরপর গ্রুপপর্বের শেষ ম্যাচে ভুটানকে ৩-১ গোলে হারিয়ে ১৪ বছর পর সেমিফাইনালে উঠে।
বাংলাদেশ সবশেষ ২০০৫ সালে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল খেলেছিল এবং ভারতের কাছে হেরে রানার্স-আপ হয়েই সন্তুষ্ট থেকেছিল। কুয়েতকে হারিয়ে এবার কি মোরসালিন-রাকিবরা কি পারবে ১৮ বছরের অপেক্ষার পালা ঘোচাতে?
এক দুই নয়, দীর্ঘ ১৪ বছর পর সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের সেমিফাইনালে উঠেছে বাংলাদেশ। ১৮ বছর পর সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে ওঠার সুযোগ। কিন্তু টপকাতে হবে কুয়েতের মতো শক্ত বাধা। ফিফা র্যাংকিংয়ে কুয়েত আছে ১৪১তম অবস্থানে। আর বাংলাদেশ আছে ১৯২তম অবস্থানে। শক্তিমত্তার বিষয়টি র্যাংকিংয়ে স্পষ্ট। জামাল ভূঁইয়া অবশ্য বিষয়টি অস্বীকার করেননি। তিনি জানিয়েছেন কুয়েক শক্তিশালী দল। কিন্তু তারা আত্মবিশ্বাসে বলীয়ান।
ম্যাচ পূর্ববর্তী সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশের অধিনায়ক বলেছেন, ‘কুয়েত শক্তিশালী দল। অন্য গ্রুপে তারা নাম্বার ওয়ান হয়েছে। তারা যে শক্তিশালী সেটার প্রমাণ এটা। তবে আমাদের নিজেদের প্রতি আত্মবিশ্বাস আছে। আমাদের খেলোয়াড়রা লড়াই করতে প্রস্তুত।
জামাল মনে করছেন ভুটান ও মালদ্বীপের চেয়ে কুয়েক একধাপ বেশি শক্তিশালী। তাই তাদের বিপক্ষে ওই লেভেলে উঠে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে হবে, ‘ভুটান ও মালদ্বীপের প্রতি সম্মান রেখে বলছি, কুয়েত তাদের চেয়ে এক লেভেল উপরে। সুতরাং তাদের বিপক্ষে আমাদের লড়াই করতে হবে সেই লেভেলে উঠে। তাহলেই কেবল তাদের বিপক্ষে ভালো করা সম্ভব।
মন্তব্য করুন


ভারতের আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে গত মাসের পাঁচ তারিখে ২০১৯ বিশ্বকাপের ফাইনালের পুনরাবৃত্তি দিয়ে শুরু হয়েছিল বিশ্বকাপের ১৩তম আসর। দশ দল নিয়ে শুরু হওয়া এই বৈশ্বিক আসর এসে ঠেকেছে দুই দলে। আহমেদাবাদেই স্বাগতিক ভারত ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার ফাইনাল দিয়ে পর্দা নামবে এই বিশ্বকাপের। চরম উত্তেজনাকর এই ম্যাচে আসরের সেরা দলের মুখোমুখি হচ্ছে বিশ্বকাপের ইতিহাসের সেরা দল।
এবারের আসরে এখন পর্যন্ত দুইদলের সার্বিক পরিস্থিতি দেখে মনে হচ্ছে, বিশ্বকাপ ইতিহাসের অন্যতম সেরা একটি ফাইনাল দেখতে যাচ্ছে ক্রিকেটপ্রেমীরা। এখন পর্যন্ত মোট পাঁচবার বিশ্বকাপ শিরোপা জিতেছে অস্ট্রেলিয়া। আগামীকাল তাদের হেক্সা মিশনের চূড়ান্ত লড়াই। অপরদিকে দুইবার বিশ্বজয় করেছে ভারত। তাদের সামনে তৃতীয় শিরোপা হাতে নেওয়ার সুযোগ।
এই ফাইনালের মঞ্চ ভারত বা অস্ট্রেলিয়া কোন দলের জন্যই অপরিচিত নয়। নিশ্চতভাবে অস্ট্রেলিয়ার জন্য তো নয়ই, অষ্টমবারের মতো তারা ফাইনালের মঞ্চ মাতাবে। কলকাতা, লন্ডন, জোহানেসবার্গ, বার্বাডোস এবং মেলবোর্নে তারা বিশ্বকাপ তুলেছে এমনভাবে যেভাবে বাচ্চারা তাদের খেলনা সংগ্রহ করে। অনেক দলের জন্য বিশ্বকাপ ফাইনাল খেলা একটি উপলক্ষ। অস্ট্রেলিয়ার জন্য, এটি জীবন ধারণের একটি উপায়। তবে এবার এই বিন্দুতে তাদের যাত্রা অনিশ্চয়তার মধ্যেই ছিল।
বিশ্বকাপে তারা তাদের প্রথম দুটি ম্যাচই হেরেছে, ৩৮৮ রান করার পরেও প্রায় হারতে বসেছিল, ২৯২ রান তাড়া করতে যেয়ে ৯১ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে হারতে বসছিল এবং সেমিফাইনালের প্রথম ঘন্টার মধ্যে তাদের প্রতিপক্ষকে ২৪/৪ করার পরও প্রায় হারতে বসছিল। তবুও তারা সব বাধা অতিক্রম করে ফাইনালে প্রায় চ্যাম্পিয়নও তারা। এটি এমন এক বছরে যে বছরে তারা ইতিমধ্যেই অ্যাশেজ ধরে রেখেছে এবং বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপও ঘরে তুলেছে, ক্রিকেট খেলার প্রতিটি ফরম্যাটে তিন বছরের বিশ্ব শিরোপা পূর্ণ করতে তাদের দরকার শুধু আগামীকালের ফাইনাল জয়। পারবে তো কামিন্সরা?
তবে বিশ্বকাপের সাথে অজিদের এতো ইতিহাস থাকার পরেও প্যাট কামিন্স এবং তার দল স্বীকার করবে যে তাদের প্রতিপক্ষ ফাইনালে ফেভারিট হিসাবে শুরু করবে এবং শুধুমাত্র এই কারণে নয় যে তারা স্বদেশী দর্শকদের সামনে ঘরের মাঠে খেলবে। এমনকি যারা সাধারণত ভারতীয় দলের বিরুদ্ধে থাকেন তারাও ভারতের এই দলের ক্রিকেটের এই সংস্করণে যে নির্ভুলতা এবং আগ্রাসণের সাথে কাজ করেছে তার প্রশংসা করবে। এই ভারতীয় দলের সাথে অনেকেই ২০০০ সালের পরের সব জয় করা বিখ্যাত অস্ট্রেলিয়া দলের সাথে মিল পাবেন।
এখানেই রোহিত শর্মা-রাহুল দ্রাবিড়ের কৃতিত্ব। এই ক্যাপ্টেন-কোচ জুটি একটি দলের সাফল্যের জন্য আক্রমণাত্মক ব্র্যান্ডের খেলা কতটা গুরুত্বপূর্ণ তা লুকানোর কোনও চেষ্টা করেনি ,একটি দলে সবার সুনির্দিষ্ট ভূমিকা এবং অসামান্য ব্যক্তিগত প্রতিভা দিয়ে ভারতকে অজেয়তার আভাস দিয়ে রেখেছেন।
তবে দ্রাবিড় এবং রোহিত কথা নয় কাজে দেখাও মনোভাবে বিশ্বাসী। বলিউডের সিনেমায় দেখানো হয় যোগ্যতার পিছনে ছুটতে কিন্তু বাস্তব জীবনে এখনও সাফল্য মাপা হয় সার্টিফিকেট এবং ট্রফি দিয়ে এটি দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্যি। ভারতের সর্বকালের সেরা ওয়ানডে দল হিসেবে স্বীকৃতি পেতে হলে, রোহিতকে কপিল দেব এবং মহেন্দ্র সিং ধোনির মতো অধিনায়কদের সারিতে রাখার জন্য শুধু স্কোরকার্ড এবং পরিসংখ্যান দিয়ে হবে না।
সেমিফাইনালে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে রোহিতের অসাধারণ অধিনায়কত্বের গল্প, শামির প্রথম বলে উইকেট, কোহলির দুর্দান্ত শতক, রোহিতের প্রায় ১০০ এবং বুমরাহর জাদুকরী বোলিংকে ইতিহাসের পাতায় ভালোভাবে স্মরণ করা হবে যদি আগামীকাল ট্রফিটি রোহিতের হাতে উঠে। ভারতের অবশ্যই সাফল্যের কোন ঐশ্বরিক অধিকার নেই এবং অধিনায়ক এবং কোচ একমত হবেন যে তারা কেবল পরিবর্তনের পথ প্রশস্ত করতে পারেন। তবে এখন ভারতের এই দলের নিখুঁত সমাপ্তির স্ক্রিপ্ট করার সর্বোত্তম উপায় হল মাঠে জবাব দেয়া।
এই দুই হেভিওয়েটের চেন্নাইতে তাদের ম্যাচ শুরু না করার আগ পর্যন্ত এই বিশ্বকাপটি খুব একটা দৌড়াতে পারেনি। এই দুইদলের তাদের চূড়ান্ত বক্তব্য না পাওয়া পর্যন্ত এটি শেষ হবে না। মোতেরা থেকে খালি হাতে ফিরে আসা অধিনায়কের কীর্তি হতাশায় আবদ্ধ হবে আর অপর অধিনায়ক একটি ১১ কিলো ভরের সোনা এবং রৌপ্যর প্রলেপ দেওয়ায় ট্রফি দিয়ে লোকগাঁথায় অমরত্ব পাবে।
মন্তব্য করুন


বিপিএলের ব্যস্ততা শেষ হয়েছে শুক্রবার। এখন আবার আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ফিরছে দেশের ক্রিকেট।পূর্ণাঙ্গ সিরিজ খেলতে ইতোমধ্যেই বাংলাদেশে এসেছে শ্রীলঙ্কা দল। তাদের বিপক্ষে সিরিজ শুরু হবে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি দিয়ে।
এই সিরিজের টিকিটের মূল্য ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) । তিন ম্যাচ টি-টোয়েন্টির সবগুলোই হবে সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে। শনিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিসিবি জানায়, গ্র্যান্ড স্ট্যান্ডের টিকিট কেনা যাবে ১৫০০ টাকায়।
সর্বনিম্ন মূল্য গ্রিন ও ওয়েস্টার্ন গ্যালারির, এখানে খেলা দেখতে ২০০ টাকা খরচ করতে হবে। এছাড়া ক্লাব হাউজ ৫০০ ও ইস্টার্ন গ্যালারির জন্য খরচ করতে হবে ৩০০ টাকা। সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম ও রিকাভিবাজারের কাউন্টার থেকে টিকিট কেনা যাবে। সকাল দশটা থেকে সন্ধ্যা সাতটা পর্যন্ত খোলা থাকবে বুথ।
আগামী ৪ মার্চ প্রথম টি-টোয়েন্টিতে মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কা। দ্বিতীয় ম্যাচ ৬ মার্চ, দুটি ম্যাচই হবে সন্ধ্যা ছয়টায়। ৯ মার্চ তৃতীয় টি-টোয়েন্টি শুরু হবে বিকেল তিনটায়। এরপর তিনটি ওয়ানডে ও দুটি টেস্ট খেলবে শ্রীলঙ্কা।
মন্তব্য করুন


সর্বশেষ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগ পর্যন্ত বাজে ফর্মের কারণে ব্যাপক ট্রল আর সমালোচনার শিকার হয়েছিলেন নাজমুল হোসেন শান্ত। তবে সেই বিশ্বকাপে ব্যাট হাতে দেশের হয়ে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক হয়ে ধারবাহিক হওয়ায়র ইঙ্গিত দেন। এরপর শুধুই ধারবাহিকতা নয়, সেই সব ট্রল আর সমালোচনার জবাবও দিচ্ছেন ব্যাট হাতে। গতকালের ম্যাচ শেষে এই ব্যাটারের প্রশংসা শোনা গেছে বাংলাদেশ অধিনায়ক তামিম ইকবালের কন্ঠেও।
আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজ জয়ে বড় অবদান নাজমুল হোসেন শান্তর। ৬৫.৩৩ গড়ে সিরিজের সর্বোচ্চ ১৯৬ রান এসেছে তার ব্যাট থেকে। যেখানে তিনি ব্যাটিং করেছেন ১০২.৬১ স্ট্রাইকরেটে। এমন পারফরম্যান্সে সিরিজ সেরার পুরস্কার ওঠেছে তার হাতে।
শান্তর জন্য সিরিজটি প্রাপ্তিতে ভরপুর ছিল। প্রথম ম্যাচটি যদিও ছিল অপূর্ণতার। আউট হয়ে যান ৪৪ রান করে। তবে পরের ম্যাচে দলের অসাধারণ রান তাড়ায় নায়ক তিনি ৯৩ বলে ১১৭ রান করে। যেটি তাকে এনে দেয় এই সংস্করণে প্রথমবার ম্যাচ সেরা হওয়ার সম্মান। শেষ ম্যাচে ব্যাট হাতে খেলেন ক্যামিও ইনিংস আর বল হাতে স্বাদ পান প্রথম আন্তর্জাতিক উইকেটের। তাতে নিশ্চিত হয় দলের সিরিজ জয় আর নিজে পান প্রথমবার ম্যান অব দা সিরিজের স্বীকৃতি।
গত বছর পর্যন্ত ১৫ ওয়ানডে খেলে একবারও ৪০ ছুঁতে পারেননি শান্ত। এ বছর ৭ ওয়ানডেতে ১ সেঞ্চুরি ও ৩ ফিফটি হয়ে গেল। ব্যাটিংয়ে এই ধারাবাহিকতার পাশাপাশি আলাদা করে নিজেকে ফুটিয়ে তুলেছেন তিনি ফিল্ডিংয়ে। এই আয়ারল্যান্ড সিরিজেও অসাধারণ ফিল্ডিং করেছেন মাঠের নানা প্রান্তে। এসবের পাশাপাশি শান্তর দল অন্তপ্রাণ মানসিকতাও তুলে ধরলেন তামিম।
তিনি বলেন, 'সবশেষ ২-৩ সিরিজ ধরেই সে খুব ভালো খেলছে। নিয়মিত রান করছে। আমাদের জন্য যা দারুণ ব্যাপার। তিন নম্বর এমন একটি পজিশন, যেখানে লম্বা সময়ের জন্য কাউকে আমরা নিয়মিত পাইনি। আমার মনে হয়, তিন নম্বরে সে নিজের জায়গা পাকা করেছে।'
'সে রান করছে নিয়মিত। শুধু রানই নয়, যেভাবে সে মাঠে ফিল্ডিং করে, সব জায়গায় নিজের সেরাটা দেয়। গ্রেট টিমম্যান… ওর জন্য আমি খুবই খুশি।'-আরও যোগ করেন বাংলাদেশ অধিনায়ক।
মন্তব্য করুন


১২ বছর বয়সী নুরে জারিন নুদার। বর্তমান সময়েরর ছেলে-মেয়েদের থেকে একটু আলাদা। যে বয়সে মেয়েরা মুঠোফোন নিয়ে ব্যস্ত। ওই বয়সে ক্ষুদে এ শিক্ষার্থী হাতে কোরআন লিখে পার করছে ব্যস্ত সময়। তার গল্প শুনলে অনেকেরই চোখ কপালে উঠবে। এই মাদরাসা শিক্ষার্থীর কোনো ক্লাসে পড়তে হয়নি প্রাইভেট। মাত্র ১০ মাসে নির্ভুল ভাবে সে পুরো আল-কোরআন হাতে লিখেছেন। তার দৃষ্টিনন্দন হাতের লেখা দেখলে যে কারো চোখ আটকাবে। মনে হবে এটি কম্পিউটারে ছাপা লেখা। চোখ জুড়ানো হাতের লেখায় পবিত্র কোরআন লিখে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে সে।
বর্তমানে নুদার বসুরহাট দারুল ইহসান গার্লস মাদরাসার ৬ষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী। ২০২২ সালের সেপ্টম্বর মাসের ঘটনা। তখন ১০ বছর বয়সী নুদার বাড়ির পাশের ইকরা আরাবিয়া মাদরাসার চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী। একদিন হঠাৎ মেয়ের সুন্দর আরবি হাতের লেখা চোখে পড়ে বাবার। এরপর তিনি মেয়েকে উদ্বুদ্ধ করেন পবিত্র কোরআন হাতে লিখতে। যে কথা, সেই কাজ। মেয়েকে প্রথমে এক রিম খোলা সাদা কাগজ এনে দেন তিনি। সেই থেকে শুরু। এরপর আস্তে আস্তে ১০ মাসে ২০২৩ সালের জুলাই মাসে নুদার কোরআন লিখে শেষ করেন। এরপর তার বাবা হাতে লিখা কোরআন শরীফ নিয়ে নুদারের মাদরাসার আরবী শিক্ষক মুফতি মুহা.আবদুল্লাহ আল নোমান শরনাপন্ন হন। সেই থেকে নুদারের লেখা শেষে তিনি বানান সংশোধন করে পুনঃনিরীক্ষণ করে দিতেন। তার উৎসাহে ও সহযোগিতায় নুদারের লেখা আরও গতি পায়। পরবর্তীতে পান্ডুলিপি থেকে ১০ পারা করে তিন ভাগে পুর্ণাঙ্গ কোরআন বাঁধাই করা হয়। কোরআন লিখতে ব্যবহার করা হয়েছে ৬১১টি এ ফোর সাইজের সাদা কাগজ ও ৫৫টি বলপেন কলম। মেয়ের এমন সাফল্যে উচ্ছ্বসিত মা-বাবা,দাদা-দাদী সহ এলাকাবাসী। মা-বাবার আশা মেয়ে উচ্চ শিক্ষা অর্জন করে দেশবাসীর কল্যাণে দ্বীনি শিক্ষা প্রসারে কাজ করবে। নুরে জারিন নুদার নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের বসুরহাট পৌরসভার ৯নম্বর ওয়ার্ডের মওদুদ স্কুল এলাকার ছেলামত মঞ্জিলের মো.নুরুল হুদা মামুনের মেয়ে।
নুরে জারিন নুদার বলেন, বাবা-মায়ের উৎসাহে আমি চতুর্থ শ্রেণিতে থাকা অবস্থায় পবিত্র কোরআন মাজিদ লেখা শুরু করি। এরপর পঞ্চম শ্রেণিতে উঠলে আমার লেখা শেষ হয়। আমার এ লেখা দেখে মা-বাবা আমাকে মাদরাসায় পড়া লেখার পাশাপাশি এখন হিফজ বিভাগে ভর্তি করে দেয়। আমি দেশ বাসীর কাছে দোয়া চাই।
নুদারের বাবা মো.নুরুল হুদা, আমি প্রথমে আমার মেয়ের সুন্দর আরবি হাতের লেখা দেখে খুব আনন্দিত হই। আমারও তার শিক্ষকদের উৎসাহে ২০২২ সালের সেপ্টেম্বর মাস থেকে সে কোরআন নিজ হাতে লেখা শুরু করে। যখন এক পারা লেখা সম্পন্ন হতো তখন ইকরা আরাবিয়া মাদরাসার শিক্ষক মুফতি মুহা.আবদুল্লাহ আল নোমান আরবি বানান গুলো যাচাই বাচাই করে পুনঃনিরীক্ষণ করে দিতে। এভাবে ২০২৩ সালের জুলাই মাসে পুরো কোরআন লিখে শেষ হয়। পরে পুনরায় আবার বানান পুনঃনিরীক্ষণ করে ১০ পারা করে তিন ভাগে বাধাই করা হয়। মেয়ের এমন কাজে আমি গর্বিত। এমন কাজে অন্য ছেলে মেয়েরা উদ্ধুদ্ধ হবে বলেও আমি আশা করি।
মা বিবি ফাতেমা বলেন, আমার মেয়ে নিজ হাতে কোরআন লিখেছে, আমরা তাকে উৎসাহ দিয়েছি। লেখার সময় অনেক সময় মনমানসিকতা অন্য রকম হয়ে যেত, তো লিখবো, লিখেনা। আবার মনমানসিকতা ঠিক করে আগ্রহ দিয়ে লিখতে বসত। বিশেষ করে ভালো কাজে শয়তানের প্ররোচনা থাকে। খাতা-কলমে দাগ টানা সহ বিভিন্ন ভাবে তাকে আমি সহযোগিতা করেছি। চার বছর বয়স থেকে সে নিয়মিত নামাজ পড়ে।
ইকরা আরাবিয়া মাদরাসার নাজেমে তালিমাত, মুফতি মুহা.আবদুল্লাহ আল নোমান বলেন, কোরআন লেখার যে প্রাচীন নিয়ম রয়েছে। সে অক্ষরে অত্যন্ত সুনিপুন ভাবে নুদার ১০ মাসের প্রচেষ্ঠায় কোরআন হাতে লিখে সম্পন্ন করেন। ওই সময় আমি তার লেখার তত্বাবধান করি। বোঝার উপায় নেই, এটি হাতে লিখা না, না কম্পিউটারে লিখা। তার লেখা কোরআন পুরোটাই আমি পুনঃনিরীক্ষণ করি।
ইকরা আরাবিয়া মাদরাসা মোহতামিম মাওলানা মোতালেব হোসেন পারভেজ বলেন,নুরানী বোর্ডের সমাপনী পরীক্ষায় নুদার পুরো বাংলাদেশে দশম স্থান অর্জন করে। সে একজন মেধাবী ছাত্রী। তার স্বহস্তে কোরআন লেখার এ কৃতিত্বকে আমরা স্বগত জানাই।
বসুরহাট পৌরসভা ৯নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর এবিএম ছিদ্দিক বলেন, পবিত্র কোরআন হাতে লেখার উদ্যোগ নিয়ে সম্পন্ন করার কাজটি অবশ্যই প্রশংসার দাবিদার। এতো সুন্দর ভাবে কোরআন লিখলেন সেটি আসলেই অবাক হওয়ার মতো ঘটনা। আমি তার উত্তরোত্তর সফলতা কামনা করছি।
মন্তব্য করুন


গতকাল মধ্যরাতে বিশ্ব
ভ্রমণে ঢাকায় এসেছে ওয়ানডে বিশ্বকাপ ট্রফি। ৩ দিনের সফরে আজ ফটোসেশনের জন্য
ট্রফিটি পদ্মা বহুমুখী সেতুতে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। বিকেলে
পদ্মা নদীর পাড়ে রাখা হয় বিশ্বকাপ ট্রফি।
৮ আগস্ট ট্রফি আনা হবে
মিরপুরের শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে।
মিরপুরে সকাল ৯টা থেকে
১২টা পযর্ন্ত ট্রফি থাকবে । এই সময়ে জাতীয় দলের পুরুষ ও নারী ক্রিকেটাররা, বর্তমান
ও সাবেক ক্রিকেটার, বোর্ডের কর্মকর্তা, সংগঠক ও গণমাধ্যমের কর্মীদের সামনে
প্রদর্শন করা হবে।
৯ আগস্ট জনসাধারণের
জন্য ট্রফিটি উন্মুক্ত করা হবে। কোনো টিকিট ছাড়াই দেখবে পারবেন দর্শকরা। এদিন ঢাকার পান্থপথের বসুন্ধরা সিটি শপিং মলে
দর্শকরা দেখতে পারবেন ট্রফিটি। সকাল ১১টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত ট্রফিটি থাকবে
এখানে।
মন্তব্য করুন


নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে ফেরার ম্যাচে সমর্থকদের দুয়োধ্বনি শুনলেন লিওনেল মেসি। অবশ্য এমন অভিজ্ঞতা এবারই প্রথম নয় আর্জেন্টাইন মহাতারকার জন্য। এমন তিক্ত অভিজ্ঞতার সম্মুখীন এখন প্রতিনিয়তই হচ্ছেন। ম্যাচশেষে পিএসজি কোচ এক প্রতিক্রিয়ায় জানালেন, এসবে (দুয়ো) অভ্যস্ত হয়ে গেছেন মেসি।
শনিবার (১৩ মে) রাতে পার্ক দ্য প্রিন্সেসের মাঠে অ্যাজাক্সের বিপক্ষে ৫-০ গোলের বড় ব্যবধানে জিতেছে পিএসজি। জোড়া গোল করেন কিলিয়ান এমবাপে। একবার করে বল জালে জড়িয়েছেন ফাবিয়ান রুইজ ও আশরাফ হাকিমি। অন্য গোলটি আত্মঘাতী। তবে নির্বাসন কাটিয়ে ফেরা মেসি গোল-অ্যাসিস্ট কিছুই পাননি।
শত্রুভাবাপন্ন ঘরের মাঠে প্রত্যাবর্তনের ম্যাচ খেলতে নেমেছিলেন আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ড। যেখানে দুয়ো শোনা এখন এই বিশ্বজয়ী ফরোয়ার্ডের জন্য একরকম স্বাভাবিক হয়ে গেছে। নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই সুর নরম করা প্যারিসিয়ানদের জার্সি গায়ে চাপিয়েছেন তিনি। পার্ক দ্য প্রিন্সেসের মাঠে যতবারই মেসির পায়ে বল গেছে, ততবারই তিনি ‘আল্ট্রাস’ সমর্থকদের দুয়ো শুনেছেন।
তবে ম্যাচশেষে গণমাধ্যমকে গালটিয়ের বলেন, মেসিকে দুয়ো দেওয়া হচ্ছিল। তবে দ্রুতই স্টেডিয়ামের বড় অংশের দর্শকরা লিওর সমর্থনে সরব হয়। এতে দুয়োধ্বনি চাপা পড়ে যায়।'
পিএসজি কোচ আরও যোগ করেন, 'আমার মনে হয়, সে এ ধরনের পরিস্থিতিতে অভ্যস্ত। সে তার ফুটবল ক্যারিয়ারে এমন পরিস্থিতিতে অনেক পড়েছে। তবে আমি আবার বলতে চাই, মেসিকে দেওয়া প্রতিটি দুয়োই সমর্থকদের অনুপ্রেরণাদায়ী চিৎকারে ঢেকে গেছে।'
এদিকে, সমর্থকদের তোপের মুখে পড়লেও সতীর্থদের সমর্থন পেয়েছেন মেসি। খেলা চলাকালে সুয়ারেজের সঙ্গে নেইমারের কথোপকথনের স্ক্রিনশট পরে নিজেদের কথোপকথনের স্ক্রিনশট ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে শেয়ার করেছেন ব্রাজিল তারকা। যেখানে তিনি ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘একসঙ্গে আমাদের বন্ধু লিওনেল মেসিকে দেখছি।’
পরে নেইমারের সেই পোস্টে নিজের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন সুয়ারেজও। স্প্যানিশ ভাষায় সুয়ারেজ লিখেছেন, ‘আমি সব সময় গ্রেটদের সম্মান করি।’ তার এই মন্তব্যের ইঙ্গিতটা স্পষ্ট—মেসি ফুটবল–বিশ্বে কতটা শ্রদ্ধার পাত্র, সেটাই পিএসজির সমর্থকদের মনে করিয়ে দিতে চাইলেন বার্সেলোনার সাবেক তারকা।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশে পাকিস্তানের সাবেক অলরাউন্ডার শহীদ আফ্রিদিকে আগের বিপিএলের মতো এবারও দেওয়া হয়েছে উষ্ণ অভ্যর্থনা।
বাংলাদেশে এসে বাংলাতেও কথা বলেছেন পাকিস্তানের এই তারকা। চিটাগং কিংয়ের মেন্টর হয়ে আসা শহীদ আফ্রিদি বাংলাদেশকে মানেন দ্বিতীয় বাড়ি হিসেবেই।
আজ নিজেদের প্রথম ম্যাচে জিততে পারেনি চিটাগং। খুলনা টাইগার্সের বিপক্ষে ৩৭ রানে হেরেছে তারা। এতে অবশ্য খুব বেশি সমস্যা দেখছেন না শহীদ আফ্রিদি। বোলিংয়ের ওপর গুরুত্ব দেওয়ার কথা জানিয়েছেন তিনি। সঙ্গে বাংলাদেশ নিয়েও বলেছেন কথা। জানিয়েছেন এই দেশ থেকে পাওয়া সম্মানের কথাও।
শহীদ আফ্রিদি বলেন, ‘আমি সব সময় বলি, বাংলাদেশ আমার দ্বিতীয় বাড়ি। এটিকে সব সময়ই আমি দ্বিতীয় বাড়ি হিসেবে দেখি। কারণ এখানে আমি অনেক ক্রিকেট খেলেছি। এখানের মানুষ ক্রিকেটের ব্যাপারে প্যাশনেট। বাংলাদেশ থেকে আমি অনেক সম্মান পেয়েছি। পাকিস্তানের হয়ে ও ভিন্ন ভিন্ন ফ্যাঞ্চাইজির বিপিএলে কয়েক আসরে আমার দারুণ স্মৃতি আছে। সব মিলিয়ে অভিজ্ঞতা খুব ভালো। এখনো উপভোগ করছি। ’
মন্তব্য করুন


ঐতিহ্যবাহী জব্বারের বলী খেলায় চ্যাম্পিয়ন
কুমিল্লার বাঘা শরীফ বলী।
বৃহস্পতিবার (২৫ এপ্রিল) বিকেলে অনুষ্ঠিত
জব্বারের বলী খেলার ১১৫তম আসরের ফাইনালে মুখোমুখি হয় কুমিল্লার বাঘা শরীফ ও রাশেদ।
ফাইনালে প্রায় ১১ মিনিট
লাড়াইয়ের পর কুমিল্লার
বাঘা শরীফের কাছে হার মানতে হয় রাশেদের।
এর আগে প্রথম সেমিফাইনালে মুখোমুখি
হয়ে রাঙামাটির সৃজন চাকমাকে হারিয়ে ফাইনালে যান রাশেদ। দ্বিতীয় সেমিফাইনালে রাসেলের
এর প্রতিপক্ষ ছিলেন কুমিল্লার
বাঘা শরীফ।
এদিকে
তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে জয় পান সৃজন চাকমা। এর আগে বিকেল চারটায় শুরু হয় বলী
খেলার ১১৫ তম আসর। এতে অংশ
নেন ৮৪ জন বলী ।
মন্তব্য করুন


প্রাইম ব্যাংক জাতীয় স্কুল ক্রিকেট টুর্ণামেন্ট ২০২৩-২৪ কুমিল্লা হাই স্কুল চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। শনিবার কুমিল্লা শহীদ ধীরেন্দ্রনাাথ দত্ত স্টেডিয়ামে কুমিল্লা মডার্ণ স্কুল ও কুমিল্লা হাই স্কুলের মধ্যে স্কুল ক্রিকেটের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়।
ফাইনাল খেলায় কুমিল্লা মডার্ণ স্কুলের সাথে ৭৪ রানে জয় পায় কুমিল্লা হাই স্কুল। ফাইনাল খেলায় ম্যান অব দ্যা ম্যাচ হয় কুমিল্লা হাই স্কুলের খেলোয়াড় ফাইজুল হক ফাহিম ও ম্যান অব দ্যা টূর্ণামেন্ট হয় কুমিল্লা হাই স্কুলের খেলোয়াড় ইবনে ফাহিম আফিফ।
গত ৬ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার প্রাইম ব্যাংক জাতীয় স্কুল ক্রিকেট কুমিল্লা ভেন্যুর খেলা শুরু হয়। স্কুল ক্রিকেটের আসরে কুমিল্লার ৮টি স্কুল অংশ নেয়।
শনিবার বিকেলে প্রাইম ব্যাংক জাতীয় স্কুল ক্রিকেট টুর্ণামেন্টে বিজয়ী ও বিজীতদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি কুমিল্লা জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারন সম্পাদক নাজমুল আহসান ফারুক রোমেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রাইম ব্যাংক কুমিল্লা শাখার এক্সিকিউটিভ অফিসার কামাল হোসেন, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য দেলোয়ার হোসেন জাকির, জেলা ক্রিকেট কোচ হাবিব মোবাল্লেগ জেমস, কোচ সারোয়ার জাহান ও অংশগ্রহণকারী স্কুলগুলোর ক্রীড়া শিক্ষকগণ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন